কত সিবগাতুল্লার মৃত্যু হলে বাঙালির রামনবমী পালন পূর্ণতা পাবে?

Ram Navami 2025: কেন মমতা বললেন, তাঁদের দলের পক্ষ থেকেও রামনবমী পালন করা হবে এবং ওইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে? কে বা কারা এই নরম হিন্দুত্বের মন্ত্র তাঁর কানে ঢেলেছিল?

suman sengupta
৬ মিনিট
কত সিবগাতুল্লার মৃত্যু হলে বাঙালির রামনবমী পালন পূর্ণতা পাবে?

রামনবমী নিয়ে এখন সাধারণ বাঙালির অভিব্যক্তি ভয়ের, অস্বীকার করে উপায় নেই। সাধারণ বাঙালির মধ্যে আছেন হিন্দুরা, মুসলমানরাও। সকলেই আতঙ্কে। সবার কাছে এটুকু পরিষ্কার যে, এবছর রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা আবার ধর্মীয় উন্মাদনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। এর কারণ সামনের বছর এই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। গতবছর এই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়, বিক্ষিপ্ত গণ্ডগোল হয়েছিল রামনবমীকে কেন্দ্র করে। ২০২৩ সালেও হয়েছিল। প্রতি বছরই রামের জন্মকে কেন্দ্র করে হিন্দুত্ববাদী শক্তির এই আস্ফালন শঙ্কিত করছে সাধারণ বাঙালিকে, যারা রাম বলতে বুঝতেন কৃত্তিবাসী রামায়ণের চরিত্রকে। এই বাঙালির কাছে অন্য অনেক দেবতার অস্তিত্ব থাকলেও রামের এমন আধিপত্য ছিল না। অকালবোধনের সময়ে শরৎকালে, রামের দুর্গাপুজোর কথা শোনা যেত এতদিন কিন্তু রামের জন্মদিন পালন নিয়ে এই উন্মাদনা বাঙালি আগে দেখেনি, যা গত কয়েকবছরে দেখছে।

৮০-র দশক থেকে বাবরি মসজিদের স্থানে, ‘মন্দির ওঁহি বানায়েঙ্গে’ দিয়ে যাঁদের উত্থান, তারা ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরে রামের জন্মদিন ঘটা করে পালন করবেন সেটাই স্বাভাবিক। এই রাজ্যেও এবছর বিশাল আকারে তা পালিত হওয়ার যথেষ্ট আভাস পাওয়া গেছে। রাজ্যজুড়ে ‘রামনবমী পালন করুন’ পোস্টার পড়েছে। শ্রীরামচন্দ্রের তির-ধনুক হাতে ছবির পাশেই নরেন্দ্র মোদি, তাঁর পাশেই শুভেন্দু অধিকারী। কোনও রাজনৈতিক দল কি ভারতে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে বলতে পারে? ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে অযোধ্যায় রামমন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান নিশ্চিত কেউ ভুলে যাননি। ১৮০০ কোটি টাকা খরচ করে, কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী— ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করে, চোখ-ধাঁধানো তারকা সমাবেশে যে মন্দিরের প্রতিষ্ঠা, তাতে বাঙালির ঘরে ঘরে ভক্তির যে গণউন্মাদনা দেখা গিয়েছিল, তা নিশ্চিত কেউ ভুলে যাননি। দলে দলে মানুষজন সেই সময়ে রামমন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন, পাড়ায় পাড়ায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এমন বিনিয়োগ থেকে ভোটে ২০২৪ সালে সেইরকম সুবিধা না পাওয়া গেলেও, এবারের রামনবমীকে ধরে আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে বাংলায় লভ্যাংশ তোলার জন্যেই যে এত আয়োজন তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

