তিন বছরের বেশি হয়ে গেল, কোনও বাংলা খবরের কাগজ পড়িনি : সুমন চট্টোপাধ্যায়

Goodbye Newspaper : এই সেদিন পর্যন্ত বাড়িতে ছয়-সাতটা খবরের কাগজ আসত, এখন একটিও আসে না। খবরের সঙ্গে চার দশক লেপ্টে থাকার পর, কাগজের ঘ্রাণহীন দিনের কথা লিখছেন সুমন চট্টোপাধ্যায়।

Suman Chattopadhyay
৫ মিনিট
তিন বছরের বেশি হয়ে গেল, কোনও বাংলা খবরের কাগজ পড়িনি : সুমন চট্টোপাধ্যায়

ঋতবান মুখোপাধ্যায়, আমার দীর্ঘদিনের অনুজ সহকর্মী, বিশেষ স্নেহভাজন। বেশ কিছুকাল আগে সে একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাঠিয়েছে, "খবরের সঙ্গে সাড়ে তিন দশক ধরে লেপ্টে ছিলে। সেই তুমি নাকি এখন কাগজই পড় না। নিশ্চয়ই টিভিও দেখ না। যার সঙ্গে সবচেয়ে বেশিদিন ঘর করলে তাকে ছাড়া কাটানোর অনুভূতিটা জানতে ইচ্ছে করে। যদি এটা নিয়ে লেখ...”।

প্রথমেই একটি বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ শুনিয়ে রাখা প্রয়োজন। আমি বাংলা কাগজ পড়ি না আর বাংলা টেলিভিশন দেখি না, তা সে খবর বা বিনোদন যাই হোক না কেন। তার মানে এই নয় খবর থেকে আমি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন বা খবরে আমার আর কোনও রুচি নেই। হাতের মোবাইল যন্ত্রটি শহর, রাজ্য, দেশ, বিদেশ, বলতে গেলে গোটা ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে আমার সেতুবন্ধনের কাজ করে। যখন যেটা জানতে ইচ্ছে করে বা না চাইলেও স্ক্রিনের উপর এসে লুটিয়ে পড়ে আমি সেটা জেনে নিই, অনেক সময় জেনে সমৃদ্ধও হই।

এরপরে আরও একটি স্বীকারোক্তি জুড়ে দেওয়া প্রয়োজন। নিজের কাছে পণ করেছি, আমার লম্বা শত্রুর তালিকায় আমি সচেতনভাবে আর একটি নতুন নামও সংযোজিত হতে দেব না। বরং আমি আপাতত শত্রুদের মিত্রে পরিণত করার মন্ত্র খুঁজে বেড়াচ্ছি যত্রতত্র, জীবনের বাকি কয়েকটি দিনে সেটাই আমার অন্যতম লক্ষ্য। আপনাদের কারও যদি এই কৃৎকৌশল জানা থাকে, দয়া করে আমাকে জানাবেন, আমি চিরকৃতজ্ঞ থাকব। বসুমতী কী কুক্ষণে এই ধরাধামে আমাকে ডেকে এনেছিল, যাওয়ার আগে তার উত্তর আমার জানা হবে না, সেকথা মানি। কিন্তু যাবতীয় বিরোধ, ঈর্ষা, শত্রুতা আর সংঘাতগুলিতে চূড়ান্ত যতিচিহ্ন টেনে না যেতে পারলে আমি পরপারে অতৃপ্ত আত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াব, সেটা মোটেই কোনও কাজের কথা হবে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হে খিস্তিবাজগণ, গালাগালির মান উন্নত করুন : সুমন চট্টোপাধ্যায়

Evolution of Political Slangs : শশী থারুর বলেছিলেন, ‘ল্যালোচেজিয়া'। মানে অন্যকে গালাগাল দিয়ে আত্মরতির সুখ পাওয়া। তবে, যুগ যুগ ধরেই সাংবাদিকদের খিস্তি দেওয়ার ধরন বদলে বদলে গেছে! সাংবাদিকের 'মেরুদণ্ড' প্রসঙ্গেই এবারের সুমননামার কিস্তি।

