রূপান্তরকামীদের আরাধ্য মোরগবাহন বহুচরা দেবী, অচেনার তালিকায় এক রহস্যময় সংযোজন

Goddess of Transgenders: বহুচরার বাহন মোরগ বিষয়ে একটি অন্য অনুষঙ্গ (মিথ) মেলে ইতিহাসে। সুলতান দ্বিতীয় আলাউদ্দিন (খুনি আলাউদ্দিন নামে পরিচিত) গুজরাতের রাজধানী পাটান দখল করে নেন এবং হিন্দু মন্দির ধ্বংস করতে থাকেন।

Madhurima Dutta
৫ মিনিট
রূপান্তরকামীদের আরাধ্য মোরগবাহন বহুচরা দেবী, অচেনার তালিকায় এক রহস্যময় সংযোজন

“সওদাগর কহে দেখ মাতাজি’র ছল/ পুরুষ নারী কিছু নয়, মানুষই আসল”

সুকথার কোনও কর নেই, আশ্বাসের কোনও মেয়াদ নেই। অর্ধনারীশ্বর বা মোহিনীর গল্পে হাততালি নেই, ছক্কা বা লেডিজ নেই। এসব যেখানে রয়েছে সেখানে কেবলই অন্ধকার গলি, মুখ টিপে হাসি, ঘৃণা আর মূলস্রোতে ফেরাতে হবে বলে খুচরো শব্দখরচ। মূলস্রোতটা যে কী, কারাই বা কেন মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল এ প্রশ্ন শতাব্দীর সেরা তার্কিককেও ঘোরে ফেলে দেয়। মানুষ হইল কী হইল না তা নয়, পুরুষ হইল নাকি নারী এই আবর্তে পড়ে রয়েছে আমাদের বিশ্বলোক। পুরাণকে যারা ইতিহাস বলে চালায়, তারা নিপাট ছাঁকনিতে সঠিক পুরুষ বা খাপের খাপ নারী চরিত্রগুলো তুলে তুলে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেনহিসেবে যাদের ফেলে রাখে তাদের গল্পগুলো জানা হয় না। জানা হয় না বলেই দীর্ঘকাল ধরে হিজড়ে সম্প্রদায়ের বা রূপান্তরকামীদের আরাধ্য দেবীও যে এই উপমহাদেশে পূজিত তার আখ্যান হালে পানি পায় না।

গুজরাতের মেহসানা জেলার বেচারাজি শহরে বহুচেরার মন্দির। বাহন মোরগ, এক হাতে বরাভয় মুদ্রা অন্য হাতে তরবারি। যৌনতা, লিঙ্গচ্ছেদ করে অন্য লিঙ্গপরিচয় গ্রহণ, নারীত্ব এবং পুরুষত্ব একই দেহে থিতু করা বা সহজ কথায় পেশায় হিজড়ে যারা তাঁদের ইষ্ট দেবতার স্থানে রয়েছেন বহুচরা বা বহুচেরা মাতা। গুজরাতের এলিট সম্পদ্রায়ের ঘরে জল বাতাসা না পেলেও একটা বড়ো গোষ্ঠীর মানুষের কাছে দেবীর মাহাত্ম্য অসীম, এবং ধর্ম নির্বিশেষে শিষ্য সংখ্যাও নেহাত অপ্রতুল নয়।

হিজড়ে এবং রূপান্তরকামীদের দেবী বহুচরাকে নিয়ে যে গল্পটি সর্বাধিক প্রচলিত তাতে জানা যায় গুজরাতের চরণ বাপাল ও দেভালের কন্যা বহুচরা এবং তার বোনেরা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বাপিয়া নামের এক ডাকাত তাদের পথ আটকায়। নিজেদের ডাকাতদের হাতে অত্যাচারিত হওয়া ও ধর্ষণ হওয়া আটকাতে নাকি বহুচরা প্রথম তলোয়ার দিয়ে নিজের দুইখানি স্তন কেটে ফেলে। বহুচরার পথেই বাকি মেয়েরাও নিজেদের স্তন কেটে ফেলে। গল্প বলে, বহুচরা বাপিয়াকে পুরুষত্বহীনতার অভিশাপ দেয়।

“আট দেহ শুয়ে আছে ষোলোখানি স্তন/ মাটিতে লুটায়ে আছে ফুলের মতন/ ষোলোটি কদম্ব গাছ পরদিন ওঠে/ আটখানি পাহাড় সেইখানে ফুটে/ বাপিয়া ডাকাইত সহ যতেক পাষণ্ড/ পরদিন তাহাদের খসে যায় অণ্ড।”

