নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলনের পরও যেসব প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে

Election Commission: অভিযোগ উঠেছিল, এসআইআর, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (National Register of Citizens) চালু করার প্রথম ধাপ। নির্বাচন কমিশন এই নিয়েও কিছুই বলেনি।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলনের পরও যেসব প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে

১৭ অগাস্ট নির্বাচন কমিশন যখন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে হলফনামা পেশ করার দাবি করছে তখনও রাহুল গান্ধী বিহারে কমিশনের বিরুদ্ধে 'ভোট চুরি'র অভিযোগ তুলছিলেন। ‘ভোট চুরি’ বিতর্কে নাম না-করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তাঁর দাবির সপক্ষে এক সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। অন্যথায় ক্ষমা চাইতে হবে রাহুলকে। এ ছাড়া তৃতীয় কোনো পথ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই দিন (১৭ অগাস্ট) দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠকে করে এমনটাই জানিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলনের পরও কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ৭ অগাস্ট 'ভোট চুরি'র নিয়ে যা যা অভিযোগ তুলেছিলেন, তার একটারও সদুত্তর মিলল না নির্বাচন কমিশনের সাংবাদিক সম্মেলনে, এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। তাঁদের দাবি, কমিশন এমন কোনো উত্তর দেয়নি যা থেকে বোঝা যাবে রাহুল গান্ধী যা অভিযোগ তুলেছেন তা ভুল।

রাহুল তথ্য দিয়ে বলেছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটচুরি হয়েছিল বেঙ্গালুরুর বিধানসভা কেন্দ্র মহাদেবপুরায়। বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রালের অধীনে এই বিধানসভা কেন্দ্র। তিনি বলেছিলেন, মূলত ফর্ম ৬ ব্যবহার করে জাল ছবি, জাল ঠিকানা দিয়ে নতুন ভোটাদের নাম তালিকায় যোগ করা হয়। এই ফর্ম ১৮-২৫ বছর বয়সী ভোটারদের জন্য। শুধুমাত্র জন্ম শংসাপত্রে নিজের সই থাকলেই এই ফর্ম ভরা যায়। কিন্তু দেখা গিয়েছে, মহাদেবপুরের ৩২,৭০৭ নতুন ভোটারদের বেশির ভাগেরই বয়স ৯৭-৯৮। এই দিন মহাদেবপুরা নিয়ে কোনো মন্তব্যই করেনি ইলেকশন কমিশন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাহুল গান্ধী, ক্রমেই ভরসাযোগ্য হয়ে উঠছেন যেভাবে

Rahul Gandhi : যত রাহুল গান্ধীর প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়ছে, তত শাসকদল আরও হিংস্র হয়ে উঠছে। বিজেপি-র নেতারা হয়তো বুঝতে পারছেন যে তাঁদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে।

কমিশন বলেছে এক-দুটো ভুলের তদন্ত ডিএম করে নেয়, কিন্তু দেড় লক্ষ ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর প্রমাণ দিতে হবে রাহুল গান্ধীকেই। কমিশনের দাবি, ওই দেড় লক্ষ ভোটারকে ডিএম এর অফিসে ডাকা সম্ভব নয়। প্রশ্ন উঠছে, কেন এই তদন্ত ডিএম করতে পারবেন না? কেন বিএলও বা এসডিএম এর টিম ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য যাচাই করতে পারবেন না? নির্বাচন কমিশন বলেছিল, এসআইআর (SIR) ভোটার লিস্টকে ঝাড়াই-বাছাই করে 'সন্দেহমুক্ত' করবে। এর জন্য কমিশন ১ মাসে বিহারের ৮ কোটি ভোটারের ঘরে যাওয়ার দাবি করেছিল। প্রশ্ন হল, তাহলে কেন এখন দেড় লক্ষ ভোটারের বাড়ি যাওয়া সম্ভব নয়?

নির্বাচন কমিশন বারবার দাবি করেছে রাহুল গান্ধীকে হলফনামা দিতে হবে অন্যথায় ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর ৫ কেন্দ্রের ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন। তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার নিয়ে অনুরাগের দাবি, গত চার বছরে ডায়মন্ড হারবারের ৩০১টি বুথে ১৫ শতাংশ ভোটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নিয়ে অনুরাগ ঠাকুর যা চাইছেন তা-ও করতে পারছেন। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এবার বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করবে নির্বাচন কমিশন?

কমিশনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন নির্বাচনের মাত্র কিছু মাস আগে এসআইআর-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? তাছাড়া এমনিতেই এই সময় রাজ্যটি বন্যার ঝুঁকিতে থাকে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২০০৩ সালেও জুলাই থেকে অগাস্টেই এই প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল। কিন্তু কেন এত কম সময়ে এসআইআর-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন কিছু জানায়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মানুষের মধ্যে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়াই ইলেকশন কমিশনের কাজ?

Election Commission of India : সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে আধার কার্ডকেই প্রামাণ্য বলে ধরতে হবে। এই সুবিচার যদি নির্বাচন কমিশন মানেন তো মঙ্গল।

আবার নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে হঠাৎই বিহারের ভোটার তালিকার চরিত্র বদলে যেতে দেখা গেল। নিবিড় সংশোধনের প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পর ১ অগাস্ট কমিশন ‘মেশিন রিডেবল’ তালিকা প্রকাশ করেছিল, এই ফাইলটি কম্পিউটারের মাধ্যমে সার্চ করা সম্ভব ছিল। মেশিন রিডেবল তালিকা থেকে কোনো তথ্য এবং তথ্যের অসঙ্গতি খুঁজে বের করা সহজ। কিন্তু দেখা গেল কিছু দিনের মধ্যেই তালিকার ধরণ বদলে গেল। মেশিন রিডেবল ফরম্যাট সরিয়ে শুধু ছবি দিয়েছে কমিশন। এর ফলে তালিকার ছবি আর সরাসরি কম্পিউটারের মাধ্যমে সার্চ করা যাবে না। এই ঘটনার কিছু দিনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন আদালতকে জানায়, বিহারে নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কার নাম এবং কেন বাদ পড়ল, তা যে জানাতেই হবে এমন কোনো আইন নেই। এই সব কিছুর পর বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, কর্নাটকের পরে বিহারের তালিকা নিয়েও যাতে এমন নিখুঁত তথ্য যাচাই না করা যায়, তা এড়াতেই কমিশন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ৭ অগাস্টের তাদের সাংবাদিক সম্মেলনে মেশিন রিডেবল ফরমেট সরানো নিয়েও কোনো সদুত্তর দেয়নি। অভিযোগ উঠেছিল, এসআইআর, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (National Register of Citizens) চালু করার প্রথম ধাপ। নির্বাচন কমিশন এই নিয়েও কিছুই বলেনি।

সম্প্রতি দেখা গেল, নির্বাচন কমিশন যাঁদের মৃতের তালিকায় রেখেছে, তাঁরা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে চা খেলেন। ১৪ অগাস্ট এমন সাত জন ভোটারের সঙ্গে দেখা করে, চা খেয়েছিলেন রাহুল। জানা গিয়েছে, ওই সাত জন ব্যক্তি আসলে তেজস্বী যাদবের বিধানসভা কেন্দ্র রাঘোপুরের বাসিন্দা। একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এমন ৫০ জনের নাম মৃত দাবি করে খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

'রিপোর্টারস কালেকটিভ'-এর আয়ুষী কর এবং বিষ্ণু নারায়ণ বিহারের তিনটি বিধানসভা আসনে সমীক্ষা করেছেন। সেই সমীক্ষাতেও উঠে এসেছে, একটি বাড়িতে ৫০৯ জন পর্যন্ত ভোটারের নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে বিপুল সংখ্যক 'ভোটার' যুক্ত বাড়িগুলির কোনো অস্তিত্বই নেই। তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৮০ হাজার সন্দেহজনক ভোটার পাওয়া গিয়েছে। যা মোট ভোটারের প্রায় ৮ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এমন একের পর এক অভিযোগ উঠলেও তারা সবটাই এড়িয়ে গেল। একটিরও সদুত্তর মিলল না। প্রশ্ন উঠছে, বিরোধীদের সংশয়ই কি তবে সত্য?

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।