ওয়ান ডে, টেস্ট এখন অতীত, পুরোটাই টি-টোয়েন্টি! ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী আশঙ্কা করছেন কপিল দেব?

আইসিসি-র ক্যালেন্ডারে ধীরে ধীরে জায়গা দখল করছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। ওয়ান ডে বা টেস্টের ভবিষ্যৎ কী?

Arunava Nag Roy
৪ মিনিট
ওয়ান ডে, টেস্ট এখন অতীত, পুরোটাই টি-টোয়েন্টি! ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী আশঙ্কা করছেন কপিল দেব?

বর্তমানে দেশে দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগের দাপট চোখে পড়ার মতো। দাপট এমনই যে, আন্তর্জতিক ক্রিকেট আজ বিপর্যস্ত। আমরা হালেই দেখেছি যে, আইপিএলের শিডিউলের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজ রিশিডিউল করতে হয়েছে। এখন যেন আন্তর্জাতিক ম্যাচের চেয়ে টি-টোয়েন্টি লিগই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। যেমনটা হয়েছে ফুটবলে। চার বছর পরপর বিশ্বকাপ ছাড়া ফুটবলের পুরোটাই চলে ক্লাব পর্যায়ের প্রতিযোগিতা দিয়ে। আর এই নিয়েই অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব।

প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক কপিল দেব মনে করেন যে, আইসিসি-র এবার ওডিআই ফরম‍্যাটের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সাম্প্রতিকতম উদাহরণ টেনে তিনি বলেছেন, টি-টোয়েন্টি এবং টেস্টে বেশি মনোযোগ দেওয়ার জন্য বেন স্টোকস সম্প্রতি ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। বিশ্ববন্দিত অলরাউন্ডারের অবসরের পরেই বিশেষজ্ঞদের কারও কারও মত, বর্তমান ক্রিকেটারদের অনেকেই পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচ খেলতে চাইছেন না। ওয়ান ডে ক্রিকেট থেকে স্টোকসের অবসরকে সমর্থন করে ওয়াসিম আক্রম বলেছিলেন, ওয়ান ডে ক্রিকেটকে অযথা টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার বদলে টি-টোয়েন্টি অনেক সহজ ফরম্যাট। সেখানে ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলতে গিয়ে অনেকটাই ক্লান্ত বোধ করছেন অনেক খেলোয়াড়ই।

আরেকটি উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, নিউজিল্যান্ডের স্টার বোলার ট্রেন্ট বোল্টের কথা। কয়েকদিন আগেই বোল্ট নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে তাঁকে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কারণ অবাক হতে হয়। বোঝা যায়, কপিলের চিন্তা মোটেও অমূলক নয়। বোল্ট নিজের সাফাইয়ে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে এবং অন্যান্য বিশ্বব্যাপী টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নিতে চান। উল্লেখিত এই দুই ক্রিকেটারই বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সেরা দুই খেলোয়াড়। একা হাতে ম্যাচের মোড় ঘোরানোর ক্ষমতা রয়েছে দু'জনের। বলাই বাহুল্য, তাঁদের এহেন সিদ্ধান্ত উদ্বেগ তৈরি করেছে বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড এবং কপিল দেবের মতো বহু প্রাক্তন ক্রিকেটারের মধ্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফুলেফেঁপে উঠছে বিসিসিআই, ভারতীয় ক্রিকেটের কতটা উন্নতি হচ্ছে?

খেলা তো আসলে ব্যবসা। যে ফরম্যাট বেশি বিক্রি হবে, সেই ফরম্যাটই টিকে থাকবে। ফলে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য চোখের জল ফেলে লাভ নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বদলে ফ্র্যাঞ্চাইজ ক্রিকেটই আসল খেলা হয়ে দাঁড়ালেও কালের গতি হিসেবেই মেনে নিতে হবে।

কপিল দেবের মতে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পাশাপাশি ওডিআই ক্রিকেটের জন্য সঠিক সময়সূচি বানিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে সিরিজ আয়োজন করুক বোর্ডগুলি। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, বোর্ডগুলি অনেক বেশি পরিমাণে দ্বি-পাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং টেস্ট পছন্দ করছে। অন‍্যদিকে, ওয়ান ডে-র সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এখানে কপিলের প্রশ্ন, তবে কি ফুটবলের মতো অবস্থা হবে ক্রিকেটেরও? তিনি বলেন, "ফুটবলে সারা বছর লিগ চলে। কেবল চার বছর অন্তর বিশ্বকাপ বা ইউরো কাপের মতো প্রতিযোগিতায় দেশগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে খেলে। ক্রিকেটও কি সেই পথে হাঁটছে? শুধু বিশ্বকাপেই দেশগুলো খেলবে? আর বাকি সময় শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট চলবে? এটা হতে পারে না।"

