হাজার চেষ্টার পরও হারায় না পথ, কী ভাবে ঘরে ফেরে পরিযায়ী পাখিরা?

Migratory Birds science : পাখিদের শরীরেও একটি 'ঘড়ি' থাকে। এর সাহায্যে তারা বোঝে, বছরের ঠিক কোন সময়ে তাদের উড়ে যেতে হবে।

Madhurima Pattanayak
৫ মিনিট
হাজার চেষ্টার পরও হারায় না পথ, কী ভাবে ঘরে ফেরে পরিযায়ী পাখিরা?

বাড়ির পেছনে একটা বকুল গাছ আছে। গত তিন দশক জুড়ে প্রতি বসন্তে এক কোকিল দম্পতি সেখানে এসে বাসা বাঁধে। ঠিক ওই গাছটাতেই। এপ্রিলের প্যাচপ্যাচে গরম শুরু হওয়ার আগেই তারা বিদেয় নেয়। কোনো বছর তার হেরফের হয় না। অবাক লাগে, কী ভাবে শয়ে শয়ে পরিযায়ী পাখি হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঠিক সময়ে পৌঁছে যায় নির্দিষ্ট গন্তব্যে। তাও এক-দু’বার নয়। বছরের পর বছর।

অনুসন্ধিৎসু মন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে দীর্ঘদিন। বিজ্ঞানও বহুদিন সেই প্রশ্নের স্পষ্ট এবং বিশদ উত্তর পায়নি। তবে বিজ্ঞানীদের এই ধারণা আগে থেকেই ছিলো, যে পৃথিবীর বুকে হাজার হাজার রাস্তা পাড়ি দেওয়ার সময় পাখিদের যখন দিক নির্ণয় করার প্রয়োজন হয় তখন তারা সূর্য এবং অন্যান্য তারাদের গতিপথ দেখে নিজেদের যাত্রাপথ বুঝতে পারে। তবে তার পাশাপাশি, পাখিদের শরীরে থাকে একটি চৌম্বকীয় কম্পাস। ঠিক যেমনটা থাকে সীমানাহীন সমুদ্রে পাড়ি দেওয়া নাবিকের। এই চৌম্বকীয় কম্পাসের সাহায্যে পাখিরা পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রকে অনুভব করতে পারে। সেই চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের শক্তি অনুভব করে পাখিরা বুঝে যায় পৃথিবীর ঠিক কোথায় তারা আছে এবং কোন দিকে তারা উড়ে যাচ্ছে।

পৃথিবীর বুকে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরির কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে থাকা গলিত পদার্থ। কিন্তু সেই চৌম্বকত্ব এতই ক্ষীণ, বাড়ির ফ্রিজের ব্যবহার করা চৌম্বকও তার থেকে দশ থেকে একশো গুণ বেশি শক্তিশালী। এত ক্ষীণ চৌম্বক ক্ষেত্রকে পাখি কী করে অনুভব করে, আর তাতেই ভরসা করে দিক নির্ণয় করে তারা কী ভাবে পাড়ি দেয় দূর দেশে, সেই প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের ভাবিয়েছে বহু দিন। প্রায় পাঁচ দশকের বেশি সময় নিয়ে "এভিয়ান ম্যাগনেটোরিসেপশন" নিয়ে কাজও করেছেন দেশ-বিদেশের গবেষকরা (এভিয়ান ম্যাগনেটোরিসেপশন বলতে বোঝায় পাখিরা কী ভাবে চৌম্বকক্ষেত্রকে অনুভব করে)।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আকাশ থেকে নেমে আসে মৃত পাখির ঝাঁক, আজও রহস্যময় জটিঙ্গা

Jatinga Mystery: প্রায় একশো বছরের বেশি সময় ধরে জটিঙ্গা গ্রামের এই ঘটনা যে-কোনও রহস্য গল্পকে কঠিন প্রতিযোগিতা ছুড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

আমাদের শরীরে যেমন বায়োক্লক কাজ করে - যা আমাদের বুঝিয়ে দেয় কখন দিন হলো, কিংবা কখন সূর্যাস্ত হল - পাখিদের শরীরেও একটি সেরকম ঘড়ি থাকে। এর সাহায্যে তারা বোঝে বছরের ঠিক কোন সময়ে তাদের উড়ে যেতে হবে। কিন্তু যে পাখি প্রথমবার উড়ে দূর দেশে যাচ্ছে, সে কী করে তার নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছে যায়? যেখানে তার অভিভাবকরাও উড়ে গিয়েছিলো? আর এখানেই শুরু হয় জিনের খেলা। পৃথিবীর ঠিক কোথায় তারা উড়ে যাবে, তা আগে থেকেই লেখা আছে তাদের জিনে। ধরা যাক, কোনও পাখি সুদূর সাইবেরিয়া থেকে ভারতে উড়ে আসে প্রতি বছর ডিসেম্বরে। সে ক্ষেত্রে সেই পাখির গতিপথ এবং যাত্রা শুরুর সময়, পুরোটাই লেখা আছে তার জিনে। পাখিটি সাইবেরিয়াতে জন্মে প্রথমবার ভারতে উড়ে এলেও, তার জিনই তাকে বলে দেবে ঠিক কখন তাকে উড়ান শুরু করতে হবে, কোন পথে তাকে আসতে হবে, এবং কোথায় থাকে থামতে হবে।

