নোবেল শান্তিপুরস্কার জয় করলেন দুই সাংবাদিক

Anasuya Sen
৫ মিনিট
নোবেল শান্তিপুরস্কার জয় করলেন দুই সাংবাদিক

ফিলিপিন্স-এর নির্ভীক সাংবাদিক মিস মারিয়া রেসা তাঁর স্থিতপ্রজ্ঞ কণ্ঠে বললেন ------- "আমি কোনও অপরাধ কখনও করিনি | তবে ক্ষমতার প্রতিস্পর্ধি হয়ে আমি সত্যকে উদ্ঘাটিত করেছি |" এই প্রতিস্পর্ধাই তো ক্ষমতা ও দেশে দেশে তার ধারক 'সরকারের' গলার কাঁটা | এই স্পর্ধাই তো ক্ষমতাশালীর চোখে চোখ রেখে নির্ভয়ে সত্য কথা বলে | আর সেই স্পর্ধাই দেখিয়েছেন মিস মারিয়া রেসা তাঁর প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত সংবাদ - ওয়েবসাইট 'রাপলার' মাধ্যমে | ফিলিপিন্স-এর সরকার ও তার প্রেসিডেন্ট রডরিগো দুতেরতে সরকারের বিভিন্ন ভ্রান্ত নীতি, নারীবিদ্বেষী নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডের তথ্যনিষ্ট অনুসন্ধান করে এবং প্রকৃত অপরাধী ক্ষমতাশালীদের চিহ্নিত করে সেই সব তথ্য তিনি রাপলার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুসরণকারী পাঠক - দর্শক - শ্রোতাদের সামনে ধারাবাহিক ভাবে তুলে ধরেছেন | সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার কর্তব্য পালন করতে গিয়ে এবং মেরুদন্ড সোজা রেখে এই স্তরের সত্যানুসন্ধান করতে গিয়ে মারিয়া রেসাকে বহুবার শাসানি ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে | মারিয়া রেসা ফিলিপিন্স সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও নিন্দাসূচক তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করছেন, সঙ্গে সঙ্গে কর ফাঁকি দিয়েছেন ------ এই অভিযোগে ২০২০ সালে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় | তাঁর মতে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বসবর্ত্তী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এমন সব আইনের ধারায় সরকার মামলা করেছে যে তাতে তাঁর ৬ বছর পর্য্যন্ত জেল হতে পারত |

মারিয়া রেসা বিগত ২০১২ সালে যৌথ ভাবে সংবাদ - ওয়েবসাইট রাপলার চালু করেন | ফেসবুক পেজে এই ওয়েবসাইটের অনুসরণকারী দর্শক - শ্রোতার সংখ্যা বর্তমানে সাড়ে চার মিলিয়ান | বুদ্ধিদীপ্ত সংবাদ পরিবেশনা ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নাছোড় তদন্তমূলক তথ্য উদ্ঘাটনের কারণেই রাপলার লাভ করেছে এই সাড়া জাগানো জনপ্রিয়তা | রাপলার একদিকে জনপ্রিয়তালোভী প্রেসিডেন্ট রডরিগো দূতেরতের ড্রাগের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের কথা যেমন সবিস্তারে প্রচার করেছে তেমন অন্যদিকে ফিলিপিন্স সরকারের দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধেও খড়্গহস্ত হয়েছে | প্রেসিডেন্ট দূতেরতের যুদ্ধবাদী প্রচারের বাড়বাড়ন্তের বিরুদ্ধেও মারিয়া রেসা স্বয়ং সম্প্রচারে অবতীর্ণ হয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছেন |

মারিয়া রেসার কর্তব্যনিষ্ঠার প্রশংসা করতে গিয়ে নোবেল শান্তি কমিটি বলেছেন যে ------- মারিয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যুক্তিযুক্ত সদ্ব্যবহার করে মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন কেমন ভাবে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার হয়, হিংসা ছড়িয়ে কেমন ভাবে প্রতিবাদী মানুষকে দমন - পীড়ন করা হয় এবং কেমন ভাবে তাঁর জন্মভূমি ফিলিপিন্স-এ ন্যায়নীতিকে দূরে ঠেলে দিয়ে কর্তৃত্ববাদের প্রতিষ্টা করা হচ্ছে |

নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত হওয়ার পরে রাপলার-এর এক সরাসরি সংবাদ - সম্প্রচারে মারিয়া রেসা বলেছেন ----- "আমি অত্যন্ত তাড়না ও আঘাতের সঙ্গে সংগ্রাম করছিলাম | তবে এই স্বীকৃতি প্রমান করে দিল যে তথ্যনিষ্ঠাকে বাদ দিয়ে কিছুই করা সম্ভব নয় |....... যে পৃথিবীতে তথ্যনিষ্ঠ নেই, সেই পৃথিবীতে সত্য নেই, বিশ্বাস ও ভরসা বলে কিছু নেই |" রাপলার তার এক সংবাদ প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে ------ "আমাদের প্রধার কর্মকর্তা এই নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার ফলে আমরা সামগ্রিকভাবে নিজেদের অত্যন্ত সম্মানিত ও অভিভূত বোধ করছি | এই পুরস্কার লাভের পক্ষে এর চেয়ে ভাল সময় আর হয়না, কারণ আমরা এমন এক সময়য়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি যখন সাংবাদিকদের এবং সত্যনিষ্ঠাকে চতুর্দিক দিয়ে আক্রমণ করা হচ্ছে ও ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে |"

নির্ভীক সাংবাদিকতার আলো আরেকজন ছড়িয়েছেন রাশিয়ায় | তিনি দিমিত্রি মুরাতভ | তিনি রাশিয়ার এক স্বাধীন সংবাদপত্র 'নোভায়া গাজেত্তা' -র যৌথ প্রতিষ্ঠাতা তথা সম্পাদক | ক্রমবর্ধমান ত্রাসের মুখে দাঁড়িয়ে তিনি রাশিয়ায় মানুষের বাকস্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন কয়েক দশক ধরে | এই সংগ্রাম চালাতে গিয়ে তিনি অনেক সহকারীকে অকালে হারিয়েছেন | 'কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস' - নামক এক রাশিয়ান সংগঠনের বয়ান থেকে জানা যায় যে সেই সব সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকদের খুন করা হয়েছে |

দিমিত্রি মুরাতভ ১৯৯৩ সালে 'নোভায়া গাজেত্তার' প্রতিষ্ঠা করেন এবং শুরু থেকেই সংবাদপত্রটির সম্পাদনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন | রাশিয়ায় অল্প কয়েকটি অবশিষ্ট সংবাদপত্রের মধ্যে নোভায়া গাজেত্তা একটি, যেটি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তার সহযোগী ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীর অপশাসনের তীব্র সমালোচনা করে যাচ্ছে | প্রতি সপ্তাহে সংবাদপত্রটির তিনটি সংখ্যা প্রকাশিত হয় | ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রটি লাগাতার তথ্যনিষ্ঠ অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে | সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতাদর্পী শাসক গোষ্ঠীর দ্বারা যে সমস্ত মানুষ অত্যাচারিত হচ্ছে, তাদের কোথাও তুলে ধরছে | চেচনিয়াতে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও প্রতিবাদী কণ্ঠরোধের কথা প্রকাশ করার জন্য সংবাদপত্রটিকে চূড়ান্ত রকমের হুমকি ও হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছে | বিগত আগস্ট মাসেই দিমিত্রি মুরাতভ আন্দাজ করেছিলেন যে তাঁর সংবাদপত্রের ওপর আরও ভয়ঙ্কর চাপ আসতে চলেছে | তবু তিনি নিরাশ হননি এবং বলেছেন যে ------- "প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে কখনও হত্যা করা সম্ভব নয় |"

