বন্ধু হাসিনার বিদায়! ভারতে আবার উদ্বাস্তু সঙ্কট? কী পরিকল্পনা করছেন মোদি?

Narendra Modi Sheikh Hasina: বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা বাড়লেই ভারতের উদ্বেগ বাড়বে। হিংসা থেকে বাঁচতে শরণার্থীদের ভারত আটকাবে না আশ্রয় দেবে?

inscript
৪ মিনিট
বন্ধু হাসিনার বিদায়! ভারতে আবার উদ্বাস্তু সঙ্কট? কী পরিকল্পনা করছেন মোদি?

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। বাংলাদেশ ত্যাগ করে সেনার বিশেষ বিমানে তিনি ভারতে, দিল্লিতে প্রথম এসে উপস্থিত হন। সোমবার সকাল থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাটকীয় পটপরিবর্তন ঘটেছে। সোমবার ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা লং মার্চ। সেই মিছিল চলাকালীনই বাংলাদেশের সেনা প্রধান জানিয়ে দেন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন আর সেনা জানিয়ে দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হবে দেশে। এরই মাঝে বাংলাদেশ ও ভারতের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকেন এদেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে ডাকা ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রিন্সিপাল সচিব পিকে মিশ্র, ‘র’-এর প্রধান রবি সিন্‌হা এবং গোয়েন্দা বিভাগের (আইবি)-র ডিরেক্টর তপন ডেকা।

হাসিনা ভারতে আসার পরেই গাজিয়ায়াবাদের হিন্ডন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে গিয়ে ভারতের মুখ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সাক্ষাৎ করেন তাঁর সঙ্গে। বোন রেহানার সঙ্গে হাসিনা দেশ ছাড়তেই তাঁর সরকারি বাসস্থান ‘গণভবন’, সংসদ ভবন, আওয়ামী লীগের ছোট-বড় দফতরে ব্যাপক হামলা, লুঠপাট চালায় বিক্ষোভকারীরা। এমনকী বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু মুজিবের মূর্তি! ঢাকায় ইন্দিরা গান্ধির নামাঙ্কিত ‘ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’-ও হামলায় বিপর্যস্ত।

ছাত্রদের আন্দোলনকে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কোটা সংস্কারের দাবির ফাঁক ধরে এই আন্দোলনে বিএনপি এবং জামাতের অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলেই ধারণা। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া ও বিএনপি, জামাতের সদস্যদের ভূমিকাকে মোটেই সহজ চোখে দেখছে না ওয়াকিবহাল মহল। নিষিদ্ধ কট্টরপন্থী সংগঠন জামাতে ইসলামি নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে। এর আগে বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ-সহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপর একাধিক বার হামলার অভিযোগ রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী এবং পাকিস্তানপন্থী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে। এই অবস্থায় ভারত মনে করছে, অশান্তির এই আবহে বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ ভারতে আশ্রয় চাইতে পারে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই শুধু না, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীও ভারতে নিরাপদ আশ্রয় চাইতে পারে। হাসিনা এদেশে আসার পর এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বিস্তারে জানান। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও জয়শঙ্করের সঙ্গে কথা বলেছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি! বাংলাদেশ আবার মৌলবাদীদের হাতেই?

Khaleda Zia Released: ১৯৪৫ সালের ১৫ অগাস্ট জন্ম খালেদা জিয়ার। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু তাঁর স্বামী জিয়াউর রহমানের হত্যার পর থেকে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশে প্রথম ক্ষমতায় এসেছিলেন শেখ হাসিনা। গত জুলাইয়ের শুরু থেকেই বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন শুরু হয়। হাসিনা সরকার নির্মমভাবে সেই আন্দোলন দমন করতে যথেচ্ছ গুলি চালায়। বাংলাদেশ জুড়ে এক সপ্তাহে ৩০০ জনের মৃত্যু ঘটে। এরপর আদালত কোটা সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও বিক্ষোভ থামেনি। গত রবিবার নতুন করে অস্থিরতা ছড়ায়। রবিবারই বাংলাদেশ আরও ১০০ জনের মৃত্যু দেখে। সোমবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান জাতির উদ্দেশে ঘোষণা করেন, হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং সেনাবাহিনী এবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করবে।

