এখনও হয়নি যথেষ্ট টিকাকরণ, বিশ্বজুড়ে নখ শানাচ্ছে করোনা! আবার অতিমারী?

ভারত ছাড়াও যে-সমস্ত দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের বিপদ বেড়েছে, সেই দেশগুলির তালিকায় ওপরের দিকে নাম রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি এবং চিনের।

Arnab Dutta
৪ মিনিট
এখনও হয়নি যথেষ্ট টিকাকরণ, বিশ্বজুড়ে নখ শানাচ্ছে করোনা! আবার অতিমারী?

দুনিয়া থেকে কবে বিদায় নেবে কোভিড? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। উপরন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় সারা পৃথিবীতে করোনা-সংক্রমিত আরও ১,৪৮৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আবিশ্ব নতুন করে করোনা-আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন ৭ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৩৮ জন নাগরিক। ওয়ার্ল্ডোমিটার নামে আন্তর্জাতিক সমীক্ষক সংস্থা সূত্রে উদ্বেগজনক এই তথ্য জানা গিয়েছে।

সমীক্ষা অনুসারে, ২০২০ সালের মার্চ থেকে আবিশ্ব করোনা-আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ কোটি মানুষ। আর করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে এ-পর্যন্ত সারা দুনিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৬ কোটি ৩৫ লক্ষরও বেশি। ২০১৯ সালে মারণ করোনাভাইরাস চিন থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার পর বিপর্যয় ছড়িয়েছে দুনিয়াজুড়ে। টানা দু'বছর করোনা সংক্রমণের জেরে মানুষের মৃত্যুমিছিলও ক্রমে ভয়াবহ চেহারা নেয়। এরপর ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক কাজকর্মে খানিক গতি এলেও ফের বিপদ ঘনাচ্ছে।

করোনার বিপদ কাটেনি বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস আধানম ঘেব্রেইসাস জানিয়েছেন, ১১০টি দেশে করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। একই সঙ্গে করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। আবিশ্ব করোনা-সংক্রমণ নতুন করে ২০ শতাংশ বেড়েছে।

বারংবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণ রুখতে জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণ করা উচিত। আবিশ্ব অন্তত ৭০ শতাংশ নাগরিককে করোনার টিকা প্রদান করা হলে সংক্রমণ সেক্ষেত্রে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হবে। এছাড়া মাস্ক পরা, স্যানিটাইজার ব্যবহার কিংবা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাও উচিত।

কিন্তু পৃথিবীর সর্বত্রই করোনাবিধি মেনে চলার ব্যাপারে নাগরিকদের মধ্যে শৈথিল্য দেখা দিচ্ছে। সতর্কতামূলক প্রচারেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এমনকী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স-সহ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলির নাগরিকরা কোভিড বিধি অমান্য করে ইতিমধ্যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভেও শামিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পানীয় জলের জীবাণু চিনতে পারবেন আপনিও! যুগান্তকারী আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের

এই মুহূর্তে এই ওয়াটার টেস্ট কিটটি পাওয়া যাবে ১৯৯ টাকা মূল্যের বিনিময়ে এবং খুব শিগগির বাজার থেকেও কিনতে পারবেন সাধারণ মানুষ। একটি প্যাকেটে এখন দু'টি কিট পাওয়া যাচ্ছে। এবং প্রতিটি টেস্ট কিট একবারই ব্যবহার করা যাবে।

এই আবহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করল অতিমারী পর্ব শেষ হয়েছে, এমন মনে করার কোনও কারণ নেই। উদ্বেগ বাড়িয়ে করোনার বিএ.৪ এবং বিএ.৫ ভ্যারিয়েন্ট শতাধিক দেশে সংক্রমিত হতে শুরু করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস আধানম ঘেব্রেইসাস সাংবাদিক সম্মেলন করে ফের করোনার বাড়বাড়ন্ত নিয়ে নতুন কিছু তথ্য পেশ করেছেন। যেমন, মোটে ৫৮টি দেশের ৭০ শতাংশ নাগরিক এ-পর্যন্ত করোনার টিকা পেয়েছেন। বাকিদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সরকার করোনা প্রতিরোধক টিকার ব্যবস্থাই করে উঠতে পারেনি। এই দেশগুলি নিম্ন আয়ের দেশ। আর করোনা প্রতিরোধক টিকা পাননি এখানকার বাসিন্দা সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রবীণ নাগরিক।

