মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন? নাকি, শেষ মুহূর্তে মোক্ষম চাল দেবেন নীতীশ-নাইডু?

Nitish Kumar & Chandrababu Naidu: নীতীশ কতবার বিজেপিতে এসেছেন আর গিয়েছেন তার হিসেব মনে হয় নীতীশ নিজেও রাখা ছেড়ে দিয়েছেন।

inscript
৪ মিনিট
মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন? নাকি, শেষ মুহূর্তে মোক্ষম চাল দেবেন নীতীশ-নাইডু?

৪০০ পেরোল না, ৩৭০-ও পেরোল না। সংখ্যাগরিষ্ঠতাও জুটল না বিজেপির। এনডিএ জোট সব মিলিয়ে এখনও ২৯৩ টি আসনে জিতেছে। ২৭২ ম্যাজিক ফিগার। ফলে এনডিএ জোট সরকার গড়তেই পারে, যদি সমস্ত জোটসঙ্গী মোদির হাত ধরেন। এই মুহূর্তে ভারতীয় রাজনীতির গেমচেঞ্জার হতে পারেন দু'জন। তাঁদের একজনকে আট মাস আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। দুর্নীতির দায়ে ২ মাস জেলও খেটেছেন। আরেকজনের তো নামই পল্টুরাম। রাজনীতিতে যখন তখন, যেখানে সেখানে তিনি ডিগবাজি খেতে ওস্তাদ! এই দু'জন এবারের লোকসভা নির্বাচনে কিংমেকার হয়ে উঠবেন। বিজেপি নিখুঁত সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়াতে এখন এই দুই মানুষের সাহায্য দরকার মোদির। এই দুই নেতা হলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এবং জেডিইউর প্রধান নীতীশ কুমার এবং তেলেগু দেশম পার্টির নেতা এন চন্দ্রবাবু নাইডু।

টিডিপি অন্ধ্রপ্রদেশে একাই ১৬ টি আসন জিতেছে। মোট ২৫ টি আসনের মধ্যে এনডিএর ২১ টি আসনে জিতেছে অন্ধ্রপ্রদেশে। বিহারে নীতীশ কুমারের জেডিইউ পেয়েছে ১৫ টা আসন, বিজেপি ১২ টি আসন জিতেছে। যত বেলা গড়িয়ে সন্ধে নেমেছে ভোটের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। ইন্ডিয়া জোট চমকে দেওয়া ফল করেছে নিঃসন্দেহে। বিজেপিকে কাঁটায় কাঁটায় টক্কর দিয়েছে তারা। বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার নেতারা এবার সংখ্যাগরিষ্ঠদের একত্রিত করার প্রচেষ্টায় ভারতীয় রাজনীতির এই দু'জন প্রবীণ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে জানা যাচ্ছে। কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলছেন, কিছুই এখনও নিশ্চিত নয়। তবে ইন্ডিয়া জোটের অন্য শরিকদের সঙ্গে সবটা আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইন্ডিয়া জোট এখনও ২৩৩ টি আসন জিতেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে ৩৯ টি আসন কম। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯১ টি আসন জিতেছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে ১৯ টি বেশি আসন। এই ১৯ টির মধ্যে ওয়াইএসআরসিপি এবং নির্দল চারজন রয়েছেন। সুতরাং, যদি ইন্ডিয়া জোট ক্ষমতায় আসতে চায় তবে তাদের সঙ্গে নিতে হবে জেডিইউ, টিডিপি এবং কিছু নির্দলদেরও। অন্যদিকে বিজেপি ক্ষমতায় থাকতে চাইলে অবশ্যই তাদের এই সঙ্গীদের যে কোনও মূল্যে ধরে রাখতে হবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রায়বরেলি কংগ্রেসেরই! দুই আসনেই যেভাবে ব্যাপক জয়ের মুখে রাহুল গান্ধি!

Rahul Gandhi Lok Sabha Results 2024: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ এই মুহূর্তে ২৯১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ২৩৩ টি আসনে।

কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়্গে নতুন জোটসঙ্গীদের একত্রিত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। নতুন জোটসঙ্গীরা যদি ইন্ডিয়ার সঙ্গে জুড়তে চান, তাহলে বিজেপি বিপদে পড়বে। কিন্তু চন্দ্রবাবু নাইডু আর নীতীশ কি জুড়বেন?

নীতীশ কতবার বিজেপিতে এসেছেন আর গিয়েছেন তার হিসেব মনে হয় নীতীশ নিজেও রাখা ছেড়ে দিয়েছেন। ইন্ডিয়া জোটে ছিলেন তিনি। মনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনাও ছিল। কিন্তু ইন্ডিয়া জোটে মাথাদের ভিড়। ফলে ইন্ডিয়া জোট ছেড়ে শেষ মুহূর্তে পল্টুরাম চলে আসেন এনডিএ -তে। বিহারে কয়েক দশক ধরে এনডিএ জোটকে এগিয়ে নিয়ে গেছিলেন তিনি। অথচ এই শেষবারের দলবদলে নীতীশ কুমারকে কম সংখ্যক আসন নিয়েই খুশি থাকতে হয় কারণ বিজেপি ততক্ষণে স্পষ্ট করে দেয় যে এই জোটে তারাই মূল দল। এবার লোকসভায় জেডিইউয়ের হাতে আছে ১৫ টি আসন। তারা ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিলে ইন্ডিয়ার আসন বাড়বে।