আইসিসি-র ক্যালেন্ডারে ধীরে ধীরে জায়গা দখল করছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। আইপিএল, বিগ ব্যাশের মতো প্রতিযোগিতার জন্য আলাদা সময় ধার্য করছে আইসিসি। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমনই যে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিরিজের ঠোকাঠুকি লাগছে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি নির্বিকার। আইপিএলের কথাই ধরা যাক। এর আগে পর্যন্ত আইপিএল ছিল ৮ দল ও ৬০ ম্যাচের লিগ। সাধারণত মার্চের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া আইপিএল চলত মে মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত। ২০২২ সালে আইপিএলে দু'টি দল বাড়ায় ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪। গত জুনে আইপিএলের নতুন সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির পর ২০২৩ সাল থেকে আইপিএলের ম্যাচ সংখ্যা আরও বাড়ছে। আইপিএল এখন ৯৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি লিগ। ভারত এখন এত ম্যাচ আয়োজনের জন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় যোগ করতে চাইছে। শুধু ভারত নয়, ইংল্যান্ড তাদের দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের জন্যও সময় ফাঁকা রাখছে, অস্ট্রেলিয়া রাখছে বিগ ব্যাশের জন্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানও নিজ নিজ টি-টোয়েন্টি লিগের জন্য সময় ফাঁকা রাখছে। অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের সময়টা সিপিএলের জন্য বরাদ্দ রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ-সময় হাতে গোনা কিছু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবে ক্যারিবিয়ানরা। আইপিএলের সময় সাধারণত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয় না বললেই চলে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া অবশ্য এখন পর্যন্ত দ্য হান্ড্রেড ও বিগ ব্যাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও আয়োজন করে আসছে।

আর এই সম্পূর্ণ ঘটনা ক্রিকেটারদের অবস্থান কী? যেহেতু কম সময়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি বেশি টাকা তাই স্বাভাবিকভাবেই তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দিকেই বেশি ঝুঁকে। দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক চেষ্টার পর তাদের টি-টোয়েন্টি লিগ মাঠে নামাতে যাচ্ছে। সেজন্য এর মধ্যেই টি-টোয়েন্টি লিগকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। আগামী বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের পর দুই দলের ওয়ান ডে সিরিজ খেলার কথা। ওয়ান ডে সিরিজটি আবার তাদের টি-টোয়েন্টি লিগের সঙ্গে ক্ল্যাশ করছে। তাই প্রথমে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডে সিরিজের সূচি বদলানোর প্রস্তাব দিয়েছিল ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা। তারা এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সাউথ আফ্রিকা ঘোষণা করে দিয়েছে যে নিজেদের দেশে টি-টোয়েন্টি লিগের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ খেলতে যাবে না তারা। তিন ম্যাচের সিরিজটি না খেললে ওয়ান ডে সুপার লিগের ৩০ পয়েন্ট যাবে অস্ট্রেলিয়ার পকেটে। সুপার লিগের তালিকায় ১১তম দল দক্ষিণ আফ্রিকার সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা তখন কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু দেশের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড চাইছে আর্থিক সচ্ছলতা। সেজন্য বাধ্য হয়েই তাদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এভাবে চলতে থাকলে ধীরে ধীরে টেস্ট ও ওডিআই ক্রিকেটের মৃত্যু হবে। অন্তত এমনটাই আশঙ্কা প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বিশেষজ্ঞদের। এখন দেখা যাক তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটকে সমানভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আইসিসি কী পদক্ষেপ নেয়। তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, আইসিসি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে জায়গা করে দিতে গিয়ে চাপ বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ওপর, মূলত ওডিআই এবং টেস্ট ক্রিকেটের ওপর। এই খেলার সবক'টি ফরম্যাট যদি সমানতালে না খেলা হয়, তাহলে আখেরে ক্ষতি কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেরই।

লিখেছেন
Arunava Nag Roy
Arunava Nag Roy
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নারী টেস্টে এত অনীহা কেন, লর্ডসের ইতিহাসও বদলাবে না সেই ছবি?

