পরপর ভুল পদক্ষেপ নাকি সময়ের খেল? যে ভাবে বাংলার রাজনীতিতে ফিকে হলেন মুকুল রায়

বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে মুকুল রায়ের মত বড় মাপের নেতার সংখ্যা খুব কম। একটা সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত হিসেবে পরিচিত হতেন তিনি। বিগত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ভালো প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছিলেন মুকুল রায়। তবে, একটা সময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই রাজনৈতিক নেতার বর্তমান রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রীতিমতো দোলাচলে। তার কারণ অবশ্য তিনি নিজেই। দল পরিবর্তন থেকে শুরু করে বিধায়ক পদ নিয়ে বিতর্ক, একাধিক ইস্যুতে জর্জরিত, এবং সর্বপোরি শারীরিক সমস্যায় জর্জরিত মুকুল রায়ের রাজনৈতিক কেরিয়ার প্রায় শেষের পথে। একটা সময় যে তৃণমূল তাঁকে পুরোপুরিভাবে নিজেদের রাজনৈতিক চাণক্য হিসেবে বিবেচনা করত, সেই তৃণমূলের থেকেই উঠেছে মুকুলকে গ্রেফতারের অভিযোগ। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনেও মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলের অন্যতম ফ্যাক্টর। পশ্চিমবঙ্গের ছোট্ট একটি টাউন থেকে উঠে এসে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে। তাঁর মতো ঠাণ্ডা মাথার রাজনৈতিক বুদ্ধিদীপ্ত মানুষ সত্যিই ভারতে খুব কম, কিন্তু তবুও কী ভাবে ধীরে ধীরে ক্ষয়িষ্ণু হতে শুরু করলেন মুকুল রায়? একসময়ের বঙ্গ রাজনীতির বড় ফ্যাক্টর থেকে কী ভাবে আজ কিছুটা ব্রাত্যই হয়ে গেলেন মমতার এই সৈনিক?

পশ্চিমবঙ্গের অত্যন্ত ছোট একটি শহর থেকে নিজের রাজনৈতিক জীবন শুরু করলেও তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন বড় কিছু হবার। লোকজন টানার ক্ষমতা কিংবা ব্যক্তিগত ক্যারিশমা কোনোদিনই তাঁর তেমন একটা ছিল না। নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে গেলে লোক টানার ক্ষমতা সবার আগে প্রয়োজন। অথচ তিনি কখনোই গতানুগতিক রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চাননি। বরং তাকে চিরকালই দেখা গিয়েছে ব্যাকরুম অপারেশনের কর্তাধর্তা হিসেবে। তিনি নিজে খুব ভালো করেই জানতেন, তাঁর নিজস্ব কোন গ্ল্যামার নেই, নিজের বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি খুব একটা কাউকে প্রভাবিত করতে পারেন না, টিভি কিংবা সংবাদপত্র কোথাও তাঁর প্রভাব তেমনভাবে ছিল না। বুদ্ধিমান এই রাজনীতিবিদ বুঝেছিলেন, যদি তাকে বাংলা রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে হয়, তাহলে ঠান্ডা মাথায় ভালোভাবে নিজের তাস চালতে হবে। হয়ে উঠতে হবে চাণক্যের মতো।

যুব কংগ্রেসের সময় থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক তার বেশ ভালই। এমনকি, ১৯৯৮ সালে মমতা যখন কংগ্রেস ছেড়ে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলেন, তখন থেকেই মমতার ছায়াসঙ্গী হিসেবে ছিলেন মুকুল। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মুকুল রায়। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং বামফ্রন্টকে হারিয়ে মমতার উত্থানে অন্যতম ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন মুকুল। কিছুদিনের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত কাছের মানুষ হয়ে যান মুকুল রায়। এমনকী, ২০১২ সালে যখন কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায়, তখন দীনেশ ত্রিবেদীকে সরিয়ে মুকুল রায়কে রেলমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করতে কংগ্রেস সরকারকে রীতিমতো বাধ্য করেছিলেন মমতা। একটা সময় ছিল যখন তৃণমূলে ছিল দুটি পাওয়ার সেন্টার। একটা দিকে থাকতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, তাদের মন জয় করা এই দিকটা সামলাতেন মমতা। অন্য দিকে ছিলেন মুকুল, যিনি দলের ক্যাডার-কর্মীদের তৈরি করতেন নির্বাচনের জন্য। কয়েক বছর বেশ ভালোই চলল। কিন্তু, পরপর দুটি মামলায় মুকুল রায়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ার পরেই রাজনৈতিক মানচিত্রে মুকুল রায়ের অবস্থান যেন মুহূর্তের মধ্যেই পাল্টে গেল।

