মহাকাশ থেকে ধেয়ে আসা বিপদ এড়াল নাসা-র অস্ত্র! যেভাবে বিলুপ্তি থেকে বাঁচল মানুষ

DART mission of NASA: নাসা মানবজাতির হতে তুলে দিয়েছে এমন এক অস্ত্র, যা ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরদের হাতে ছিল না।

Satyaki Tat
৪ মিনিট
মহাকাশ থেকে ধেয়ে আসা বিপদ এড়াল নাসা-র অস্ত্র! যেভাবে বিলুপ্তি থেকে বাঁচল মানুষ

That's one small step for man, one giant leap for mankind.

২০ জুলাই, ১৯৬৯-এ চাঁদের মাটিতে পা রেখে এই কথাটা বলেছিলেন নীল আর্মস্ট্রং। ব্রহ্মাণ্ডকে চেনার পথে, এবং মানুষকে পৃথিবীর বাইরে প্রথম কোনও মহাজাগতিক বস্তুতে পৌঁছে দিয়ে ভবিষ্যতের অপরিসীম এক সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছিল নাসা। আজ, নাসা আরও একবার, এক বিরাট কর্মকাণ্ডে সাফল্য পেয়েছে। করেছে অসাধ্যসাধন। মানবজাতির হতে তুলে দিয়েছে এমন এক অস্ত্র, যা ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরদের হাতে ছিল না।

The Double Asteroid Redirection Test, সংক্ষেপে DART মিশন। আজ থেকে দশ মাস আগে পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপনের পর এই প্রযুক্তি পাড়ি দেয় পৃথিবী থেকে ৭০ লক্ষ মাইল দূরে থাকা ডিমোরফস নামক এক গ্রহাণুর উদ্দেশ্যে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর এটি ঘণ্টায় ১৪,০০০ মাইলের গতিতে গিয়ে ডিমোরফসকে আঘাত করে। ডিমোরফস আরও একটি গ্রহাণু ডিডিমোসকে প্রদক্ষিণ করে। উদ্দেশ্য ছিল ডিমোরফসকে কক্ষপথচ্যুত করা। গতকাল নাসা ঘোষণা করেছে, সেই কাজে তারা সফল হয়েছে। ডিমোরফসের ১১ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটের কক্ষপথকে ৪৪ মিনিট কমিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে তারা। ঘটিয়ে ফেলেছে ইতিহাস। মানবতার ইতিহাসে প্রথমবার পৃথিবীকে গ্রহাণুর বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রযুক্তি চলে এসেছে তাদের হাতে। First ever Planetary Defense System। নাসার অধিকর্তা বিল নেলসন বলছেন, "আমাদের সবারই নিজেদের গ্রহকে রক্ষা করার দায়িত্ব রয়েছে। যতই হোক, এটাই আমাদের একমাত্র ঠাঁই। এই মিশন প্রমাণ করে দিয়েছে যে ব্রহ্মাণ্ড আমাদের দিকে যাই ছুড়ে দিক, তার মোকাবিলা করার জন্য নাসা একেবারেই ঠিক পথে এগোচ্ছে। আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি আমরা কতটা দায়বদ্ধ এই গ্রহের রক্ষাকর্তা হিসেবে। মানবতার ইতিহাসে এ এক বিশেষ সন্ধিক্ষণ।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সমুদ্রের জলে হু হু করে বাড়ছে অ্যাসিডের মাত্রা! কোন বিপদ অপেক্ষায়

Global Warming: দ্রুত বরফ গলার সঙ্গে সমুদ্রের জল আস্তে আস্তে আম্লিক হয়ে পড়ছে। অর্থাৎ, জলে অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিল নেলসনের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সহমত হওয়া ছাড়া কোনও উপায়ই নেই, তার কারণ, ইতিহাসে প্রথমবার কোনও বৃহৎ মহাজাগতিক বস্তুর গতির ওপর এইভাবে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করল মানুষ। ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ এই কাজ। এটা ঠিকই যে, আপাতত পৃথিবীর দিকে কোনও গ্রহাণু ধেয়ে আসছে না। সুতরাং ডাইনোসরদের মতো পরিণতিও এই মুহূর্তে হচ্ছে না। কিন্তু পৃথিবী থেকে মাত্র কয়েক লক্ষ কিলোমিটার দূরেই ঘুরে বেড়ায় প্রায় ২৭,০০০ গ্রহাণু। যাদের বলা হয় Near Earth Objects। এছাড়াও মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মাঝে রয়েছে গ্রহাণুদের বেল্ট। সেই সঙ্গে এই অপরিসীম ব্রহ্মাণ্ডে লক্ষ কোটি ধুমকেতু এবং গ্রহাণু ঘুরে বেড়াচ্ছে যারা যে-কোনও মুহূর্তে এসে আঘাত করতে পারে পৃথিবীকে। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন, আমাদের সৌরজগতের সব থেকে বড় গ্রহ বৃহস্পতি তার মাধ্যাকর্ষণের জেরে এমনিতেই আমাদের এই ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করে আসছে কোটি কোটি বছর ধরে। কিন্তু তার মধ্যেও ডাইনোসরদের বিলুপ্তির ঘটনা ঘটেছিল। সুতরাং, বিপদ যে-কোনও সময়েই আসতে পারে। এতদিন সেই বিপদকে ঠেকানোর কোনও রাস্তা ছিল না মানুষের কাছে। আজ গর্ব করে আমরা বলতে পারব, সভ্যতা হিসেবে আমরা আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গেলাম। আজ আমাদের হাতে সেই বিপদকে ঠেকানোর অস্ত্র চলে এসেছে।