বহুচরার অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ বহুচেরাই বাতলে দেন, বাপিয়া সহ বাকি ডাকাতরা যদি মেয়েদের পোশাক পরে বহুচরার পুজো করে তার শরণাপন্ন হয় তবেই মুক্তি। বহুচরা দেবীকে ঘিরে এই ধরনের গল্প রয়েছে আরও। কাহিনি অনুযায়ী, এক রাজা পুত্র কামনায় বহু মানত করার পরে তার এক পুত্র জন্মায়, কিন্তু জন্ম থেকেই তার যৌনাঙ্গ বিকৃত। এই রাজার পুত্র পরে বহুচেরা দেবীকে স্বপ্নে দেখেন। যেখানে দেবী নাকি তাকে নিজের যৌনাঙ্গ কেটে ফেলে মহিলাদের পোশাক পরে দেবীর কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। বহুচেরার আশীর্বাদের গল্পে অবশ্য শুধুই হিজড়ে হওয়ার কাহিনি নেই, অদ্ভুতভাবে রয়েছে রূপান্তরণের গল্প, রূপান্তরিত দেহে সন্তানধারণের সম্ভাবনার কথাও।

তেজপাল নামে এক সওদাগরের গল্পে পুরুষের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা না থাকার আক্ষেপের উত্তরে দেবীর আখ্যান বলে,

“তেজপাল করজোড়ে জানাল আকুতি/ দেবী কন তুমি বাছা হয়ে আছো কোতি।”

কোতি হয়েও সংসারে টিকে থাকতে হলে দেবীর শরণাপন্ন হওয়াই মূল নিদান, তাই “বাহিরে পুরুষ-চিহ্ন অন্তরে জেনানা” হলে বহুচেরার নির্দেশ, “পুরুষ-চিহ্ন মোরে উৎসর্গ করিও/ পুরুষের বাস ছাড়ি স্ত্রীবাস পরিও।” কাস্ট্রেশন বা লিঙ্গচ্ছেদ এবং পেশায় হিজড়ে হয়ে জীবনধারণের গল্প বহুচেরা দেবীর আখ্যানে রয়েইছে। রয়েছে নিজের সন্তানহীনতাকে অন্যের সন্তানকে ভালোবেসে আশীর্বাদে বদলে দেওয়া।

“নাই তন্ত্র নাই মন্ত্র বাজাইবা ঢোল/ জয় জয় মাতাজি কি এই হল বোল।/ পৃথিবীর যত শিশু জানিও তোমার/ দিল মাঝে ভালোবাসা রাখিও অপার।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধূমধাম করে প্রথম সমকামী পুরুষের বিয়ে, কলকাতা সাবালক হল?

কলকাতায় সমলিঙ্গের এই বিবাহ কি নিজেকে স্বীকার করার সাহস জোগাবে সত্যিই? তথাকথিত আলোকপ্রাপ্ত শ্রেণির মধ্যে যাঁরা পড়েন না, যেখানে ভালবাসা ও যৌনতা দুইয়ের স্বাধীনতাই অলীক, সেইখানে কি পৌঁছবে অভিষেক-চৈতন্যের সাহসের আলো?

কিন্তু দিলে ভালোবাসা রাখাটাই যথেষ্ট কি? গর্ভের প্রতি পিতৃতন্ত্রের অসীম প্রত্যাশা। সুতরাং পুরুষের রূপান্তরিত নারী দেহে শারীরিক ভাবে সন্তানের জন্ম দেওয়ার কথাও গল্পে এসেছে। নিজের লিঙ্গচ্ছেদ করেও তেজপাল স্বপ্ন দেখে, “একদিন মাতা আসি দেখন স্বপনে/আশা আমি পূর্ণ দেব যাহা আছে মনে/ সওদাগর দেখে এক আশমানি আলো /কী আশ্চর্য সওদাগরের দেহে ঢুকে গেল।” শুধু ঢুকে গেল না, স্তনের গঠন এবং স্ফীত উদরের পাশাপাশি নাকি “দুই মাস পরে তার অরুচি হইল/ তিনমাস পরে মুখে খাট্টা উঠিল।”

বহুচরাকে একজন রাজকন্যা রূপেও দেখা হয়েছে গল্পে। যেখানে তার স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি তার। প্রতি রাতেই জঙ্গলে বেরিয়ে যেতেন ‘মেয়েদের মতো’ এই পুরুষ। স্বামীর পিছনে গিয়ে একদিন অন্য এক পুরুষের সঙ্গে তাকে যৌনতা করতে দেখেন বহুচেরা। বহুচেরা সেখানেই স্বামীর লিঙ্গচ্ছেদ করেন এবং এই ধরনের মানুষরা তার পুজো করলে নিরাপদে থাকবে এই বিষয়টিও নিশ্চিত করেন।

