হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে 'গ্রে ডিভোর্স'! কেন এত বছরের দাম্পত্যের পথে হঠাৎ কাঁটা?

Gray Divorce: শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, গ্রে ডিভোর্সের ফলে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনেও যথেষ্ট প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

Sohini Das
৪ মিনিট
হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে 'গ্রে ডিভোর্স'! কেন এত বছরের দাম্পত্যের পথে হঠাৎ কাঁটা?

পঞ্চাশ বছরের দাম্পত্যজীবন কাটানোর পর হঠাৎ একদিন স্বামী ঘোষণা করলেন, তিনি স্ত্রীকে ডিভোর্স দেবেন। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। এমনই এক চিত্রনাট্য দেখেছিল বাংলা ছবি। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা দাস পরিচালিত 'বেলাশেষে' ছবি তুলে এনেছিল এমনই এক সমস্যার কথা। ইদানীং যার গালভরা নাম 'গ্রে ডিভোর্স'। সমীক্ষা বলছে, সাম্প্রতিক কালে এক নতুন প্রবণতার বাড়বাড়ন্ত হয়েছে গোটা বিশ্ব জুড়েই। পঞ্চাশোর্ধ্ব দম্পতিরা যখন বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন, তখন তাকে ধূসর বিবাহবিচ্ছেদ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। কিন্তু কেন বাড়ছে এই গ্রে ডিভোর্সের হার?

কান পাতলেই আজকাল বিবাহবিচ্ছেদের কথা শোনা যায়। তারকা থেকে শুরু করে আম আদমি, বিবাহবিচ্ছেদ এখন ঘরে ঘরে খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। কিন্তু যখন চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ঘর করার পরে কোনও এক দম্পতি বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে চান, তখন অবাক লাগে বৈকি। সম্প্রতি মিডিয়া তোলপাড় অভিষেক বচ্চন-ঐশ্বর্য্য রাইয়ের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জনে। কিছুদিন আগেই বিবাহবিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন আমির খান ও কিরণ রাও। এই সমস্ত বিবাহবিচ্ছেদকেই আমরা গ্রে ডিভোর্সের আওতায় ফেলতে পারি। হলিউডে এমন উদাহরণ ঝুড়ি ঝুড়ি। কী এমন বিষয়, যা তাঁদের এতদিনের একসঙ্গে থাকার অভ্যাসের পথে কাঁটা হয়ে উঠল? বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এর নেপথ্যে নানাবিধ কারণের কথাই তুলে ধরেন।

সন্তান বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বহু দম্পতিই নিজেদের সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে শুরু করেন, এবং ক্রমশ বুঝতে পারেন যে কোথাও সম্পর্কের জোরের জায়গাটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। একসঙ্গে থাকলেও কোথাও যেন আলাদা হয়ে গিয়েছেন তাঁরা। সেখান থেকেই বিচ্ছেদের ভাবনার সূচনা। বহু ক্ষেত্রে আর্থিক বিষয়-আশয়ও বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগিয়ে দিচ্ছে দম্পতিদের। অবসর পরিকল্পনা, নিজেদের সম্পত্তি-বিষয়আশয়ের বিষয়গুলি বা পরবর্তী কালে আর্থিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নগুলিই ঠেলে দিচ্ছে দম্পতিদের বিবাহবিচ্ছেদের দিকে। পাশাপাশি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনের প্রতি দাবি, অগ্রাধিকারগুলি পাল্টাতে থাকে। সেই সব ক্ষেত্রগুলি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে শুরু করে। যা বিবাহবিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দেয় বয়স্ক দম্পতিদেরও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তালাকের পরেও ভরণপোষণ পাবেন মুসলিম মহিলারা, ঐতিহাসিক রায়ে যা জানাল সুপ্রিম কোর্ট

Alimony Order For Muslim Women: সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি জানিয়েছে, মুসলিম বিবাহবিচ্ছিন্না মহিলারাও এবার ফৌজদারি আইনের আওতায় স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ চাইতে পারেন।

হঠাৎ এই গ্রে ডিভোর্সের বাড়বাড়ন্তের পিছনে সামাজিক কিছু বেশ কিছু পরিবর্তনও দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। আগের তুলনায় এই সময়কার মানুষের আয়ু অনেকটাই বেড়েছে। তার সঙ্গে এখন সামাজিক ভাবে এবং আর্থিক ভাবে অনেক বেশি স্বচ্ছল হয়েছেন মেয়েরা। এবং সেই সমস্ত স্বচ্ছলতা মানুষকে নিজের শর্তে বাঁচতে শিখিয়েছে। একটা সময় বিবাহবিচ্ছেদকে তেমন ভালো চোখে দেখত না সমাজ। বহু ক্ষেত্রেই বিবাহবিচ্ছিন্নাদের কলঙ্কের চোখে দেখা হত। সেই সময় বদলেছে। এখন ডিভোর্স নিয়ে সেই ট্যাবু কেটেছে। ফলে মতের অমিল হলে এখন অনেকেই বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যান স্বচ্ছন্দে। তবে কম বয়সে হোক বা বেশি বয়সে, বিবাহবিচ্ছেদ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দম্পতিদের জন্য মানসিক ভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেরই ডিপ্রেশন, একাকিত্বের মতো সমস্যা দেখা যায়। বিশেষত তাঁদের ক্ষেত্রে, যাঁদের কাছে তেমন কোনও সোশ্যাল সাপোর্ট নেই। সেসব এ সমস্যাগুলো আরও বেশি বড় হয়ে ওঠে।