তবে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। গ্রহাণুকে শনাক্ত করতে হবে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে। তবেই যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে তাকে তার পথ থেকে বিচ্যুত করতে। তাছাড়া, সব গ্রহাণু একরকম হয় না। তাদের গঠনও খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে। ডিমোরফসের যে ধরনের গঠন, তাতে মহাকাশযানের ধিক্কার-অভিঘাতে তার শুধুমাত্র কক্ষপথচ্যুতি ঘটেনি, তা অস্বাভাবিকভাবে কম্পিত হচ্ছে। অন্য গ্রহাণুর ক্ষেত্রে ফলাফল একেবারে অন্য কিছু হতেই পারে। সেই সঙ্গে গ্রহাণুর আকারও খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ডিমোরফস খুব বেশি বড় নয়। তার আকার একটি ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো। অনেক গ্রহাণুর আকার বেশ কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত হয়। সেক্ষেত্রে রেফ্রিজারেটরের আকারের যন্ত্র সফল হবে কি না, তাও জানা নেই।

তবে এই নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই যে, এই মিশন চূড়ান্ত সফল। এই ধরনের পরীক্ষা প্রথমবার হলো এবং নাসার কাছে ৭৩ সেকেন্ডের কক্ষপথচ্যুতিও সাফল্য হিসেবে গণ‍্য হতো। তারপর নাসা হিসেব করে ১০ মিনিটের কক্ষপথচ্যুতি। নাসার বিজ্ঞানীরাও ভাবতে পারেননি যে, তাদের অস্ত্র ডিমোরফসের সময় প্রায় ২৩ মিনিট কমিয়ে দেবে। যা এক বিরাট সাফল্য। হ্যাঁ, এটা ঠিকই যে, এই গ্রহাণু আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে না। কিন্তু প্রথমবার মানুষ এক ধারণা পেল, কীভাবে এই বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব হবে। আজ থেকে চার বছর পর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি হেরা মিশনের মাধ্যমে ডিমোরফস এবং ডিডিমসের সমীক্ষা করতে চলেছে। সেই মিশনের মাধ্যমে জানা যাবে, ডিমোরফসে কতটা ক্ষত সৃষ্টি করেছে ডার্টের মহাকাশযান। একেবারে নিখুঁতভাবে জানা যাবে ডিমোরফস এবং ডিডিমসের গঠন এবং আকার। যে তথ্য ভবিষ্যৎ সমস্ত মিশনের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

নাসা জানিয়েছে, এই বিশাল কর্মকাণ্ড তারা একা করেনি। এক বিশাল আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ফলেই এই কাজ সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছে ইতালিয়ান স্পেস এজেন্সি। এছাড়াও জন হপকিন্স তৈরি করেছে মহাকাশযানটিকে। চিলি, ডেনমার্ক এবং দক্ষিণ আফ্রিকাও তাদের টেলিস্কোপ এবং মানমন্দিরকে এই মিশনের জন্য ব্যবহার করে নাসা-কে মহামূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে গেছে।

যাবতীয় যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে গবেষণা পুরোদমে এখন চলতে থাকবে। নাসা মনে করছে, তাদের কাজ সবে শুরু হলো। এটা সবে প্রথম পরীক্ষা। আরও অনেক কাজ বাকি। হ্যাঁ, এটা ঠিকই যে এই মিশন কোনও হলিউডের চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। তবে মানবজাতি এখনও পর্যন্ত মহাকাশের কোনও কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হয়নি। তবে প্রশ্ন এলেও, তার উত্তর হয়তো মানবসভ‍্যতার কাছে রয়েছে।

লিখেছেন
Satyaki Tat
Satyaki Tat
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।