পাউডারেই লুকিয়ে ক‍্যানসারের বিষ, ভারতের শিশু ও মহিলারা কতটা বিপদে

বিগত ছ'বছরে হাজার-হাজার মহিলার অভিযোগ জনসন অ্যান্ড জনসনের পাউডার থেকে ক্যানসার হচ্ছে। এই মুহূর্তে হাজার হাজার মহিলা এই সংস্থার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
পাউডারেই লুকিয়ে ক‍্যানসারের বিষ, ভারতের শিশু ও মহিলারা কতটা বিপদে

বিশ্বজুড়ে জনসন অ্যান্ড জনসন নিজেদের সংস্থার তৈরি ট্যাল্ক-নির্মিত বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল। তবে বাদ পড়ল ভারত। 'মানিকন্ট্রোল' সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভারতে এযাবৎ যে পরিমাণ জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার উৎপাদন হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিক্রি না হওয়া অবধি বাজার থেকে নিজেদের এই পণ্য তারা প্রত্যাহার করবে না।

বিগত ছ'বছরে হাজার-হাজার মহিলার অভিযোগ জনসন অ্যান্ড জনসনের পাউডার থেকে ক্যানসার হচ্ছে। এই মুহূর্তে হাজার হাজার মহিলা এই সংস্থার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন।

দু'বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সংস্থা সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করেছিল নিজেদের ট্যাল্ক-নির্মিত বেবি পাউডারের বিক্রি। ভারত বাদে বিশ্বের বাকি দেশগুলি থেকে এই পাউডার বিক্রি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিতে দুই বছর সময় নিল জনসন অ্যান্ড জনসন।

চলতি বছরেই ভারতে জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পনেরো বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (যেখানে এক বিলিয়ন মানেই দশ কোটি মার্কিন ডলার) পৌঁছেছে, জানাচ্ছে অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজে়শন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস।

আদালতে দাঁড়িয়ে জনসন অ্যান্ড জনসন যা দাবি করল

কিন্তু তার আগে বারে বারে দাবি করে এসেছে তারা যে, তাদের তৈরি বেবি পাউডারে ফর্মালডিহাইড এবং অ্যাসবেস্টসের মতো ক্ষতিকর পদার্থ নেই। পাশাপাশি এত সংখ্যক মামলার সামনে দাঁড়িয়ে জনসন অ্যান্ড জনসন জানিয়েছে, তারা এবার থেকে কর্নস্টার্চ থেকে বানাবে শিশুদের পাউডার। যে-সময় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সংস্থা, তখনও কিন্তু নিজেদের তৈরি পাউডার যে ক্ষতিকর নয়, সেই পুরনো বক্তব্যেই অটল থেকেছে তারা।

তবে জনসন অ্যান্ড জনসন যে জোর গলায় দাবি করছে, তাদের পাউডার এবং শ্যাম্পু সম্পূর্ণ নিরাপদ, তা কিন্তু নিজেদের করা গবেষণার ভিত্তিতে বলছে; যে গবেষণা এই সংস্থা বাদে অন্য কেউ তত্ত্বাবধান করেনি।

অথচ রয়টার্সের সূত্রে জানা যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি রেকর্ড, ট্রায়াল টেস্টিমনি এবং অন্যান্য প্রমাণ স্পষ্ট করছে, ১৯৭১ থেকে ২০০০ পর্যন্ত জনসন অ্যান্ড জনসন নিজেদের তৈরি পাউডারে বেশ কয়েকবার সামান্য হলেও অ্যাসবেসটস ব্যবহার করেছে। কিন্তু সেই প্রমাণ সংস্থার সামনে পেশ করার পরেও তারা বারে বারে অ্যাসবেসটস ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রান্নার তেলেই বিষ মিশছে প্রতিদিন, নিজের অজান্তেই ডেকে আনছেন মৃত্যু

কী বিপদ ডেকে আনছে পোড়া তেল?

অন্যদিকে ফর্মালডিহাইডের প্রভাবে মায়েলয়েড লিউকেমিয়া, ন্যাসোফেরেঞ্জিয়াল ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে।

কতটা ক্ষতিকারক অ্যাসবেসটস এবং ফর্মালডিহাইড?

