৫০ বছর ধরে গাছের জন্য লড়াই চালাচ্ছেন এই বৃদ্ধ

Sourish Das
৫ মিনিট
৫০ বছর ধরে গাছের জন্য লড়াই চালাচ্ছেন এই বৃদ্ধ

বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ে বর্তমানে চিন্তিত গোটা বিশ্ব। প্রাচ্য থেকে শুরু করে পাশ্চাত্য, সব জায়গাতেই একাধিক আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এ বিশ্ব উষ্ণায়নের বিরোধিতায়। 'গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান'-এর মত কথাগুলি একেবারে বুনিয়াদি স্তর থেকে শেখানো হচ্ছে। কিন্তু, এই আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছিল অনেকদিন আগে থেকেই। এই যাত্রার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ভারতের হিমালয় অঞ্চলে শুরু হওয়া আন্দোলন চিপকো মুভমেন্ট। বর্তমানে একটা স্কুলপড়ুয়াও জানে, হিমালয়ের চিপকো এবং গারোয়াল উপত্যকায় অরণ্যকে বাঁচিয়ে রাখার দাবিতে শুরু হয়েছিল চিপকো আন্দোলন। এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুন্দরলাল বহুগুণা। আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে পরিবেশের সুরক্ষার দাবিতে বন নিধনের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছিলেন ভারতের বহু সাধারণ নাগরিক।

চিপকো আন্দোলন হল এমন একটি আন্দোলন যা রাজনীতির সঙ্গে পরিবেশকে মিশিয়ে দিয়েছিল। এই আন্দোলনের অন্যতম দাবী ছিল পাহাড়ের সম্পদ ব্যবহারের উপর স্থানীয় বাসিন্দাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তবে চিপকো আন্দোলন সম্পূর্ণরূপে গাছ কাটার বিরুদ্ধে নয়, বরং গাছ এবং অরণ্যকে বাঁচিয়ে রাখা যাদের দায়িত্ব, তাদের সংগ্রাম এটা। একটা সময় ছিল যখন গাড়োয়াল অঞ্চলের বনজ সম্পদ উত্তরপ্রদেশের সমতলের কাঠ শিকারিরা লুট করতো। ঠিকাদারের মোড়ক নিয়ে নানা জায়গা থেকে এই গাছ কাটার ঠিকা গ্রহণ করে দেশের আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক অনন্য লুট করতো। এই সমস্ত লুটেরা ঠিকাদারদের হাত থেকে অরণ্যকে রক্ষা করা ছিল এই চিপকো আন্দোলনের মূল দাবি।

তবে, সুন্দরলাল বহুগুনা ছাড়াও এই আন্দোলনের আরও কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখযোগ্য। এঁদের মধ্যে একজন হলেন সমাজকর্মী এবং পরিবেশকর্মী ধুম সিং নেগি। এই চিপকো আন্দোলন কেন শুরু হয়েছিল, কোন ঘটনা এই আন্দোলনকে আরও বড় মাত্রায় নিয়ে যেতে পেরেছিল, সব নিয়েই আজকে আলোচনায় ধুম সিং নেগি।

তিনি বলেন, "গাছ হল মানুষের সবথেকে বড় বন্ধুদের মধ্যে একটি। কিন্তু, অনেক মানুষ এমন আছেন যাঁরা এই গাছকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। আর এই বিষয়টি আজকের নয়। ১৯৭৩ সালেও এরকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বনদপ্তর উত্তরাখণ্ডের চামলী জেলার অঙ্গু গাছের নিলাম করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। এই গাছ কিনেছিল এলাহাবাদের এটি ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি সাইমন। ওই ধরনের গাছের কাঠ অত্যন্ত শক্তিশালী, অথচ অত্যন্ত নরম। তাই, সাইমন কোম্পানি পরিকল্পনা নিয়েছিল, ওই কাঠ ব্যবহার করে খেলার জিনিস এবং বিভিন্ন দামি আসবাবপত্র তৈরি করবে।

কিন্তু এই ধরনের গাছের কাঠ লাঙল চষার জন্য ব্যবহার করে এসেছে সেখানকার বাসিন্দারা। এই ধরনের গাছের কাঠ যেহেতু শক্তিশালী অথচ নরম, তাই লাঙলের ক্ষেত্রে এই কাঠ ব্যবহার করলে গবাদিপশুর আঘাত লাগে না। গ্রামের বাসিন্দারা এই কাঠ ব্যবহার করে যুগের পর যুগ ধরে চাষের কাজ চালিয়ে এসেছে। গ্রামের বাসিন্দারা কখনোই এই গাছ ধ্বংস করতে চায় না। তারা সব সময় চায়, এই গাছ যাতে আরও বেশি পরিমাণে তৈরি হোক। কিন্তু বনদপ্তরের এই সিদ্ধান্ত রীতিমতো নাড়িয়ে দিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের। কোম্পানির বুলডোজার এবং কাটার যখন গাছ কাটতে আসে, তখন ওই গাছগুলিকে আঁকড়ে জড়িয়ে ধরেন এলাকার সাধারণ মানুষেরা। ওই গাছগুলি হল তাদের বেঁচে থাকার অন্যতম সম্বল।"

সেখান থেকেই শুরু হয় এই চিপকো আন্দোলন। যার অন্যতম একজন মুখ ছিলেন ধুম সিং নেগি। উত্তরাখণ্ডের তেহরি গারোয়াল অঞ্চলের পিপালেথ গ্রামের বাসিন্দা ধুম সিং নেগি ছিলেন একজন শিক্ষক। পুরো গ্রাম তাকে গুরুজি হিসেবে চিনতো। তিনি একাধারে একজন সমাজকর্মী, একজন পরিবেশ কর্মী এবং একজন শিক্ষক। সমাজকর্মী এবং পরিবেশ কর্মী সুন্দরলাল বহুগুণা, বিজ্ঞানী তারক মোহন দাসের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন। তার অন্যতম অনুপ্রেরণা ছিলেন চে গুয়েভারা।

