সারছে এইডসও! চিকিৎসাজগতে বিপ্লব, তুলকালাম বিশ্বজুড়ে

অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন কীভাবে ক্যানসার এবং এইডস নিরাময়ের মতো অসাধ্যসাধন করতে পারে, জেনে নেওয়া যাক।

Madhurima Pattanayak
৩ মিনিট
সারছে এইডসও! চিকিৎসাজগতে বিপ্লব, তুলকালাম বিশ্বজুড়ে

দেখতে দেখতে চার জন ব্যক্তি সেরে উঠলেন এইচআইভি-র কবল থেকে। ৬৬ বছর বয়সি, নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক‍ সেই ব্যক্তি ১৯৮০ সাল থেকেই ভুগছিলেন এইচআইভিতে। অবশেষে তাঁর দেহে অস্থি-মজ্জা প্রতিস্থাপনের (বোন ম্যারো ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট) পর সুস্থ হয়ে উঠলেন তিনি। কিন্তু বোন ম্যারো বা অস্থি-মজ্জা প্রতিস্থাপনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল লিউকেমিয়া ও ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসা করা। যে ব্যক্তির দেহ থেকে অস্থি-মজ্জা সংগ্রহ করা হয়েছিল, কাকতালীয়ভাবে এইচআইভির বিরুদ্ধে জন্মগত প্রতিরোধ ক্ষমতা ছিল তাঁর।

বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করার পর সতেরো মাস হলো, এখনও অবধি সেই ব্যক্তির শরীরে ভাইরাসটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। সুস্থ হয়ে ওঠা এই ব্যক্তির চিকিৎসা হয়েছিল 'সিটি অফ হোপ' নামে ক্যালিফোর্নিয়ার এক হাসপাতালে। সেই ব্যক্তি জানাচ্ছেন, ওঁর অনেক বন্ধুই নাকি ইতিমধ্যে এইচআইভি/এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এবং তিনি কখনও আশা করেননি, তিনি বেঁচে ফিরবেন এবং প্রায় সুস্থ একটি জীবন ফিরে পাবেন।

"১৯৮৮ সালে যখন আমার এইডস ধরা পড়ল, অনেকের মতোই আমি ভেবেছিলাম বোধহয় মৃত্যুদণ্ড পেলাম", একটি সাক্ষাৎকারে বিবিসি-কে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ব্যক্তি।

এই পদ্ধতিতে ২০০৮ সালে সর্বপ্রথম এইচআইভি-মুক্ত হয়েছিলেন বার্লিনের টিমোথি ব্রাউন। ২০০৭ সালে তাঁর দেহে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়েছিল।

টিমোথির পর ২০১৯ সালে আরেক ব্যক্তির এইচআইভি সারিয়ে তোলেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষকরা, ঠিক একই পদ্ধতিতে। সেই ব্যক্তি ২০০৩ সাল থেকেই ভুগছিলেন এইচআইভি-তে, তারপর ২০১২ সালে তাঁর শরীরে হজকিন লিম্ফোমা ধরা পড়ে। সাধারণ চিকিৎসাপদ্ধতির শরণাপন্ন হওয়ার বহুদিন পরেও যখন তিনি সেরে উঠলেন না, তারপরেই বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয় তাঁর। তারপর তাঁর শরীর এইচআইভি-মুক্ত হয়।

চলতি বছরেই মার্চ মাসে প্রথমবার এক মহিলা সেরে ওঠেন এইডস থেকে। তাঁর ক্ষেত্রে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের পাশাপাশি আম্বিলিক্যাল কর্ড (নাড়িরজ্জু) ব্লাড ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়েছিল। মাঝবয়সি ওই মহিলা এইডসে আক্রান্ত হওয়ার পরে ভুগছিলেন অ্যাকিউট মায়েলোজেনাস লিউকেমিয়ার মতো ক্যানসারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হৃদরোগের চিকিৎসায় দিশা দেখাবে পালং শাকের পাতা! আশ্চর্য আবিষ্কারে তোলপাড় বিশ্ব

ত্রি-মাত্রিক মুদ্রণের মাধ্যমে ২০২১ সালেই ইজ়রায়েল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষকরা বানিয়েছিলেন রক্ত-জালিকা। এবং সেই রক্ত-জালিকা কেবল বানাননি তাঁরা, তার মধ্য দিয়ে রক্ত-প্রবাহ যে হচ্ছে, তা-ও হাতে-নাতে দেখিয়েছিলেন।