যে পরিযায়ী পাখির প্রজাতি বংশপরম্পরায় পৃথিবীর দক্ষিণ-পূর্বে উড়ে গেছে, তার জিনে সব কিছু ঠিক থাকলে, সেই প্রজাতির পরবর্তী প্রজন্মও পৃথিবীর দক্ষিণ-পূর্বে উড়ে যাবে। ঠিক একই বিষয় ঘটবে দক্ষিণ-পশ্চিমে উড়ে যাওয়া পাখিদের সাথে। কিন্তু যদি এই দুই ভিন্ন দিকে উড়ে যাওয়া পাখিদের মিলনে সন্তান জন্ম নেয়, ? সে ক্ষেত্রে সেই সন্তান দক্ষিণ দিকে উড়ে যাবে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিমের মাঝামাঝি।

পরিযায়ী পাখিদের দেহে অন্তত তিনটি আলাদা আলাদা ধরণের কম্পাস থাকে। এদের মধ্যে একটি কম্পাস আকাশে সূর্যের অবস্থান জানতে সাহায্য করে, একটি কম্পাস আকাশে বিভিন্ন তারাদের অবস্থা জানতে সাহায্য করে, এবং তৃতীয়টি পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্র বুঝতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও কোনো জায়গার নির্দিষ্ট গন্ধ অনুভব করেও পাখিরা বুঝতে পারে সেখানে তারা আগে এসেছিল কি-না। চেনা গন্ধই পরিযায়ী পাখিদের বুঝিয়ে দেয়, তারা যে আবার চেনা রাস্তাতেই ফিরে এসেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শয়ে শয়ে পাখি, হাজার হাজার ডলফিনের মৃত্যু! যুদ্ধের মাশুল যেভাবে গুনতে হচ্ছে ইউক্রেনের প্রাণীদের

প্রকৃতির ক্ষতি যে বিপুলভাবে হবে এই যুদ্ধের ফলে, তা-ও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন পরিবেশবিদরা। যুদ্ধের মাশুল তো মানুষকে দিতে হয়েছেই, এখন জল ও স্থলের প্রাণীরাও তার মাশুল গুনছে।

১৯৭০ সালে যখন এভিয়ান ম্যাগনেটোরিসেপশন নিয়ে গবেষণা করছিলেন জার্মান গবেষক ক্লস স্কালটেন, তিনি তখনই জানিয়েছিলেন পাখিদের শরীরে কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন হয়, যার ফলে তারা পৃথিবীর অতি ক্ষীণ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রকেও অনুভব করতে পারে। তারও দশ বছর আগেকার একটি গবেষণা স্কালটেনকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। সেই গবেষণাতেই বলা হয়েছিলো র্যা ডিক্যাল পেয়ার - যা আদতে দুটি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যবর্তী একটি অবস্থা বা কেমিক্যাল ইন্টারমিডিয়েট - তাদের স্থায়িত্ব খুব সাময়িক হলেও তারা ক্ষীণ চৌম্বকীয় শক্তির প্রভাবেও প্রভাবিত হয়। স্কালটেন সেই কথাই মাথায় রেখে বলেছিলেন, পরিযায়ী পাখিদের শরীরেও তাহলে সেরকম কিছুই হচ্ছে।

র‍্যাডিকেল হল এমন একটি মলিকিউল যারা পার্শ্ববর্তী কোনো মলিকিউল থেকে একটি ইলেক্ট্রন গ্রহণ করেছে, বা একটি ইলেক্ট্রন ত্যাগ করেছে। ফলে তার এখন বিজোড় ইলেক্ট্রন রয়েছে। স্বভাবতই একটি ইলেক্ট্রন সেখানে একা, সঙ্গীহীন অবস্থায় রয়েছে। এই সঙ্গীহীন ইলেক্ট্রনটিকে বলে "স্পিন অ্যাঙ্গুলার মোমেন্টাম" বা সংক্ষেপে স্পিন। এই সঙ্গীহীন ইলেক্ট্রনটিকেই চৌম্বকীয় শক্তি প্রভাবিত করতে পারে। এই র‍্যাডিকেল গুলো আদতে একপ্রকার মাইক্রোস্কোপিক চুম্বকের মতো আচরণ করে।

