কোথায় বাঁধা অবৈধ বাজি কারখানার টিকি! রাজ্যে যে ভাবে রমরমিয়ে চলে বারুদ-ব্যবসা...

Duttapukur Blast: দত্তপুকুর বাজি কারখানা বিস্ফোরণের ঘটনায় মিলেছে মুর্শিদাবাদ-যোগ। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জেরাত আলিই নাকি এই কারবারের মোট সিন্ডিকেটটি চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Sohini Das
৫ মিনিট
কোথায় বাঁধা অবৈধ বাজি কারখানার টিকি! রাজ্যে যে ভাবে রমরমিয়ে চলে বারুদ-ব্যবসা...

ভয়ানক শব্দে কানে তালা ধরেছিল গ্রামবাসীদের। কী ঘটল ব্যপারখানা বুঝে ওঠার আগেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেল ঘরের জিনিসপত্র, ভাঙল জানলার কাচ, কারওর বা উড়ল বাড়ির চাল। ভীত সন্ত্রস্ত মহিলার পাশে উড়ে এসে পড়ল একটা আধপোড়া কাটা হাত, রক্তাক্ত। বারুদের গন্ধে টেকা দায়। তার সঙ্গে মিশেছে রক্ত আর মাংসপোড়া গন্ধ। এ ঘটনা যেন প্রত্যাশিত। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের কাছে নীলগঞ্জ মোচপোলের বাসিন্দারা যেন জানতেন, এ আজ নয় কাল হবেই। পাড়ার মধ্যে ফেঁদে বসা কারখানা যে যে কোনও দিন বারুদগন্ধে ফেটে যাবে তা জানতেন আশপাশের মানুষ। প্রতিবাদ করেছেন, সই সংগ্রহ করেছেন ঢের। তবে যা হওয়ার তাই ঘটেছে। কথায় আছে, 'উল্টা চোর কোতোয়ালকো ডাটে'। এক্ষেত্রেও অন্যথা হয়নি। সই সংগ্রহ করে বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধের দাবি তুলে থানায় যাওয়ার পরিণাম হয়েছে উল্টো। পুলিশ উল্টে গ্রেফতার করে প্রতিবাদকারীদেরই।

পুলিশ পাশে, প্রশাসন পাশে। স্থানীয় রাজনৈতিক দলের হাত মাথায়! এ ক্ষেত্রে একটু একটু করে দুর্ঘটনার অপেক্ষা করা ছাড়া আর কী-ই বা করার থাকতে পারে গ্রামবাসীদের। রবিবার ভোরে দত্তপুকুরের অবৈধ বাজি কারখানার বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে শরীর ক'টা। উড়ে গিয়ে পড়েছে পাশের বাড়ির ছাদে। বাড়ির বাসনকোসন বেঁকে গিয়েছে। ভেঙে গিয়েছে চেয়ার-টেবিল, আলমারি। উড়ে গিয়েছে জানলার কাচ। রবিবার সকালের ওই বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল কেঁপে উঠেছিল ৬ কিলোমিটার দূরের বারাসত শহরও।

বাজির কাজ কী! মানবসভ্যতার কোন কল্যাণকর কাজে লাগে এই দ্রব্যটি? আনন্দ-উৎসবে আকাশে রশনাই মানুষকে ফুর্তি দেয়। কিন্তু পরিবেশের উপর রেখে যায় গভীর ক্ষত। পরিবেশ দূষণ আটকাতে বাজি বিষয়ে অনেক লক্ষ্মণরেখা, অনেক গন্ডিই কেটেছে সরকার। রয়েছে কড়াকড়িও। কিন্তু আইন থাকলে তার ফাঁকও থাকে। ফলে সেই ফোকর গলেই ফুলে ফেঁপে ওঠে অবৈধ ব্যবসা। দত্তপুকুরও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রশাসনের বজ্র আঁটুনির মধ্যেই ফসকা গেরোর মতোই দত্তপুকুরে মস্ত বেআইনি বাজির কারখানা খুলে বসেছিল কেরামত আলি, আজিবর রহমানের মতো মাথারা। বড় বড় সংগঠন, রাজনৈতিক দলের হাত তাঁদের মাথায়। ফলে পুলিশ-প্রশাসন গোঁজা ট্যাঁকে। তাই সাধারণ মানুষের ওজর-আপত্তি তেমন জায়গা পায় না সেখানে। তাছাড়া ভোটের মরসুমে এই সব অবৈধ বাজি কারখানাগুলিই তো হয়ে ওঠে রাজনৈতিক দলগুলির মিত্রশক্তি। যাদের ঘাড়ে ভর রেখেই দেদার ভয় পাওয়ানো যায় বিরোধী এবং আমজনতাকে। ফলে সবাই সবটাই জানে। কিন্তু টুঁ শব্দ করে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লাইভ বোমাবাজি, অভাব-লোভের মশলা মাখা পঞ্চায়েত নির্বাচন এবার কতটা 'হিট'?

