এই গাড়ি চড়েই দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সুভাষচন্দ্রের

Car of Netaji Subhas: সুভাষচন্দ্র মত পরিবর্তন করেন এবং ১৭ জানুয়ারি, ১৯৪১ জার্মান ওয়ান্ডারার গাড়ি নিয়ে কলকাতা থেকে গোমা যান, সে এক অন্য ইতিহাস।

Tarun Goswami
৪ মিনিট
এই গাড়ি চড়েই দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সুভাষচন্দ্রের

আর ছ’বছর পরেই ওঁর জন্মশতবর্ষ। কিন্তু কে বলবে, উনি সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। যখন গর্জন করে ওঠেন, আর কলকাতার রাস্তা দিয়ে মাটি কামড়ে চলেন, তাঁর ঠাটবাটই আলাদা। গ্রিনিশ গ্রে রঙের আট সিলিন্ডারের স্টুডিবেকার বলে দেয়, তার আভিজাত্য আর মর্যাদার কথা। সারা পৃথিবীতে ১৯২৮ সালের স্টুডিবেকার প্রেসিডেন্ট এইট একটিই গাড়ি বেঁচে আছে আর সেটার বাসস্থান দক্ষিণ কলকাতার হরিশ মুখার্জি রোডে। সালটা ১৯২৮। কলকাতার ফ্রেঞ্চ মোটর কোম্পানি আমেরিকার স্টুডিবেকার কর্পোরেশনের দু'টি গাড়ি নিয়ে আসে প্রদর্শনীর জন্য। একটি গাড়ি স্টু...

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই

সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ

অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে

সাবস্ক্রাইব করুন
ইতিমধ্যে সাবস্ক্রাইবার? সাইন ইন করুন
লিখেছেন
Tarun Goswami
Tarun Goswami
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

হিটলার-ডিজনির প্রথম প্রেম! কলকাতার সবেধন নীলমণি এই ছায়াছবির গাড়ি

আর এখন বিটিল তৈরি হয় না। শূন্য দশক থেকে এই মডেলটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থেকে গেছে।

অ্যাম্বাসাডর চালানো শেখো, বাঙালি যুবকদের বলতেন বিধান রায়

যতই বি.এম.ডবলু, জাগুয়ার, পোর্শে, হুন্ডাইয়ের নানা মডেল বাজারে চলুক না কেন, এখনও আমাদের মনজুড়ে আছে অ্যাম্বাসাডর, কিং অফ ইন্ডিয়ান রোডস। 

বয়স ষাট, কলকাতার লাল-সাদা স্ট্যান্ডার্ড হেরাল্ড লজ্জায় ফেলে ইনোভা-জাগুয়ারকেও

চারটি নাইলনের চাকা, মনকাড়া র‌ং- কালীঘাটের ঈশ্বর গাঙ্গুলি স্ট্রিট দিয়ে যখন সে বের হয়, তখন তার ঠাটবাটই আলাদা। কে বলবে, মাঝখানে ৬০ বছর পেরিয়ে গেছে। 

ব্রিটিশদের আবিষ্কৃত গাড়ি এখন কলকাতার গর্ব কালোমানিক

সুব্রতবাবুর গর্ব কালোমানিক। হাওড়া কদমতলা থেকে বেরিয়ে ক্যারি রোড, দ্বিতীয় হুগলি সেতু পার হয়ে তিনি প্রায়ই নিউটাউনে ইকো পার্কে হাওয়া খেতে যান। না, একদিনের জন্যও রাস্তায় মরিস মাইনর বন্ধ হয়নি।

আমির খান থেকে জ্যাকি শ্রফ, তারকাদের সওয়ার দাপিয়ে বেড়ায় কলকাতায়

ট্রায়াম্প বহু পুরস্কার পেয়েছে। দ্য স্টেটসম্যান ভিনটেজ অ্যান্ড ক্লাসিক কার র‌্যালিতে ট্রায়াম্প বহু প্রাইজ পেয়েছে। ভারতে ভিনটেজ কার র‌্যালির পথিকৃৎ এই শতাব্দীপ্রাচীন খবরের কাগজটি।

সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি চাকরি ছাড়তে বাধ্য করেছিল বাঙালি যুবককে

নয় নয় করে ফোর্ড ভি ৮ ডিলাক্স ফিটনের বয়স হলো নব্বই বছর। সঞ্জয়বাবু চলে গেছেন বছর দুই হলো। এখন ফোর্ডের দায়িত্ব সঞ্জয়-পুত্র রাজীবের হাতে।

৭৫ বছর বয়সি রাজার গাড়ি এখন কলকাতার রাজপথের মালিক

২০২৩-এই রাজাবাবু ৭৫ বছরে পড়বেন। নয় নয় করে সাত দশক পার করে দিল বুইক সুপার এইট। সারা দেহে যত্নের ছাপ আর সঙ্গে আভিজাত্য মিলে মিশে একাকার।

বিধান রায় বললেন, চাকরি নেই, ট্যাক্সি চালাও! যুবকদের ভরসা ছিল স্ট্যান্ডার্ড টেন গাড়ি

ইংল্যান্ড থেকে অরিজিনাল হেডলাইট এসে গেছে। আরো চাকচিক্য বাড়বে ওঁর। নতুন চেহারা আর নবযৌবনপ্রাপ্ত স্ট্যান্ডার্ড টেন ছুটবে কলকাতার রাস্তা দিয়ে।