২০১৫ সালে একসঙ্গেই সারদা এবং নারদা কাণ্ডে অভিযোগ ওঠে মুকুল রায়ের উপরে। সেই সময় বঙ্গ রাজনীতিতে অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল। তখন থেকেই মমতার সঙ্গে মুকুলের সমস্যার সূত্রপাত। আর এই সংঘাতের আগুনেই ঘি ঢালার কাজ করল জনপ্রিয় বাংলা সংবাদমাধ্যমের একটি কভার স্টোরি। তখন মুকুল তৃণমূলের দু-নম্বর জায়গায় আছেন (এক নম্বরে অবশ্যই মমতা)। কিন্তু সেই সময়ই বিভিন্ন মিডিয়া মুকুল রায়ের নামের পাশে যোগ করতে শুরু করলো 'বঙ্গেশ্বর' বিশেষণটি। অতুল্য ঘোষের পরে প্রথম মুকুলের নামের পাশেই এই 'বঙ্গেশ্বর' বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খুব একটা পছন্দ হয়নি। ক্রমে তড়িঘড়ি নৌকো বদল করে বিজেপিতে চলে এলেন মুকুল, যা তৃণমূলের জন্য একটি বিশাল বড় ধাক্কা ছিল।

বিজেপিতে মুকুল

তবে তৃণমূল থেকে বিতাড়িত হয়ে বিজেপিতে যোগদানের আগে মুকুল রায় অন্যরকম কিছু করার চেষ্টা করেছিলেন। সেপ্টেম্বরে তৃণমূল ত্যাগের পর অক্টোবর রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে দিলেন মুকুল রায়। কিন্তু ততক্ষণে নতুন দল করে ফেলেছেন তিনি। নাম দিয়েছেন ন্যাশনলিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস। তার সঙ্গে সেই সময় ছিলেন অমিতাভ মজুমদার। তবে মুকুল রায়ের সেই নতুন দল খুব একটা বেশিদিন থাকেনি। নভেম্বরেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন মুকুল রায়। যারা একটা সময় মুকুল এর বিরোধিতা করতেন তারাও মানেন, মুকুলের মতো রাজনৈতিক ম্যানেজার পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে খুবই কম। মুকুল রায় হলেন এমন নেতা যিনি একেবারে নিচুস্তর পর্যন্ত সকলের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারেন।

তবে, প্রথম দিন থেকেই বিজেপিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে শুরু করেছিলেন মুকুল রায়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির ছড়িয়ে পড়ার পিছনে অন্যতম ভূমিকা নিয়েছিলেন মুকুল রায়। তবে, বিজেপিতে তার একটু মনোক্ষুন্ন হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হবার বাসনাকে আমল দেন না। কৈলাস বিজয়বর্গীয় প্রথম থেকেই চেয়ে ছিলেন মুকুল রায় যেন বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন। কিন্তু, তার উপরে প্রথম থেকেই জালিয়াতির মামলা চলছে, তাই তার আর্জি সম্পূর্ণ খারিজ হয়ে যায়। তবে, সেপ্টেম্বর ২০২০ তে বিজেপিতে তার অবস্থান পরিবর্তন হতে থাকে। মুকুল রায় নির্বাচিত হন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি হিসেবে। তবে, মুকুল রায়ের পদোন্নতি সমস্যা সৃষ্টি করে রাজ্য বিজেপির বিভিন্ন স্তরে। এমনকি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা রীতিমতো আক্রমণ করেন মুকুল রায়ের উপর। রাহুল সিনহা সেই সময় বলেছিলেন, "আমি বিজেপিকে ৪০ বছর দিয়েছি আমার জীবনের। কিন্তু অবশেষে আমি কি পেলাম? তৃণমূল থেকে একজন নেতা এলেন আর আমার দল আমাকে ভুলে গিয়ে তাকে পুরস্কার দিতে শুরু করল।"

বিজেপিতে মন বসল না মুকুল রায়ের। দলের বহু কর্মসূচিতে তাঁকে গা ছাড়া ভাবে অংশ নিতে দেখা যেত। সেই সময় থেকে বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তার মান-অভিমানের পালা শুরু। শোনা যায়, মুকুল রায় বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই চাননি।  কিন্তু তবুও তাকে কৃষ্ণনগর আসন থেকে প্রার্থী করে বিজেপি। জয়লাভ করলেও, প্রচারের সময় থেকেই মুকুল রায় কিছুটা পিছিয়ে আসার শুরু করেছিলেন। যদিও ততক্ষনে বিজেপিতে চলে এসেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর যৌথ প্রচেষ্টায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলো বিজেপি। সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করে নন্দীগ্রাম আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করলেন শুভেন্দু। লাইমলাইট ধীরে ধীরে মুকুলের কাছ থেকে সরতে শুরু করলো। তখনই একটা মোক্ষম চাল দিলেন মমতা। যেই সময় শুভেন্দু এবং দিলিপের আগমনে পিছিয়ে পড়তে শুরু করেছেন মুকুল, সেই সময়ই নিজের পুরনো সঙ্গীর প্রতি কিছুটা নরম মনোভাব পোষণ করলেন মমতা। একজন প্রবীণ তৃণমূল নেতা বলেছিলেন, "বিষয়টা এমন নয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুলের এই সিদ্ধান্তে কিছু মনে করেননি। কিন্তু, মুকুল রায় শুভেন্দু অধিকারীর মত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা কখনো করেননি। তাই তিনি মুকুরের প্রতি নরম হয়েছিলেন।" কৃষ্ণনগর আসন থেকে বিজেপির হয়ে জয়লাভ করলেও ততক্ষনে বিজেপির প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছে মুকুলের। নির্বাচনের মুখে দলবদল নিয়ে খুব একটা মুখ না খুললেও, নির্বাচনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই দলবদল করেন মুকুল। চলে আসেন ফের তৃণমূলে।

