"তুমি আমার সঙ্গে গিয়ে করবে টা কী,” কেন যশোদাবেনকে বিয়ের কথা স্বীকার করতে চাননি মোদি?

Narendra Modi Wife Jashodaben Modi: স্ত্রীকে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, "আমি সারা দেশ ঘুরব, যেখানে খুশি সেখানে যাব; তুমি আমার সঙ্গে গিয়ে করবে টা কী?”

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
"তুমি আমার সঙ্গে গিয়ে করবে টা কী,” কেন যশোদাবেনকে বিয়ের কথা স্বীকার করতে চাননি মোদি?

তিনি কোনও বন্ধনে নিজেকে বাঁধেন না। তিনি 'ফকিরি'-তে আস্থা রাখেন। ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়তে, মাধুকরি করতেই ভালোবাসেন, অন্তত ভালোবাসেন বলেই জানিয়েছেন। এহেন মানুষের পরিবার থাকে না, গার্হস্থ্যের মায়া এঁরা হেলায় সরিয়ে বেছে নেন দেশের-দশের ডাক। মাতৃত্বের আঁচল, স্ত্রীর সাহচর্য, সন্তানের দায়িত্ব বা পরিবারের জাগতিক দায়বদ্ধতা যে বৃহৎ উদ্দেশ্যের পথে বাধা, এমনটা মনে করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘও। তাই সংঘের সন্তান হতে গেলে ছাড়তে হবে পরিবারের বন্ধন। ছেড়ে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, ক্ষীণ করেছেন পারিবারিক বরাদ্দ সময়। ব্রহ্মচর্যে গেছেন, আর যাওয়ার পথে বাতিলের তালিকায় পড়ে গিয়েছেন যশোদাবেন মোদি। দেশ যাঁকে জানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেই স্ত্রী হিসেবে, যার সঙ্গে বৈবাহিক কোনও দায়িত্ব-অনুভূতি কোনওদিন ভাগই করেননি নরেন্দ্র মোদি। সমাজ ভারতীয়, ফলে পতির পুণ্যে সতীর পুণ্য, পতির পরিচয়ই ধরম ও করম। সহজ ভাষায় যশোদাবেন হয়েছেন স্বামী পরিত্যক্তা। আর নরেন্দ্র মোদি হয়েছেন দেশের রক্ষক।

দেশের প্রধানমন্ত্রীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে গেছেন যশোদাবেন চিমনলাল মোদি। যিনি আসলে ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষিকা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত। জন্ম ১৯৫১ সালে। যশোদাবেনের যখন দুই বছর বয়স, তখন তাঁর মা মারা যান। মা হারা মেয়ে, গুজরাতের রক্ষণশীল নিম্নবিত্ত পরিবার- যা হওয়ার তাই হল। বিয়ে হয়ে গেল। ১৯৬৮ সালে যশোদাবেনের সঙ্গে বিয়ে করেন নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদির ভাইয়ের মতে, নরেন্দ্র মোদির বয়স তখন সবে ১৮ এবং যশোদাবেনের বয়স তখন প্রায় ১৭। অত্যন্ত অল্প বয়সে ভাদনগরে পরিবারের উদ্যোগে ছোট্ট একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে বিয়ে হয়ে যায় যশোদাবেন আর নরেন্দ্র মোদির। মনে রাখতে হবে, ১৯৭১ সালেই সংসার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন মোদি, আরএসএসের প্রচারক হয়ে কাজ করবেন বলে। ফলে বিয়ের ঘ্রাণ ফিকে হওয়ার আগেই স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগই ফ্যাকাশে হয়ে গেল। মজার এবং মুশকিলের বিষয় হল, বিয়ের পুরো অধ্যায়টিই চেপে গেলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালের ভারতীয় লোকসভা নির্বাচনের আগে আইনি কারণে দরকার না পড়া অবধি প্রকাশ্যে বিয়ের কথা স্বীকার করেননি মোদির।

