ঋতুপর্ণের ‘আবহমান’: শিল্পীর মুহূর্ত, শিল্পের সত্য

Rituparno Ghosh: আমাদের বেঁচে থাকার জন্য মস্তিকের অন্নজল জোগায় কে? জোগায়, স্মৃতি। ফেলে আসা মুহূর্ত! ‘আবহমান’ জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের কথা বলে।

Abhirup Mukhopadhyay
৪ মিনিট
ঋতুপর্ণের ‘আবহমান’: শিল্পীর মুহূর্ত, শিল্পের সত্য

শঙ্খ ঘোষ ‘জার্নাল’-এ লিখেছিলেন, ‘এই একটি মুহূর্ত চলে গেল, এটা কখনওই ফিরবে না আর, মুহূর্তই মুহূর্তের শেষ।’ এই আচমকা জন্মানো মুহূর্তদের সংগ্রহশালাই তো সিনেমা!

২০১০ সালে ঋতুপর্ণ ঘোষ তৈরি করেছিলেন ‘আবহমান’। পরে এই ছবিটির জন্য ঋতুপর্ণ সেরা পরিচালক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার-ও পান। ছবিটির নামকরণ বিষয়ে ঋতুপর্ণ ঘোষ-কে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, উনি বলেছিলেন আবহমান কাল ধরে চলে আসা মানুষের বিভিন্ন সম্পর্কের মধ্যেকার চিরন্তন কিছু সত্য নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি।

এখন প্রশ্ন জাগে, শুধু কি তাই? আমাদের বেঁচে থাকার জন্য মস্তিক...

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই

সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ

অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে

সাবস্ক্রাইব করুন
ইতিমধ্যে সাবস্ক্রাইবার? সাইন ইন করুন
লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সম্পর্কের জলাজঙ্গলে উত্তরণের নিবিড় আলো ‘দোসর’

Rituparno Ghosh: কৌশিকের ঠোঁটে, ওর অঙ্গ-সহযোগে, কবিতাটির শব্দে শব্দে কাবেরী এই প্রথম মৃত মিতাকে দেখতে পাচ্ছে। তার স্বামীকে একজন অন্য নারী যেভাবে ভালোবাসে, সেই ভালোবাসার দিঘিতে আস্তে আস্তে নামতে শুরু করছে সে।

সিনেমার ভাঙাগড়া ও এক ছবিওয়ালার মন

Rituparno Ghosh: তাঁর অভিনয়ের ইচ্ছেই যদি প্রধান হত, তিনি চাইলেই নিজের জন্য একটি চরিত্র নির্মাণ করে নিতে পারতেন নিজের ছবিতে। তিনি তা করেননি। তাহলে ‘আরেকটি প্রেমের গল্প’-এর ক্ষেত্রে এমন কী ঘটল যে অভিনয় করতে রাজি হলেন ঋতুপর্ণ?

নিষিদ্ধ জন্মের অভিজ্ঞতাভূমিতে মিশে যান ঋতুপর্ণ ও চপল ভাদুড়ী

Rituparno Ghosh: 'চিত্রাঙ্গদা’ ছাড়াও, বাকি দু'টি ছবিতে যে ঋতুপর্ণ অভিনয় করেছিলেন, তার একটি সহজ কারণ এই যে, ছবি দু'টির মূল ভিত্তিকে তিনি বিশ্বাস করতেন।

স্মৃতি আসলে কার? ‘মেমোরিজ ইন মার্চ’-এ যে উত্তর খুঁজেছেন ঋতুপর্ণ

Rituparno Ghosh: ঋতুপর্ণ ঘোষ যখন ছবিটির স্ক্রিপ্ট লিখেছিলেন, তখন ছবিটির নাম ছিল ‘পারাপার’।

মা আর সন্তানের নাড়ির স্বরে দেহের সংজ্ঞা লেখে ঋতুপর্ণর চিত্রাঙ্গদা

Rituparno Ghosh: ঋতুপর্ণ বলছেন, রাতে ঘরে আলো জ্বেলে রেখে দিই, যদি মা আসে, পায়ে যেন হোঁচট না লাগে মা-র!

ঋতুপর্ণর চিত্রাঙ্গদা: ফেলে আসা প্রথম প্রেমের অবিচল চরণধ্বনি

Rituparno Ghosh: পার্থ নেশাঘোর অবস্থায় রিহার্সালের সময় ড্রাম বাজাতে ভুলে যায়। মঞ্চে উঠে, পা দিয়ে মেরে মেঝেয় ফেলে দেয় রুদ্র। তৎক্ষণাৎ উঠে, রুদ্রর পা থেকে তার ঘুঙুরটা খুলে নিয়ে বাথরুমে চলে যায় পার্থ।

বাঙালি দর্শকের অস্পৃশ্য উদাসীনতা ছিল ঋতুপর্ণর চিত্রঙ্গদার প্রতি

Rituparno Ghosh: "আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম যে, এই অগ্রজরা, যাঁদের আমরা নানাভাবে সমাজ বদলানোর কথা বলতে শুনেছি- বিকল্প যৌনতার সামনে এসে তাঁরা আসলে যে কী করুণভাবে চূড়ান্ত দক্ষিণপন্থী এবং রক্ষণশীল।"

ঋতুপর্ণর ‘চিত্রাঙ্গদা’ একটা ইচ্ছের গল্প, কিন্তু কার?

Rituparno Ghosh: ‘চিত্রাঙ্গদা’ একটা ইচ্ছের গল্প, বলেছিলেন ঋতুপর্ণ। হ্যাঁ তাই। কিন্তু ইচ্ছেটা কার? আমার মনে হয় কেবল রুদ্রর।