মাত্র ২৭ বছর বয়সেই পদ্মভূষণ! ভারতীয় বিজ্ঞানকে একাকী করে চলে গেলেন নার্লিকার

Jayant Narlikar: 'হয়েল-নার্লিকার তত্ত্ব' সেই সময়ে বিজ্ঞানীমহলে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এই থিয়োরি মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তনের জন্য একটি বিকল্প ব্যাখ্যার প্রস্তাব দেয়, যা সেই সময়ের বিগ ব্যাং তত্ত্বকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ করে।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
মাত্র ২৭ বছর বয়সেই পদ্মভূষণ! ভারতীয় বিজ্ঞানকে একাকী করে চলে গেলেন নার্লিকার

বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি কীভাবে হয়েছিল? বিগব্যাং কী? মহাবিশ্বের বিবর্তনের জন্য প্রচলিত মতবাদের ভিতরে কোনটা বেশি গ্রহণযোগ্য? ব্ল্যাকবোর্ডে বিভিন্ন রংয়ের চক ব্যবহার করে যিনি দেশের অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীদের শেখাতেন, সেই শিক্ষক আর নেই। প্রয়াত হয়েছেন নার্লিকার। জয়ন্ত বিষ্ণু নার্লিকার — নিজেই একজন ইতিহাস। আমাদের দেশের জন্য তো বটেই, আন্তর্জাতিক জ্যোতির্পদার্থ বিজ্ঞানের জগতে এক ভাস্বর মাইল ফলক ছিলেন নার্লিকার।

পরাধীন ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুরে জন্ম এই ক্ষণজন্মার। বাবা বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কের অধ্যাপক। সেই সুবাদে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য কেমব্রিজে যান। সেখানে তিনি ম্যাথেমেটিক্যাল ট্রাইপোস-এ টাইসন মেডেল পান। সেখানেই সাক্ষাৎ পান বিশিষ্ট ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রেড হয়েলের। ফ্রেড তখন স্টেডি স্টেট থিয়োরি নিয়ে মত্ত। সেই ভাবনার শরিক হলেন নার্লিকারও। তাঁদের যৌথ গবেষণার ফসল 'হয়েল-নার্লিকার তত্ত্ব' সেই সময়ে বিজ্ঞানীমহলে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এটি ‘কোয়াসি স্টেডি স্টেট কসমোলজি তত্ত্ব’ বা ‘কনফর্মাল গ্রাভিটি তত্ত্ব’ নামেও পরিচিত। এই থিয়োরি মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তনের জন্য একটি বিকল্প ব্যাখ্যার প্রস্তাব দেয়, যা সেই সময়ের বিগ ব্যাং তত্ত্বকে (এই তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্বের একটি নির্দিষ্ট শুরু ও শেষ রয়েছে) রীতিমতো চ্যালেঞ্জ করে। এই তত্ত্বের মতে, মহাবিশ্ব ক্রমাগত সম্প্রসারণশীল অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে ক্রমাগত নতুন নতুন পদার্থ তৈরি হচ্ছে।

ম্যাকের নীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এই তত্ত্ব দাবি করে যে, মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুর ভর অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে তার মিথোস্ক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়। আইনস্টাইন এই নীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বটে, কিন্তু এটিকে তাঁর তত্ত্বে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি। তাঁদের এই তত্ত্ব একটি ক্রিয়েশন ফিল্ড বা 'সৃষ্টি ক্ষেত্রের' প্রস্তাব করে, যেটি একটি অনুমান নির্ভর ঋণাত্মক শক্তি ক্ষেত্র যা পদার্থের ক্রমাগত সৃষ্টির জন্য দায়ী। এটি স্টেডি স্টেট ইউনিভার্স বা স্থিতিশীল মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করেছিল। এক কথায় মহাবিশ্বের শুরু বা শেষ বলে কিছু নেই, এটি অনন্তকাল চলতে থাকবে। হয়েল-নার্লিকারের এই তত্ত্বটি ছায়াপথের গঠন, পদার্থের বন্টন এবং মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভ পটভূমি বিকিরণ (Cosmic microwave background) সম্পর্কে এক বিকল্প ধারণার জন্ম দেয়। এই তত্ত্বের সাহায্যে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর আগে পাওয়া তারার ব্যাখা দেওয়া সম্ভব, অন্যদিকে বিগব্যাং তত্ত্বে তা সম্ভব নয়, কারণ আমরা জানি বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৮ বিলিয়ন বছর! জটিল গাণিতিক তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত এই কোয়াসি স্টেডি স্টেট তত্ত্ব সার্বিকভাবে গৃহীত না হলেও, এটি মহাজাগতিক গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কয়লা খনিজ তেল বাড়ন্ত! কেন পৃথিবীতে এক টুকরো সূর্য সৃষ্টি করতে চাইছেন বিজ্ঞানীরা

Nuclear Reactor: জ্বালানি সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানীরা বদ্ধপরিকর। তাঁরা গবেষণা করে দেখেছেন, নিউক্লিয় সংযোজন এক্ষেত্রে সন্তোষজনক ভূমিকা রাখতে পারে।

কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে তাঁর গবেষণা বিজ্ঞানীমহলে যথেষ্ট সমাদৃত। তিনিই 'self gravitating' সিস্টেমের ধারণা দেন, যা কৃষ্ণগহ্বরের আশেপাশের স্থান-সময়ের জ্যামিতিতে পদার্থের মহাকর্ষীয় প্রভাব বিবেচনা করে। তাঁর গবেষণা সক্রিয় ছায়াপথের নিউক্লিয়াসের অধ্যয়নেও বিস্তৃত ছিল। এই সম্পর্কিত গবেষণায় তিনিই ম্যাগনেটিক ফিল্ড ইজেকশান মডেলের প্রস্তাব করেন।