একই সঙ্গে গ্রে ডিভোর্সের ফলে অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখেও পড়েন অনেকে। যদি তাঁদের ক্ষেত্রে সম্পত্তির হিসেব ঠিকঠাক করা না থাকে, সে ক্ষেত্রে তো আরও বেশি সমস্যা হয়। বিশেষত মহিলাদের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি আরও বেশি লক্ষ্য করা যায়। বহু ক্ষেত্রের তাঁদের জীবনযাপনের ধরন বদলে যায় আর্থিক সমস্যার জেরে। এমনও দেখা যায়, সন্তানকে বড় করার পিছনে নিজেদের কেরিয়ারকে বিসর্জন দিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা, যাঁরা আর্থিক ভাবে স্বামীর উপরেই নির্ভরশীল, তাঁদের ক্ষেত্রে বিবাহবিচ্ছেদ পরবর্তী জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার অভাব বড় আকার নেয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যামিলি অ্যান্ড ম্যারেজ রিসার্চের সমীক্ষা বলছে, মহিলারাই এই ধরনের সমস্যার বেশি সম্মুখীন হন গ্রে ডিভোর্স পরবর্তী জীবনে। বহু ক্ষেত্রেই বয়সকালে বিবাহবিচ্ছেদ স্বাস্থ্যের দিক থেকেও ক্ষতিকর হতে পারে। বিবাহবিচ্ছেদের যে ভয়ঙ্কর স্ট্রেস, চাপ তা নিতে পারেন না অনেকেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এবার লিভ-ইন রেজিস্ট্রি না করলেই শাস্তি! কী বলা আছে বিজেপি সরকারের প্রস্তাবিত আইনে?

Live In Relation Registry : লিভ-ইন সম্পর্ক শুধুমাত্র একজন পুরুষ এবং একজন মহিলার মধ্যেই স্বীকৃত। এই আইনে সমকামী দম্পতিদের জন্য কোনও ঠাঁই নেই।

তবে শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, গ্রে ডিভোর্সের ফলে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনেও যথেষ্ট প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। গ্রে ডিভোর্সের বাড়বাড়ন্তের ফলে বয়স্কদের সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর প্রয়োজন ক্রমশ বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিদেশের মতো না হলেও ভারতের মতো দেশেও ইদানীং প্রবণতা হিসেবে উঠে আসছে গ্রে ডিভোর্স। যৌথ পরিবারের কাঠামো ভেঙে যে নিউক্লিয়াস থেকে নিউক্লিয়াসতর পরিবারের দিকে এগোচ্ছি আমরা, তার প্রভাবও আসলে পড়ছে যৌথজীবনের ক্ষেত্রে।

কীভাবে রোখা যেতে পারে এই গ্রে ডিভোর্সের প্রবণতা? বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এসব ক্ষেত্রে খুবই কাজের হতে পারে কাউন্সিলিংয়ের মতো বিষয়। একই সঙ্গে সম্পর্কের গোড়া থেকেই আর্থিক পরিকল্পনা দরকার। বিবাহবিচ্ছেদ পরবর্তী আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্যও প্রয়োজন আর্থিক পরিকল্পনা। গ্রে ডিভোর্সের মানসিক ও স্বাস্থ্যগত প্রভাবগুলি সম্পর্কে সচেতনতা প্রচারেরও প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

রুশো বলেছিলেন, বিয়ে আসলে সামাজিক চুক্তি। কিন্তু সেই চুক্তির পথ ধরে চলতে চলতে সম্পর্কের মধ্যে আরও অনেক কিছু গড়ে ওঠে। সার্বিক ভাবে গড়ে ওঠে একে-অপরের প্রতি এক আশ্চর্য অভ্য়াস, যে অভ্য়াস হয়ে ওঠে পরম নির্ভরতার জায়গাও। ফলে সেই পথ ধরে এত বছর একসঙ্গে হাঁটার পর সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কখনও সোজা নয়। বরং বিষয়টি বেশ কঠিন। আসলে কোনও রকম বিচ্ছেদই তো কাঙ্ক্ষিত নয়। সেখান থেকে দাঁড়িয়ে এই গ্রে ডিভোর্সের বাড়বাড়ন্ত বেশ দুশ্চিন্তার বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।