হারলেই 'নন্দঘোষ' ইভিএম? ভোটযন্ত্র-কারচুপির নেপথ্যে জড়িয়ে রাজনীতির যে খেল...

EVM Tampering: ইভিএম তখনই ঠিকঠাক কাজ করে, যখন নাগরিকেরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন। গণতন্ত্রে এমনটাই কাম্য। তবে তা কি সবসময় আদৌ ঘটে! নাকি তার মধ্যেই থেকে যায় গড়মিল।

Sohini Das
৪ মিনিট
হারলেই 'নন্দঘোষ' ইভিএম? ভোটযন্ত্র-কারচুপির নেপথ্যে জড়িয়ে রাজনীতির যে খেল...

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে তিনটিতেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিজেপি। প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোট আসেনি কংগ্রেসের ঝুলিতে। শুধুমাত্র তেলঙ্গানাতেই ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গড়তে পেরেছে কংগ্রেস। রাজস্থান, মধ্য়প্রদেশ, মিজোরাম ও ছত্তীসগঢ়ে গো-হারান হেরেছে হাত-দল। মধ্যপ্রদেশে এক রকম জয় নিশ্চিত, এমনটাই মনে করেছিলেন দলের অনেকেই। রাজস্থান নিয়েও প্রত্যাশা ছিল। যদিও এই তিন রাজ্যে যে কংগ্রেসের ফাঁড়া রয়েছে তা নিয়ে আগেভাগেই সতর্ক করেছিলেন কংগ্রেসের ভোটকুশলী সুনীল কানুগোলু। তবে সে কথায় কান দেননি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং ওই তিন রাজ্যে ভোটকুশলীর দায়িত্ব থেকে ছুটি দেওয়া হয় তাঁকে। তিন রাজ্যে এই হারের নেপথ্যে রয়েছে আদতে ইভিএম মেশিন। তেমনটাই সম্প্রতি দাবি করেছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা কমল নাথ এবং দিগ্বিজয় সিং।

তবে এমন দাবি যে প্রথম কমলনাথরাই করলেন, তা কিন্তু নয়। বহু কিংবদন্তী নেতানেত্রীই এ যাবৎ এমন আশ্চর্য দাবি করে এসেছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী থেকে মায়াবতী, অখিলেশ যাদব থেকে অরবিন্দ কেজরিবালের মতো অনেক বাঘা বাঘা নেতাই। তবে মজার ব্যাপার, ভোটে হারার পরেই সর্বদা ইভিএম মেশিনকে খলনায়ক মনে হয়েছে তাঁদের! যে রাজ্যে ব্যালটবাক্স যে দলের দখলে, সে রাজ্যে সেইসব দলনেতা বা নেত্রীদের এমন ইভিএম-বিভ্রাট চোখ পড়েনি কস্মিনকালেও। মধ্যপ্রদেশ বা রাজস্থানের কোনও বিজেপি নেতার কাছে গিয়ে যদি আপনি ইভিএমের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন, তিনি রে রে করে উঠবেন। বলেও বসতে পারেন যে আপনি নরেন্দ্র মোদি-বিরোধী। মোদ্দা কথা, বিজয়ী রাজ্য ইভিএম মেশিন কোনও ভুল করে না, করতে পারে না।

তবে কি ইভিএমের মস্তিষ্ক কম্পিউটারের চেয়েও প্রখর! ইভিএম কখনও ভুল করতে পারে না? কিন্তু বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ইভিএমকে দিয়ে ভুল করানো কিন্তু সম্ভব। ইভিএম কারচুপি আজকের দিনে আর নতুন কোনও ব্যাপার নয়। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গোটা দেশ জুড়ে ভোটদানের কাজ সারা হয়েছে ইভিএম মেশিনে। সে সময়ে প্রায় ৩৭৩টি নির্বাচনী এলাকায় গৃহীত ভোট ও গণনার পরে ভোটের হিসেবে গড়মিল দেখা গিয়েছিল। অন্তত ১৮,৩৩১টি ভোটের হিসেবে গড়বড়। সেই প্রশ্নের উত্তরে নীরব ছিল ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়া। পরবর্তী কালে সেই ভোটের তথ্য নির্বাচনী কমিশনের ওয়েবসাইট থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়। গড়মিল যে একটা হয়েছে, তা সর্বসমক্ষে মানতে চায়নি কোনওপক্ষেই। আর তার কারণটা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