তৃণমূলের সঙ্গে সেকেন্ড ইনিংস

মুকুল রায় প্রথম থেকেই চেয়েছিলেন যেন তিনি বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। কিন্তু সেরকমটা হলো না, তার কফিনে শেষ পেরকের কাজ করল শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়া। বিজেপিকে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত দেওয়ার পিছনে মুকুল রায়ের অভূতপূর্ব ভূমিকা ছিল। কিন্তু, তাঁকে সামনে না এনে শুভেন্দু অধিকারীকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করল বিজেপি। পর্যবেক্ষকরা বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদানের পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বেশ কাছের লোক হয়ে উঠতে শুরু করেছিলেন। বিষয়টা খুব একটা ভালো চোখে দেখেননি মুকুল রায়। এমনকী শোনা যায় দিলীপ ঘোষের মতো নেতাদেরও শুভেন্দুর এই আগ বাড়িয়ে খেলাটা খুব একটা পছন্দ হয়নি। অন্য দিকে, সেই সময় মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ও করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই মুহূর্তে মুকুলের পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে ছিলেন। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে সেই সময় তেমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কিন্তু মমতার ভাইপো অভিষেক নিজে গিয়ে মুকুল রায়ের সঙ্গে দেখা করে এসেছিলেন, যা মুকুলের তৃণমূলে যোগদানের জন্য ছিল যথেষ্ট।

তারপরেই, ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূলে ফিরে আসেন মুকুল। তাকে বরণ করে নেন অভিষেক। কিন্তু, তৃণমূলে চলে আসার পর পরেই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। বিজেপি দাবি করে, মুকুলকে বিধায়ক পদ ছাড়তে হবে। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় এর ঘরে শুরু হয় মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে শুনানি। একের পর এক যুক্তি দেখান শুভেন্দু অধিকারী। তার পাল্টা যুক্তিও আসে মুকুল রায়ের তরফ থেকে। কিন্তু, তার মধ্যেই মারা যান মুকুলের শ্রী কৃষ্ণা রায়, যা মুকুল রায়কে মানসিকভাবে আঘাত দিয়ে গিয়েছিল। সেই সময় তাঁকে খুব একটা রাজনৈতিক ময়দানে দেখাও যেত না। হয়তো স্ত্রীর মৃত্যুর পরে তিনি মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙেও পড়েছিলেন, যার জন্য মাঝেমধ্যেই অসংলগ্ন কথা বলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। শারীরিক ভাবেও মুকুল খুব একটা সুস্থ ছিলেন না। বিধানসভা কমিটির সদস্য হিসেবেও তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধিতার ঝড় ওঠে। কিন্তু এই সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যায়, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি রায়। অধ্যক্ষ ঘোষণা করেন, মুকুল নাকি এখনো বিজেপিতেই আছেন! তিনি তৃণমূলে যোগদান করেনইনি।

এ হেন রায় ঘোষণার পরে বিতর্ক শুরু হয় অভয় মহল থেকেই। রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। মুকুল রায়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। তিনি আদৌ কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য? তিনি কি মনে প্রানে এখনো বিজেপিতে আছেন, তাই মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন বক্তৃতায় তৃণমূলের জায়গায় বিজেপির নাম নেন? নাকি, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের রায় ত্রুটিপূর্ণ? সর্বোপরি, এত বিতর্ক হবার পরেও মুকুল রায় কোনোভাবেই মুখ খুলতে নারাজ কেন? মুকুলের এই রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরাও। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মুকুলের গ্রেফতারির পর্যন্ত দাবি করেন। এই পরিস্থিতিতে মুকুলের অবস্থান কী হবে? তিনি কি বিধায়ক পদ ছাড়বেন? নাকি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা করবেন? তৃণমূল কতদিন তার প্রতি সহায় থাকবে? সর্বোপরি, বঙ্গ রাজনীতিতে কি আর কোনোদিন কোন প্রভাব ফেলতে পারবেন মুকুল? সবটাই নির্ভরশীল মুকুলের পরবর্তী পদক্ষেপগুলির উপরে।

More Articles

;