‘কই আপনার কার্ড দেখি?’ ভয় ছড়ানোর নতুন মুখ বাংলার সংবাদমাধ্যম?

SIR in Bengal: 'একের পর বস্তিতে অনুপ্রবেশকারী! কবে বুলডোজার চলবে?'— এই শিরোনামে প্রাইম টাইম শো করা হচ্ছে। এই ধরনের সংবাদ পরিবেশন সাধারণ মানুষের মনে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

inscript
৪ মিনিট
‘কই আপনার কার্ড দেখি?’ ভয় ছড়ানোর নতুন মুখ বাংলার সংবাদমাধ্যম?

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর (Special Intensive Revision) চালু হতেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ের আবহ তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো পুরনো তথ্য সংশোধন করা, মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটারদের যুক্ত করা। কিন্তু বাস্তবে এই প্রক্রিয়াকেই ঘিরে এখন রাজ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র ভয়ের পরিবেশ। তবে প্রশ্ন উঠছে, এই ভয়টা কি স্রেফ নথি থাকা না থাকা? নাকি ভয় ধরাচ্ছে, ভয় ছড়াচ্ছে বাংলার সংবাদমাধ্যম?

রাস্তাঘাটে, বাজারে, দোকানে— হঠাৎ কেউ বুম হাতে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করছে, “কই আপনার কার্ড দেখি?” এই এক বাক্যেই তৈরি হচ্ছে আতঙ্ক। ভোটার তালিকা সংশোধনের আড়ালে এখন ভয় ছড়াচ্ছে কিছু সংবাদমাধ্যম। শুধু তাই নয়, গত কয়েক সপ্তাহে টিভি ডিবেট, ওয়েব নিউজ ও সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশে এমন সব শিরোনাম ছড়িয়েছে—

•“নাম মুছে দিচ্ছে কমিশন!”,

•“কার্ড নেই মানে দেশছাড়া!”,

•“বাংলাদেশিদের খোঁজে অভিযান শুরু”

শুধু তাই নয়, 'একের পর বস্তিতে অনুপ্রবেশকারী! কবে বুলডোজার চলবে?'— এই শিরোনামে প্রাইম টাইম শো করা হচ্ছে। এই ধরনের সংবাদ পরিবেশন সাধারণ মানুষের মনে অস্থিরতা তৈরি করেছে। অনেক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, যথাযথ তথ্য যাচাই না করেই নাটকীয় শিরোনাম ও চমকপ্রদ শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে। এক কথায় বললে চরম দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিচ্ছে বাংলার সংবাদমাধ্যম।

সম্প্রতি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে, মূলত রাজারহাট ও নিউ টাউনের কিছু এলাকার তালা ঝোলানো বাড়ির দৃশ্য দেখিয়ে দাবি করা হচ্ছে— “বাংলাদেশিরা ভয়ে ঘর ছেড়ে পালাচ্ছে”। কিন্তু বাস্তবেই কি তাই? হতেই পারে যেসব বাড়িতে তালা দেখা যাচ্ছে, সেগুলির মালিক বা ভাড়াটেরা অনেকে কাজের সূত্রে অন্যত্র গিয়েছেন বা বহুদিন ধরেই সেখানে থাকেন না বা সেই মুহূর্তেই ঘরে নেই। ফলে যেসব দৃশ্য ‘পালিয়ে যাওয়া’র প্রমাণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, সেগুলির পেছনের প্রেক্ষাপট যাচাই না করেই প্রচার করা হচ্ছে, আর তাতেই বাড়ছে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক।

শিরোনাম করা হচ্ছে—

•'অনুপ্রবেশকারীদের ঘাঁটি'

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসআইআর: ভোটের আগে 'ব্র‍্যান্ড মমতা'র হাতে চাঁদ?

Mamata Banerjee and the SIR Issue: একদম তৃণমূল স্তরে বার্তা দেওয়ার, সংগঠিত করার সুযোগ পাচ্ছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। একসময় মমতা বন্দোপাধ্যায়ই ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মুখ— 'দিদি মানে প্রতিবাদের প্রতীক।'

•'রাজারহাটে গিজগিজ করছে অনুপ্রবেশকারীরা!'

•'(সংবাদমাধ্যমের নাম) একের পর এক অন্তর্তদন্ত'

•'সল্টলেকে বাংলাদেশি ডেরা'

•'অন্তর্তদন্তে পর্দাফাস'

বীরভূম, মালদহ বা নদিয়ার মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে মানুষের উদ্বেগ বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে আসছে। বৃদ্ধ মানুষ থেকে শুরু করে যুবক-যুবতীরা পর্যন্ত ভোটার তালিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনাও শিরোনাম হয়েছে। রাজনৈতিক দলের স্বার্থ চরিতার্থ করতে বাজারে নামা সংবাদমাধ্যমের একাংশ এই পরিস্থিতি ভয়ের মাত্রা যেন আরও বাড়িয়ে দিতে চাইছে। ফিল্ড ওয়ার্কে গিয়ে রিপোর্টার সাধারণ মানুষকে প্রশ্ন করে বসছে— “কই আপনার কার্ড দেখি?” প্রশ্ন হলো এর নাম কি রিপোটিং? রিপোটার কি আদৌ কারও নথি দেখতে চাইতে পারে?

সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্য এসআইআর বিতর্ক ও মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি ইনস্ক্রিপ্ট-কে জানান,

“বাংলার মানুষ এই গোদি মিডিয়া, বাজারি মিডিয়া এবং মেরুকরণ করতে চাওয়া বিজেপি-কে ২০২৬ সালের নির্বাচনে উপযুক্ত শিক্ষা দেবে। শুভেন্দু অধিকারীদের এখনই পালানোর জায়গা ঠিক করে রাখা উচিত, কারণ সেই সময় হেলিকপ্টারে করেও পালানো যাবে না। হাসিনা যেমন একসময় দিল্লি এসেছিলেন, তেমন সুযোগও এরা পাবেন না।”

তিনি আরও বলেন,

“এই গোদি মিডিয়া আর গেরুয়া শিবিরের নেতারা এসআইআর-এর নামে ভয় ছড়াচ্ছেন, গরিব ও প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছেন। প্রশ্ন হলো— এই মিডিয়া কি এখন তদন্ত সংস্থা? তারা কি নাগরিকদের বাবা-মায়ের কাগজ দেখতে চাওয়ার অধিকার রাখে?"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসআইআর বিরোধী আন্দোলন কি তৃণমূলকে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে?

Mamata Banerjee Leads Massive Rally Against SIR: তাঁর ব্যাখ্যা, “বিজেপির অন্যতম ভিত্তি মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক, এখন এসআইআর প্রক্রিয়ার চাপের মুখে। ভোটার তালিকা নিয়ে যত বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, মানুষের তত অসন্তোষ বাড়ছে।”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন,

“নরেন্দ্র মোদি কি নিজের বাবা-মায়ের কাগজ দেখিয়েছেন? নিশীথ প্রামাণিক কি দেখিয়েছেন?”

সুমন ভট্টাচার্যের দাবি,

“কোন চ্যানেলের মালিক কার কাছ থেকে টাকা নেয়, কোন ইউটিউব প্ল্যাটফর্ম কার স্বার্থে কাজ করে— বাংলার মানুষ সব জানে। সময় এলে তারাই জবাব দেবে।”

তিনি শেষে নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে সম্প্রতি জয়ী হওয়া জোহরন মানদানির-র উদাহরণ টেনে বলেন,

“যেমন মামদানি বলেছেন— মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের দেশ, তেমনই ভারতও সংবিধান অনুযায়ী সব ধর্ম, সব মানুষের দেশ— হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সকলের।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,

“‘গোদি মিডিয়া’ বলতে যাদের বোঝানো হয়, তাঁরা আসলে সাংবাদিকতার কাজ করেন না। তাঁরা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার চালান। এসআইআর আসলে ঘুরপথে এনআরসি, আর এটা কার রাজনৈতিক প্রকল্প— তা আমরা সবাই জানি। যাঁরা নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন কিন্তু আসলে রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচার চালান, তাঁদের কাজকে সাংবাদিকতা বলা যায় না। এ কথা তাঁরা যেমন জানেন, আমরাও তেমন জানি।”

তিনি আরও বলেন,

“বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাধারণ মানুষের কাগজপত্র দেখতে চাওয়ার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, সেটি সাংবাদিকতার আওতায় পড়ে না। এভাবে ‘কার্ড দেখি’ বলা বা ভয় তৈরি করা তাঁদের এক্তিয়ারের বাইরে।”

অনির্বাণের কথায়,

“যারা ফিল্ডে গিয়ে সত্যিই রিপোর্টিং করছেন, তাঁরা হয়তো বাধ্য হচ্ছেন এই কাজ করতে। কিন্তু তাঁদের উচিত একটু রুখে দাঁড়ানো। না হলে, মানুষ যখন রুখে দাঁড়াবে, তখন আর পালানোর পথ থাকবে না।”

বাংলাপক্ষের সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় অবশ্য বিষয়টিকে বাঙালি বনাম বাংলাবিরোধী শক্তির লড়াই হিসেবেই দেখছেন। তাঁর কথায়,

"আজ থেকে কয়েক বছর আগেই আমরা দেখেছি, পশ্চিমবঙ্গের বাইরেও সাধারণ মানুষ বাঙালিদের কাছ থেকে কাগজ দেখতে চাইছেন। এখন সেই একই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যেও ঘটছে। বিষয়টি একেবারে স্পষ্ট— যদি বাংলার মানুষকে কাগজ দেখাতে হয়, তাহলে আমরাও জানতে চাইব, যারা বাংলায় থাকেন কিন্তু বাংলায় কথা বলেন না, তাঁদের কাগজ কোথায়?"

তিনি আরও বলেন,

"আইনের চোখে ‘সংবাদ মাধ্যম’ বলে কারও আলাদা অধিকার নেই। সাধারণ মানুষ কাগজ দেখতে চাইলে সাংবাদিকরাও দেখতে চাইতে পারেন আইন সবার জন্য সমান।"

উল্লেখ্য, এখন এসআইআর ঘিরে আতঙ্কের এই আবহে সবচেয়ে প্রয়োজন স্পষ্ট ও দায়িত্বশীল তথ্য প্রচার। বিশ্লেষকদের মতে, সংবাদমাধ্যমের কাজ হলো প্রশ্ন তোলা, ভয় বাড়ানো নয়। অন্যথায়, “কই আপনার কার্ড দেখি” বলার এই আস্ফালন কেবল ভয় নয়, গণতন্ত্রের প্রতি অবিশ্বাসও তৈরি করবে— যা শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যমের নিজের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবে।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।