ধুম সিং নেগির কথায়, ভারতের সবথেকে বড় অহিংস আন্দোলনের মধ্যে একটি ছিল উত্তরাখণ্ডের চিপকো আন্দোলন। এই আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছিল, কিভাবে অহিংসার মাধ্যমেও শক্তি প্রদর্শন করা যায়। প্রথমে উত্তরপ্রদেশের তেহরি গাড়োয়াল অঞ্চলে শুরু হলেও খুব তাড়াতাড়ি সারা রাজ্যে এই আন্দোলনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। শুধুমাত্র উত্তরাখণ্ড কেন, ভারতের আরো বিভিন্ন রাজ্যে এই চিপকো আন্দোলনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল। যারা বনাঞ্চলে থাকেন, তাদের বেঁচে থাকার অন্যতম রসদ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বনদপ্তর। বহু মানুষ নিজেদের কাজ হারাতেন, অনেক মানুষকে না খেয়ে মরতে হতো, অনেকের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হত। বনাঞ্চল ধ্বংস করলে শুধু মানুষ নয়, ক্ষতি হয় পরিবেশের, শুরু হয়ে যায় বিশ্ব উষ্ণায়ন। পরিবেশ দূষণ থেকে শুরু করে, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, সব কিছুই ঘটে এই বন নিধনের জন্য।

প্রথমে শুধুমাত্র বনাঞ্চলের বাসিন্দাদের বনের উপরে অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে এই আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও এই আন্দোলনের বৈজ্ঞানিক যুক্তিও ছিল বটে। বিজ্ঞানী তারক মোহন দাস এই আন্দোলনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে ছিলেন, ৫০ বছর কিংবা তার বেশি পুরনো কোন গাছ কিভাবে আমাদের সাহায্য করতে পারে। যদি কোন গাছ কাটা হয় তাহলে হয়তো ৩ শতাংশ সুবিধা মেলে। কিন্তু যদি সেই গাছকে বাঁচিয়ে রাখা যায়, তাহলে ৯৭ শতাংশ সুবিধা দেয় সেই একটি গাছ।

এই বার্তা নিয়েই চিপকো আন্দোলনকে দিকে দিকে ছড়িয়ে দেবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন ধুম সিং নেগি। তিনি একটা সময়ে একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু, চতুর্দিকে চলতে থাকা এই অরাজকতার প্রতিবাদ করার জন্য তিনি নিজের শান্তির চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে সমাজের জন্য কাজ করতে নেমে পড়েন। ৫০ এর দশকেই তিনি নিজের সরকারি স্কুলের চাকরি ছেড়ে সমাজকর্মী হিসেবে সর্বোদয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। তিনি বই পড়তে খুব ভালোবাসতেন। ধুম সিংয়ের বাড়িতে একটা বিশাল লাইব্রেরী রয়েছে যেখানে বিশ্বের নানান ধরনের বইয়ের একটা খনি রয়েছে। এমনকি তিনি নিজেও একটি বই রচনা করেছিলেন যার নাম দিয়েছিলেন, ' মিট্টি, পানি অউর ব্যার'।

এই বইয়ে তিনি উত্তরাখণ্ডের মানুষজনের বিদ্রোহের কথা উল্লেখ করেছিলেন। এছাড়াও, চিপকো আন্দোলনের মূল মন্ত্র এবং এই আন্দোলনের মূল ভাবনা উঠে এসেছে তার এই বইয়ে। এই বই আমরা চিপকো আন্দোলনের বেশ কিছু স্লোগানের উল্লেখ পেয়েছি। এই বইয়ের মাধ্যমে ধুম সিং নেগী উল্লেখ করেছেন, এই চিপকো আন্দোলনে আমাদের যুবসমাজের যুক্ত হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। যদি যুবসমাজ সামনে এগিয়ে আসে, তাহলে এই আন্দোলন সফল হবে। ধুম সিং এই বইয়ে লিখেছেন, "ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। গাছ এবং বনাঞ্চলের প্রতি মানুষের ভাবমূর্তি পাল্টাচ্ছে। বর্তমানে মানুষ বনাঞ্চলের সম্মান করছেন। সেখানকার আসল রসদগুলিকে সঠিকভাবে সুরক্ষিত রাখছেন। এই সময়টা এই দুইয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করার সবথেকে ভালো সময়।"

"আজকের যুগের মানুষ যদি এই আন্দোলনকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে তাহলেই এই আন্দোলন আদতে সফল হবে। আপনি যেই হন না কেন, আপনি সবসময় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকবেনই। এবারে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং গাছকে শ্রদ্ধা করুন।", বললেন ধুম সিং নেগি।

দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে তিনি কাজ করছেন সমাজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। অস্পৃশ্যতা থেকে শুরু করে বন-নিধন সমস্ত ক্ষেত্রেই তার একটা অবদান আছে। তার এই অবদানের জন্যই তাকে যমুনালাল বাজাজ ফাউন্ডেশন এর তরফ থেকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ২০১৮ সালে কাকে ভূষিত করা হয় 'যমুনালাল বাজাজ অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন ইন দ্য ফিল্ড অব কনস্ট্রাক্টিভ ওয়ার্ক ফর ২০১৮' পুরস্কারে। এছাড়াও, তাঁর কাজের জন্য আজীবন অনেক জায়গা থেকে অনেক পুরস্কার তিনি পেয়েছেন।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?