ইলেকশন কমিশন অব ইন্ডিয়ার তরফে ভোট ও ইভিএম-প্রমাদ নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিল সিটিজেন কমিশন অব ইলেকশন (CCE)-কে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুরের নেতৃত্বে সেই রিপোর্টটি তৈরি করেছিলেন দিল্লির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক শুভাশিস ব্যানার্জি। সত্যি কি ইভিএমের গোড়াতেই গলদ, নাকি ইচ্ছাকৃত ভাবেই ভুল করানো হয় ইভিএমকে দিয়ে!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শিবরাজকে ছেঁটে মোহনের হাতেই মধ্যপ্রদেশের ভার! নেপথ্যে বিজেপির ঠিক কোন অঙ্ক?

MP CM Mohan Yadav: ১৮ বছর মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেও মধ্যপ্রদেশের গদির লড়াই থেকে ছিটকে গেলেন শিবরাজ সিংহ চৌহান। তার বদলে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন যাদব।

ইভিএম তখনই ঠিকঠাক কাজ করছে, যখন সেটির মাধ্যমে নাগরিকেরা নিজেদের অধিকারটি প্রয়োগ করতে পারছেন। ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে বেছে নিতে পারছেন নিজের পছন্দের গণপ্রতিনিধিকে। গণতন্ত্রে অন্তত এমনটাই কাম্য। তবে সেটা কি সবসময় আদৌ ঘটে! নাকি তার মধ্যেই থেকে যায় গড়মিল। এমন অনেক কাজই ইভিএমকে দিয়ে করানো হয়ে থাকে কখনও কখনও, যা গণতন্ত্রবিরোধী। আপনি যে বোতামে ভোট দিলেন, সেই বোতামে চিহ্নিত নেতার বাক্সেই ভোটটি গিয়ে জমবে, এমনটাই হওয়ার কথা। কিন্তু কখনও কখনও এ-ও দেখা যায়, আপনি এক্স বটনটি প্রেস করে এক্স প্রার্থীকে ভোট দিলেন। কিন্তু সেই ভোটটি গিয়ে জমা পড়ল ওয়াই প্রার্থীর ভোটবাক্সে। আবার এমনটাও হতে পারে, আপনি এক্স বোতামটি টিপে এক্স প্রার্থীকেই ভোটটি দিলেন। সেটি এক্স প্রার্থীর ভোটবাক্সে জমাও পড়ল, তবে ভোটগণনার সময় সেটি গোনা হল ওয়াই প্রার্থীর খাতায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদীকে অপয়া বলে ভোটে জেতা যায়?

Pappu and Panauti: সম্প্রতি শেষ হওয়া পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে, নাম না করে, কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি যখন এই ‘পনৌতি’ শব্দটি ব্যবহার করেন, তখন রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়।

ধরাবাঁধা এই তিনটি ছকেই যে কারচুপি হবে এমন কোনও কথা নেই। সাইবার ক্রাইম হোক বা ইভিএম কারচুপি, প্রতিদিন নতুন নতুন পদ্ধতি খুঁজে বের করা হচ্ছে কারচুপির। মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী রেবেকা মার্কুরি যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছিলেন যে কোনও দিনই কোনও ইভিএম আক্ষরিক অর্থে হ্যাক-প্রুফ হতে পারে। তাঁর পরামর্শ ছিল, ইভিএমের সঙ্গে একটি ভিভিপ্যাটকে সংযুক্ত করার পর ইভিএম কাউন্ট ও ভিভিপ্যাট কাউন্টকে ক্রসচেক করা হোক, ঠিকঠাক ফলাফলে পৌঁছনোর জন্য। ইভিএম ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, তার যাচাইও হয়ে যাবে এর ফলে।