Panchayet Election 2023: অভাবের সংসারে শাসকই ভরসা। বেশিরভাগ মানুষ শাসক দলের সঙ্গেই থাকবেন এটাই স্বাভাবিক।

না, শুধু দত্তপুকুর নয়। একের পর এক বেআইনি বাজি কারখানার খবর কানে আসে। কানে আসে বিস্ফোরণের ঘটনাও। প্রাণ যায় পেটের দায়ে কাজ করতে আসা শ্রমিকদের। মালিকদেরও কমবেশি ক্ষতি হয়। তবু অবৈধ বাজি কারখানা চলে পুরোদমে। কারণ 'সওয়াল পাপী পেট কা'। দত্তপুকুরের ঘটনার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই বজবজের একটি অবৈধ বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু ঘটেছিল। চলতি বছর মে মাসে মেদিনীপুরের এগরায় বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১২ কর্মীর। ঘটনার পরে কিছুদিন চলে প্রশাসনের তৎপরতা। তারপর, তারপর আইনের ফাঁক গলে আবার তড়তড়িয়ে চলতে থাকে সেইসব কারখানাগুলি। মার্চ মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা একটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয়েছিল মালিকের স্ত্রী, ছেলে-সহ বেশ কয়েকজনের। ২০১৫ সালে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় বাজি কারখানা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। যার মধ্যে ছিল দশজনেরও বেশি শিশুশ্রমিক। এই সব পরিসংখ্যান একটাই কথা চিৎকার করে বলে, বেনিয়ম চলছে, চলবে।

দত্তপুকুরের ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কোন্দল। কেউ বলেছেন, মাথায় শাসকদলের হাত ছিল, তো কেউ বলছেন আইএসএফের মদতেই এই বাড়বাড়ন্ত। চার জনের বিরুদ্ধে দায়ের অভিযোগ। এদিকে আইএসএফের এক ব্লক স্তরের নেতা নাকি পলাতক। এদিকে রাজ্যপাল ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন, এদিকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে কেন যেতে পারেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, সে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। মুখ্যমন্ত্রী তড়িঘড়ি তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠিয়েছেন ডিজিকে। চলেছে বৈঠক। আলোচনা হয়েছে পরবর্তী কর্তব্য নিয়ে। যেমনটা হয়ে থাকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সবুজ রঙের বাজি মানেই কি পরিবেশবান্ধব? জানুন গ্রিন ক্র্যাকারের আসল সত্য

Green Crackers: সাধারণত, পথের ধারে যারা বাজির স্টল দিয়ে থাকেন তাঁদের কাছে এই ধরনের গ্রিন ক্র্যাকার থাকে না। তাই তাঁদের কাছ থেকে সবুজ বাজির আশা না করাই ভালো।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, যে কেরামত আলির বিরুদ্ধে এই বাজি কারখানা চালানোর অভিযোগ, তিনি কার্যত নির্ভিক লোক। গ্রামবাসীদের আপত্তি, প্রতিবাদ, প্রশাসনের চোখরাঙানি এমনকী জেলের ভাতকেও বিশেষ পরোয়া করেন না তিনি। ধরা পড়লে জেল খাটেন, বাড়ি ফিরে আবার মন দেন বাজি বানানোয়। সেই তাঁর পেশা এবং নেশা। রবিবারের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কেরামতের ছেলে। নিজের হাতে গড়ে তোলা বারুদের সাম্রাজ্য প্রাণ কাড়ল কুলপ্রদীপটির। এখনও কি একই রকম নিরুত্তাপ, নির্বিকার কেরামত? বড় জানতে ইচ্ছা করে। সন্তানহারা বাজি কারখানার মাথাকে তৃণমূল ঠেলেছে আইএসএফের দিকে, আইএসএফ শাসকদলের দিতে। ঠেলাঠেলি চলছে অনর্গল। তবে স্থানীয় পুলিশের দাবি, কেরামতের কেরামতি সাঙ্গ হয়েছে এদিনের বিস্ফোরণেই। কেরামতের পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে সামসুল হকেরও। তারই জমির উপর গড়ে উঠেছিল ওই অবৈধ বাজির কারখানা। এদিকে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তুলে এনেছেন আর এক অভিযুক্তের নাম। বলাই বাহুল্য, তিনি আইএসএফ-ঘনিষ্ঠ। সেই রমজান আলি ছাড়া এসেছে আজিবর রহমান নামে আরেক ব্যাক্তির নামও। যার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর নিষিদ্ধ বাজি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি আবার তৃণমূল নেতা। ঘটনার পর থেকে তিনি আবার ফেরারও।