বহুচেরার বাহন মোরগ। বিশ্বাস অনুযায়ী মোরগের ডাক মানুষের ঘুম ভাঙায়, নতুন দিনের সূচনা ঘটায় অর্থাৎ নিজের ভেতরে থাকা দ্বিতীয় সত্ত্বাকেও জাগায়। নিজের শরীর এবং মনের দ্বন্দ্ব রূপান্তরকামীদের কাছে যে গভীর সংকট তার মধ্যেকার নতুন যাপনকে গ্রহণের চিহ্ন হিসেবেই মোরগ। মোরগ নিষ্পাপ চেতনার প্রতীক হিসেবে বহুচেরার বাহন হলেও বিজ্ঞানে মুরগিদের আপনা থেকেই যৌন রূপান্তরণের বিষয়টিও সম্ভবত গুরুত্বপূর্ণ। মোরগ মুরগিদের মধ্যে আপনা থেকেই লিঙ্গ বদলে যাওয়ার ঘটনাটি অস্বাভাবিক না।

সাধারণত স্ত্রী মুরগির শরীরের বাঁদিকে একটিই কর্মক্ষম ডিম্বাশয় থাকে। যদিও ভ্রূণ হয়ে থাকার সময় সমস্ত পাখিরই দেহে পুরুষ এবং স্ত্রী দুই যৌনাঙ্গই থাকে। মুরগির জিনগুলি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকট হলে তা কেবল বাঁদিকের ডিম্বাশয়টিরই বৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু অসুখজনিত কোনও কারণে মুরগির বাঁদিকের ডিম্বাশয়টি কর্মক্ষমতা হারালে ডানদিকের অন্য সুপ্ত যৌনাঙ্গগুলি বৃদ্ধি পেতে পারে। সেখানে থেকে অ্যান্ড্রোজেন ক্ষরণ হতে পারে যা পুরুষ বৈশিষ্ট্যগুলির নির্ধারক। কিন্তু এক্ষেত্রে মুরগি বহিরাঙ্গে মোরগ হলেও, জিনগতভাবে সে স্ত্রীই।

বহুচরার বাহন মোরগ বিষয়ে একটি অন্য অনুষঙ্গ (মিথ) মেলে ইতিহাসে। সুলতান দ্বিতীয় আলাউদ্দিন (খুনি আলাউদ্দিন নামে পরিচিত) গুজরাতের রাজধানী পাটান দখল করে নেন এবং হিন্দু মন্দির ধ্বংস করতে থাকেন। সিধপুরের রুদ্রমালা ধ্বংসের পর বহুচরা মন্দিরের দিকে এগোন আলাউদ্দিন। পথমধ্যে প্রচুর মোরগ ছিল, অর্থাৎ বহুচেরার বাহন। কথিত আছে, আলাউদ্দিনের সেনারা সেই মোরগদের ধরে খেয়ে ফেলে। একটি মাত্র মোরগ প্রাণ বাঁচিয়ে পালায়। রাতে সেই মোরগের ডাক শুনে সৈন্যদের পেট চিরে বাকি মোরগরা বেরিয়ে আসে। সৈন্যদের মৃত্যু দেখে বিধ্বস্ত আলাউদ্দিন বহুচেরার মন্দিরে যান ক্ষমা চাইতে এবং মন্দির না ভাঙার প্রতিশ্রুতিও দেন। সেই মোরগদের নিয়ে কামালিয়া জাতি তৈরি করেন বহুচরা। যারা নিজেদের প্রথা অনুযায়ী মুখের একাংশে গোঁফ রাখেন এবং উলটো দিকের হাতে চুড়িও পরেন। অর্থাৎ একই দেহে পুরুষ আবার নারীর সামাজিক চিহ্নিতকরণ বা কাস্ট্রেশনকে নেপথ্যে রেখে শরীরী সাজে বদল এনে নিজের শিষ্য বাড়ানোর গল্প অটুট। হিন্দু ও মুসলমান দুই ধর্মেরই কিছু মানুষ কামালিয়া জাতির এই প্রথা মেনে চলেন।

ট্রান্সজেন্ডার অধিকার আন্দোলন যে পথে এগোতে চায়, বারে বারে সন্তান, যৌনতা আর পিতৃতন্ত্রের পরিচিত গল্পগুলো এসে আন্দোলনের পথ বিভ্রান্ত করে। দেবদেবীকে সামনে রেখে যে ক্ষমতায়নের গল্প শোনানো হয় তার নেপথ্যেও একইভাবে পিতৃতন্ত্রেরই বিশাল ছায়া। রূপান্তরণ আসলে ইচ্ছার নাম, যে ইচ্ছার কিন্তু সামাজিক লিঙ্গপরিচয়ের ধার ধারার কথাও না। অথচ গোঁত্তা খেতে খেতে আন্দোলন কোথাও বিবাহ আর সন্তানকেন্দ্রিকতা থেকে বেরোতে পারে না। বহুচরার পাঁচালি তেজপালের রূপান্তরিত দেহে পুত্রসন্তানেরই জন্মের গল্প লেখে। আর ইচ্ছের গল্প যারা লিখছেন তাঁদের সফরটাই ইতিহাস হবে একদিন, মানুষের ইতিহাস।

ঋণ- হলদে গোলাপ; স্বপ্নময় চক্রবর্তী

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।