২০১৬ সাল থেকেই বাংলায় রামনবমীর তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। সঙ্ঘ পরিবারের নেতৃত্বে বজরং দল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চ সেই দায়িত্ব তুলে নিয়েছিল নিজেদের কাঁধে। কর্মযজ্ঞ কীভাবে হবে, কারা অংশ নেবেন রামনবমীর মিছিলে— সবটাই ঠিক করেছিল সঙ্ঘ পরিবার। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে দিলীপ ঘোষ সহ বেশ কিছু নেতারা বলে দিয়েছিলেন, সেবার রামনবমী পালিত হবে চোখ ধাঁধানো উপায়ে। সত্যিই, মাথায় গৈরিক ফেট্টি বাঁধা মূলত হিন্দিভাষী অবাঙালি ভক্তবাহিনীর ধুন্ধুমার সে বার বিস্মিত করেছিল রাজ্যবাসীকে। সঙ্গে ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রামনবমী পালনে বাধাদানের অভিযোগ। হিন্দু হয়ে তিনি কী করে রামনবমীর মতো একটি অনুষ্ঠান তিনি বন্ধ করছেন এই প্রশ্নে হিন্দুদের আক্রমণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যমে

চূড়ান্ত আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি সেই আক্রমণে মদত দিয়েছিল। সঙ্গে অবশ্যই ছিল, সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ। আরএসএসের হিন্দুত্বের কার্যক্রম যদিও এই রাজ্যে বহু পুরনো এবং বজরং দল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সহ সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই সংগঠনগুলোও নতুন নয়। তবুও যতদিন এই রাজ্যে বিজেপি ভোটে সম্মানজনক ভোট পায়নি ততদিন এইভাবে মহাড়ম্বরে রামনবমী পালিত হয়নি।

২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপির সরকার আসা এবং পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী হিসেবে বিজেপির ভোট এবং সম্মানবৃদ্ধি (২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ১০ শতাংশ ভোট, যা ২০১১-র থেকে ৫ শতাংশ বেশি) এবং জাতীয় নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিরাট শক্তিবৃদ্ধির (২০১৯ সালে চমকে দেওয়া ৪০ শতাংশ ভোট এবং ১৮জন সাংসদ নির্বাচিত হওয়া) সঙ্গে অনায়াসে পাশাপাশি বসানো যায় রামনবমী উদযাপনের অস্ত্র ঝনঝনানি এবং ডিজে বক্সের হিন্দি গানের আওয়াজের ঊর্ধ্বমুখী শব্দকে। ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ এবং তার পর ২০২৩, ২০২৪— বছরগুলিতে আমরা দেখেছি অস্ত্রধারী অবাঙালি রামভক্তদের ভয়ঙ্কর তাণ্ডব, সংখ্যালঘু অঞ্চলে দাঙ্গা পরিস্থিতি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাউরি, কোড়া, সাঁওতালদের মধ্যেও উগ্র হিন্দুত্ব কীভাবে জাগাচ্ছে বিজেপি?

BJP and Adivasi Vote : আদিবাসীগ্রামগুলিতে পদবিতে রুইদাস অথচ ধর্মে খ্রিস্টান বা বাউরি অথচ ধর্মে খ্রিস্টান এই সংখ্যা কম নয়।

এইরকমেরই একটি দাঙ্গায় মারা গিয়েছিলেন, আসানসোলের ইমাম ইমদাদুল রশিদির সন্তান সিবগাতুল্লা, সেই কথা আমরা নিশ্চিত ভুলে যাইনি। সেই আসানসোলের বিজেপির হয়ে জেতা সাংসদের তৃণমূলে ফিরে এসে মন্ত্রী হয়ে যাওয়াও আমরা ভুলে যাইনি। তারপরে সেই আসানসোলেই আরেক অবাঙালিকে তৃণমূলের সাংসদ করার কথাও আমাদের মনে আছে। প্রাথমিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা রামনবমী নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন, তাতে যদি স্থির থাকা যেত, তাহলে বোধহয় রামনবমীর এই আস্ফালনকে প্রশাসনিকভাবে আটকানো যেত। মমতা বলেছিলেন, বাঙালিরা কোনওদিন রামনবমী উদযাপন করেনি। বাঙালির ঘরের পুজো ছিল অন্নপূর্ণা পুজো, বাসন্তী পুজো— তাও তা