এই সত্যনিষ্ঠ ও নির্ভিক সাংবাদিকতার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটি তাঁকে এই ২০২১ সালে পুরস্কৃত করলেন | তবে স্বাথী হারানোর বেদনা তাঁর যাবেনা | তাঁর সংবাদপত্রের যে ৬জন সাংবাদিক খুন হয়েছিলেন তাদের অন্যতমা ছিলেন আনা পলিটসকোভস্কায়া | এবার তাঁর মৃত্যুর পঞ্চদশ বর্ষ পূর্ণ হল | সেই বর্ষপূর্তির ঠিক একদিন পরেই নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির দেওয়া স্বীকৃতির সংবাদ পেলেন দিমিত্রি মুরাতভ | পুরস্কার প্রাপ্তির পর একটি জনপ্রিয় টেলিগ্রাম চ্যানেল 'পডিয়ম' -কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুরাতভ বলেছেন ------- "আমি তো হাসছি | আমি এই পুরস্কার একেবারেই আশা করিনি | এখন এখানে এই নিয়ে পাগলামি হচ্ছে |" তিনি আরও বলেন ------ "রাশিয়ায় সাংবাদিকতার ওপর যে দমন - পীড়ন চলছে, এই পুরস্কার তার এক প্রতিদান |"

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কোভ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন যে ------ "তিনি তাঁর আদর্শ রক্ষার সংগ্রাম নিষ্ঠার সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছেন | তিনি প্রতিভাবান ও সাহসী |"

তবে রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে যে অভিনন্দন বার্তা দেওয়া হয়েছে সেটি নিশ্চই চোয়াল শক্ত করে রাখা মুখ থেকে নির্গত হয়েছে ------ এমনটাই ধারণা করেন মুরাতভ | রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স নাম একটি সংস্থা আছে যারা রাশিয়ায় সংবাদমাধ্যমের স্বধীনতার জন্য লড়াই করে | তাদের মতে রাশিয়ার পরিস্থিতি এখন অন্যন্ত দমনমূলক | এই স্বীকৃতি লাভের পরেও স্বাধীন ভাবে সংবাদমাধ্যমের কাজ করা এখন চূড়ান্ত অনিশ্চয়তায় আচ্ছন্ন |

এই দুই মহান সাংবাদিকদের নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটি সম্মানিত করে বলেছেন ------"এনারা হলেন সেই সমস্ত সাংবাদিকদের প্রতিনিধি, যারা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম চালিয়ে যান মেরুদন্ড সোজা রেখে |"

নোবেল কমিটির কাছে বিচার বিবেচনার জন্য ৩২৯ জন সাংবাদিকের কার্য্যবিবরণী পেশ করা হয়েছিল তাদের মধ্যে থেকে মারিয়া রেসা এবং দিমিত্রি মুরাতভের কার্য্যবিবরণী নোবেল পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয় | অশ্ল শহরের নরওয়ে নোবেল ইনস্টিটিউট -এর তরফ থেকে ২০২১ সালের জন্য এই পুরস্কার যৌথভাবে ওই দুই সাংবাদিকের জন্য ঘোষিত হয় | আন্তর্জাতিকভাবে চূড়ান্ত সম্মানের এই পুরস্কারের অর্থমূল্য হল ১০ মিলিয়ান সুইডিশ ক্রোনা যা ৮,৩৬০০০ পাউন্ডের সমতুল্য বা ১.১ মিলিয়ন ডলারের সমতুল্য |

নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটি তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ------"মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে জাতিতে জাতিতে সৌভাতৃত্ব গড়ে তোলার কাজকে সাফল্য মন্নিত করা কঠিন হবে | কঠিন হবে দেশে দেশে নিরস্ত্রীকরণের কাজ এবং পৃথিবীতে শান্তি, প্রগতি ও লোককল্যাণের বাতাবরণ সৃষ্টি করার কাজ সফল ভাবে চালিয়ে যাওয়া |"

লিখেছেন
Anasuya Sen
Anasuya Sen
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।