ফের নতুন করে হামলা বেইরুটে, পেজার বিস্ফোরণে কেন জড়াচ্ছে ইজরায়েলের Unit 8200-র নাম?

Pager Explosions in Lebanon: এই গণপেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের এই পরিকল্পনার পিছনে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ইউনিট ৮২০০-র হাত রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Sohini Das
৪ মিনিট
ফের নতুন করে হামলা বেইরুটে, পেজার বিস্ফোরণে কেন জড়াচ্ছে ইজরায়েলের Unit 8200-র নাম?

গত দু'দিন ধরে লাগাতার পেজার বিস্ফোরণ হয়ে গিয়েছে লেবানন ও সিরিয়ার বিচ্ছিন্ন এলাকা জুড়ে। একটার পর একটা পেজার ফেটে প্রায় চার হাজারের কাছাকাছি মানুষ জখম হন। ১২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল তখন। কিন্তু সেই সংখ্যাটা রাতারাতি কয়েক গুণ বেড়ে গেল। বুধবার নিহত হিজবুল্লা কম্যান্ডারদের জানাজা নিয়ে শেষকৃত্যের সময় বেইরুটের দাহিয়েহ-তে তাঁদের ঘাঁটিতে ফের ফাটতে লাগত একের পর এক পেজার এবং ওয়াকিটকি। নতুন করে পেজার বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২। নতুন করে জখম সাড়ে চারশোরও বেশি।

একদিন আগেই লেবানন ও সিরিয়ার বিক্ষিপ্ত অংশ জুড়ে পেজার বিস্ফোরণের খবর আসে। যে হামলার দায় ইজরায়েলের উপরেই ঠেলেছিল লেবাননের সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লাহ। হিজবুল্লাহের সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাত চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। এই হিজবুল্লাহদের আবার মদত দিয়ে চলে ইরান। লেবাননে মঙ্গলবারের পেজার বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর হামলার দায় ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের উপরেই ঠেলেছিল আমেরিকা।

বুধবারের হামলার নিশানায় শুধু পেজার নয়, হিজবুল্লাহ জঙ্গিদের ব্যবহার্য ওয়াকিটকিগুলোরও বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। যে কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয়েছে আরও বেশি। নতুন এই হামলায় ২০ জন নিহত ও প্রায় সাড়ে চারশো জনেরও বেশি মানুষ আহত হন। এমনকী বেইরুটের বেশ কয়েকটি এলাকায় হোম সোলার এনার্জি সিস্টেমেও বিস্ফোরণ হয়েছে। এত বিরাট হামলার পিছনে যে দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা রয়েছে, তা এককথায় মেনেছে বিশেষজ্ঞ মহল। এত বড় হামলার নেপথ্যে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের হাত থাকতে পারে বলেই দাবি করেছিল আমেরিকা। এরই মধ্যে উঠে আসছে নয়া নাম।

ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা ধুরন্ধর মোসাদের কথা তো সকলেই জানেন। কিন্তু এই গণপেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণের এই পরিকল্পনার পিছনে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ইউনিট ৮২০০-র হাত রয়েছে। ওয়েস্টার্ন সিকিওরিটি সূত্রের খবর, দীর্ঘ এক বছর ধরে এই হামলার পরিকল্পনা করেছে এই ইউনিট ৮২০০। কীভাবে পেজারগুলির ভিতরে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে দেওয়া হবে, তা ডিভাইসগুলি তৈরির সময়েই নিশ্চিত করেছিল তারা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিস্ফোরক লুকানো ছিল পেজারেই, লেবাননে বিধ্বংসী হামলার নেপথ্যে ‘ধুরন্ধর’ মোসাদ?

Pager Explosions in Lebanon: হিজবুল্লাহের তরফে স্বাভাবিক ভাবেই দাবি, এর নেপথ্যে রয়েছে মোসাদ। পৃথিবীর যত ক'টি দেশের কাছে গুপ্তচর সংস্থা রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ইজরায়েলের মোসাদ।

কারা এই ইউনিট ৮২০০?

সূত্রের খবর, ইজরায়েলের এলিট ইন্টালিজেন্স ইউনিট হিসেবে পরিচিত এই শাখাটি। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার মতো করেই প্রশিক্ষণ দিয়ে এদের তৈরি করা হয়েছে। সাইবার প্রতিরক্ষা থেকে শুরু প্রযুক্তিগত হামলা, সব ব্যাপারেই এরা দুর্দান্ত দক্ষ। বিভিন্ন হাইপ্রোফাইল অপারেশন পরিচালনার কাজে এদেরকে ব্যবহার করা হয়। ২০০৫-১০ সালে স্টাক্সনেট ভাইরাস হামলার নেপথ্যে ছিল এরাই। যারা ইরানের পারমাণবিক সেন্ট্রিফিউজগুলি ধ্বংস করেছিল। ২০১৭ সালে লেবাননের রাষ্ট্রীয় টেলিকম সংস্থা ওগেরোতে সাইবার হামলা চালায় তারা। ২০১৮ সালে আইএসআইএসের একটি চক্রান্ত ব্যর্থ করার নেপথ্যেও এই ইউনিট ৮২০০। আপাতত এই ইউনিটটিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ইয়োসি কুপারওয়াসা। কার্যত ইজরায়েলের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সেরা এই ইউনিট, তেমনটাই দাবি করেছেন ইয়োসি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৯ জনের মৃত্যু, ২৭৫০ জন আহত! লেবাননে কীভাবে ঘটল পেজার বিস্ফোরণ?

