আওয়ামী লিগের শাটডাউন কর্মসূচী: কতটা প্রভাব পড়ল ঢাকায়?

Awami League’s Shutdown: শুধু তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
আওয়ামী লিগের শাটডাউন কর্মসূচী: কতটা প্রভাব পড়ল ঢাকায়?

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান ট্রায়ালের রায় ঘোষণাকে সামনে রেখে পুরো বাংলাদেশে আবারও উত্তেজনা চরমে উঠেছে। রায়ের তারিখ যত এগিয়ে আসছে, দেশজুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন, বিক্ষোভ এবং অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ঘোষণা করেছে দেশব্যাপী লকডাউন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি। তাদের দাবি— এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করেই এই মামলা সাজানো হয়েছে।

রায়ের আগে থেকেই ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। অনেক স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বাস, ট্রেন-সহ গণপরিবহণ কম চলছে। বেশ কিছু এলাকায় সকাল থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ, র‍্যাব এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তাবেষ্টনী আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে আদালত চত্বর ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে।

কেন এই মামলা? ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংসতা ও দমনপীড়নের অভিযোগ ওঠে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) অভিযোগ করে— নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে, বহু বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে শেখ হাসিনার নাম। রায় ঘোষণার আগে থেকেই তিনি ভারতে থাকছেন এবং বিচার প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিচ্ছেন না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৬ বছর পর বাংলাদেশে ফিরছেন তারেক রহমান! ক্ষমতার কুর্সি অপেক্ষমান?

Tareq Rahman Returns After 26 Years: অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিষয়টি রাজনৈতিক, এটি কোনো ব্যক্তির বিষয় নয়। আমরা চাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হোক।”

আওয়ামী লীগের অভিযোগ, “এটা আইনি নয়, প্রতিহিংসার রাজনীতি।” তাদের দাবি, বর্তমান সরকার একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দুর্বল করে দিচ্ছে। সেই প্রতিবাদেই দলটি দেশজুড়ে লকডাউন, বিক্ষোভ এবং মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল-সহ বেশ কিছু জেলায় দলীয় নেতা-কর্মীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। কয়েক জায়গায় সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। সরকারের পাল্টা বক্তব্য, বিচার সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ায় চলছে। আদালতের স্বাধীনতা বজায় রয়েছে, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাত নেই।

যে কোনো রাজনৈতিক উত্তেজনার মতো এবারও এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের উপর। অফিসে যাওয়া মানুষজন রাস্তাঘাটে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাজারে সরবরাহ কমে গিয়েছে এতে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা, শিক্ষা থেকে দৈনন্দিন যে কোনো কাজেই বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আর রায় যদি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যায়, তবে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছে ওয়াকিবহাল মহল। রায় খারিজ হলে বিরোধীরা আন্দোলনে নামতে পারে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
স্বধর্ম পালনের স্বাধীনতা বাংলাদেশে পুরোপুরি বিলোপ হয়ে যায়নি

Communal harmony: বিশেষ আনন্দ পেলাম হিন্দু বন্ধুদের কাছ থেকে এই কথা জেনে যে, এই বছর পূজো নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণভাবে, হয়ত বা (নিরাপত্তা বোধের দরুনই হতে পারে) একটু বেশি ঘটা করেই পালিত হয়েছে।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ ইনস্ক্রিপ্ট-কে বলেন, "৫ অগাস্টের পর এটি (শাট ডাউন) ছিল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাঝেও দলটি শাটডাউনকে বেশ সফল করতে পেরেছে— এটি একটি বড় বার্তা। তাঁর কথায়, “অভিযোগ রয়েছে গাড়ি-সহ বিভিন্ন স্থানে আগুন লাগানোর ঘটনায় আওয়ামী লীগের ভূমিকা ছিল, যদিও এসবের তথ্য প্রমাণ পাওয়া নাগরিকদের পক্ষে মুশকিল। শার্টডাউনের দিন মাঠে ওই দলের দৃশ্যমান উপস্থিতি কম হলেও বিরোধীরা সক্রিয় ছিল। এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেদের উপস্থিতি জানান দিল; রাজনীতিতে যেন তাদের পুনরায় আবির্ভাব ঘটল।”

কিন্তু মাঠে সক্রিয় না থেকেও শাটডাউন কীভাবে সফল হলো? আলতাফ পারভেজের ব্যাখ্যা, “বর্তমান সরকার জনমানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। সেই হতাশা শাটডাউনকে কিছুটা সফল করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে দক্ষিণপন্থী শক্তির উত্থান হচ্ছে, এর ফলেও আওয়ামী লীগ জনসমাজে নতুন করে প্রাসঙ্গিকতা পেল।” তাঁর মতে, আওয়ামী লীগের এই সক্রিয়তা কোনো আত্মসমালোচনার ফল নয়। তাঁর বক্তব্য, “আওয়ামী লীগ ক্ষমাপ্রার্থী নয়। তারা মনে করছে না যে তারা ভুল করেছে, বরং তারা মনে করছে তাদের পুনরুত্থান ঘটছে।”

ঢাকাকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত এই বিচার। রায় ঘোষণার আগেই রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও তীব্র হয়ে উঠেছে— একদিকে সরকারের কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত। শাটডাউন কর্মসূচি দেখিয়ে দিয়েছে, প্রশাসনিক বাধা ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দলটি মাঠে তাদের প্রভাব পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। একই সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে, যা সংকটের গভীরতা আরও স্পষ্ট করে।

এখন সবার চোখ রায়ের দিকে। রায় কোন দিকে যাবে তার ওপরই নির্ভর করছে বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ। রায় বিরূপ হলে সংঘাত আরও বাড়তে পারে, আর রায় খারিজ হলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়া অবশ্যম্ভাবী। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ এক সঙ্কটময় মোড়ে দাঁড়িয়ে— বিচার, রাজনীতি ও জনসাধারণের নিরাপত্তা এখন একই সুতায় গাঁথা।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।