কোন পথে কীভাবে বাংলাদেশ যায় এ-দেশের গরু! রইল আসল তথ্য

Cattle Smuggling: সিবিআই সূত্রে খবর, এই পাচারচক্রের জাল সারা দেশে বিস্তৃত।

Sourish Das
৪ মিনিট
কোন পথে কীভাবে বাংলাদেশ যায় এ-দেশের গরু! রইল আসল তথ্য

গরুপাচার মামলায় বিগত ১১ অগাস্ট অনুব্রত মন্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সীমান্ত পার করে গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মন্ডলকে জেরা করে তথ্য তুলে আনা এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের প্রধান লক্ষ্য। পরপর দু'বার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে আসানসোলের বিশেষ সংশোধনাগারে এই মুহূর্তে বন্দি অনুব্রত মন্ডল। ইতিমধ্যেই সিবিআই এই গরুপাচার মামলা নিয়ে বেশ কিছু তথ্য জোগাড় করতে পেরেছে। সায়গল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানের গ্রেফতারি, সিবিআইয়ের হাতে ইতিমধ্যেই চলে এসেছে গরুপাচারের সে বিশেষ পথের খোঁজ।

তবে, গরুপাচার মামলা যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই সীমিত, সেটা কিন্তু নয়। পশ্চিমবঙ্গের গোবলয়টিও এই গরুপাচার মামলার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছে। এরই মধ্যে পুরুলিয়ার ঝাড়খণ্ড বর্ডারের কাছাকাছি জায়গায় আমুল দুধের কোম্পানির একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি গরু। সূত্রের খবর, এই গরুগুলিকে ভিনরাজ্যে পাচারের জন্যই এই গাড়ি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। চাঞ্চল্যকর বিষয়টি হলো, এই গাড়িটি কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের রেজিস্ট্রিকৃত গাড়ি নয়, বরং গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন উত্তরপ্রদেশের।

সিবিআই সূত্রে খবর, এই পাচারচক্রের জাল সারা দেশে বিস্তৃত। গরুপাচার মামলার মূল অভিযুক্ত এনামুল হককে জেরা করে তদন্তকারীরা যে তথ্য পেয়েছেন, তাতে স্পষ্ট, উত্তর এবং পশ্চিম ভারত অর্থাৎ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থান থেকে সরাসরি গরু আসত বীরভূমে। আর সেখান থেকেই গরুপাচারকারীদের পরিচিত বেঙ্গল করিডর দিয়ে বাংলাদেশে পাচার হয়ে যেত সেই গরু।

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে এই মুহূর্তে ৪,০৯৬ কিলোমিটারের সীমান্তরেখা রয়েছে। আর এর মধ্যে ২,২১৭ কিলোমিটার রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। এছাড়া অসমের সঙ্গে রয়েছে ২৬২ কিলোমিটারের সীমান্ত, ত্রিপুরার সঙ্গে রয়েছে ৮৫৬ কিলোমিটারের সীমান্ত, মিজোরামের সঙ্গে রয়েছে ১৮০ কিলোমিটারের সীমান্ত এবং মেঘালয়ের সঙ্গে রয়েছে ৪৪৩ কিলোমিটারের সীমান্তরেখা। এই কারণেই পাচারকারীদের সব থেকে উপযুক্ত পথ এই বেঙ্গল করিডর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অনুব্রত মন্ডলের বেনামি সম্পত্তির আড়ালে আসলে তিনি, কে এই আবদুল লতিফ?

এবার সিবিআইয়ের স্ক্যানারে আবদুল লতিফ। অনুব্রতর বেনামি সম্পত্তির হদিশ পেতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই ব্যক্তি। কে এই লতিফ?

কী ধরনের গরু নিয়ে আসা হতো? যাদের সন্তান প্রজনন ক্ষমতা নেই, অর্থাৎ সেই সমস্ত বয়স হয়ে যাওয়া বলদ পাচারকারীদের প্রথম পছন্দ। ভিনরাজ্য থেকে এই সমস্ত বলদ নিয়ে আসা হতো বীরভূমে। বীরভূমের ইলামবাজারে বসে এই বিরাট গরুর হাট। আর সেই হাটেই পাচারের সমস্ত পরিকল্পনা করা হতো বলে উঠে আসছে সিবিআইয়ের তদন্তে। সিবিআই সূত্রের খবর, এনামুল এবং অন্যান্যদের জেরা করে তাদের হাতে এই পাচারকারীদের ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। ইলামবাজারের গরুর হাটের ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ একটা সময় ছিল আবদুল লতিফের হাতে। এই মুহূর্তে আবদুল লতিফ ফেরার থাকলেও, এই মামলায় তার কিন্তু নাম শামিল।

ইলামবাজারের ওই গরুর হাট ছিল পুরোপুরি অনুব্রত মন্ডলের নিয়ন্ত্রণাধীনে। সেখান থেকে ট্রাকে করে গরু চলে আসত বীরভূমের ফুটিসাঁকো বা বাদশাহি রোড ধরে মুর্শিদাবাদ সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে। সেই গ্রামের বিভিন্ন ঘাটালে এই সমস্ত গরুগুলিকে রাখা হতো পাচার করার আগে পর্যন্ত। তারপর অপেক্ষা করা হতো বিএসএফ জওয়ান এবং কাস্টম অফিসারদের সবুজ সংকেতের। এই জায়গাতেই বিএসএফ জওয়ানদের দেওয়া হতো একটা মোটা টাকা ঘুষ। আর সেই ঘুষের লোভেই তারা অনুমতি দিত পাচারের।