এমনই একটি দেশ মধ্য আফ্রিকার রোয়ান্ডা। রোয়ান্ডাতে দ্বিতীয় দফায় করোনা প্রতিরোধক টিকাকরণের হার ৬৫ শতাংশ। এছাড়া নিম্ন আয়ের দেশগুলির মোটে ১৮ শতাংশ বাসিন্দা করোনা প্রতিরোধক টিকা পেয়েছেন। উচ্চ আয়ের দেশগুলিতে প্রথম দফার টিকা পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট দেশের ৮১ শতাংশ নাগরিক।

অন্যদিকে, প্রখ্যাত মার্কিন সংবাদপত্র দ‍্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুসারে, সারা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৬৮.৮ শতাংশ করোনার প্রথম দফার টিকা পেয়েছেন। সেই হিসেবে করোনা প্রথম দফার টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে ৫.২৩ বিলিয়ন মানুষের। দ‍্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এই সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের 'আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটা' নামে একটি সমীক্ষাকে উদ্ধৃত করে।

আবিশ্ব নতুন করে যে হারে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা। এজন্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে সতর্ক হয়েছে, অতিমারী পরিস্থিতি বিলীন হয়নি। এদিকে আবিশ্ব এক-তৃতীয়াংশ মানুষই প্রথম দফার কোভিড টিকা পাননি। এঁদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ আফ্রিকার দেশগুলির বাসিন্দা। বিশ্বের অন্য অঞ্চলগুলির তুলনায় আফ্রিকাতেই টিকাকরণের গতি সবচেয়ে মন্থর।

ভারতেও করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন আরও ১৮,৮১৯ জন। গত চার মাসের নিরিখে বর্তমানে ভারতে করোনা সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে গত চার মাসের তুলনায় সক্রিয় করোনা রোগীর হারও সর্বোচ্চ। সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা এখন লক্ষাধিক। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জন সংক্রমিতের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৮.৫৫ শতাংশ করোনা রোগী।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, করোনা প্রতিরোধক টিকাকরণের ওপরে জোর দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাপ্রদান করা হয়েছে ১৪ লক্ষ ১৭ হাজার ২১৭ জনকে।

তাও মহারাষ্ট্র, কেরল, কর্নাটক ও দিল্লিতে উদ্বেগজনকভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। করোনা সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমিতর সর্বশেষ সংখ্যা চার হাজার ছুঁইছুঁই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, নাগরিকরা যাতে কোভিডবিধি মেনে চলেন, সে-ব্যাপারে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ চার রাজ্যের সরকারকে লিখিতভাবেই এই নির্দেশ দিয়েছেন।

বাস্তবে এও দেখা যাচ্ছে, বহু নাগরিকই করোনাবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে উদাসীন। ফলে বিপদও বাড়ছে।

ভারত ছাড়াও যে-সমস্ত দেশে নতুন করে করোনা সংক্রমণের বিপদ বেড়েছে, সেই দেশগুলির তালিকায় ওপরের দিকে নাম রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি এবং চিনের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হলেও নাগরিকদের উদাসীনতার কারণে তাতে অনেক সময়েই লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন' মার্কিন নাগরিকদের আর্জি জানিয়েছে, তাঁরা যেন কোভিড সংক্রমণ এড়াতে ঘরে-বাইরে সর্বত্রই মাস্ক পরেন। চিন সরকারও সেদেশের নানা শহরে নতুন করে লকডাউন জারি করেছে লকডাউন প্রসঙ্গে নাগরিক অসন্তোষ সত্ত্বেও। অন্যদিকে, এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে চালানো একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, করোনা পরীক্ষাতেও অনাগ্রহী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।

ভারতে কোভিড সংক্রমণ বাড়লেও বিশেষজ্ঞরা আশ্বস্ত করেছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এ-ব্যাপারে নয়া দিল্লির এইমসের ডিরেক্টর ডা. রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, "ভারতে করোনা সংক্রমণ নির্দিষ্ট কিছু এলাকাতেই বাড়ছে। ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে নাগরিকরা কিছুটা সচেতন হলেই।"

লিখেছেন
Arnab Dutta
Arnab Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।