ইতিহাস বই থেকে বাদ গুজরাত দাঙ্গা, সিলেবাস বদলে যে সত্যি আড়াল করছে বিজেপি

শুধুই গুজরাত দাঙ্গা ছেঁটে ফেলা নয়, একইসঙ্গে সিবিএসই-র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ইতিহাসের সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মুঘল দরবার, কোল্ড ওয়ার, অ্যাফ্রো-এশিয়ান ইসলামিক সাম্রাজ্য-সহ আরও একাধিক বিষয়।

Kanad Dasgupta
৪ মিনিট
ইতিহাস বই থেকে বাদ গুজরাত দাঙ্গা, সিলেবাস বদলে যে সত্যি আড়াল করছে বিজেপি

মোদি-শাহ চাননি গুজরাত-দাঙ্গার কথা আগামী প্রজন্মের নজরে আসুক। এনসিইআরটি বা রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক অনুসন্ধান এবং প্রশিক্ষণ পরিষদ দ্রুত সেই ইচ্ছাপূরণ করে দিল।

সিবিএসই-র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস থেকে মুছে ফেলা হলো ২০০২ সালে গুজরাতে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক কালের বীভৎসতম সাম্প্রদায়িক হানাহানির ইতিহাস। তবে এই উদ্যোগ অনেকটা কাকের খাবার লুকিয়ে রাখার মতোই। কাক যখন কোনও খাবার লুকিয়ে রাখে, তখন নিজের চোখ বন্ধ করে নেয়৷ বায়সকূল বিশ্বাস করে, চোখ বন্ধ থাকায় তারা যখন দেখতে পায়নি কোথায় খাবার লুকিয়ে রাখা হলো, তখন দুনিয়ার কেউই দেখতে পায়নি। কাক-পথ অনুসরণ করেই মোদি-শাহ পড়ুয়াদের পাঠ‍্যক্রম থেকে লুকিয়ে দিল গুজরাত দাঙ্গা। বিজেপি-র ধারণা, সিলেবাসে যখন ওই পরিকল্পিত গণহত্যার কথা থাকছে না, তখন তা আর কেউ কখনওই জানতে পারবে না।

শুধুই গুজরাত দাঙ্গা ছেঁটে ফেলা নয়, একইসঙ্গে সিবিএসই-র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ইতিহাসের সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মুঘল দরবার, কোল্ড ওয়ার, অ্যাফ্রো-এশিয়ান ইসলামিক সাম্রাজ্য-সহ আরও একাধিক বিষয়। সিলেবাস থেকে এই বিষয়গুলি কেন বাদ দেওয়া হলো তার কারণ হিসেবে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের ছোট্ট উত্তর, এই বিষয়গুলি অপ্রাসঙ্গিক। বলা হয়েছে, কোভিড অতিমারীর প্রেক্ষিতে পড়ুয়াদের ওপর চাপ কমাতেই সিলেবাসে এই বদল। ওদিকে এনসিইআরটি-র নির্দেশ পাওয়ামাত্রই সিবিএসই বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং ইতিহাসের সূচি থেকে ঠিক কী কী বাদ গিয়েছে।

সিবিএসইর নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন, ঠান্ডা লড়াই, মুঘল দরবারের ইতিহাস, এই ধরনের বিষয় ফাইনাল পরীক্ষায় আসবে না। কৃষির ওপর বিশ্বায়নের প্রভাব বা আফ্রিকায় মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রসারের মতো বিষয়গুলিও এক খোঁচায় বাদ দেওয়া হয়েছে। ওদিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সিলেবাস থেকে গণতন্ত্র ও বৈচিত্র্য এবং দশম শ্রেণির সাহিত্যে ফৈয়াজ আহমেদ ফৈয়াজের দু'টি কবিতার অনুবাদও বাদ দেওয়া হয়েছে। এনসিইআরটি বলেছে, কিছু কিছু বিষয় আগেই নিচু শ্রেণিতে পড়ানো হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, শুধুই সিবিএসই স্কুলগুলিতে নয়, দেশের একাধিক রাজ্য বোর্ডও এই এনসিইআরটির বই পড়ায়। ফলে সিবিএসই ছাড়াও অন্য বোর্ডের পড়ুয়ারাও এই সব বিষয় আর পড়তে পারবে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেছে বেছে বাদ যিশু থেকে টিপু সুলতান, কর্ণাটকের বিকৃত সিলেবাস চেনাচ্ছে বিজেপির 'জাত'

মাসদুয়েক আগে বিজেপি নেতাদের বারংবার দাবির জেরে পাঠ্যবই থেকে টিপু সুলতানকে গৌরবান্বিত করা অধ্যায় বাদ দেওয়ার ব্যাপারে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে সরকার।

