নিউইয়র্কের ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজি মনে করাচ্ছেন ডায়নাকে

Rama Duwaji: রামা দুয়াজির শিল্পকর্মে রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তাঁর বেশ কিছু কাজ সরাসরি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করে।

inscript
৩ মিনিট
নিউইয়র্কের ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজি মনে করাচ্ছেন ডায়নাকে

নিউইয়র্ক সিটির নতুন ইতিহাস লিখতে চলেছেন রামা দুয়াজি। মাত্র ২৮ বছর বয়সে তিনি হতে চলেছেন শহরের সর্বকনিষ্ঠ ফার্স্ট লেডি। স্বামী জোহরান মামদানি মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তিনি। বিজয় বক্তৃতায় স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মামদানি বলেন, “আমার অসাধারণ স্ত্রী রামা, হায়াতি— এই মুহূর্তে এবং প্রতিটি মুহূর্তে আমি তাঁর চেয়ে বেশি আর কাউকে আমার পাশে চাই না।” আরবি শব্দ ‘হায়াতি’ অর্থ “আমার জীবন”।

সিরিয় বংশোদ্ভূত রামা দুয়াজি পেশায় একজন চিত্রশিল্পী। তাঁর ক্যানভাসে প্রায়ই ফুটে ওঠে মধ্যপ্রাচ্যের সমাজ, সংস্কৃতি ও মানুষ। বিবিসি নিউজ, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, ভাইস প্রভৃতি আন্তর্জাতিক মাধ্যমে তাঁর কাজ প্রকাশিত হয়েছে; লন্ডনের টেট মডার্ন জাদুঘরেও স্থান পেয়েছে তাঁর শিল্পকর্ম। রামা দুয়াজি ও জোহরান মামদানির পরিচয় হয় একটি ডেটিং অ্যাপ, হিঞ্জ-এ।

নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিকে স্বামীর পাশে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিলেন— মামদানি নাকি ইচ্ছে করেই স্ত্রীকে আড়ালে রাখছেন। যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে নিজেদের পারিবারিক মূল্যবোধ তুলে ধরতে স্ত্রী বা স্বামীকে প্রচারের মুখ করে তোলেন। তাই দুয়াজির অনুপস্থিতি অনেকেরই চোখে পড়ে। তবে এই সমালোচনার জবাব দেন মামদানি নিজেই। গত মে মাসে নিউইয়র্ক সিটি ক্লার্কের অফিসে তাঁদের বিয়ের কিছু ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, “আজকের টুইটারই বোঝা যায় রাজনীতি কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে। সাধারণত আমি এসব মন্তব্য এড়িয়ে যাই, তা সে হুমকি হোক বা আমাকে দেশছাড়া করার ডাক। কিন্তু যখন প্রিয়জনদের নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তখন সেটা একেবারেই ভিন্ন বিষয়। আমার মতের সমালোচনা করুন, কিন্তু আমার পরিবারকে ছেড়ে দিন।” প্রচারের আলোয় না এসেও, পর্দার আড়ালে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন দুয়াজি। সিএনএন জানিয়েছে, মামদানির প্রচারণায় ব্যবহৃত হলুদ, কমলা ও নীল রঙের গ্রাফিক্স ও ফন্ট নির্বাচনে তাঁর পরামর্শ ছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোটিপতিদের শহরে সাধারণের মেয়র! কী ভাবে হলেন মামদানি?

