বাংলাকে তথ্য প্রযুক্তির দুয়ারে এনেছিলেন তিনিই! মানব মুখোপাধ্যায়কে কেন ভুলবে না রাজ্য

CPIM Manab Mukherjee Passes Away: বাম জমানার সুবক্তা, সুতার্কিক এবং দূরদর্শী মানব মুখোপাধ্যায় না থাকলে তথ্য প্রযুক্তি এ রাজ্যে আসন পেতে বসতই না।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
বাংলাকে তথ্য প্রযুক্তির দুয়ারে এনেছিলেন তিনিই! মানব মুখোপাধ্যায়কে কেন ভুলবে না রাজ্য

মেশিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চেয়েছিলেন জন হেনরি। তারপর হাতুড়ির ঘায়ে ঘায়ে সময় পেরিয়ে, ইতিহাস পেরিয়ে ধীরে ধীরে মানুষই হয়ে উঠল যন্ত্রশ্রমিক। গতর খাটানোর শ্রমিকদের বঞ্চনার পাশে জুড়ে গেল মাথা খাটানো শ্রমিকদের দুর্দশাও। জুড়ে গেল দাবি দাওয়া, জুড়ে গেল অভাবও। মেশিন মানুষের চাকরি খাবে- এই সত্যের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়াল মেশিন চালানো মানুষ চাকরি পাবে। কর্ম যোগাবে যন্ত্রই, আর কর্মের সংস্থান ঘটাবে মানুষের নির্বাচিত দল, রাজনৈতিক দল। দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটারের বিরোধিতা করেও পরে এই সত্যেরই পাড়ে এসে দাঁড়ায় তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন বাম দল। তথ্য প্রযুক্তি শিল্প তখনও রাজ্যে পা রাখেনি। তার প্রায় দুই যুগ পর পশ্চিমবাংলায় চাকরির বড় লোভনীয় ক্ষেত্র হয়ে উঠবে আইটি, দেশে বিদেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের সাক্ষী হবে মানুষ। যন্ত্রকে ভাষা জোগাতে মরিয়া হবে মানুষ। বাংলায় কর্মসংস্থানের মোড় ঘোরানো মানুষ ছিলেন মানব মুখোপাধ্যায়। বাম জমানার সুবক্তা, সুতার্কিক এবং দূরদর্শী মানব মুখোপাধ্যায় না থাকলে তথ্য প্রযুক্তি এ রাজ্যে আসন পেতে বসতই না। দীর্ঘ রোগভোগের পর, ২৯ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।

স্ট্রোক হওয়ার পর মল্লিকবাজারের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মানব মুখোপাধ্যায়। বাম তাত্ত্বিক নেতা মানব সাতের দশকে মার্ক্সবাদের প্রতি আকৃষ্ট হন। ৮৭ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। ১৯৯১ সালে বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথম বার নির্বাচনে দাঁড়ান মানব, আর সেই বছরই বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০১১ সাল পর্যন্ত বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টানা বিধায়ক ছিলেন তিনিই। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় দুইবার মন্ত্রিত্ব সামলেছেন মানব মুখোপাধ্যায়। প্রথমবার তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী, পরের বার বাম সরকারের পর্যটন মন্ত্রী ছিলেন তিনি। মানব নিজের ৬৭ বছরের সফর সাঙ্গ করে চলে গেলেও, তাঁর এক অনন্য কৃতিত্বের স্বাদ বাংলা ভোগ করবে অনন্তকাল।

নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বাংলায় না হলেও, দক্ষিণ ভারতের দুই স্তম্ভ বেঙ্গালুরু আর হায়দরাবাদে তথ্য প্রযুক্তি শিল্পের রমরমা দেখা দিয়েছে। আজও ভারতের সেরা টেক হাব বলতে মানুষ এই দুই জায়গার নামই সর্বাগ্রে উচ্চারণ করেন। সেই তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে তথ্য প্রযুক্তির সফর শুরু অনেকটাই দেরিতে। তবু, বাংলার উর্বর বাজারে আগ্রহ দেখিয়েছিল পৃথিবীর তাবড় সব তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা। বাম আমলে তথ্য প্রযুক্তির হাত ধরে কলকাতায় তৈরি হয় প্রচুর কর্মসংস্থান, জলা জমি বিধাননগর, সল্টলেকের ভোল বদলে যায় রাতারাতি। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ হয়ে ওঠে রাজ্যের টেক হাব। আর এখন! ঝাঁ চকচকে সল্টলেক কলকাতার মধ্যে অন্যই এক কলকাতা। অথচ, সফরের বয়স ২১ বছর। ২০০১ সালের আগে বাংলায় অস্তিত্বই ছিল না তথ্য প্রযুক্তি দফতরের। বাম আমলে ২০০১ সালেই তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী হন মানব। তারপর একের পর এক বিখ্যাত তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা আগ্রহ দেখাতে শুরু করে বাংলায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ইন্সট্যান্ট' বিপ্লব হয় না! বামেদের এখন যে পথে হাঁটতে হবে...