সেই লক্ষ্যে অবিচল থাকতে আমি স্বেচ্ছায় অনেক কিছু প্রিয় জিনিস ত্যাগ করে নিজের বাড়ির এক কোণে স্বেচ্ছা নির্বাসিতের মতো দিনযাপন করছি। বোবার শত্রু থাকে না সবাই জানি। আমার বিশ্বাস, ক্ষমতা কিংবা প্রচারের বলয় থেকে আমার মতো কোনও বেয়াড়া বুড়ো যদি নিজেকে সরিয়ে রাখে, তারও মনস্কামনা পূর্ণ হতে বাধ্য। আমি আর শত্রুতা যেমন চাই না, তেমনি অনুকম্পাও নয়। নতুন পরীক্ষায় বাকি জীবনটাকে অর্থবহ করে তোলাই এখন আমার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অতএব ঋতবানের অনুরোধ আমি রক্ষা করছি প্ররোচনাকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গিয়ে। অকপটে জানিয়ে দিচ্ছি ন্যাড়া আর বেলতলায় যাবে না কিছুতেই।

আমার এক বন্ধু একদা বলেছিল, কোনও কাজ বিরতিহীনভাবে টানা একুশ দিন করে যেতে পারলে সেটা ‘অভ্যাসে’ পরিণত হয়ে যায়। মানে ধরুন, আপনি যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে রোজ ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে ওঠেন, একুশ দিন পরে দেখবেন আর ঘড়িতে অ্যালার্ম দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। যত রাত্তিরই শুতে যান না কেন, ভোর পাঁচটায় ঠিক নিদ্রাভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। তিন বছরের বেশি হয়ে গেল, আমি কোনও বাংলা খবরের কাগজ পড়িনি, কোনও বাংলা টেলিভিশনও দেখিনি। তার মানে আমার ক্ষেত্রে এটা কেবলমাত্র মামুলি অভ্যেস নয়, বলতে গেলে আমার অস্থিমজ্জায় মিশে গিয়ে প্রায় ডিএনএ-তে প্রবেশ করে গিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সাংবাদিক কি সাহিত্যিক হতে পারে : সুমন চট্টোপাধ্যায়

Gour Kishore Ghosh & Santosh Kumar Ghosh: বাংলা সাংবাদিকতা ও গদ্য-সাহিত্যের দুই দিকপাল সন্তোষকুমার ঘোষ আর গৌরকিশোর ঘোষের জীবনালেখ্যর প্রেক্ষাপটে মরমী আলোচনা। তাঁদের একলব্যের কলমে।

এই অভ্যেস বেদনার না আনন্দের সেই বিতর্কে প্রবেশ না করাই ভালো। কেননা পার্থিব সব বিচ্ছেদের অন্তরালেই কয়েক ফোঁটা অশ্রুবারি থাকে। বাংলা খবর, খবরের কাগজ কিংবা টেলিভিশনের সঙ্গে আমার বিবাহবন্ধনের সময় কাল অনেকটাই, প্রায় চারটি দশক। আমার ক্ষেত্রে এই বিচ্ছেদের পরিণতি কী হয়ে থাকতে পারে তার বিশদ ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। সমঝদারোকে লিয়ে ইশারাহি কাফি হোতা হ্যায়। হ্যায় না?

সকালের তাজা খবরের কাগজের মনমতানো সুঘ্রাণ আছে। প্রথম যৌবনে নাইট ডিউটি শেষ করে ভোরে বাড়ি ফেরার সময় অনেকদিনই আমি ছাপাখানার সামনে হকারদের কলকাকলির মাঝে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ সেই ঘ্রাণ নিতাম, বড্ড ভালো লাগত তখন, সেই গন্ধে কেমন একটা মাদকতাও ছিল। নিউজপ্রিন্টের সেই গন্ধ আমার এখনও নাকে লেগে আছে, থাকবেও বোধহয় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। এই সেদিন পর্যন্ত আমার বাড়িতে ছয়-সাতটা খবরের কাগজ আসত, এখন একটিও আসে না। ফলে কাগজের ঘ্রাণ নেওয়ার প্রাত্যহিক অভ্যাসটি আর নেই। করোনা-কবলিত কালে মারাত্মক ভাইরাসের ছোবলে যখন অসংখ্য মানুষের ঘ্রাণ কিংবা স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতটাই নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, মাসের পর মাস কেটে গেলেও আর ফিরে আসছে না তখন আমার এই স্বেচ্ছা-বঞ্চনার গুরুত্ব একেবারেই অকিঞ্চিৎকর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হামদি বে: একটি স্বপ্নের জন্ম ও মৃত্যু

Hamdi Bey: বিকল্প সাংবাদিকতার স্বপ্ন নিয়ে তৈরি হয়েছিল আজকাল। অচিরে তার মৃত্যুও হয়েছিল। দ্রোণাচার্যের আশ্চর্য চরিত্রকে মধমণি করে সেই স্বপ্নভঙ্গের আলেখ্য লিখেছেন সুমন চট্টোপাধ্যায়।