প্রায় দুই বছর ঘর সংসারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না নরেন্দ্র মোদির। ২ বছর পর মোদি ভাদনগরে ফিরে আসেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিয়ের পরপরই স্বামী যদি বেরিয়ে যায়, শ্বশুরবাড়িতে বধূটির আর কীই বা স্থান? ফলে যশোদাবেন চলে এসেছিলেন নিজের বাপের বাড়ি। ফিরে আসার পরে নরেন্দ্র মোদি ঠিক করেছিলেন, আহমেদাবাদে কাকার কাছে যাবেন। সেখানে কাকার সঙ্গে ক্যান্টিনে কাজ করবেন। নরেন্দ্র মোদির মা, মানে শাশুড়ি হিরাবেনের পীড়াপীড়িতে যশোদাবেন তাঁদের বিয়ে টিকিয়ে রাখতে সেই সময় ফের পরিবারে ফিরে আসেন। কিন্তু স্বামী নরেন্দ্র মোদির জানিয়ে দেন, সংসার টংসার নয়, নিজের জীবন নিজের শর্তে বাঁচবেন তিনি। যশোদাবেনকেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলেন নরেন্দ্র।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১৯৭১-এ সংসার ছেড়েছিলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রীর বাকি পরিবারের কথা কেন জানেই না দেশ

PM Modi Family: মোদি কান্নাস্নাত গলায় বলেছিলেন, "আমি উচ্চ পদে বসার জন্য জন্মগ্রহণ করিনি। আমার যা কিছু ছিল, আমার পরিবার, আমার বাড়ি... আমি তা দেশের জন্য ছেড়ে এসেছি..."।

যশোদাবেন জানিয়েছিলেন, সেই সময় নরেন্দ্র তাঁকে বলেন, তাঁর রয়েছে কর্ম, তাঁর রয়েছে বিশ্বলোক। "আমি সারা দেশ ঘুরব, যেখানে খুশি সেখানে যাব; তুমি আমার সঙ্গে গিয়ে করবে টা কী?” নিজের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে বলেছিলেন মোদি। ফলে ফের চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তই নেন যশোদাবেন। যশোদাবেন অবশ্য স্বামীর সঙ্গে যেতেই চেয়েছিলেন। পরে অনেকবার যখন শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠানে বা কোনও বিশেষ দরকারে যশোদাবেন সেখানে গেছেন, নরেন্দ্রকে পাননি। আস্তে আস্তে শ্বশুরবাড়ি যাওয়াও কমিয়ে দেন তিনি, নিজের বাপের বাড়িতেই থেকে যান। তবে জানা যায়, আরএসএস বা তাঁর রাজনৈতিক আগ্রহের সম্পর্কে কখনও যশোদাবেনের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেননি মোদি। যশোদাবেন জানিয়েছিলেন, তাঁদের চূড়ান্ত বিচ্ছেদের আগে তিন বছরের সময়কালে স্বামী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মোট প্রায় তিন মাস সময় কাটিয়ে ছিলেন।

বাপের বাড়িতে ফিরে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যান যশোদাবেন। ১৯৭২ বা ৭৪ নাগাদ স্কুলের পড়াশোনা শেষ করেন। ১৯৭৬ সালে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শেষ করেন এবং ১৯৭৮ সালে শিক্ষিকা হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বানাসকাঁথা জেলায় শিক্ষকতা করেছেন যশোদাবেন। ১৯৯১ সালে রাজোসানা গ্রামে চলে আসেন এবং সেখানেই থেকে যান। অবসরের পর পেনশন দিয়েই চলে সংসার। মোদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে, এক সাক্ষাত্কারে যশোদাবেন বলেছিলেন, "আমাদের আর কখনই যোগাযোগ হয়নি... তাঁর তরফ থেকে আজ পর্যন্ত কোনও যোগাযোগ করেননি।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি নন, বাজপেয়ীই প্রকৃত বিজেপি! অটল বিহারীর স্মৃতিসৌধে গিয়ে কোন বার্তা দিলেন রাহুল?