Lebanon Pager Explosion: ইজরায়েল যাতে কোনওভাবেই হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর উপর নজরদারি না চালাতে পারে, যোগাযোগ হাতিয়ে আক্রমণ না করতে পারে তাই পেজার ব্যবহার।

এত দক্ষতা সত্ত্বেও গত অক্টোবরে হামাসের এই হামলার খবর আগেভাগে দিতে পারেনি মোসাদ বা এই ইউনিট ৮২০০, কেউই। সেই নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনার মুখে পড়েছিল তারা। যার ফলে তাদের এক কর্মকর্চা পদত্যাগও করেন। সেই ইউনিট ৮২০০-ই সমস্ত ব্যর্থতা ঢেকে হিজবুল্লাহ দমনে নেমেছিল এক গোপন অপারেশনে, তেমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। যদিও মোসাদের তত্ত্বাবধানকারী আইডিএফ বা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রক, কেউই এই ঘটনায় ইউনিট ৮২০০-র জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেনি।

মোবাইল মানেই জিপিআরএস ট্র্যাকিং, তাকে হ্যাক করাও অনেক সহজ। সে কারণেই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে পেজারকে বেছে নিয়েছিল হিজবুল্লাহ জঙ্গিরা। আশঙ্কা ছিলই, তাঁদের যোগাযোগের ডিভাইস হ্যাক করে বড়সড় নাশকতা চালাতে পারে ইজরায়েল। সে কারণেই আগেভাগেই সতর্ক হয়েছিল তারা। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। হিজবুল্লাহের অর্ডার দিয়ে আনানো ওই সব পেজারে যে আগেভাগেই বিস্ফোরক পুরে রাখা হয়েছে, তা ঘুনাক্ষরেও টের পাননি কম্যান্ডাররা। যে পেজারগুলিকে জরুরি জিনিস ভেবে সবসময় নিয়ে ঘুরতেন, সেগুলো যে একেকটা সম্ভাব্য বোমা, তা কে-ই বা জানত। গত সোমবার থেকে লেবাননে একের পর এক পেজার বিস্ফোরণ শুরু হয়। কারওর হাত উড়ে যায়, তো কারওর পা। কারওর বা চোট লাগে মাথায়। হাসপাতাল জুড়ে হাহাকার, তিল ধারণের জায়গা নেই শহরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে। দু-দিনের হামলায় নিহত হিজবুল্লাহ কম্যান্ডারদের শেষকৃত্যের সময় বেইরুটের ওই ঘাঁটিতে ফের পর পর বিস্ফোরণ। এবার আরও বেশি মানুষ নিহত হন।

লেবাননের হিজবুল্লাহ হোক বা প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস, এই দুই দলেরই পিছনে রয়েছে ইরান। অস্ত্রের জোগান থেকে শুরু করে নানাবিধ সহায়তা এরা পেয়ে থাকে ইরানের থেকেই। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার সাহসের ভিত্তিও আদতে ইরানের মদতই। গত কয়েক মাস ধরেই ইজরায়েলে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহরা। কখনও ইজরায়েলের দিকে ধেয়ে আসছে সারি সারি রকেট, কখনও ড্রোন। যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে ইজরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। কখনও পাল্টা আক্রমণ ফিরিয়ে দিচ্ছে নেতানিয়াহুর দেশও। এই পরিস্থিতিতে এত বিশাল হামলা লেবানন জুড়ে। সাধারণ নিরীহ একটি যন্ত্রকে যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে পোটেনশিয়াল বোমা হিসেবে। এই হামলার পরে যে ইরান ছেড়ে কথা বলবে না ইজরায়েলকে, তা একরকম স্পষ্ট।

হিজবুল্লাহদের ব্যবহৃত পেজারগুলি তৈরির মেয়াদ দেওয়া হয়েছিল তাইওয়ানের একটি সংস্থাকে। যদিও তার দায় স্বীকার করেনি তাইওয়ান। এদিকে বুধবার যে ওয়াকিটকিগুলি বিস্ফোরণ হয়েছে, সেগুলো বানিয়েছে জাপানের সংস্থা আইকম ইনকর্পোরেড। তাদের তরফে দাবি করা হয়েছে, এক দশক আগেই এই মডেলগুলির উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে তারা। ২০১৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় IC-V82 রেডিওগুলি রফতানি করেছে তারা। তারপর তা উৎপাদন ও রফতানি দুই-ই বন্ধ হয়ে যায়। এমনকী এই ওয়াকিটকিতে ব্যবহৃত ব্যাটারির উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কীভাবে এই যন্ত্রগুলিতে বিস্ফোরক ভরা হল? সব মিলিয়ে ঘনিয়েছে বেশ রহ্স্য। এই পেজার বিস্ফোরণ কাণ্ডের নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে ইজরায়েলের তরফে কোনও বিবৃতি না এলেও ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেন, "আমরা এই মুহূর্তে যুদ্ধের একটি নতুন পর্বের শুরুতে রয়েছি।" গ্যালান্টের এই বক্তব্যকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্বের বড় অংশ। তাহলে কি পরোক্ষ ভাবে নতুন করে যুদ্ধঘোষণার কথাই বলে দেওয়া হল ইজরায়েলের তরফে। গাজায় প্রায় এক বছর ধরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধে বলি হয়েছেন ইতিমধ্যেই অসংখ্য নিরাপরাধ ফিলিস্তিনি। এবার কি সেই যুদ্ধে তৈরি হতে চলেছে নতুন অক্ষশক্তি। আরও বড় কোনও বিশ্বযুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে পৃথিবী। সেই আশঙ্কাই নতুন করে উস্কে দিয়েছে সাম্প্রতিক এই হামলা।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।