কেন '৪০০ পার' বলছে বিজেপি? ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর

Lok Sabha Election 2024: আসলে মোদির এই দাবির পিছনে রয়েছে অন্য কারণ। পিকের মতে, ভোট ময়দানে বিরোধীদের মনঃস্তত্ত্বের সঙ্গে খেলছেন মোদি আসলে। মোদির এই স্লোগান আসলে বিরোধীদের নার্ভাস সিস্টেমের উপর চাপ তৈরি করার কৌশলমাত্র।

Sohini Das
৩ মিনিট
কেন '৪০০ পার' বলছে বিজেপি? ফাঁস করলেন প্রশান্ত কিশোর

ভোটের আর দেরি নেই। যুদ্ধে লড়ার জন্য প্রায় সকলেই প্রস্তুত। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। দিল্লির মসনদের লড়াই বলে কথা। প্রায় সমস্ত রাজ্যেই কোমর বেঁধেছে বিরোধীরা। কেন্দ্রে জয় নিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত বিজেপি সরকার। এদিকে বিজেপিকে হঠাতে একজোট হয়েছে দেশের একগুচ্ছ বিরোধী দল। তবে ভোট ঘোষণা হতে না হতেই হাওয়া বদলেছে। সমীকরণ বদলেছে। কী হতে চলেছে এই লোকসভা ভোটের ফলাফল। এ ব্যাপারে এর আগেই নিজের মতামত প্রকাশ করেছিলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর।

ভোটের ময়দানে প্রশান্ত কিশোর বরাবরই যেন কুরুক্ষেত্রের কৃষ্ণ। তাঁর পক্ষ যার পাশে, তার জয় একপ্রকার নিশ্চিত। ভোটবাজারের সেই চাণক্য অবশ্য ভোটকুশলীর কাজ ছেড়েছেন অনেকদিন। খাতায় কলমে ছেড়েছেন তাঁর সংস্থা আইপ্যাকের কাজকর্মও। তবে ভোটের জটিল অঙ্ক বুঝতে আজও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। সেই প্রশান্ত কিশোরের লোকসভা ভোট সম্পর্কে পূর্বাভাস বলছে, জিততে চলেছে বিজেপিই।

'আবকে বার মোদি সরকার' বলে বলে কংগ্রেসের হাত থেকে একদিন ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল বিজেপি। এবার সেই স্লোগান সামান্য পাল্টেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলছেন, 'আবকে বার চারশো পার'। সম্প্রতি এমন সম্ভবনার কথাই ফের জানিয়েছেন তিনি। তৃতীয় মেয়াদ থেকে খুব সামান্যই দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছে মোদি সরকার, আর তেমন আশাই প্রকাশ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা তো বটেই, চারশো আসনে জিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গড়বে মোদি সরকার, তেমনটাই জানিয়েছিলেন তিনি। বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন, আর এনডিএ জোট পেতে চলেছে চারশোটি আসন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেজরিওয়ালই শেষ নয়, আপকে শেষ করতে বিজেপির যে ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করলেন অতিশী

AAP Minister Atishi Marlena: অতিশী বলছেন, বিজেপি চাইছে আগামী ২ মাসের মধ্যে, লোকসভা নির্বাচনের আগে আম আদমি পার্টির আরও চার নেতাকে গ্রেফতার করতে।

আর মোদির সেই দাবি নিয়ে কী বলছেন ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোর? এই লোকসভা ভোটে চারশো আসন পেরোনোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির জয় নিয়ে নিশ্চিত হলেও বিজেপির সেই লক্ষ্যমাত্রা কতটা পূরণ হতে চলেছে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান পিকে। প্রখ্যাত এই ভোটকুশলীর মতে, বিজেপির একক ভাবে ৩৭০ আসন জয়ের সম্ভাবনা কিন্তু আদতে খুব কম। মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে চারশো আসন জয়ের এই স্বপ্ন বিজেপির, আসলে ইউটোপিয়া বলেই মনে করছেন পিকে।

