দাপটে অস্থির মন্ত্রী-আমলা, একাই একশো বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

Justice Abhijit Ganguly: চাঁচাছোলা মন্তব্য, আগ্রাসী মনোভাবের জন্য প্রশ্নের মুখে পড়লেও, চাকরির আশায় দিনের পর দিন ধরনায় বসে থাকা মানুষজনকে আশার আলো জুগিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

pampii adhikari
৪ মিনিট
দাপটে অস্থির মন্ত্রী-আমলা, একাই একশো বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

দ্বিপ্রাহরিক আহারের শেষে ভাতঘুম ন্যায্য পাওনা বাঙালির। ইদানীং তাতে ছেদ পড়েছে বললে অত্যূক্তি হয় না। নেপথ্যে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিত্যদিন রাঘববোয়ালদের নাকানিচোবানি খাইয়ে ঘরে ঘরে এখন আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। বিচারপতির নাম স্মরণ করতে না পারলেও, কোন মন্ত্রীকে সিবিআই (CBI) দফতরে পাঠালেন, তাঁর ভয়ে সকন্যা হদিশ নেই কোন মন্ত্রীর, রাজ্য সরকারকে আজ কোন ভাষায় তিরস্কার করলেন, ঘুরেফিরে বারবার উঠে আসছে আলোচনায়। এমনকী, আইনজীবীদের একাংশও পরিস্থিতি বর্ণনা করার মতো অবস্থায় নেই। বছরের পর বছর একই মামলায় দু’বেলা আদালতের চক্কর কেটেই বেরিয়েছেন তাঁরা। নিত্য-নতুন মামলায় দিনের দিন শুনানি, সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দেওয়ার পরমুহূর্তেই ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি, রাতের বেলা এজলাস বসতে আগে কবে দেখেছেন মনে করতে পারছেন না তাঁরা।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Recruitment Scam) চাকরি পেতে পড়ুয়ারা জুতোর শুকতলা খুইয়ে না ফেললে বোধহয় এমন দিন দেখা হত না কারওরই। তবে সরকার, মন্ত্রী, চাকরিপ্রার্থী, সকলকে ছাপিয়ে নিয়োগ মামলায় বারবার যে নাম শিরোনামে উঠে এসেছে, সেটি হল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। কেউ তাঁকে ‘দাবাং’ বলে অভিহিত করছেন, কেউ আবার ‘হিরো’ বলে মানতে শুরু করেছেন। রাজনীতিকদের একাংশের কাছে আবার তিনি নেহাতই সুবিধাবাদী, প্রচারলোভী, নিজের স্বার্থে যিনি সরকার পক্ষের মন্ত্রী, আমলাদের বিপাকে ফেলছেন। ন্যায়বিচারের দোহাই দিয়ে নিজেকে আম আদমির ‘মসিহা’ প্রতিপন্ন করে তুলতে চাইছেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের যদিও সেসব নিয়ে তেমন গরজ নেই। তিনি পরিষ্কার জানিয়েছিলেন, মাথায় বন্দুক ঠেকালেও থামবেন না তিনি। দুর্নীতিকে সমূলে উৎপাটিত করেই ছাড়বেন। তিনি ঠাঁই পেতে চান ইতিহাসে। গুরু বলে মানেন সলিল গঙ্গোপাধ্যায়দের।

সম্প্রতি গ্রুপ সি গ্রুপ ডি বিভাগে বেআইনি ভাবে চাকরি পাওয়াদের বরখাস্ত করা হয়েছিল আগেই। এবার পুজোর আগেই ৯২৩ জনকে চাকরি দিতে হবে- বার্তা দিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক টেট-এর দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় সিবিআই-এর স্টেটাস রিপোর্ট দেখে স্পষ্ট বলেছেন অকল্পনীয় দুর্নীতি, মুড়িমুরকির মতো দুর্নীতি হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দূরত্ব রাখছেন মমতাও? মুকুলের মতো বিস্মৃত হয়ে যাবেন পার্থ?