এইচআইভি বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস আমাদের শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করে। যার ফলে দেখা যায়, এইডস বা অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনো ডেফিশিয়েন্সি সিন্ড্রোম। শরীরে তখন খুব সহজে বাসা বাঁধে সংক্রামক ব্যাধি, কারণ আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আর ভাইরাস, ব্যকটেরিয়া এবং অন্যান্য রোগ-সৃষ্টিকারী জীবদের প্রতিরোধ করতে পারে না। এছাড়াও যেহেতু ক্যানসারের সঙ্গে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে থাকে, তাই আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পেলে, ক্যানসারে ভোগার প্রবণতা বেড়ে যায় অনেকটা। তাই স্বাভাবিকভাবেই এইচআইভি-র কবলে পড়লে পরবর্তীকালে ক্যানসার আক্রমণের ভয় থেকেই থাকে।

কিন্তু অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন কীভাবে ক্যানসার এবং এইডস নিরাময়ের মতো অসাধ্যসাধন করতে পারে, আসা যাক সেই গল্পে।

অস্থিমজ্জা থেকে অসাধ্যসাধন কীভাবে

অস্থিমজ্জায় থাকা স্টেম সেল থেকে জন্ম নেয় শ্বেত রক্তকণিকা। আমাদের রোগপ্রতিরোধে আদতে সাহায্য করে রক্তের শ্বেতকণিকা। কিন্তু যে ব্যক্তির স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে, তাঁর ক্ষেত্রে আর তাঁর অস্থিমজ্জা-জাত শ্বেত রক্তকণিকা রোগপ্রতিরোধ করতে পারে না। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের। একে আবার স্টেম সেল ট্রিটমেন্টও বলা যায়। কারণ শেষমেশ অস্থিমজ্জার স্টেম সেলকেই পুরোপরি প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করলে তৈরি হয় নতুন শ্বেত রক্তকণিকা, যাদের ক্যানসার-সহ বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

তবে এইচআইভি-মুক্ত হতে গেলে, কেবল অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনই যথেষ্ঠ নয়। এইচআইভি-প্রতিরোধী ক্ষমতা থাকতে গেলে অস্থিমজ্জার কোশে থাকতে হবে নির্দিষ্ট জিন। যে ব্যক্তিদের শরীর থেকে অস্থিমজ্জা সংগ্রহ করা হয়ছে, তাঁদের প্রত্যেকের শরীরেই নামের CCR5 নামের জিনের একটি মিউটেটেড প্রতিলিপি উপস্থিত ছিল।এইচআইভি কিন্তু শ্বেত রক্তকণিকায় প্রবেশ করে তার সাহায্যেই। তাই CCR5-কে প্রতিরোধ করতে পারলেই, আটকে দেওয়া যাবে এইচআইভির কুপ্রভাব।

আর সেই মিউটেটেড বা রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত জিনই করল বাজিমাত। CCR5 জিনের একটি নির্দিষ্ট অংশে মিউটেশন থাকায় জিনটি হিউম্যান ইমিউনোডেফিশিয়েন্সি ভাইরাস বা HIV-কে T-Cell -কে আক্রমণ করা থেকে প্রতিহত করে।

টি-সেল কী

T-cell এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দেহে প্রবেশ করা অবাঞ্ছিত পদার্থ থেকে শুরু করে যে কোনও জীবাণুকে প্রতিরোধ করা, এমনকী, ক্যানসারের সঙ্গে মোকাবিলা করা, সবেতেই T-Cell-এর ভূমিকা অত্যাবশ্যকীয়।

এইচআইভি শরীরে প্রবেশ করলে, আক্রমণ করতে পারে T-Cell-কে। সেক্ষেত্রে আর জীবাণু বা ক্যানসার কোনওটিকেই প্রতিরোধ করতে পারবে না T-Cell। কিন্তু জিনের একটি নির্দিষ্ট অংশের মিউটেশন T-Cell -কে এইচআইভি-র আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

কিন্তু বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট কি এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের আটত্রিশ মিলিয়ন এইচআইভি-আক্রান্ত রোগীকে সারিয়ে তুলতে পারবে? উত্তর হলো: না, তা কোনওভাবেই সম্ভব নয়।

"বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট আদতে খুব জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। এর যথেষ্ট পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও থাকে অনেক ক্ষেত্রেই। তাই এই মুহূর্তে এইচআইভি-তে ভোগা রোগীদেরকে সারিয়ে তুলতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট মোটেই নির্ভরযোগ্য উপায় নয়", জানাচ্ছেন 'সিটি অফ হোপ' হাসপাতালের ডাক্তার ড. জেনা ডিক্টর। কিন্তু সিটি অফ হোপ হাসপাতালে ইতিমধ্যেই একইরকম তিনটি মেডিক্যাল কেস রয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রত্যেকটি রোগীকেই একই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা হবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।