Rabin Deb: এটা নীতির লড়াই, স্পষ্টত দুই দৃষ্টিভঙ্গির লড়াই। আন্দোলন, বিপ্লব, সংগ্রামে জয়-পরাজয়, উত্থান-পতন আছে। এটাই বিজ্ঞান, বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে এগনো যায় না।

সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর প্রাক্তন সদস্য,

বামফ্রন্ট সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী,

কমরেড মানব মুখার্জী লাল সেলাম

কমরেড মানব মুখার্জী অমর রহে

সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৪০০ স্কোয়ার ফিটের ফ্ল্যাটে জীবন কাটল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের, সততার সহজপাঠ ছিল হাতের কাছেই

Buddhadeb Bhattacharjee: পশ্চিমবঙ্গের আদ্যন্ত `ভদ্রলোক মুখ্যমন্ত্রী’র কথা কি বেশি করে মনে পড়ছে না রাজ্যবাসীর?

— CPI(M) WEST BENGAL (@CPIM_WESTBENGAL)

তথ্য প্রযুক্তি মেধাভিত্তিক শিল্প। মানব নিজে ছিলেন বিজনেস ম্যানেজমেন্টের ছাত্র। ফলে এই নয়ে শিল্পে মেধাশ্রমিকের অভাব বাংলায় অন্তত কখনই হবে না, জানতেন বাম নেতা। একে একে বাংলার জমিতে আসে উইপ্রো, ইনফোসিস, টিসিএস। আইবিএম, কগনিজ্যান্ট, ক্যাপজেমিনি, প্রাইসওয়াটারহাউসকুপার্সের মতো বিখ্যাত আইটি সংস্থা বাংলায় কর্মসংস্থানের ঝাঁপি খুলে দেয়। মানব মুখোপাধ্যায়ের পর, ২০০৬ সালে বাংলায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হয়েছিলেন দেবেশ দাস। তিনি বলেন, “মানব মুখোপাধ্যায় ২০০১ সালে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী হন। এই বাংলায় তথ্য প্রযুক্তির অঙ্কুরোদ্গম শুরু হয় সেই সময়েই। নিউটাউনে ডিএলএফ বিল্ডিং মানব মুখোপাধ্যায়ের সময়েই তৈরি। তারপর আমি দায়িত্বে আসি ২০০৬ এ, তবে সেক্টর ৫, ডিএলএফ বিল্ডিং-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো মানবের সময়েই ঘটে।” তিনি জানান, ২০০১ সালেই প্রথম এই রাজ্যে প্রথম আইটি দফতর হয়, তার আগে ইনফরমেশন টেকনোলজি বলে কোনও দফতরের অস্তিত্বই ছিল না।

এককালে রাজ্য সরকারি সংস্থার একটা মাত্র ভবন দিয়েই কাজ শুরু হয়েছিল। ২০০৬ সালে তথ্য প্রযুক্তিতে কাজ করতেন ৩৫ হাজার মানুষ, চার বছরেই সেই সংখ্যা লাফিয়ে ১ লাখের গণ্ডি পার করে ফেলে। আর এখন বাংলার কত মানুষ আইটি মুখাপেক্ষী তার গণনা সংখ্যাকেও হার মানায়। ২০০৪-২০০৫ সালে, অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তি দফতর স্থাপনার তিন/চার বছরেই তথ্য প্রযুক্তি শিল্পে রাজ্যের প্রবৃদ্ধির গড় ছিল ২৫ শতাংশ। আর জাতীয় গড় ছিল ১২/১৩ শতাংশ। দেবেশ দাস জানান, “আমাদের সময় উইপ্রো ইনফোসিস এসেছিল, টিসিএস এসেছিল। তারপর থেকে রাজ্যে এমন কোনও শিল্প আসেনি যা আমাদের সময় আসা শুরু করে। উলটে ২০১১ সালের পর আইটি দু’ একটা চলেও গেছে।” শুধু রাজধানীতে আটকে থাকা নয়, দুইটি তথ্য প্রযুক্তি পার্ক চালু করে কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল শিলিগুড়িতেও।

কল কারখানার শিল্পের ধারণা থেকে বেরিয়ে বাংলাকে এক নয়া বিপ্লবের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন বাম নেতা মানব মুখোপাধ্যায়। তথ্য প্রযুক্তিই যে আগামী দিনে বিশ্বজুড়ে চাকরির বাজারকে দিশা দেখাবে তেমনটা আগে থেকে ধারণা না থাকলে এমন বড় পদক্ষেপ বাস্তব হওয়ার আগেই ফিতের জটে আটকে যায়। আজকের সাধারণ অ্যাপ নির্মাণ সংস্থার কর্মী থেকে শুরু করে টুইটারের বেচাকেনায় তোলপাড় হওয়া বঙ্গনাগরিক- মানবকে কেন মনে রাখবেন সে নিয়ে দ্বন্দ্বহীন হতে পারেন। গুলিয়ে দেওয়ার রাজনৈতিক ফিকিরে সত্যের কথা জানতে হলে, বাংলায় তথ্য প্রযুক্তির ইতিহাস জানতে হলে, সল্টলেকের বিকাশ জানতে হলে, টেক হাবের ব্লু প্রিন্ট জানতে হলে সকলকে ফিরে আসতেই হবে বাম আমলের বিশ্লেষণে, ফিরতে হবে মানবের চিন্তনের কাছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।