Women’s Test Cricket: লর্ডসে ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় নারী টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বদলানোর সুযোগ এনে দিয়েছে? এত সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও কেন এই ফরম্যাটে নিয়মিত ম্যাচ নেই?

শিব-পরশুরামের যুদ্ধবিদ্যা কালারিপায়াট্টু থেকেই জন্ম কুংফুর!

Kalaripayattu Indian Martial Art: ভারতীয় পৌরাণিক ঐতিহ্যে কালারিপায়াট্টুকে স্রেফ যুদ্ধের কৌশল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটিকে মানব শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলার এক মহান সাধনা বলে মনে করা হয়।

দু'হাজার বছর পুরনো ‘আত্য পাত্যা’: এই খেলাই শিখিয়েছিল যুদ্ধের কৌশল!

Atya Patya Traditional Indian Game: আনুমানিক ১০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত প্রাচীন তামিল সাঙ্গম সাহিত্য ‘নাটতৃণৈ’-তে এই খেলার প্রথম লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়। অতএব, এই খেলার বয়স প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি। সেখানে বলা আছে, প্রাচীন চোল রাজবংশের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার আগে নিজেদের ক্ষিপ্রতা, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা আর শরীরকে এক নিমেষে বাঁকানোর চপলতা বাড়াতে এই খেলায় মেতে উঠত।

১৬ বছর পর ফের ভারতের পথে ললিত মোদী

Lalit Modi return to India: দীর্ঘ সময় পর দিল্লির আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আর্থিক অনিয়মের বড় অভিযোগ ও জরিমানা বাতিল করে দেওয়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ললিত মোদী নিজেই স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত বড়সড় আইনি জটিলতা কাটার পর ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭-এর শুরুতেই ফের তিনি ভারতে পা রাখতে চলেছেন।

গোলের আড়ালে ঘৃণার খেলা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ট্রাম্প, ফিফা আর ফুটবলের পরাজয়

Trump FIFA World Cup: এই বিশ্বকাপ শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; মাঠের লড়াই ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে ভূ-রাজনীতি, বর্ণবিদ্বেষ এবং বাণিজ্যিক আধিপত্যের এক জটিল ময়দান।

একটা রাজপুত্তুর যার মুকুট হারিয়ে গিয়েছে

Lionel Messi Retirement: তিনটে ফাইনালের বোঝা। একে একে ছেড়ে যায় সহযোদ্ধারা। রক্তাক্ত মাসচেরানো চলে যান, কুন আগুয়েরোর অসুখ... তবু লিও পড়ে থাকে, আমরা পড়ে থাকি আর কিছুদিন। বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ছিল একজন স্ক্যালোনির, তিনি সেটুকু সেতু নির্মাণের দায়িত্ব নিলেন। আমরা অপেক্ষা করলাম লুসাইলে। আমরা তো কবেই হেরে গিয়েছিলাম, সৌদি আরব শুধু চিনিয়ে দিয়েছিল আশপাশটা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: যেভাবে ১৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত হল ফুটবল

FIFA Revenue 2026: 'কুইন্টেট প্রাইভেট ব্যাংক'-এর সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অনুঘটক হওয়ার চেয়ে বিশ্বকাপ আসলে একটি শক্তিশালী স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক উদ্দীপক হিসেবেই বেশি কাজ করে। ফিফা, সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ক্ষেত্রগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করলেও, কোম্পানির শেয়ারের দামে সেই ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে রাখা বেশ কঠিন।

যখন ইউরোপে নারীরা গৃহবন্দি, তখন অসমে মেয়েরা খেলছিলেন ধোপখেল

Dhop Khel Assam: আহোম রাজাদের রাজপ্রাসাদ থেকে বিহুর মেঠো মাঠ—অসমের মাটিতে একসময় গমগম করত ধোপখেলের আওয়াজ। ফুটবল, কাবাডি আর দূরন্ত নিশানার এই অদ্ভুত রোমাঞ্চকর খেলাটি শুধু পুরুষদের বীরত্ব প্রমাণের লড়াই ছিল না; যখন ইউরোপে নারীদের জীবন ছিল চার দেওয়ালে বন্দি, তখন অসমে মেয়েরাও মাঠে নেমে মেতে উঠতেন ধোপখেলে।