৫ রাজ্যের ভোটেই উল্টোচ্ছে গদি? সেমিফাইনালেই হাসি ফুটবে ইন্ডিয়া জোটের মুখে?

Exit Polls Results 2023 : রাজস্থানে এক্সিট পোল অনুসারে, কংগ্রেস পাবে ৪২ শতাংশ ভোট, আর বিজেপি পাবে ৪১ শতাংশ

inscript
৪ মিনিট
৫ রাজ্যের ভোটেই উল্টোচ্ছে গদি? সেমিফাইনালেই হাসি ফুটবে ইন্ডিয়া জোটের মুখে?

চারবারের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের আসন কি আবার টলোমলো? বিজেপিকে নয়, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসকেই চাইছে সাধারণ মানুষ? তেলেঙ্গানায় কি তবে কেসিআরের দিন শেষ? রাজস্থানে ভরাডুবি হবে বিজেপির? বিভিন্ন রাজ্যে সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগে এক্সিট পোল যা তথ্য দিচ্ছে, তা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে যে কোনও দলের কাছেই বড় ইস্যু হতে চলেছে, সে জয়ী দল হোক বা পরাজিত।

ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানে কংগ্রেস বিজেপির লড়াই হাড্ডাহাড্ডি। পাশাপাশি অন্য তিন রাজ্যের দিকেও তাকাতেই হয়। তেলেঙ্গানায় মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের ভারত রাষ্ট্র সমিতি সমস্যায় পড়তে চলেছে। মিজোরামে বিরোধী দল, ছয়টি দলের জোট জোরাম পিপলস মুভমেন্ট (জেডপিএম) অপ্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে আসছে লড়াইয়ে। মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গার মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের আসন কতটা নড়বড়ে?

ছত্তিশগড় এক্সিট পোল

হাড্ডহাড্ডি লড়াই বলতে ঠিক যা বোঝায়, ছত্তিশগড় রাজ্যে ঠিক সেটাই হতে চলেছে। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায়, ক্ষমতাসীন কংগ্রেস নাকি ২৩টি আসন হারাতে পারে এবং বিজেপি ২৬টি আসন বেশি পেতে পারে। কংগ্রেস ২০১৮ সালে পেয়েছিল ৬৮ টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৫ টি।

তবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কংগ্রেসের ভূপেশ বাঘেলকেই বেছেছেন ৩১ শতাংশ মানুষ। ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার সমীক্ষা বলছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ রমন সিংকে বেছে নিয়েছেন ২১ শতাংশ ভোটার। বাকি সমস্ত এক্সিট পোলই কংগ্রেসকে এগিয়ে রাখলেও সি-ভোটার এক্সিট পোল বলছে, বিজেপি কংগ্রেসের চেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে, বিজেপি ৪১-৫৩ টি আসন জিততে পারে এবং কংগ্রেস পেতে পারে ৩৬-৪৮ টি আসন।

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোল অনুসারে রাজস্থানেও কংগ্রেসের জন্য কিছুটা এগিয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে। 199টি আসনের মধ্যে যেখানে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কংগ্রেস 86-106 আসনের মধ্যে যে কোনও জায়গায় জিততে পারে এবং বিজেপি 80 থেকে 100 আসন পেতে পারে।

রাজস্থান এক্সিট পোল

রাজস্থানে কংগ্রেসের হাতে আসতে পারে ৯৬ টি আসন এবং বিজেপির ৯০ টি। এক্সিট পোল অনুসারে, কংগ্রেস পাবে ৪২ শতাংশ ভোট, আর বিজেপি পাবে ৪১ শতাংশ- একে বোধহয় হাড্ডাহাড্ডি বললেও কম হয়! বাকি আসনগুলির মধ্যে, বহুজন সমাজ পার্টি ২ শতাংশ ভোট পেতে পারে, এবং অন্যান্য প্রার্থীরা ১৫ শতাংশ ভোট পাবে, বলছে এক্সিট পোল।

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া এক্সিট পোল-এর ৩২ শতাংশ ভোটারই মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে বেছে নিয়েছেন। ২১ শতাংশ বলছেন, বিজেপির যে কেউই গেহলটের চেয়ে ভালো। অন্য তিনটি এক্সিট পোলে, বিজেপি কংগ্রেসের চেয়ে ভালো ফল করবে বলে অনুমান করা হয়েছে। ম্যাট্রিজ এক্সিট পোল জানাচ্ছে, বিজেপি ১১৫-১৩০ টি আসন জিতবে এবং কংগ্রেস ৬৫-৭৫ টি।