Zohran Mamdani: এলিটদের বক্তব্যে কখনও সাধারণ মানুষের কথা, মধ্যবিত্তের সমস্যার কথা উঠে আসেনি; তাদের লক্ষ্য ছিল মূলত দু'টো— এক, হাইপার ক‍্যাপিটালিজম, আর অন্যটি, হলো জায়োনিজম ন‍্যারেটিভ প্রচার করা।

টেক্সাসের হিউস্টনে জন্ম নেওয়া রামা শৈশবে পরিবার সঙ্গে দুবাইয়ে চলে যান, পরে কিছুদিন কাটান কাতারে। আরবি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর পরিবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আদি বাসিন্দা। মামদানি প্রশাসনে তিনি কেমন ভূমিকা নেবেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়লেও, পরিচিত মহলে তাঁর ব্যক্তিত্বের প্রশংসা শোনা যায়। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বন্ধু হাসনাইন ভাট্টি বলেন, “রামা আমাদের সময়ের আধুনিক প্রিন্সেস ডায়ানা।”

রামা দুয়াজি ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কের স্কুল অব ভিজুয়াল আর্টস থেকে ইলাস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তাঁর শিল্পকর্মের বেশিরভাগই কালো-সাদা রঙে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুটে উঠেছে আরব বিশ্বের মানুষ ও জীবনের চিত্র। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুয়াজি টেক্সাসে জন্ম নেওয়া এক সিরিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিনি। ২০২২ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের ডকুমেন্টারি “হু কিল্ড মাই গ্র্যান্ডফাদার”-এ তাঁর কিছু চিত্র ব্যবহৃত হয়েছিল। ওই ডকুমেন্টারিটি ১৯৭৪ সালে এক ইয়েমেনি রাজনীতিবিদের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নির্মিত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ট্রাম্প-মাস্কের হুঙ্কারকে দুয়ো! ইতিহাস গড়লেন জোহরান মামদানি

Zohran Mamdani Becomes New York Mayor: মামদানির প্রচারের বার্তাই তরুণ ভোটার, অভিবাসী এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রমজীবী শ্রেণির মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলে।

রামা দুয়াজির শিল্পকর্মে রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তাঁর বেশ কিছু কাজ সরাসরি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সমালোচনা করে। তিনি ইজরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ‘জাতিগত নিধন’-এর প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর এক শিল্পকর্মে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ খলিলের প্রতিও সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন খলিলকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল, আর তাঁর কাজকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে সমালোচনা করা হয়েছিল।

ব্রুকলিনের বাসিন্দা হলেও মহামারির সময় দুয়াজি ছিলেন পরিবারের সঙ্গে দুবাইয়ে। ইয়াং ম্যাগাজিন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর পরিবার এখনও সেখানে থাকে। সেই সাক্ষাৎকারে তাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন এবং অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি বাড়ার মতো নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, “নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান অবস্থা সত্যিই হতাশাজনক। সবকিছু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।” দুয়াজি আরও বলেন, “আজ এত মানুষ ভয়ে চুপ করে যাচ্ছে। আমি অন্তত আমার কণ্ঠ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে যতটা সম্ভব সচেতনতা তৈরি করতে চাই।”

শিল্পীদের সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি কিংবদন্তি গায়িকা নিনা সিমোন-কে উদ্ধৃত করে বলেন, “একজন শিল্পীর কর্তব্য হলো তাঁর সময়ের প্রতিফলন ঘটানো।” দুয়াজির মতে, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রত্যেকেরই দায়িত্ব। আর শিল্পের মাধ্যমে তা করাও যায়। আমি মনে করি না যে প্রত্যেক শিল্পকেই সরাসরি রাজনৈতিক হতে হবে, কিন্তু শিল্পের সৃষ্টির ধরন, অর্থায়ন এবং প্রচার— সবেতেই রাজনীতির প্রভাব থাকে। এমনকি যেসব শিল্প আমরা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে মুক্তির আশায় তৈরি করি, সেগুলিও শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিকই হয়ে ওঠে। শিল্প হলো আমাদের চারপাশের জগতের প্রতিক্রিয়া।”

নিউইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ ফার্স্ট লেডি হিসেবে রামা দুয়াজির এখন নতুন এক যাত্রা শুরু। তাঁর সৃজনশীলতা নিউ ইয়র্কের মানুষদের জীবনে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তাই এখন দেখার।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।