সার্বজনীন নয়। কিন্তু সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন মমতা বললেন, তাঁদের দলের পক্ষ থেকেও রামনবমী পালন করা হবে এবং ওইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হবে? কে বা কারা এই নরম হিন্দুত্বের মন্ত্র তাঁর কানে ঢেলেছিল? এর নেপথ্যেও কি সঙ্ঘ পরিবারের পরোক্ষ মদত ছিল? যেদিন থেকে বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদ এবং রামনবমী পালন আমাদের রাজ্য সরকারি মদত পেল, সেদিন থেকেই ভুলের সূত্রপাত এবং সেই ভুলের খেসারত সারা বাংলার মানুষকে দিতে হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে। শুধু রামনবমী কেন, হনুমান জয়ন্তী এবং গণেশপুজোর বাড়াবাড়িও সরকারের বদান্যতাতেই বেড়েছে। আরও কত সিবগাতুল্লার প্রাণ আগামীতে এই কারণে যেতে পারে, তা স্বয়ং রামচন্দ্রেরও অজানা!

এবারের বাংলা যে রামনবমীকে কেন্দ্র করে উত্তাল হবে তা বলাই বাহুল্য। কয়েকমাস আগেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বাংলায় দশদিন কাটিয়ে গেছেন। উলুবেড়িয়াতে বিজেপি এবং আরএসএস তাদের সমন্বয় বৈঠক করেছে। মিডিয়া, ইউটিউবারদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। এবারের রামনবমীকে ঘিরে কী কী প্রচার করা হবে, তার পরিকল্পনা হয়েছে। বহু দশক ধরেই বাংলায় জনসংখ্যার চরিত্রের বদল ঘটেছে। গত দশ বছরে সারা দেশ জুড়েই উগ্র হিন্দুত্বের প্রচার বেড়েছে। তাতে বাংলায় এই সংস্কৃতি প্রবেশ না করলেই অবাক হতে হতো অবশ্য।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিন্দু-মুসলিম, শ্মশান-কবর, রামমন্দিরেই আটকে গেল ভারতবর্ষ

Prime Minister Modi: মোদি বলেছিলেন, ‘না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা'। তিনি জোর গলায় ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে বললেন, তাতে কি দেশে ভ্রষ্টাচার কমে গেল?

২০১৮ পরবর্তীতে বেশ কিছু মানুষ রামনবমী সংক্রান্ত হিংসার খোঁজখবর নিয়ে, আক্রান্ত মানুষদের সঙ্গে কথা বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন যে, কী প্রক্রিয়ায় রামনবমীকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত করা জয়েছে মানুষকে। রামনবমীর আগে থেকেই উস্কানিমূলক মন্তব্য শুরু হয় রাজনৈতিক নেতাদের তরফে। যত রামনবমী এগোতে থাকে, বাড়তে থাকে উস্কানি। তারপর রামনবমীর দিন মিছিল বের করা হয়, ডিজে বাজানো হয় তারস্বরে। এই উদযাপনের কেন্দ্র হয়ে থাকে পথপ্রান্তে বিভিন্ন মসজিদ। একটু খতিয়ে দেখলেই জানা যাবে, যাঁরা এই হিংসায় জড়ান মূলত অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত শ্রেণি, বেকার হিন্দিভাষী ও বাঙালি যুবক, যাদের জন্য কোনও সরকারই কিছু করেনি। পার্শ্ববর্তী রাজ্য থেকেও বেশ কিছু যুবককে আনা হয়। মহিলাদের উপস্থিতি থাকে নগণ্য। প্রতিবেদন বলছে, সেই মিছিলের মধ্যে থেকেই কেউ বা কারা মিছিলেরই যুবকদের উদ্দেশ্যে পাথর ছোড়ে। দাবি করা হয়, মসজিদ থেকে ঢিল এসেছে কিন্তু প্রতিবেদনের অনুসন্ধানকারীরা তেমন প্রবণতার কথা জানতে পারেননি। এরপরই হিংসা, যাতে মূলত গরিব মানুষের ঘরই ভাঙচুর হয়, আগুন জ্বলে, মানুষ মারা যায়।