মধ্যপ্রদেশের এক্সিট পোল

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এক্সিট পোল অনুসারে, মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতাসীন বিজেপিই জিততে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে ২৩০-সদস্যের বিধানসভায় ১৪০-১৬২ টি আসন জিতবে বিজেপি। কংগ্রেস পাবে মাত্র ৬৮-৯০ টি আসন। গড়ে বিজেপির জন্য ১৫২ টি আসন বরাদ্দ করেছে এই এক্সিট পোল এবং কংগ্রেসের জন্য ৭৬। বিজেপির শিবরাজ সিং চৌহান সরকারবিরোধী ক্ষমতাকে হারিয়ে আবারও মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। ৩৬ শতাংশ মানুষই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শিবরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন আবার কংগ্রেসের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথকে বেছে নিয়েছেন ৩০ শতাংশ মানুষ।

ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্স পোল অনুসারে, বিজেপি ৪৮ শতাংশ, কংগ্রেস ৩৮ শতাংশ এবং অন্যান্যরা ১৬ শতাংশ ভোট পেতে পারে৷ টাইমস নাও-ইটিজি বিজেপিকে ৪৩.৮৩ শতাংশ ভোট দিয়েছে, কংগ্রেসকে ৪২.২৩ শতাংশ এবং অন্যদের ১৩.৯৪ শতাংশ৷ কংগ্রেসকে বেশ খানিকটা এগিয়ে রেখেছে টাইমস নাও। তাদের হিসেবে রাজ্যের শাসক দল ১০৫-১১৭ টি আসন, কংগ্রেস ১০৯-১২৫ টি আসন এবং অন্যরা ১-৫ টি আসন জিতবেন।

রিপাবলিক টিভিও কিন্তু কংগ্রেসকে হেলায় হারায়নি। বিজেপিকে ৪৩.৪ শতাংশ, কংগ্রেসকে ৪১.৭ শতাংশ এবং অন্যদের ১৪.৯ শতাংশ ভোট দিয়েছে এর এক্সিট পোল৷ ২০১৮ সালের শেষ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছিল। কমল নাথ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথও নেন। কিন্তু পরে, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ২২ জন বিধায়ক সহ বিজেপিতে চলে যান এবং শিবরাজ সিং চৌহান আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তেলাঙ্গানা এক্সিট পোল

এক দফাতেই তেলেঙ্গানা বিধানসভার ১১৯ টি আসনের ভোটগ্রহণ হয়। এই রাজ্যের জন্মের পর থেকেই ভারত রাষ্ট্র সমিতির নয় বছরের শাসন করে এসেছে। চারটি এক্সিট পোল বলছে, এবার কংগ্রেস হারাতে পারে বিআরএস-কে। চারটি এক্সিট পোল বলছে, কংগ্রেস সম্ভবত ৬১টি আসন জিতবে। কেসিআর-এর নেতৃত্বাধীন বিআরএস পেতে পারে ৪৬টি আসন। বিজেপি রাজ্যে ব্যাপক প্রচার করলে এক্সিট পোল বলছে, বিজেপির হাতে আসতে পারে সম্ভবত মাত্র সাতটি আসন।

মিজোরাম এক্সিট পোল

জোরাম পিপলস মুভমেন্ট মিজোরামে ৪০ সদস্যের বিধানসভায় ২৮ থেকে ৩৫ আসন জিতে বিশাল জয়ের জন্য প্রস্তুত বলে মনে করছে, ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া এক্সিট পোল। জেডপিএম মিজোরামে মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টকে হারাতে পারে। মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট বাএমএনএফ বর্তমানে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল। তবে এবারের নির্বাচনে সম্ভবত ৩ থেকে ৭ টি আসন জিতবে এই দল। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া সহ তিনটি এক্সিট পোল বলছে জেডপিএম ২২টির মতো আসন জিততে পারে। সি ভোটার অবশ্য বলছে, ১২ থেকে ১৮ টি আসন পাবে এই দল। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন এমএনএফ ১২ টি আসন জিতবে বলে অনুমান করা হয়েছে চারটি এক্সিট পোলে। কংগ্রেস ও বিজেপি যথাক্রমে পাঁচ ও একটি আসন জিততে পারে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।