আসলে মোদির এই দাবির পিছনে রয়েছে অন্য কারণ। পিকের মতে, ভোট ময়দানে বিরোধীদের মনঃস্তত্ত্বের সঙ্গে খেলছেন মোদি আসলে। মোদির এই স্লোগান আসলে বিরোধীদের নার্ভাস সিস্টেমের উপর চাপ তৈরি করার কৌশলমাত্র। তেমনটাই মনে করছেন ভোটকুশলী পিকে। তবে এই ভোটে গত নির্বাচনের তুলনায় হাসতে হাসতে আরও ১০-২০ শতাংশ আসনে জিতে আসবে বিজেপি। ২০১৯ সালের ভোটে ৩০৩টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। তবে আরও সত্তরটি আসন দখলে আনা এই মুহূর্তে বিজেপির পক্ষে কঠিন বলেই মনে করছেন এই ভোটগুরু।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বাচনে লড়ার টাকা নেই খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলার! সম্পত্তির খতিয়ান বলছে যে কথা

Nirmala Sitharaman BJP: নির্মলা বলছেন, "আমার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো টাকা নেই। অন্ধ্রপ্রদেশ হোক বা তামিলনাড়ু হোক, দুই ক্ষেত্রেই আমারও সমস্যা আছে।"

একটু ভেবে দেখলেই বোঝা যাবে, মোদি আসলে জনমানসের ধারণাকেই বদলে ফেলতে সফল হয়েছে এই একটি মাত্র স্লোগানের মাধ্যমে। মানুষের কাছে এই মুহূর্তে বিজেপি জিতবে কিনা সেটা বড় প্রশ্ন নয়। বরং তাঁরা ৩৭০টি আসনে জিতবে কিনা সেটাই বেশি জরুরি প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মুহূর্তে। আর সেই কাজটাই দক্ষতার সঙ্গে করেছে বিজেপি। ফলে এটাকে তাদের একটা মনঃস্তাত্ত্বিক চাল বললে ভুল হয় না।

কিন্তু আদতে ৩৭০ নম্বর পেরোনোর যে দাবি করছে বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদি, তা মোটেই বাস্তব নয় বলেই মনে করছেন প্রশান্ত কিশোর। অনেকেই মনে করেছিল, নীতীশের এনডিএ-তে প্রত্যাবর্তনে বড়সড় ফায়দা হতে চলেছে বিজেপির। তবে পিকে-র মতে বিহারে আদতে তেমন লাভের মুখ দেখবে মোদি-শাহেরা।

আগামী ১৯ এপ্রিল দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে লোকসভা ভোট। রামমন্দির তৈরি থেকে শুরু করে তার এলাহি উদ্বোধন, ভোটের বাজারে সেই সমস্ত কিছু দিয়ে একটা হিন্দুত্ববাদী হাওয়া তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন মোদি। যার জোরে প্রায় শূন্য বাজেট নিয়েই আত্মবিশ্বাস দেখাতে পেরেছিল বিজেপি সরকার। সবই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু মধ্যিখানে বাধ সাধল ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতির সামনে আসা। যা থেকে জনগণের মাথা ঘোরাতে তড়িঘড়ি সিএএ চালু করে দিল শাহের দফতর। সেই নিয়েও আবার বিরোধিতার মুখে পড়তে হয় বিজেপিকে। ইতিমধ্যেই একাধিক অবিজেপি রাজ্যে কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে ধড়পাকড় চালানোর অভিযোগ উঠছে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিছুদিন আগে জেলে গিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। যদিও ঝাড়খণ্ডে তেমন করে দাঁত বিঁধোতে পারেনি বিজেপি। দিল্লিতেও মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছাড়েননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে ভোটের ফল কী হতে চলেছে সেই সব রাজ্যে, তা ভাবাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।

একই সঙ্গে এ রাজ্যে বিজেপির ফল ভালো হবে বলেই একরকম ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন পিকে। এ রাজ্যে তাদের ফল তৃণমূলের চেয়ে ভালো হবে বলেই মনে করছেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক অভাবনীয় ফল আসতে চলেছে, যেটা বিজেপির পক্ষে যাবে। এছাড়া দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আখছার সফর বিজেপির জন্য ভাল ইঙ্গিত বলেই মনে করেন পিকে। একদিক থেকে জয়ের পাল্লা যে বিজেপির দিকেই ঝুঁকে, তা একপ্রকার নিশ্চিত ভাবেই বলে দিয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। বাংলা ছাড়াও বিহার, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও কেরলেও বিজেপির আসনসংখ্যা বাড়বে হলে মনে করছেন পিকে। তবে চারশো কেন, ৩৭০ আসন জয়ের চ্যালেঞ্জ কতটা পূরণ করতে পারবে বিজেপি, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে বলেই মনে করছেন ভোটময়দানের কৃষ্ণ প্রশান্ত কিশোর।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।