এনসিইআরটি যে বিজ্ঞপ্তি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে, তাতে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পাঠ্য বইয়ের ১৮৭ থেকে ১৮৯ নম্বর পৃষ্ঠায় গুজরাত দাঙ্গার যে অধ্যায় রয়েছে, তা বই থেকে সরানো হচ্ছে। ওইসব পৃষ্ঠায় গত ২০০২ সালের ১ মার্চ তারিখের একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রথম পাতার প্রকাশিত একটি ছবিও রয়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যে ৩ পৃষ্ঠা সরানো হয়েছে তার একটিতে লেখা আছে, “গুজরাত দাঙ্গা দেখিয়েছে সরকারি প্রশাসনও সাম্প্রদায়িক আবেগের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ২০০২ সালে গুজরাতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেভাবে ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করা হয়েছিল, তার বিপদ সম্পর্কে আমাদের সতর্ক করেছে। ওই ঘটনা গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথে বাধা সৃষ্টি করেছে‌।” প্রসঙ্গত, গুজরাত দাঙ্গার সময় ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এখানেই শেষ নয়, সপ্তম শ্রেণির সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাধিক দলিত লেখকের কিছু লেখাও। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে গুজরাতের শিক্ষামন্ত্রী বিধানসভায় জানিয়েছিলেন, স্কুলের সিলেবাসে গীতা পড়ানো হবে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে ঢুকেছে গীতা। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই পড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে 'নকশাল আন্দোলনের ইতিহাস' এবং 'জরুরি অবস্থা সম্পর্কিত বিতর্ক' সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মোদি সরকার ইতিমধ্যেই দেশের ঐতিহাসিক বহু জায়গার নাম বদলে দিয়েছে। বদলাচ্ছে আরও অনেক নাম। এই নাম বদলের মাধ্যমে কেন্দ্র শুরু করেছে ইতিহাস বদলের পালা। ইতিহাস বলছে, হলদিঘাট যুদ্ধে সম্রাট আকবরের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মেবারের রাজপুত রাজা রানা প্রতাপ সিং। কিন্তু এখন মেবারের সরকারি পাঠ্যপুস্তকে ওই যুদ্ধে আকবরের পরাজয়ের কথা দেখা যাচ্ছে, তা দেখে অনেকে হতবাক। সাম্প্রতিক অতীতে, পাঠ্যপুস্তকের ইতিহাসের পাতা থেকে মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস লোপাট হয়েছে। একাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বইয়ে কংগ্রেসকে ব্রিটিশদের লালিত সন্তান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে 'কালো টাকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নোট বাতিলের মাহাত্ম্য বোঝাতে অর্থনীতির বইয়ে আলাদা একটি অধ্যায়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস থেকে বিদেশি লেখকদের বই বাদ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের বক্তব্য, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে হিন্দুত্বকে আরও বেশি করে প্রচারে রাখার জন্য মোদির দল ভারতের বিভিন্ন স্থানের ঐতিহাসিক নাম মুছে পূর্ব নামে ফিরিয়ে আনছে, সিলেবাস থেকে বিজেপির পক্ষে অস্বস্তিকর ইতিহাস ঢালাও বাদ দেওয়ার কার্যক্রম চালু করেছে‌।

ওদিকে দিনকয়েক আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজপুতানার ইতিহাস সম্পর্কিত একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ভারতীয় ইতিহাসবিদদের কাছে শুধু মুঘল শাসকরাই গুরুত্ব পেয়েছেন‌। উপেক্ষিত হয়েছেন অন্য রাজবংশের গুরুত্বপূর্ণ শাসকেরা। সুলতানি ও মুঘল শাসকদের বিরুদ্ধে রাজপুতানা, অহম বা অসম-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের রাজাদের লড়াইকে ‘সংস্কৃতি, ভাষা এবং ধর্ম রক্ষার যুদ্ধ’ বলেও চিহ্নিত করেছেন শাহ। একই সঙ্গে হুমকির সুরে অমিত শাহ বলেন, ‘‘আমাদের সত্য লেখা থেকে কেউ এখন আটকাতে পারবে না। আমরা এখন স্বাধীন। আমরা আমাদের ইতিহাস নিজেদের মতো করে লিখতে পারি।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে ইতিহাসের গেরুয়াকরণের বার্তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে বিরোধীরা।

সিলেবাস থেকে গুজরাত দাঙ্গার অংশ সরিয়ে এ কোন সত্য প্রকাশ করতে উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদি- অমিত শাহর সরকার, প্রশ্ন উঠছে দেশজুড়েই।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।