পার্থকে নিয়ে আইনি টানাপড়েনের মধ্যে, আকারে-ইঙ্গিতে নিজের অবস্থান বুঝিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

শিক্ষার পাট চুকিয়ে সরকারি আধিকারিক হিসেবেই কর্মজীবনের শুরু বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। চাকরি ছেড়ে পরবর্তীকালে আইন নিয়ে পড়াশোনা। আইনজীবী হিসেবে পেশা শুরু করার পর এসএসসি-র হয়েই একটা সময় মামলা লড়তেন তিনি। সেই থেকেই এসএসসি-র কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি অবগত। এই মুহূর্তে সেই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলাই তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে ঘরে ঘরে। শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রীদেরও কোর্টের চক্কর কাটতে বাধ্য করছেন তিনি। এসএসসি-র ওপর বিন্দুমাত্র আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। আবার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে এরিয়ার সমেত চাকরিজীবনের বেতন পাইয়ে দিযে, ক্যানসার-আক্রান্ত শিক্ষিকার সহায় হয়ে মানবিক দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন। কিন্তু শিক্ষা-সংক্রান্ত মামলায় তাঁরই অবস্থান ঘিরে বিতর্ক রয়েছে।

কলকাতা হাই কোর্টে দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের পর, বছরচারেক আগে, ২০১৮ সালে বিচারপতি হন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ২০২০ সালে স্থায়ী বিচারপতি নিযুক্ত হন। তবে বিগত কয়েকমাসেই বারবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। বিশেষ করে একের পর এক মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (CBI) হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার বিষয়টি চোখে পড়েছে সকলেরই। এই বছর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের হিসেবেই, বিগত আট মাসে ন’টি মামলার তদন্তভার উঠেছে সিবিআই-এর হাতে। তার মধ্যে রয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ মামলা, এসএসসি গ্রুপ ডি এবং গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলা, হলদিয়া বন্দরে তোলাবাজির মামলা, ২০১৬-র নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা, বগটুই, হাঁসখালি, তপন কান্দু খুনের মামলাও।

এ বছর মার্চ মাসে সংসদীয় কমিটি জানায়, এই মুহূর্তে সিবিআই-এর হাতে এক হাজারেরও বেশি মামলা পড়ে রয়েছে। সারদা কাণ্ডে কয়েক বছর ধরে সুদীপ্ত সেনকে আটকে রাখা, নারদ কাণ্ডে স্টিং অপারেশন চালিয়েও মুকুল রায়, অপরূপা পোদ্দারের বিরুদ্ধে কিছু খুঁজে পায়নি তারা। তাই বগটুই, হাঁসখালি, খড়দহ এবং সর্বোপরি এসএসসি মামলার ভার সিবিআই-এর হাতে যাওয়া নিয়েও মতভেদ রয়েছে, বিশেষ করে এই মামলায় যেখানে রাজনৈতিক একটি প্রেক্ষাপটও রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তই খোলাখুলিই জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সংস্থা নামিয়ে বিরোধীদের হেনস্থা করা হচ্ছে আজকের দিনে। সেই নিয়ে আদালতে আইনজীবীদের রোষেও পড়েন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআই-এর ওপর বিচারপতির যে আস্থা, সাধারণ মানুষেরও তা নেই বলেও মন্তব্য উড়ে আসে।

মামলার দ্রুত বিচার, প্রশাসনকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করাই নয় শুধু, সতীর্থ বিচারপতিদেরও কাঠগড়ায় তুলেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর সিঙ্গল বেঞ্চের রায় ডিভিশন বেঞ্চে স্থগিত হয়ে গেলে সরাসরি হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে নালিশ ঠুকেছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টে ডিভিশন বেঞ্চের বিরুদ্ধে নালিশ জানানোর আগে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির অনুমতিরও তিনি ধার ধারেননি বলে অভিযোগ। বার কাউন্সিলও এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাই হাতে-গরমে চাঁচাছোলা মন্তব্য ছুড়ে দিয়ে, বিচারব্যবস্থার রক্ষাকর্তা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে হাততালি কুড়োলেও, এর পিছনে রাজ্য সরকার এবং শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের হেয় করার কোনও উদ্দেশ্য যে নেই, তা-ও সুনিশ্চিত হওয়া দরকার বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

তবে চাঁচাছোলা মন্তব্য, আগ্রাসী মনোভাবের জন্য প্রশ্নের মুখে পড়লেও, চাকরির আশায় দিনের পর দিন ধরনায় বসে থাকা মানুষজনকে আশার আলো জুগিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের মতে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ আজ কিছু নতুন নয়। বহু বছর ধরেই এমন চলে আসছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও হাপিত্যেশ করে বসে থাকতে হয়েছে কিছু মানুষকে। আর যোগ্যতা ছাড়াই, শুধুমাত্র প্রভাবশালীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের খাতিরে চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন অনেকে। প্রতিবাদে নামলেই বরাভয় জুটেছে বিস্তর, মিলেছে বিচারের আশ্বাস। কিন্তু প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে যিনি সিবিআই জেরায় পাঠাতে পেরেছেন, তাঁর প্রশংসা প্রাপ্য বলেই মত সিংহভাগের।

লিখেছেন
pampii adhikari
pampii adhikari
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।