ভেরা রুবিন মানমন্দির: আকাশ দেখার নতুন জানালা

Vera C. Rubin Observatory Images: টেলিস্কোপটি প্রতি রাতে প্রায় এক কোটি স্বতন্ত্র সংকেত পাঠাবে, যেগুলো নতুন কোনও মহাজাগতিক ঘটনার (হঠাৎ কোনও তারার প্রজ্জ্বলন, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, কোনও নতুন গ্রহাণুর আবির্ভাব বা আচরণগত পরিবর্তন) ইঙ্গিত দিতে পারে।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
ভেরা রুবিন মানমন্দির: আকাশ দেখার নতুন জানালা

সম্প্রতি ২৩ জুন তিনটি ছবি প্রকাশ করেছে ভেরা রুবিন মানমন্দির (Vera Rubin observatory)। প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে ট্রিফিড এবং লেগুন নেবুলার গোলাপি রঙের এক মনোরম দৃশ্য। পৃথিবী থেকে প্রায় ৯,০০০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা অঞ্চলে গ্যাস আর ধূলিকণার ঘূর্ণিপাক এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। পেশাদার ও শখের জ্যোতির্বিদরা এই নেবুলা দু'টির ছবি আগেও অনেকবার ক্যামেরাবন্দি করেছেন, কিন্তু সেগুলোর সাহায্যে পুরো দৃশ্যের একটা ছোট অংশই কেবল দৃষ্টিগোচর হতো। সেখানে এবার ভেরা সি রুবিন টেলিস্কোপের সাহায্যে পুরো দৃশ্যটাই দেখা যাচ্ছে।

তরুণ প্রজন্মের নক্ষত্রের থেকে নির্গত হওয়া তীব্র বিকিরণ গ‍্যাসের কণাগুলিকে উত্তপ্ত করে, সেজন্য গোলাপি আভা বেরোতে থাকে। সদ‍্য জন্মানো নক্ষত্রগুলি থেকে অনেক দূরে অবস্থান করা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ‍্যাসের ধূলিকণাগুলো নক্ষত্রের আলোকে প্রতিফলিত করে, জ্যোতির্বিদ্যার পরিভাষায় যেটি বিচ্ছুরণ (Scattering) নামেই অধিক পরিচিত। এর ফলে আমাদের বায়ুমণ্ডলের মতো সুন্দর নীল বর্ণের সৃষ্টি হয়। কালো সুতোর মতো অংশগুলো ধূলিকণার পথ নির্দেশ করে। ঘন ধূলিকণাপূর্ণ অঞ্চলগুলি অতি উজ্জ্বল নক্ষত্রের আলো ছাড়া অধিকাংশ আলোকে আটকে দেয়। ফলে অনেক তারাই দৃষ্টিগোচর হতো না।

চিত্র ১- ট্রিফিড এবং লেগুন নেবুলা (সূত্র: ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি)

এ জাতীয় ছবি তুলতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ফিল্টার ব্যবহার করে থাকেন, যেগুলি কেবল নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকেই ডিটেক্টরগুলিতে প্রবেশ করতে দেয়। রুবিনে এই ধরনের ফিল্টার রয়েছে ৬টি, যারা ক্ষুদ্র অতি বেগুনি রশ্মি থেকে শুরু করে দৃশ্যমান বর্ণালী, এমনকী ইনফ্রারেড আলোর ক্ষেত্রেও কার্যকরী। ট্রিফিড ও লেগুন নেবুলার ছবিটি আদতে চার রকমের রঙের ফিল্টার দিয়ে তোলা ৬৭৮টি ছবির সমন্বয়। বিভিন্ন ফিল্টার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা নক্ষত্রের আকার, তাদের ভিতরের গ‍্যাসের তাপমাত্রা পরিমাপ করেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
১১ বছর ধরে মহাকাশ স্ক্যান করে মানচিত্র! গায়া যেভাবে বদলে দিচ্ছে বিজ্ঞানীদের ধারণাও

Gaia Spacecraft: মহাকাশের স্ক্যানিং ও ম্যাপিংয়ের সময়, গায়া একটি নতুন ধরনের কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কার করে, যেটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি অবস্থিত।

রুবিনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর গতি — একটি ফিল্টারে ছবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে অন‍্য ফিল্টার ব‍্যবহার করার যে দক্ষতা দেখা গেছে জ্যোতির্বিদ্যা চর্চায় তা ঈর্ষণীয়। চালু হওয়ার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই রুবিন আবিষ্কার করেছে ২,১০৪টি নতুন গ্রহাণু এবং পৃথিবীর নিকটে থাকা সাতটি মহাজাগতিক বস্তু, যেখানে পৃথিবীর অন্যান্য সমস্ত টেলিস্কোপ সম্মিলিতভাবে বছরে প্রায় ২০,০০০-এর মতো মহাজাগতিক বস্তুর ছবি তোলে। সবচেয়ে মজার ব‍্যাপার হলো, ছবিগুলো এত উন্নত মানের যে যতই জুম করা হোক না কেন ছবিগুলো ফেটে যায় না, প্রতিবারই নতুন নতুন মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান মেলে।

চিত্র ২- ভার্গো ক্লাস্টারের একটি ছোট অংশ (সূত্র: ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি)

উপরের ছবির (চিত্র ২) নীচের ডানদিকে দৃশ্যমান দু'টি উজ্জ্বল সর্পিল আকৃতির ছায়াপথ (এনজিসি ৪৪১১ ও এনজিসি ৪৪১১ বি), সঙ্গে উপরের দিকে দেখা যাচ্ছে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত তিনটি গ্যালাক্সির একটি দল, সবই ‘ভার্গো ক্লাস্টার’-এর অংশ। এরা আমাদের থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এদের ভেতরে কোটি কোটি থেকে ট্রিলিয়ন সংখ্যক বিভিন্ন আকারের তারা রয়েছে। এই ছায়াপথের অভ্যন্তরে যে উজ্জ্বল বিন্দুগুলি দেখা যাচ্ছে, সেগুলো তারা গঠনকারী অঞ্চল, অনেকটা লেগুন এবং ট্রিফিড নীহারিকার মতো।

চিত্র ৩- ভার্গো ক্লাস্টারের অপর একটি ছোট অংশ (সূত্র: ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রকাণ্ড ডানা, অপার্থিব সৌন্দর্য! মহাকাশে কীভাবে লুকিয়ে দানবাকৃতি মহাজাগতিক প্রজাপতি?

Butterfly Nebula: তারাদের মৃত্যু যে এত রঙিন হয়, তা না দেখলে আন্দাজ করা শক্ত।

চিলির আন্দিজ পর্বতমালার পাদদেশে আতাকামা মরুভূমির প্রান্তে অবস্থিত একটি পর্বতের এক উঁচু চূড়ায় স্থাপিত এই মানমন্দির। উঁচু ও শুষ্ক এই স্থানে আকাশ পরিষ্কার থাকায় কোনও বাধা বিপত্তি ছাড়াই মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়। এই মানমন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্পদার্থবিদ ভেরা রুবিনের নামে। সত্তরের দশকে গ‍্যালাক্সিগুলির ঘূর্ণন নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে রুবিন দেখেন, ছায়াপথের ভরের হিসেবে গোলমাল হচ্ছে, সেই সময় তিনি ডার্ক ম্যাটারের সন্ধান পান।

এই টেলিস্কোপের মূল শক্তি লুকিয়ে আছে ক‍্যামেরাতে। ৬১ ইঞ্চি ব‍্যাসের লেন্স বিশিষ্ট এই ক্যামেরার রেজোলিউশন ৩২০০ মেগাপিক্সেল। অত্যাধুনিক আই ফোনের ক্যামেরার ৬৬ গুণ! এই ক্যামেরা প্রতি দু'মিনিটে তিনটি করে ছবি তুলবে এবং রাতে গড়ে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা ধরে কাজ করবে। প্রতি রাতে ২০ টেরাবাইট পর্যন্ত ডেটা সংগ্রহ করতে সক্ষম এটি। আগামী এক দশক ধরে পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি এবং ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই অবজারভেটরি।