দত্তপুকুর বাজি কারখানা বিস্ফোরণের ঘটনায় মিলেছে মুর্শিদাবাদ-যোগ। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জেরাত আলিই নাকি এই কারবারের মোট সিন্ডিকেটটি চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জেরাতের দাপটে এলাকায় বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খায়। দত্তপুকুরের বাজি বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে ৬ কারখানাকর্মীই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। অনুমান করা যায়, বাজি কারখানার কাজ দিয়ে তাঁদের দত্তপুকুরে পাঠায় জেরাতই। মুর্শিদাবাদে অবশ্য কাপড়ের ব্যবসায়ী পরিচয় বাঁচিয়ে রেখেছে ,সে। পসার না-হওয়া ছোট্ট দোকানের আড়ালেই চলে বোমার মশলা ও বোমা বানানো শ্রমিক বানানোর সিন্ডিকেট। অনেকেই দেখেছেন, ভোর হতে না হতেই ছোট ছোট পিকআপ ভ্যানে করে কাপড়ে গাঁটরির আড়ালে আড়ালে বোমার মশলা পড়শি রাজ্য থেকে এসে ঢুকত জেরাতের ডেরায়। সন্ধ্যা নামতে না নামতেই গোডাউন ঘিরে ধরত দশ চাকা, ষোলো চাকার ইয়াব্বড় বড় সহ ট্রাক। যার মাধ্যমে সকালের কাঁচামাল সরবরাহ হয়ে যেত দত্তপুকুরের মতোই রাজ্যের একাধিক বেআইনি বাজি কারখানায়। নিমেষে ফাঁকা হয়ে যেত জেরাতের গুদোম। এই যে দত্তপুকুরে বিরাট ব্যবসা, তা সুদূর মুর্শিদাবাদে বসে গোটাটাই নিয়ন্ত্রণ করত জেরাত। বেশি রোজগারের আশা দিয়ে গ্রামের গরিবগুর্বো ছেলেগুলিকে নিয়ে আসত এই বিপজ্জনক কাজে। না, সহজ নয় ঠাঁই। ভিনগাঁ থেকে কাজ করতে আসা এই শ্রমিকদের পরিবারেরা সোজাসুজি যোগাযোগ করতে পারতেন না তাঁদের সঙ্গে। যোগাযোগের মাধ্যম ছিল জেরাতই। সাধারণ শব্দবাজির মশলা তো তৈরি হতই এই কারখানায়, তবে আসল অর্থকরী ছিল বড় বিস্ফোপণের ক্ষমতাযুক্ত বোমার মশলা। আর সেই বোমা যে কী কাজে লাগে, তা কে না জানে! দিন কয়েক আগেই মুর্শিদাবাদের একটি বিস্ফোরণ মামলায় পুলিশ পাকড়াও করে জেরাতকে। মাস কয়েকের মধ্যেই মেলে জামিন। আবার রমরমিয়ে চলে ব্যবসা। জেল, গ্রেফতারি এসব যে রেয়াতকে চার দেওয়ালে আটকে রাখতে পারবে না, তা ভালোই জানে জেরাত। ফলে কাউকেই রেয়াত করে না সে! কীসের জোরে জেরাতের এত বাড়বাড়ন্ত, প্রশ্ন থেকেই যায়।

দত্তপুকুরের বিস্ফোরণের ঘটনা এখনও টাটকা। তার ক্ষত, রক্ত, ভাঙা ঘরবাড়ির মতোই স্পষ্ট। ফলে তা নিয়ে সরকার, প্রশাসন বা বিরোধীদের তৎপরতার শেষ নেই। ইতিমধ্যেই ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বটে। সাসপেন্ড করা হয়েছে দত্তপুকুরের আইসি শুভব্রত ঘোষ ও নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে। ব্যবস্থা নেওয়ার এর থেকে সহজ সরল ব্যবস্থা আর কী-ই বা আছে! তবে এ সবের রেশ মাত্র দিন কয়েক। দিন কয়েকের মধ্যেই পলি জমবে দত্তপুকুরের কারখানায়। অন্য কোথাও প্রশাসনের চোখের ফাঁক গলে চলবে বেআইনি বাজি কারখানা। কোনও একদিন সে-ও ভীষণ বারুদগন্ধে ফেটে যাবে। উড়ে যাবে হাত, শ্রমিকদের দেহ ছিটকে পড়ে থাকবে এদিকে সেদিকে। তারপর ফের হইচই হইচই শোরগোল। অতঃপর দামামা বাজিয়ে রাজ্যে এসে পড়বে ভোট। গণতন্ত্রের উৎসবে রাজ্যের নেতামন্ত্রীর পোষা গুন্ডারা তখন আবার খুঁজবে কেয়ামত কিংবা জেরাতদের। কারণ নিরঙ্কুষ জয়ের ফর্মুলা যে কোন বাজি কারখানা, বারুদের কোন পরীক্ষাগারে রাখা আছে, তা বুদ্ধিমান মাত্রেই জানেন! অতএব বড় বড় দেশে এমন ছোট ছোট ঘটনা ঘটে, আখছাড়ই ঘটে। ফলে পাতা উল্টে যাওয়াই বোধহয় সমীচিন!

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।