Bharat Jodo Yatra: বাজপেয়ী নিজেই একবার একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করাতে তাঁকে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন রাজীব গান্ধী।

রাজনৈতিক ফর্মে যখন জীবনসঙ্গীর নাম লেখার অপশন এসেছে মোদি বারবারই স্বামী-স্ত্রীর তথ্য বিভাগটি ফাঁকা রেখেছিলেন। রাজনৈতিক সমাবেশেও মোদি বলেছিলেন, তিনি অবিবাহিত। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে, মোদি ভাদোদরা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অধীনে বলা হয়, ধোঁয়াশা রাখা যাবে না। বিবাহ সম্পর্কে স্পষ্ট করে জানাতে হবে, পূর্ববর্তী কোনও বিয়ে থাকলে তাও লিখতে হবে। সেই সময় প্রথম জনসাধারণ এবং মিডিয়ার কাছে মোদি স্বীকার করেন তাঁর একজন স্ত্রী ছিলেন।

মোদির সঙ্গে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসামাত্রই চারিদিকে সন্ধান চলতে থাকে যশোদাবেনের। দেখাও মেলে তাঁর। তবে প্রচণ্ড দ্বন্দ্বে পড়ে যান যশোদাবেন, জানান স্বামীর বিরুদ্ধে কিছুই বলবেন না তিনি কারণ নরেন্দ্র মোদি খুব শক্তিশালী। তিনি মুখ খুললে পরিণতি কী হবে ভেবে ভয় পেয়েছিলেন যশোদাবেন। নরেন্দ্র মোদির ভাই সোমভাই মোদি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছিলেন, সেজো ভাই নরেন্দ্র মোদির বিয়েটি বাড়ি থেকে জোর করে দেওয়া। বিয়েটি সম্পন্নই হয়নি। যশোদাবেন নিজে জানিয়েছিলেন, নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, আমন্ত্রণ করলে তিনি যেতেন। "আমি তাঁর সঙ্গে থাকতে চাই। যদি তিনি আমাকে ডাকেন, আমি তাঁর সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে আগ্রহী। কিন্তু তাঁকেই ডাকতে হবে,” ২০১৪ সালে বলেছিলেন যশোদাবেন।

২০১৪ সালের মে মাস থেকে যশোদাবেনকে পুলিশি সুরক্ষা দিতে শুরু করে প্রশাসন। বিশেষ সুরক্ষা গোষ্ঠী আইন অনুযায়ীই এই নিরাপত্তা মেলে, এই আইনেই বলা রয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকে পুলিশ সুরক্ষা দিতে হবে। মন্ত্রীদের বেতন ও ভাতা আইন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীরা যা ভাতা পান, তা দিতে হবে। ওই বছরই নভেম্বর মাসে যশোদাবেন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে তাঁর নিরাপত্তা এবং অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তথ্যের অধিকার আইনে একটি আবেদন দায়ের করেন। জানা যায়, সেই সময় সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে যশোদাবেনকে কথা বলতে বাধা দিতেন ওই নিরাপত্তারক্ষীরা। নিরাপত্তার নামে এ এক নজরদারি বলেই মনে করেছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আসলে, অবসরপ্রাপ্তা সামান্য শিক্ষিকার চেয়ে বড় হয়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদির 'স্ত্রী' পরিচয়টিই, এমনটাই তো হয়ে থাকে। 'স্বামী পরিত্যক্তা', 'বিবাহ বিচ্ছিন্না' এসব পরিচয়ের আড়ালে কতিপয় চরিত্র উঠে এসে ধক দেখাতে পারে। বাকিরা, যশোদাবেন হয়ে যান। আর নরেন্দ্র মোদিরা, কর্ম, বিশ্বলোক দাপিয়ে বেড়ান- ঝোলা উঠাকে যে কোনও সময় চাইলে বেরিয়ে পড়া যায় তাঁদের।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।