শুধু একবার ছবি তুলবে তাই নয়, প্রতি তিনদিন অন্তর সমগ্র আকাশের ছবি তুলবে এই টেলিস্কোপ। এর ফলে কোনও মহাজাগতিক বস্তুর অবস্থান বদলাচ্ছে কিনা, অথবা মহাকাশ থেকে হারিয়ে গেল কিনা সে বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ধারণা পাওয়া যাবে। ইদানীং অ‍্যাস্টরয়েড নিয়ে বেশ হইচই শুরু হয়েছে — এই বুঝি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এল, সেই সব বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারবে বলেই বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস।

বিভিন্ন ফিল্টারে তোলা ভেরা রুবিনের প্রথম ছবি

জ্যোতির্বিদ্যায় প্রধান কাজ হলো, দূরের মহাজাগতিক বস্তুগুলো থেকে আলো বা কোনও সংকেত আসছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা। এই কাজে ভেরা রুবিন টেলিস্কোপ যে যথেষ্ট দক্ষ তা অনুমান করা যায়। প্রতি রাতে গড়ে প্রায় কোটিখানেক নতুন ঘটনা বা মহাজাগতিক বস্তু শনাক্ত করতে সক্ষম রুবিন মানমন্দির। অর্থাৎ টেলিস্কোপটি প্রতি রাতে প্রায় এক কোটি স্বতন্ত্র সংকেত পাঠাবে, যেগুলো নতুন কোনও মহাজাগতিক ঘটনার (হঠাৎ কোনও তারার প্রজ্জ্বলন, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, কোনও নতুন গ্রহাণুর আবির্ভাব বা আচরণগত পরিবর্তন) ইঙ্গিত দিতে পারে। মেশিন লার্নিং এবং উন্নত মানের পরিসংখ্যান পদ্ধতি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এই সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করবেন, মহাবিশ্বে নতুন নতুন কী পরিবর্তন হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে মহাবিশ্বের এই যে পরিবর্তন, জ্যোতির্বিদ্যার পরিভাষায় তাকে বলে ‘টাইম ডোমেইন অ‍্যাস্ট্রোনোমি’। মহাজাগতিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার জন‍্য অন‍্যান‍্য অবজারভেটরি থাকলেও ভেরা সি রুবিনের বিশেষত্বই হলো এই বিষয়ক তথ্য‍ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা।

আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন ঘটনা যেমন, সুপারনোভা বিস্ফোরণ, কিলোনোভা বিস্ফোরণ, গামা-রে বিস্ফোরণ, নিউট্রন তারার মধ্যে সংঘর্ষের মতো অনেক ক্ষণস্থায়ী ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই টেলিস্কোপ। অদূর ভবিষ্যতে এটিই হবে মহাকাশ পর্যবেক্ষণের অন্যতম সমৃদ্ধ তথ্যভাণ্ডার। মহাকাশে এমন অনেক তারা আছে, যাদের আলো এতটাই ক্ষীণ যে তাদের এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই টেলিস্কোপ দিয়ে বিজ্ঞানীরা এমন সব দুর্বল আলোকরশ্মি বিশ্লেষণ করতে পারবেন, যেগুলোর সৃষ্টি হয়েছে কোটি কোটি বছর আগের কোনও মহাজাগতিক ঘটনার সময়। বহুল আলোচিত সেই ‘নবম গ্রহ’ যদি সত্যিই কোথাও থেকে থাকে, তাহলে তার হদিশ কি দিতে পারবে এই ভেরা রুবিন মানমন্দির? সেজন্য আপাতত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে থাকুন মহাকাশ প্রেমীরা।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।

এআই-এর ভবিষ্যৎ কার হাতে? GPT-5.6 ও Grok 4.5-কে ঘিরে নতুন আলোচনা

GPT-5.6 vs Grok 4.5: GPT-5.6 নাকি Grok 4.5—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন দৌড়ে কে এগিয়ে? ওপেনএআই ও xAI-এর দুই অত্যাধুনিক এআই মডেলের মধ্যে ক্ষমতা, কোডিং দক্ষতা, গতি, খরচ এবং ব্যবহারিক প্রয়োগের দিক থেকে কী কী পার্থক্য রয়েছে? কোনটি কার জন্য বেশি উপযোগী?