২০২৯ সালেই প্রথমবার সারা ভারত জুড়ে ইভিএম-ভিভিপ্যাট মেশিনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। আশা করা হয়েছিল, এর ফলে ঝঞ্ঝাটবিহীন ভাবে নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ সম্ভব হবে। রাশ টানা যাবে রিগিংয়ের মতো সমস্যায়। তবে ইভিএম-ভিভিপ্যাট মেশিনের কন্ট্রোল ইউনিটের হার্ড ডিস্ক পাল্টে ফেললেই যে সেসব ঘটবে, তা কিন্তু নয়। সাইড-চ্যানেল হ্যাকিং-সহ আরও একাধিক পদ্ধতিতে যে ভোটে কারচুপি সম্ভব তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে একাধিক বার। এর জন্য ইলেকশন কমিশনও যে বেশ কিছুটা দায়ী, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। নির্বাচন কমিশন কোনওদিনই সার্বজনীনভাবে সোর্স কোড প্রকাশ করেনি। কী এই সোর্স কোড? সোর্স কোড হল, কম্পিউটারের ভাষায় লিখিত একগুচ্ছ নির্দেশাবলী, যা মেশিনের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে থাকে। নির্বাচন কমিশনের এই অনিহাকেই দায়ী করেছেন অনেকে এই বিপুল সংখ্যক ইভিএম কারচুপির জন্য।

শুধুমাত্র এই সব গাফিলতির কারণেই সম্পূর্ণরূপে ত্রুটিহীন হতে পারেনি এই ইভিএম। নাহলে ব্যালট-ভোটের থেকে ভোটগ্রহণের এই পদ্ধতি কিন্তু অনেক বেশি কার্যকরী ও দ্রুত বলেই মনে করেন অভিজ্ঞরা। অধ্যাপক শুভাশিস ব্যানার্জির মতে, এখনও উপায় আছে, যার মাধ্য়মে রিগিংহীন ভোট সম্ভব একই ইভিএম মেশিন থেকে। কীভাবে?

শুভাশিসবাবু জানাচ্ছেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি বুথে সমস্ত ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনা করা গেলেই এই ধরনের সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে। যদি ইভিএম গণনা দেখায়, এক্স ৫০০ ভোটে জিতেছেন, তাহলে ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি ততক্ষণ গণনা করা হোক, যতক্ষণ না ৪৯৯টি বাকি থাকে। তার আগে কোনওভাবেই কাউকে জয়ী ঘোষণা করা যাবে না। এই পদ্ধতিকে বলা হয় রিস্ক-লিমিটিং অডিট। তবে তাতে সমস্যা অন্য জায়গায়। এ ক্ষেত্রে আপনি গণনার দিনেই ভোটের রেজাল্ট হাতে পাবেন না। তার জন্য আরও একটা দিন সময় লেগে যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় সব ক্ষেত্রেই অতি দ্রুততার পিছনের ছুটতে ছুটতে নির্ভুলতা থেকে বেশ কয়েক হাত দূরে ছিটকে আসি আমরা। ভোটের ফলাফলও তার ব্যতিক্রম নয়।

পদ্ধতি তো জানা। প্রশ্নগুলোও। তবে তার পরেও কি কমবে এই ধরনের ইভিএম কারচুপি! আদতে তো এই ঘটনা গণতন্ত্রের অপমান। যে গণতান্ত্রিক অধিকার দেশের প্রতিটি নাগরিককে দিয়ে এসেছে সংবিধান। কিন্তু আজকের ভোট-বিশ্বে সত্যি কি কেউ জানতে চান, দেশের সাধারণ মানুষ কী চান! তাঁরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাকে বেছে নিতে চান? নাকি সমস্ত নিয়ন্ত্রণটাই আসলে হাতে নিয়ে বসে রয়েছে অন্য কেউ। যার ইশারায় চলে নির্বাচন কমিশন থেকে সবকিছুই, এমনকী ইভিএম মেশিনও কথা বলে যাঁদের অঙ্গুলিহেলনে? আর সেখানেই কি ঘটতে শুরু করে না গণতন্ত্রের মৃত্যু?

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।