এক দশকে পাঁচবার ডিগবাজি খেয়েছেন নীতীশ। ১৯৯৪ সালে নীতীশ তৎকালীন জনতা দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জর্জ ফার্নান্দেজের সঙ্গে সমতা পার্টি গঠন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বিজেপিতে চলে যান এবং অটল বিহার বাজপেয়ীর মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হন। ২০০৩ সালে শরদ যাদব এবং লালু প্রসাদ যাদব জোট ভেঙে আরজেডি গঠন করেন। নীতীশ ঠিক করেন তাঁর সমতা পার্টিকে জনতা দলের সঙ্গে মিলিয়ে দেবেন এবং নতুন জোটের নাম হবে জনতা দল (ইউনাইটেড)।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আসন ভাগ করতে চাননি রাজ্যে, এবার কি ইন্ডিয়া জোটের মাথা হতে চাইবেন মমতা?

Mamata Banerjee Lok Sabha Election 2024: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের যোদ্ধা, বহরমপুরের 'রবিনহুড' অধীর নাকি আসলে কংগ্রেসই নন, তিনি একজন বিজেপি।

নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক দশকের বহুবার দল বদলেছেন নীতীশ। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদিকে যখন বিজেপি প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করে, তখন নীতীশ এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করে বলেছিলেন তাঁর দল ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে। ২০১৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে নীতীশ তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল এবং কংগ্রেসের সঙ্গে প্রথম 'মহাগঠবন্ধন জোট' গঠন করেন। এই মহাজোট ১৭৮টি আসনে জয়লাভ করে এবং সরকার গঠন করে।

২০১৭ সালেই IRCTC কেলেঙ্কারিকে ঘিরে এই 'মহাগঠবন্ধন' ত্যাগ করেন নীতীশ। জোট ছেড়ে আবার এনডিএ-তে যোগ দেন এবং বিজেপির সমর্থনে আবারও মুখ্যমন্ত্রী হন। তখনই আরজেডি নেতারা নীতীশকে প্রথম 'পল্টুরাম' বলে ডাকতে শুরু করেন।

২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে এই জোটটির সঙ্গেও সমস্যা হয় নীতীশের। বিজেপি নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চায়নি কারণ জেডিইউ-এর বিধানসভা আসন ২০১৫ সালে ছিল ৭১, ২০২০ তে তা কমে দাঁড়ায় ৪৩!। অন্যদিকে বিজেপির আসন ৫৩ থেকে বেড়ে হয় ৭৪। নীতীশ আশঙ্কা করেছিলেন যে বিজেপি জেডি(ইউ) নেতা এবং তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আর.সি.পি. সিংকে ব্যবহার করে তাঁর দল ভাঙাতে পারে।

২০২৪ সালে নীতীশের মূল সমস্যা হয় আরজেডির সঙ্গেই। লালুর কন্যা রোহিণী আচার্য বলেন, হাওয়া যেদিকে বয় নীতীশের আদর্শ সেদিকেই বেঁকে যায়। সেই থেকেই শুরু হয় তিক্ততা। ইন্ডিয়া জোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা করতে ঢিলেমি এবং বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে নীতীশ কুমারকে তুলে না ধরাতে এবছর বিজেপির হাত ধরেন পল্টুরাম।

নীতীশ কুমারের জেডিইউ এবং বিজেপি ২০১৯ সালে বিহার লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিল৷ কর্পুরী ঠাকুরকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা এবং নীতীশের আবার এনডিএ-র সঙ্গে বন্ধুত্ব সব একই সারিতে৷ বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পুরী ঠাকুরকে যেই ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় জনতা পার্টি, তারপরেই নীতীশ নিজের আনুগত্য পরিবর্তনের দিকে ঝোঁকেন। নীতীশ কুমার ১৯৯৬ থেকে এই দলবদলের ধারা জারি রেখেছেন। কিন্তু নিজের রেকর্ড ভাঙতে দেননি। নবমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রীর আসনটি ধরে রেখছেন তিনি।

অন্যদিকে, ২০১৯ সালে তিনটি আসন জিতেছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। এই বছর ১৯ টি আসন জিতেছেন তিনি। চন্দ্রবাবু নাইডুর এই প্রত্যাবর্তন তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতোই। টিডিপির কাঁধে ভর করে বিজেপিও এই রাজ্যে তিনটি আসন জেতে যে রাজ্যে তাঁদের কোনও ভিত্তিই নেই। টিডিপি বিধানসভা নির্বাচনেও ব্যাপক জয়লাভ করেছে। ১৯৯০-এর দশকের জোটের যুগে এইচডি দেবেগৌড়া এবং ইন্দ্রকুমার গুজরালকে মুখ্যমন্ত্রী করার নেপথ্যে ভূমিকা ছিল চন্দ্রবাবুর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চন্দ্রবাবু নাইডুর রাজনৈতিক বন্ধুবর্গ কম নয়। ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গে জু জুড়বেন তিনি? তাঁর পুত্র নারা লোকেশ সহ বরিষ্ঠ টিডিপি নেতারা বলেছেন, তারা এনডিএ-র সঙ্গেই থাকবেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তো নেবেন চন্দ্রবাবুই। তাতে ইন্ডিয়া জোট বিপাকে ফেলবে বিজেপিকে। বন্ধুর হাত কি ছেড়ে দেবেন চন্দ্রবাবু? ইতি টানবেন মোদি জমানায়?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।