ইতিমধ্যেই কাস্টমস অফিসার এবং বিএসএফের শীর্ষকর্তাদের একাংশের তালিকা হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। জানা যাচ্ছে, বিএসএফের শীর্ষ কর্তাদের একাংশর সঙ্গে এনামুল হকের সিন্ডিকেটের একটি সরাসরি যোগাযোগ ছিল। পাচারের পরিভাষায় এই যোগাযোগটিকে বলা হয়- লাইন খোলা। নির্দিষ্ট দিনে শুধুমাত্র এক ঘণ্টা বা দু'ঘণ্টার জন্য খুলে দেওয়া হতো সীমান্তের একটি চোরাপথ। এবং সেই পথের মাধ্যমেই পাচার করা হতো গরু। বাংলাদেশ থেকেও আসত পাচারকারীরা। তারা সরাসরি এই গরু নিয়ে চলে যেত বাংলাদেশে।

তবে, বেঙ্গল করিডর ছাড়াও পাচারকারীদের কাছে আরও একটি করিডোর রয়েছে, যেটি আকারে ছোট হলেও, এই রাস্তা দিয়েও পাচার হয়ে থাকে। সেটি হলো উত্তর-পূর্ব করিডর। এক্ষেত্রে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির সীমানা ব্যবহার করা হয়ে থাকে গরুপাচারের ক্ষেত্রে। এই পথের অন্যতম নোডাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে পশ্চিমবঙ্গ-বিহার সীমান্তের কিষানগঞ্জ নামের জায়গাটি। এই করিডর দিয়ে পাচার হয় রাজস্থান, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং মধ্যপ্রদেশ এলাকার গরু। এই পথে উত্তর ভারত থেকে জাতীয় সড়কের মাধ্যমে কিষানগঞ্জে এসে পৌঁছায় গরু। তারপর সেই গরু হস্তান্তর হয়ে যায় পাচারকারীদের হাতে। এবার তারা দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ি জেলা হয়ে সোজাসুজি সেই গরু নিয়ে বেরিয়ে যান উত্তর-পূর্বে। অসম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরা রাজ্যের মাধ্যমে বাংলাদেশে পৌঁছয় ওই গরু।

এই পথের মাধ্যমে পাচার হলে অসমের ধুবড়ি জেলা, অসম, মেঘালয় এবং বাংলাদেশের ত্রিমুখী জংশনের মানকচর জেলার সীমানা দিয়েই বাংলাদেশে চলে যায় গরু।

শুধু স্থল-সীমান্ত নয়, কিছু সংখ্যক গরু জল-সীমান্ত ধরেও পারাপার করা হতো। বাজারে যাতে কোনওরকম বাধা না আসে, তার জন্য একটা সুনির্দিষ্ট চ্যানেল কাজ করত এবং সেই চ্যানেলের মাধ্যমে সুসংহত পথে এগিয়ে যাওয়া যেত বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে। ভিনরাজ্য থেকে গরু এনে মুর্শিদাবাদ থেকে জলপথে বাংলাদেশে পাচার করা হতো সারি সারি গরু। ভিন্ন রাজ্য থেকে গরু আনার সময় যে সমস্ত থানার ওপর দিয়ে এই গরু পাচার হতো, সেখানকার থানার কর্তা এবং স্থানীয় নেতারা একটা মোটা অঙ্কের টাকা পেতেন। সিবিআই জানতে পেরেছে, এই টাকাও মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলার একজন প্রভাবশালী নেতার কাছ থেকেই যেত।

সিবিআই সূত্রে খবর, এনামুল বয়ানে জানিয়েছেন, গোটা সিস্টেমকে চালু রাখার জন্য মোটা টাকার ঘুষ দেওয়া হতো। একাধিক কমান্ড্যান্ট পর্যায়ের আধিকারিক, ডিআইজি বা আইজি স্তরের একাধিক অফিসার এই পুরো বিষয়টার সঙ্গে জড়িত। তাঁরাও আর্থিকভাবে সুবিধা পেয়েছেন বলে বয়ানে জানিয়েছেন এনামুল হক। ইতিমধ্যেই দু'জন বিএসএফ জওয়ান সতীশ কুমার এবং জেডি ম্যাথিউকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বেআইনি পাচারের অভিযোগে। তবে, এই সিন্ডিকেট জাল এখনই শেষ নয়। বিভিন্ন জায়গায় অত্যন্ত গভীরে ছড়িয়ে রয়েছে এই সিন্ডিকেটের সংযোগ। যে দামে গরু কেনা হতো, তার থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ গুণ দামে বাংলাদেশে পাচার হতো ওই গরু। আর পকেট ভরত অনুব্রত মন্ডলের মতো রাঘববোয়ালদের।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।