যখনই কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে দুটি র‍্যাডিকেল - অর্থাৎ দুটি সঙ্গীহীন ইলেক্ট্রন তৈরি হয় - তারা হয় সমান্তরাল বা প্যারালালি ঘোরে, কিংবা অ্যান্টি প্যারালালি ঘোরে। এদেরকে যথাক্রমে সিঙ্গলেট এবং ট্রিপলেট দশা বলে। যখনই র‍্যাডিকেল পেয়ার সিঙ্গলেট দশায় থাকে, তখনই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তা ট্রিপ্লেট দশায় রূপান্তরিত হবে। আবার ট্রিপ্লেট দশা থেকে সঙ্গে সঙ্গে ফিরে যাবে সিঙ্গলেট দশায়। এই রূপান্তর কয়েক সেকেন্ডে কয়েল লক্ষ বার ঘটে পরিযায়ী পাখিদের দেহে। যে রূপান্তরের নেপথ্যে কাজ করে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পাখির সঙ্গে যুদ্ধ! মেশিনগান ধরা মানুষকে নাকানিচোবানি খাইয়েছিল সেই বিশাল বাহিনী

The Great Emu War: কখনও মানুষে-পাখিতে যুদ্ধের কথা শুনেছেন? অস্ট্রেলিয়ার ‘ইমু যুদ্ধ’ ছিল এমনই এক যুদ্ধ।

কিন্তু পাখিদের শরীরে র‍্যাডিকেল পেয়ার তৈরি হচ্ছে কী ভাবে? সেই উত্তর পাওয়া যায় স্কালটেনের বক্তব্যেরও প্রায় তিন দশক বাদে। গবেষকরা জানান, এ ক্ষেত্রে কাজ করছে ফোটোকেমিস্ট্রি। অর্থাৎ আলোর প্রভাবে ঘটছে রাসায়নিক বিক্রিয়া। তারা ক্রিপ্টোক্রোম নামের একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন, যেটি পাওয়া যায় পাখিদের চোখের রেটিনাতে। মানুষের পক্ষে দৃশ্যমান আলোয় থাকে সাতটি রঙ। যার মধ্যে নীল রঙ একটি। সেই নীল রঙের আলোর থেকে আসা ফোটন কণায় উত্তেজিত হয় ক্রিপ্টোক্রোম।

এই ক্রিপ্টোক্রোম কেবল পাখি-ই নয়, এটি পাওয়া যায় পতঙ্গ, মাছ, উভচর, এমনকী মানুষের শরীরেও। সেই তালিকা থেকে বাদ যায়নি গাছপালাও। সূর্যের আলোকে নির্ভর করে গাছের বৃদ্ধি এবং প্রাণীদের "বায়োক্লক", উভয়কে নিয়ন্ত্রণের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ক্রিপ্টোক্রোম।

সেইরকমই একটি ক্রিপ্টোক্রোম হল ফ্ল্যাভিন অ্যাডেনাইন ডাই-নিউক্লিওটাইড। যা থাকে পাখির চোখে, এবং নীল আলো শোষণ করে উত্তেজিত হয়। পরিযায়ী পাখির দিক নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফ্ল্যাভিন অ্যাডেনাইন ডাই-নিউক্লিওটাইড। ফ্ল্যাভিন অ্যাডেনাইন ডাই-নিউক্লিওটাইড ছাড়াও বিভিন্ন ক্রিপ্টোক্রোম রয়েছে পাখিদের শরীরে। দেখা গেছে তাদের মধ্যে বেশ কিছু ক্রিপ্টোক্রোমের পরিমাণ উড়ানের ঋতুতে পরিযায়ী পাখিদের শরীরে বেড়ে যায়।

যে র‍্যাডিকেল পেয়ার পৃথিবীর ক্ষীণ চৌম্বক শক্তিতে প্রভাবিত হয়, সে যে রেডিও তরঙ্গেও প্রভাবিত হবে, সে আর অজানা নয়। রেডিও তরঙ্গের পাশাপাশি দোসর হয়েছে দূষণ,পাখি শিকার। ফলে কমছে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা। ফি বছর আমাদের বাড়ি ফেরা হোক না হোক, প্রতি বসন্তে বাড়ির পেছনের বকুল গাছে সেই কোকিল দম্পতি ফিরে আসতে ভোলে না। শুধু ভয় লাগে, দূষণ কিংবা রেডিও তরঙ্গের জেরে ওরা পরের বসন্তে বাড়ির পথ ভুলে যাবে না তো?

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।