জিএসটি সংস্কার! সুরাহা পাবে সাধারণ মানুষ?
GST: ৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ। অর্থাৎ অত্যাবশ্যক পণ্য ও পরিষেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কর ধার্য হবে আর অন্য যে কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ কর দিতে হবে।

ফের আলোচনায় জিএসটি। গত ৬ মাস ধরে জিএসটি সংস্কারের জন্য কাজ করছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। দীপাবলির আগে লাগু হতে পারে নতুন করকাঠামো। কী পরিবর্তন হবে এতে? নতুন কর কাঠমো সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেবে?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই করকাঠামোকে স্বয়ং দেশবাসীর জন্য দীপাবলীর উপহার বলে দাবি করেছেন। (পুরোনো) কর কাঠামোয় সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি ছিল। এবার তা কমিয়ে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ জিএসটি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে জিএসটির ৫টি স্তর। নতুন ব্যবস্থায় তা ২টিতে নামিয়ে আনা হতে পারে। ৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশ। অর্থাৎ অত্যাবশ্যক পণ্য ও পরিষেবার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কর ধার্য হবে আর অন্য যে কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ কর দিতে হবে।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
One Nation One Election: 'এক দেশ এক নির্বাচন' পরিকল্পনার নেপথ্যে যে যুক্তিগুলোকে সামনে আনা হচ্ছে একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়, কতটা ফাঁপা সেইসব যুক্তি।
নতুন ব্যবস্থায় সিগারেট, পানমশলার মতো ক্ষতিকারক পণ্যে ৪০ শতাংশ জিএসটি লাগু হবে। তালিকায় রয়েছে বিলাসবহুল গাড়িও। অনলাইন গেমিংয়েও ৪০ শতাংশ জিএসটি-র কথা ঘোষণা করা হয়েছে। অনলাইন গেমিং থেকে যে আয় হবে তাতেও ৪০ শতাংশ জিএসটি বসবে। এই মুহূর্তে অনলাইন গেমিয়ের উপর ২৮ শতাংশ জিএসটি নেয় সরকার।
২০০৬ সালে প্রথম তদানীন্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জিএসটি লাগু করার কথা বলেছিলেন। ইউপিএ সরকার সেই মতামতকে গুরুত্ব দেয়নি। তাই পাস করা যায়নি জিএসটি সম্পর্কিত আইন। ২০১৪ সালে মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেই জিএসটি সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করে। তারপর ২০২৫ সালে প্রথম জিএসটি-তে বদল হল। এই সময়কাঠামোয় মুদ্রাস্ফীতিতে চাপের মুখে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সরকারের যুক্তি, জিএসটি সরলীকরণ হলে সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে, বাড়বে ক্রয়ক্ষমতা।