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার ইতিমধ্যেই অ্যাসবেসটসকে মানুষের শরীরে ক্যানসারের কারণ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ব্রিটেনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (এনআইএইচ), সেন্টার ফর ডিজি়জ় কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি), এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রিশন (এফডিএ) অনেক আগেই অ্যাসবেসটসকে কার্সিনোজেনিক বা ক্যানসার সৃষ্টিকারী পদার্থ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

অ্যাসবেসটস নিঃশ্বাসের সঙ্গে খুব সহজেই শ্বাসনালী হয়ে ফুসফুসে পৌঁছতে পারে। ফুসফুসে ক্যান্সার তৈরি হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অ্যাসবেসটস। ফুসফুসে যত বেশি অ্যাসবেসটস প্রবেশ করে, ততই বাড়ে ক্যানসারে ভোগার সম্ভাবনা।

ফুসফুসে ক্যানসারের পাশাপাশি অ্যাসবেসটস মেসোথেলিওমা ঘটার পিছনেও দায়ী। মেসোথেলিওমা একটি বিরল ধরনের ক্যানসার। বুক এবং পেটের মধ্যে থাকা বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মেসোথেলিয়াম কোশে এই ক্যানসার হতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি অ্যাসবেসটসের প্রভাবে ওভারি অর্থাৎ ডিম্বাশয়েও ক্যানসার হতে দেখা গেছে।

ডিসিজিআই চুপ!

জনসন অ্যান্ড জনসনের শ্যাম্পু এবং ট্যাল্ক-নির্মিত বেবি পাউডারে ফর্মালডিহাইড এবং অ্যাসবেসটসের মতো উপাদানের সন্ধান পাওয়ার দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছিল এই সংস্থার তৈরি শ্যাম্পু এবং পাউডারের ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পদ্ধতি। কারণ এই দুই পদার্থই শরীরে ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। বেশ কিছু ব্যক্তি এই জনসন অ্যান্ড জনসনের পাউডার ব্যবহার করে ইতিমধ্যেই ক্যানসারের শিকার। ভারতে জনসন অ্যান্ড জনসনের শ্যাম্পু ও পাউডার প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী, তা জানতে চেয়ে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া বা ডিসিজিআই-কে পাঠানো প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি, এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছিল তার পাঁচ দিন আগেও।

সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজে়শনের দায়িত্বহীনতা

গত বছর ন্যাশনাল কমিশন অফ প্রোটেকশন ফর চাইল্ড রাইটস ডেকে পাঠায় ডিসিজিআই এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজে়শনকে। কারণ জনসন অ্যান্ড জনসনের ল্যাবরেটরির পরীক্ষা পদ্ধতিতে অস‌ংগতি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। এখানে উল্লেখ্য এই পরীক্ষাটি জনসন অ্যান্ড জনসন নিজেদের তৈরি পাউডার ও শ্যাম্পুতে অ্যাসবেসটস এবং ফর্মালডিহাইড আছে কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য করেছিল। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে রাজস্থানের ড্রাগ পরিদর্শক জনসন অ্যান্ড জনসনের 'নো মোর টিয়ার্স' বেবি শ্যাম্পুতে ফর্মালডিহাইডের উপস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বছরেরই জুন মাসে কলকাতার সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরি জানিয়েছিল, সেই শ্যাম্পু নাকি একেবারেই নিরাপদ।

জানা যাচ্ছে, যথাযথ পরীক্ষা নাকি কলকাতার সেন্ট্রাল ড্রাগ ল্যাবরেটরি এবং চণ্ডীগড়ের রিজিওনাল ড্রাগস টেস্টিং ল্যাবরেটরি, কেউই মানেনি।

যেখানে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজে়শনের দায়িত্বই হলো, নতুন ড্রাগসের ব্যবহারে অনুমতি দেওয়া, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল তত্ত্বাবধান করা, ড্রাগ পরীক্ষার পদ্ধতি কীভাবে হবে তা নির্ধারণ করা, এবং ভারতের বাইরে থেকে আসা ড্রাগের মান নিয়ন্ত্রণ করা, সেখানে তারা জনসন অ্যান্ড জনসনের পাউডার ও শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে পরীক্ষার মানোপযোগী পদ্ধতি অনুসরণ করেনি। পরীক্ষা পদ্ধতিতেও ছিল অনেক অসংগতি।

এত কিছুর পরেও বাজার থেকে নিজেদের পণ্য সরাচ্ছে না জনসন অ্যান্ড জনসন। একথা জলের মতো স্পষ্ট, ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজে়শনের অনুমতি ছাড়া কোনও জনসন অ্যান্ড জনসনের পণ্যই বাজারে এখনও বহাল তবিয়তে থাকতে পারে না।

তাহলে ভারতীয় শিশু ও মহিলাদের ক্যানসার হলে দায় কে নেবে?

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।