মোদির ক্ষমতার উৎস‍! আজ কালো টাকা তত্ত্বকেই নাকচ করছে বিজেপি?

Modi Once Promised to End Black Money: গত দশ বছরে কত টাকা বিদেশে গিয়েছে, তার কোনো সরকারি হিসাব নেই। ফলে কালো টাকার যে তত্ত্বকে কেন্দ্র করে এত রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য আজও অধরা।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
মোদির ক্ষমতার উৎস‍! আজ কালো টাকা তত্ত্বকেই নাকচ করছে বিজেপি?

২০১৪ সালের নির্বাচন। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব মুহূর্ত। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তখন দেশজুড়ে প্রচার চালাচ্ছেন এক নতুন স্বপ্ন দেখিয়ে। দেশের মানুষ তখন দুর্নীতিতে ক্লান্ত, কেলেঙ্কারিতে অতিষ্ঠ। সেই সময়ই মোদি বারবার বলছিলেন, বিদেশে থাকা ‘কালো টাকা’ দেশে ফিরিয়ে আনলে প্রতিটি ভারতীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া সম্ভব। তাঁর এই প্রতিশ্রুতি এমনভাবে জনমানসে আলোড়ন তুলেছিল যে, অনেকের কাছে মনে হয়েছিল এ যেন নতুন এক স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক।

কিন্তু সময়ের চাকা ঘুরে এক দশক পেরিয়ে গেল। আজ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিপরীত চিত্র। ২০১৪-র সেই দাবির সঙ্গে আজকের সরকারি অবস্থানের কোনো মিলই নেই। লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত দশ বছরে কত অপ্রকাশিত আয় বা কালো টাকা বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার কোনো সরকারি হিসাবই নেই। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী নিজে যে বিষয়টিকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কেন্দ্রে এনেছিলেন, তাঁর সরকারই আজ বলছে, আইনেই ‘কালো টাকা’ বলে কোনো কিছু নেই।

সাংসদ মালা রায় লোকসভায় জানতে চেয়েছিলেন, বিদেশে কত টাকা লুকিয়ে রাখা আছে, সরকার কি তার হিসেব জানে? উত্তরে অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি স্পষ্ট বলেন, সরকারের কাছে কোনো হিসেব নেই। তিনি আরও জানান, আইনে ‘কালো টাকা’ শব্দটিই নেই। আইনে বিবেচনা করা হয় শুধু বিদেশে থাকা অপ্রকাশিত আয় ও সম্পদের বিষয়টি। এ যেন এক রাজনৈতিক পরিহাস। ভারতীয় রাজনীতিতে ‘কালো টাকা’ শব্দটি গত দশকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছেন নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির নেতারা। কিন্তু আজ তারাই বলছেন, আইনেই এই শব্দ নেই। ফলে ২০১৪ সালে যে প্রতিশ্রুতিতে ভর করে জনসমর্থন কুড়িয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতিতে আজ আর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নোটবন্দির মতোই ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিলের প্রচার! অপরাধমুক্ত রাজনীতিই লক্ষ্য?

Bill to remove Prime Minister and Chief Minister: অনেকে বলছেন এই ধরনের সংবিধান সংশোধনীর জন্য লোকসভা এবং রাজ্যসভা মিলিয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাঁর প্রয়োজন, যা এই মুহূর্তে বিজেপি এবং এনডিএ’র নেই।

বিদেশে থাকা লুকোনো সম্পদ শনাক্ত ও কর আদায়ের জন্য ২০১৫ সালে কেন্দ্র চালু করে ব্ল্যাক মানি অ্যাক্ট। তখন ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল এককালীন ঘোষণার সুযোগ। সে সময়ে মাত্র ৬৮৪ জন তাঁদের বিদেশি সম্পদের কথা জানিয়ে দেয়, যার মূল্য ছিল মোট ৪,১৬৪ কোটি টাকা। এই ঘোষণার মাধ্যমে সরকার কর ও জরিমানা হিসেবে পেয়েছিল ২,৪৭৬ কোটি টাকা। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়, এত বছরে শুধুই কি এই ৬৮৪ জনের লুকোনো সম্পদ ছিল? দেশজুড়ে কালো টাকার যে বিতর্ক, রাজনৈতিক বক্তৃতায় যে বিপুল অঙ্কের লুকোনো সম্পদের কথা শোনা যায় তা কতটা সত্যি? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও অনিশ্চিত।