কেমব্রিজ থেকে দেশে ফিরে নার্লিকর TIFR-এ তাত্ত্বিক অ্যাস্ট্রোফিজিক্স গ্রুপে যোগ দেন যেখানে তিনি ১৭ বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে টিআইএফআর-এর তাত্ত্বিক জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করে। ১৯৮৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নার্লিকরকে ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (আইইউসিএএ) প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব দেয়। অজিত কামদেভি, নরেশ দাধিচির মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানী রামিলে গড়ে তোলেন আইইউসিএএ, যেটি আজ, শুধুমাত্র ভারতে নয়, বিশ্বব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি। তাঁর নেতৃত্বে আইইউসিএএ অসংখ্য তরুণ বিজ্ঞানীকে লালন করেছে। ২০০৩ সালে অবসর গ্রহণের আগে পর্যন্ত তিনি আইইউসিএএ-র পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রকাণ্ড ডানা, অপার্থিব সৌন্দর্য! মহাকাশে কীভাবে লুকিয়ে দানবাকৃতি মহাজাগতিক প্রজাপতি?

Butterfly Nebula: তারাদের মৃত্যু যে এত রঙিন হয়, তা না দেখলে আন্দাজ করা শক্ত।

শুধু একজন মৌলিক বিজ্ঞানী বা প্রথম সারির বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের স্থপতিই নয়, তিনি ছিলেন এক নিষ্ঠাবান বিজ্ঞান প্রচারক। সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিজ্ঞানচর্চার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে তিনি ছিলেন বদ্ধপরিকর। কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁর। ২০১৮ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করেছিলেন তিনি। এমনকী এবছরও ফেব্রুয়ারি মাসে কেরলের ত্রিবান্দ্রমে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় বিজ্ঞান সম্মেলনেও অনলাইনে যোগদান করেন।আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানীদের জনসংযোগ প্রায় থাকে না বললেই চলে, সেখানে নার্লিকর একেবারে ব্যতিক্রম। জীবনভর বলে গেছেন জ্যোতিষশাস্ত্রের অসাড়তার বিরুদ্ধে। সুধাকর কুন্তে, নরেন্দ্র দাভোলকার এবং প্রকাশ ঘোড়পড়েকে সঙ্গে নিয়ে জ্যোতিষের ভবিষ্যদ্ববাণী করার অসাড়তা তিনি হাতেনাতে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন।

প্রথিতযশা বিজ্ঞানীর পাশাপাশি তিনি একজন কল্পবিজ্ঞান লেখকও৷ তাঁর কল্পকাহিনি কিশোর পাঠকদের বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে। তিনি ইংরেজি, হিন্দি ও তাঁর মাতৃভাষা মারাঠিতে অনেগুলি জনপ্রিয় বিজ্ঞানধর্মী লেখা লিখেছেন। নব্বইয়ের দশকের অনেক ছাত্রছাত্রীই নার্লিকারের লেখা, বিশেষ করে তাঁর কথাসাহিত্য পড়ে বড় হয়েছেন। ‘অ্যাথেন্সা প্লেগ’ নামক কাল্পনিক গল্পে নার্লিকর মারাত্মক ভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাবের ধারণা দেন, যেটি পূর্বে কাল্পনিক মনে হলেও কোভিড-১৯ মহামারীর সময় গোটা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক রোবট বা চ্যাট জিপিটি, এখন আমাদের অবাক না করলেও, আগে তা ভাবনাতীত ছিল। তাঁর একটি কাল্পনিক প্রবন্ধে একটি অতি-বুদ্ধিমান রোবটের সম্পর্কে লিখতে গিয়ে চ্যাটজিপিটির ধারণা দিয়েছেন নার্লিকার, একটু অন্যভাবে। এছাড়াও জটিল বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলিকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তুলে ধরার জন্য তিনি আজীবন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লিখে গেছেন। ‘Black Holes’, ‘The return of vaman’, ‘The cosmic explosion’, ‘Tales of the future’ প্রভৃতি তাঁর কয়েকটি কালজয়ী সৃষ্টি।

ছবি কৃতজ্ঞতা স্বীকার: জয়রাম রমেশ, রাজ্যসভার সংসদ

বিজ্ঞান সাধনা, বিজ্ঞান মনস্কতার প্রচার ও প্রসার, অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিরামহীন সংগ্রাম— এসবেরই সম্মিলিত সমাহার তাঁর গোটা জীবন। মাত্র ২৭ বছর বয়সেই পদ্মভূষণ পাওয়া এই বিরল প্রতিভার ঝুলিতে একে একে যুক্ত হয়েছে অ্যাডাম'স পুরস্কার (১৯৬৭), কলিঙ্গ পুরস্কার (১৯৯৬), পদ্মবিভূষণ (২০০৪), মহারাষ্ট্র ভূষণ (২০১১) প্রভৃতি। তবে সবচেয়ে বড় পুরস্কার হচ্ছে, দেশে এমন কোনও বিজ্ঞান শিক্ষার্থীকে পাওয়া যাবে না, যাঁরা নার্লিকারের নাম শোনেননি।

ভারতের বিজ্ঞানাকাশের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন হয়েছে সদ্য। জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের পত্রিকা 'যোজনা' ১৯৬৪ সালের জুলাই সংখ্যায় তাঁকে নিয়ে একটি লেখা ছেপেছিল, ‘Should we get Jayant back?’, তখন নার্লিকার ২৬ বছরের তরুণ। নার্লিকারের প্রয়াণের পর ভারতীয় বিজ্ঞানমহলে সেই প্রশ্নটিই যেন ঘুরে ফিরে আসছে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।