সচেতন হলে, সাবধান হলে, প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে হিন্দু-মুসলমান যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে, এই পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া যায়। নরম হিন্দুত্ব দিয়ে উগ্র হিন্দুত্ব রোখার কৌশল কাজ করে না, মনে রাখতে হবে। প্রশাসনের একটা অংশে আরএসএস-বিজেপির প্রভাব বেড়েছে, অন্যদিকে বেকারত্ব বেড়েছে। সেই কারণেই রামনবমী পালনের হুজুগও বেড়েছে। এবার বাংলার প্রশাসন বলেছে, রামনবমীর মিছিল আইন বহির্ভূত কাজ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজেপির শরণে থাকা মিডিয়াতে সরকারকে হিন্দুবিরোধী বলে দাগিয়ে দেওয়ার কাজও চলবে সমানভাবে।

সাধারণ বাঙালির আরাধ্য দেবতার তালিকায় দুর্গা থেকে ষষ্ঠী, শীতলা থেকে মনসার বৈচিত্র্যময় উপস্থিতি, উত্তরভারতে শুধুই রাম প্রধান। যে রামকে সাধারণ বাঙালি চিনত, তার মধ্যে পৌরুষের আস্ফালন নেই, আছে কোমলতা। রাগী হনুমানের যে ছবি ইদানীং দেখা যাচ্ছে, তাও সাধারণ বাঙালি আগে দেখেনি। আসলে বিজেপি এবং সঙ্ঘ পরিবারের দৌলতে হিন্দুধর্মের বৈচিত্র্যই আজ প্রশ্নের মুখে। আসলে, দেশভাগের কারণে সাধারণ বাঙালির মধ্যে এমনিতেই একটা সুপ্ত সাম্প্রদায়িকতা আছে, সেই আগুনে ঘৃতাহুতি পড়েছে রামনবমীর দৌলতে। হিন্দুধর্মের আধিপত্যের এই চেহারা শুধু হিন্দুধর্মের বৈচিত্র্যে সংকট নয়, বাঙালির সত্তা বদলেরও সংকট, বাঙালির সংস্কৃতি বদলেরও ভাষ্য। বাঙালিদের একটা অংশ মানসিকভাবে এখনও ঔপনিবেশিক, একটা সময়ে তাদের আদর্শ ছিল ইংরেজরা। এখন সেই অংশই খুব দ্রুত 'ভারতীয়' হয়ে উঠতে চাইছেন বলেই কি নিজস্ব কৃষ্টি, সংস্কৃতিকে বর্জন করে উত্তর ভারতের রামকে আপন করে নিতে চাইছে?

১৯৭৮ সালে, একটি নব্য-নাৎসি গোষ্ঠী শিকাগোর শহরতলির স্কোকিতে ইহুদি-প্রধান এলাকা দিয়ে মিছিল করার চেষ্টা করে। তাদের হাতে ছিল "আমরা আসছি" লেখা প্ল্যাকার্ড এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের অধ্যুষিত এলাকায় স্বস্তিক চিহ্ন উত্তোলন। মিছিলটি শেষ পর্যন্ত সেই শহরতলিতে হয়নি, শিকাগোতে হয়েছিল। তবে এই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেয়, সংবেদনশীল এলাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে পরিচালিত এই ধরনের উস্কানিমূলক মিছিল ২০১৭ সালের আবিষ্কার নয়; এগুলি ঘৃণার এক পুরনো বিশ্বব্যাপী খেলার বইয়ের অংশ, যার অংশ এখন আমাদের দেশ এবং রাজ্য।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।