সবচেয়ে বড় সত্য হলো, গত দশ বছরে কত টাকা বিদেশে গিয়েছে, তার কোনো সরকারি হিসাব নেই। ফলে কালো টাকার যে তত্ত্বকে কেন্দ্র করে এত রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য আজও অধরা। কালো টাকা আনার প্রতিশ্রুতির পর মোদি সরকারের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল ২০১৬ সালের নোটবন্দি। ৮ নভেম্বর রাত ৮টায় দেশবাসীকে জানানো হয়, সেই রাত থেকেই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, দুর্নীতি, নকল নোট ও কালো টাকার রমরমা বন্ধের জন্যই এই কঠোর সিদ্ধান্ত। ঘোষণার পর দেশজুড়ে এক অভাবনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কারণ দেশের অর্থনীতিকে কার্যত এক রাতেই রিসেট করে দেওয়া হলো। অন্যদিকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসেবে উঠে আসে, বাতিল হওয়া প্রায় সব নোটই ব্যাঙ্কে জমা পড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান, তাঁরা সহজেই টাকা সিস্টেমে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নোটবন্দির জুজু, কেন হঠাৎ দু'হাজারের নোট তুলে নিচ্ছে RBI?

RBI is suddenly withdrawing two thousand notes : মাত্র সাত বছরের মাথায় আচমকা বাতিলের হুশিয়ারি, কেন বাজার থেকে ২০০০ টাকার নোট তুলে নিচ্ছে RBI?

নোটবন্দির পরদিন থেকেই শুরু হয় বিপর্যয়। দিনমজুরদের মজুরি বন্ধ। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে বিপাকে পড়ে যান। ১০ নভেম্বর ব্যাঙ্ক খোলার পর দেখা যায়, এটিএম ও ব্যাঙ্কে অস্বাভাবিক লম্বা লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মানুষ নতুন নোট পাওয়ার অপেক্ষা করছেন। এই লাইনে দাঁড়িয়েই বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, কেউ কেউ মারা গিয়েছেন। বেহালার কল্লোল রায়চৌধুরী নামের এক ব্যাক্তি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়।শহরের মধ্যবিত্ত হয়ত কোনো ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছিল, কিন্তু ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাব ছিল ভয়াবহ। ডিজিটাল পেমেন্ট তখনও সবাই ব্যবহার করতেন না। ফলে লেনদেন কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতসব কিছুর পর অবশেষে সরকারই বলছে, ‘কালো টাকা বলে কিছু নেই’!

এদিকে, নোট ছাপানো, পরিবহন ও নিরাপত্তায় সরকারের অতিরিক্ত খরচ হয়েছিল হাজার হাজার কোটি টাকা।পুরনো নোট জমা পড়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে সুদ বাবদ আরও ১৮ হাজার কোটি টাকা দিতে হয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে। অর্থাৎ ব্যয় হয়েছে বিপুল, লাভের হিসাব শূন্য।

বলতেই হয়, মোদি সরকারের দাবির মতো গোদি মিডিয়াও তখন পুরো দমে প্রচার করেছিল কালো টাকা ধরা পড়বে, দুর্নীতি কমবে। কিন্তু গোদি মিডিয়া কখনও প্রচার করেনি কালো টাকার মালিকরা টাকা আগেই সিস্টেমে ঢুকিয়ে ফেলেছিলেন, তারা এখনও কালো টাকার হিসেব না থাকা নিয়েও কোনো প্রাইমটাইম শো করছে না। গোদি মিডিয়া কখনও এও বলেনি যে নোটবন্দিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষই।

এতে রাজনৈতিকভাবে বিজেপিও লাভবান হয়, বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশে তাদের বিশাল জয় আসে ২০১৭ সালে। ফলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, নোটবন্দির অর্থনৈতিক ক্ষতি থাকলেও এর রাজনৈতিক লাভ বিজেপি পেয়েছে। এখন তাঁদের সাম্প্রতিক বক্তব‌্য কার্যত মোদি সরকারের সেই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে, যার উপর ভর করে বিজেপি ব্যাপক জনসমর্থন পেয়েছিল।

আজ যখন সরকার নিজেই জানাচ্ছে ‘কালো টাকা’ বলে কিছুই নেই, তখন ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতি, নোটবন্দির উদ্দেশ্য, গোদি মিডিয়ার প্রচার সবই প্রশ্নের মুখে পড়ে। নিশ্চয়ই বিষয়টি ভবিষ্যতেও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে, কারণ ভারতের অর্থনীতি, সমাজ, এবং রাজনীতিকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে কালো টাকা ঘিরে এই প্রতিশ্রুতিই। প্রধানমন্ত্রী কি তবে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন? রাজনৈতিক স্বার্থেই বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছিল? প্রশ্ন উঠছেই।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।