কথাটা শুনে আপনারা হয়তো হাসবেন, ভাববেন আমি মস্করা করছি, কিন্তু বিষয়টি আদপেই তা নয়। খবরের কাগজ পড়া মানেই খরচ, অনেকগুলি কাগজ একসঙ্গে রাখার খরচ আরও অনেক। আমি এখন কর্মহীন, নিয়মিত আয় নেই, হয়তো আর কোনওদিনই থাকবে না। ফলে আমাকে আমার মতো করে মিতব্যয়িতার প্রয়োজনটিও মাথায় রাখতে হচ্ছে। যা কিছু না থাকলেও চলে, একে একে তার অনেক কিছুই আমি বর্জন করছি সাশ্রয়ের তাগিদে। সিগারেট ছেড়ে দিয়েছি, বাড়িতেই থাকি বলে গাড়ির তেলের খরচও কমেছে ইত্যাদি এবং ইত্যাদি। নিয়তি আজ আমাকে এমন অবস্থার সম্মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে যেখানে শ্যাম এবং কুল দুটো রক্ষা করা আর সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ওষুধ কিনব, না খবরের কাগজ- এই দ্বিধার মধ্যে অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে প্রথমটি।এমনও দিন আসতে পারে আমি কখনও দুঃস্বপ্নেও তা ভাবিনি। এসেছে যখন, তাকে সহজভাবে মেনে নিতেও আমার কোনও ক্লেশবোধ হচ্ছে না। আমি মাস্টারমশাইয়ের পুত্র, সোনা-রুপো-ব্রোঞ্জ-প্ল্যাটিনাম কোনও ধাতুরই চামচ মুখে জন্মাইনি। ছেলেবেলা, কৈশোর, যৌবনের অনেকটা সময় কেটেছে হিসেবি জীবনযাপনের মধ্যেই। সেই জীবনটা ফিরে পেয়ে খারাপ লাগছে না, অতীত ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে আমার রক্ষায়।

আরও একটা প্রশ্ন মনে উঁকি দেয় মাঝেমাঝে। ঋতবানের ভাষায়, আমি যদি এত দীর্ঘকাল খবরের সঙ্গে ‘লেপ্টে’ না থাকতাম তাহলে বোধহয় আজকের এই বৈরাগ্য হতো না। একই কাজ দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর করে গেলে একঘেয়েমি তো লাগেই, খবরের ক্ষেত্রেও লাগে। তাছাড়া আমি তো জানি কোন বাংলা কাগজ বা খবরের চ্যানেল কেন, কীসের তাগিদে কোন খবরটাকে গুরুত্ব দেয় আর কোনটাকে সচেতনভাবে অবজ্ঞা করে। এই ‘পোস্ট-ট্রুথ’-এর জমানায়, খবর এখন একেবারে ‘প্রেডিক্টেবল’, তথ্য হয়তো আছে, প্রায় অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছে সত্যের অন্বেষণ। আমি নিজেও এই দোষের সমান ভাগিদার। গতকাল পর্যন্ত রত্নাকর থেকে আজ নিজেকে বাল্মীকি বলে জাহির করতে চাই না। বরং খবরের কাগজ চালাতে গিয়ে দৈনন্দিনভাবে আমাকে যে গ্লানি, অপমান আর অপরাধবোধের শিকার হতে হয়েছে, জীবনের অন্তিম চরণে এসে আমি তা ভুলে যেতে চাই। কাগজ মানেই আমার কাছে আতঙ্কের স্মৃতি, আত্ম-অবমানার গভীর অতলে ফের অবগাহন। আমার ক্ষেত্রে বাংলা কাগজ না পড়াটা অ্যান্টিডিপ্রেশেন্টের কাজ করে, স্নায়ু আর কত বাড়তি চাপ নিতে পারে বলুন তো!

লঘুছন্দে শেষ করা যাক এই বৃত্তান্ত। আমরা সবাই জানি, বিলক্ষণ বুঝি, আজকের ডিজিটাল বিশ্বে, ওয়েব শাসিত দুনিয়ায় সাবেক খবরের কাগজ বা চ্যানেলের আয়ু আর খুব বেশিদিন নয়। খবরের কাগজ এখন সূর্যাস্তের শিল্প, অস্তে যাওয়ার প্রাক-মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। আমি সেই অমোঘ ভবিতব্যকে না হয় একটু আগেই মেনে নিয়েছি, কাগজহীন দৈনন্দিন জীবনে নিজেকে রপ্ত করে নিচ্ছি একটু একটু করে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।