ভারত বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপি এবং বিরোধীদের মিত্রশক্তিদের বিপজ্জনক ইসলামিক শক্তি হিসেবেই দেখে। তবে বাংলাদেশে নতুন করে ধর্মীয় সঙ্কটের যে হাওয়া উঠছে তার গতিপ্রকৃতি আপাতত অনিশ্চিত। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করা ছাড়া এই মুহূর্তে ভারতের কাছে খুব বেশি বিকল্পও নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আন্দোলনের চরিত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা রুখে দিতে হবেই

Bangladesh Unrest: এই মুহূর্তে দেশে কোনও দায়িত্বশীল প্রশাসন নেই। সামরিক বাহিনী আসলে কোনও রকমে কতগুলো স্থাপনা আগলে রেখেছে। বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগানো হচ্ছে, আর এটা আন্দোলনের গণতান্ত্রিক চরিত্রের অনুরূপ নয়।

ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার সম্পর্কের ইতিহাস যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঢের আগে, ১৯৭৫ সালে যখন তাঁর বাবা মুজিবুর রহমান সহ তাঁর পুরো পরিবারকেই হত্যা করা হয়, তখন ইন্দিরা গান্ধির সরকার হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছিল। এই মুহূর্তে মোদি সরকারের সঙ্গেও সখ্য রয়েছে তাঁর। ২০০৯ সালে তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে নয়াদিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে উন্নতি হয়। সড়ক ও রেল যোগাযোগ থেকে শুরু করে সীমান্ত নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহ নানা বিষয়েই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এই সময়ে দৃঢ় হয়।

বাংলাদেশের এই নতুন বিক্ষোভকে সরাসরি সমর্থন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জামায়াতে ইসলামী। তারা অন্তর্বর্তীকালীন নতুন সরকারে কী ভূমিকা পালন করবে তা স্পষ্ট নয়। এই দু'টি দলই ভারতের বন্ধু নয়। বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মেয়াদে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক ছিল খুবই দুর্বল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা বাড়লেই ভারতের উদ্বেগ বাড়বে। হিংসা থেকে বাঁচতে শরণার্থীদের ভারত আটকাবে না আশ্রয় দেবে? ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪,০৯৬ কিলোমিটারের সীমান্তে একাধিক জায়গা এমন রয়েছে যা দিয়ে বাংলাদেশি উদ্বাস্তুদের আগমন ঘটবেই।

বাংলাদেশের এই অস্থিরতার মাঝে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বা বিএসএফ আন্তর্জাতিক সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। ত্রিপুরার টিপরা মোথার নেতা প্রদ্যোত কিশোর মাণিক্য দেববর্মা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, কোনও অনুপ্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির সঙ্গে চিনের সম্পর্ক ভালো। ভারতের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক তলানিতে। বেইজিং এই ঘোলাজলে মাছ ধরার সুযোগ যে ছাড়বে না, তা শিশুও জানে। ফলে ভারতের সীমানা সঙ্কট ক্রমেই বাড়ছে। শ্রীলঙ্কা হোক বা মায়ানমার বা আফগানিস্তান, বা বাংলাদেশ- বিগত কয়েক বছরে ভারতের প্রতিবেশী অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা গেছে। চিন এবং পাকিস্তানের সম্পর্ক মজবুত হয়েছে। মালদ্বীপও এই জোটের দিকেই ঝুঁকে। আফগানিস্তানেও তালিবানি সরকার ফিরে আসায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষীণ। এর মধ্যে, ঢাকার সঙ্গে এই কূটনৈতিক টানাপড়েনে ভারতের ভূমিকা কী, তা যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।