কেন স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ আরএসএস প্রশস্তির জন্য বেছে নিলেন মোদি?

Modi's Independence Day Speech: বিজেপি তাদের নিজস্ব বিধিনিষেধ পালন করা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, সঙ্ঘকেও হাতে রাখা জরুরি কারণ সঙ্ঘের সিদ্ধান্ত বিজেপিতে অনেকটাই গুরুত্ব পায়।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
কেন স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ আরএসএস প্রশস্তির জন্য বেছে নিলেন মোদি?

লালকেল্লায় ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ১০৩ মিনিটের ভাষণ দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের ইতিহাসে স্বাধীনতা দিবসে কোনো প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘতম ভাষণ এটি। শুধু তাই নয়, ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সরকারি মঞ্চ থেকে সরাসরি আরএসএস-এর প্রশংসা করলেন। এই দিন আরএসএস ও স্বাধীনতা দিবসকে এক সমীকরণে টেনে আনেন তিনি। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে “বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা” হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “১০০ বছর ধরে সঙ্ঘ দেশসেবায় নিবেদিত। বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইতিহাস সঙ্ঘের গর্ব।” সত্যি কি তাই? কেন হঠাৎ আরএসএস-এর প্রসঙ্গ টানলেন নরেন্দ্র মোদি?

মোদি আরএসএস-এর প্রশংসা করে বলেন, “সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা ‘সেবা ও সংগঠন’-এর আদর্শ বুকে নিয়ে নিরলস কাজ করে চলেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা– সবক্ষেত্রেই তাঁদের ভূমিকা অনন্য।” মোদির এই বক্তব্যকে স্বাভাবিকভাবেই সমর্থন জানিয়েছেন স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সদস্যরা। তবে বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, সরকারি মঞ্চে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের প্রশংসা রীতিবিরুদ্ধ। এই নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

গত ১১ বছর মোদি সরকারি স্তরে সঙ্ঘের সঙ্গে দূরত্বই রেখেছিলেন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলছেন, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে সেই নীতি ভাঙলেন মোদি। অনেকেই আবার মনে করছেন, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) পর মোদি আরএসএস-এর সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান। বিজেপি তাদের নিজস্ব বিধিনিষেধ পালন করা একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, সঙ্ঘকেও হাতে রাখা জরুরি কারণ সঙ্ঘের সিদ্ধান্ত বিজেপিতে অনেকটাই গুরুত্ব পায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরএসএস-এর বিশ্বস্ত দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে এই রেখা গুপ্ত?

Rekha Gupta Delhi CM: ২০০২ সালে বিজেপিতে সরাসরি যোগ দেন রেখা গুপ্ত এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার দিল্লি ইউনিটের সম্পাদক হন। পরবর্তীকালে তিনি এই সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক পদে উন্নীত হন।

আসলে আগে থেকেই মোদির অবসর নেওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। কারণ, লালকৃষ্ণ আডবাণী ৭৫ বছর বয়সে অবসর নিয়েছিলেন। আর গত ১৭ সেপ্টেম্বর মোদির ৭৫-র বছর পূর্ণ হয়েছে। গত বছর লোকসভা নির্বাচনের আবহে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল মোদির অবসরের বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে সফলতাও পেয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, তা বোঝা গিয়েছিল যখন অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং-এর মতো বিজেপির প্রধান নেতৃত্বরা এর উত্তর দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁদের জবাব ছিল, মোদি নিশ্চয়ই তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ পূরণ করবেন, তার আগে অবসরে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। শীর্ষস্থানীয় নেতারা যতই এই বিষয় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করুক, বিজেপির ভেতরে এবং বাইরে এই নিয়ে চর্চা ছিলই।

উত্তরপ্রদেশের প্রবীণ বিশ্লেষক ও নিউজট্র্যাকে-র মুখ্য সম্পাদক যোগেশ মিশ্র (বিজেপি দলটাকে ৪০ বছর পর্যবেক্ষণ করেছেন) বিবিসি-কে বলেছিলেন, ৭৫ বছর বয়সে অবসরের বিষয়টি এনেছিলেন, আরএসএস নেতা রামলাল। মোদি যখন ক্ষমতায় আসেন আরএসএস-এর এই নেতা তখন বিজেপির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বিজেপির দুই প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী এবং মুরলী মনোহর জোশীকে সম্মানের সঙ্গে সরাতে তিনি এই পথ বেছে নেওয়ার বুদ্ধি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'ক্যাবিনেটে যদি আডবাণী বা জোশীর মতো ব্যক্তিরা থাকেন, তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে ছাঁড়াও ক্ষমতার ছোট বৃত্ত বা পাওয়ার সেন্টার তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে, যা নরেন্দ্র মোদির শিবির মোটেই চায়নি'।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারতের সাম্রাজ্যবাদী নিয়ন্ত্রণ কায়েমে আরএসএস-এর ভূমিকা

Socio Political Economy of India: গত ৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার কলকাতার রায়া দেবনাথ মঞ্চে সারা বাংলা কর্পোরেট আগ্রাসন বিরোধী উদ্যোগে বক্তৃতা দেন সুমন কল্যাণ মৌলিক। সেই বক্তৃতার লিখিত সংরূপ ইনস্ক্রিপ্ট-এ ধরা রইল।

বিজেপির তথাগত রায় একবার বিবিসি-কে বলেছিলেন, বিজেপিতে ঐক্যমতের ভিত্তিতে নেতা নির্বাচন করা হয় ঠিকই, তবে বিজেপির অভিভাবক (সঙ্ঘ)-এর মতামত অনেকটাই গুরুত্ব পায়। তাঁর বক্তব্য, দলের সভাপতি বা প্রেসিডেন্টকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হয় না। যেমন, বিজেপির নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তার প্রায় এক যুগ আগেই তিনি দলের সভাপতির পদ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আবার ২০১৩ সালে, দলের তৎকালীন সভাপতি রাজনাথ সিং মোদির নাম প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থীর জন্য প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, "আমাদের দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড হল সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী সংস্থা। তারাই কোনো নামে প্রথমে সম্মতি দেয়, এবং সঙ্ঘের নেতৃত্ব প্রকাশ্যে না-এলেও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় খুব ঘনিষ্ঠভাবেই যুক্ত থাকেন।" তাঁর কথায়, এরপর পার্লামেন্টারি বোর্ড সবুজ সংকেত দিলে, ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ বা জাতীয় কর্মসমিতি সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা আন্দোলনে আরএসএস-এর ভূমিকা নিয়ে আজও প্রশ্ন চিহ্ন রয়েছে, বরং বিনায়ক দামোদর সাভারকারের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ ওঠে তাঁরা সেদিন ইংরেজদের সামনে মুচলেকা দিয়েছিলেন। অথচ স্বাধীনতা দিবসের পবিত্র মঞ্চকে সেই সংগঠনেরই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করলেনা মোদি। ১৯৩০-এর সত্যাগ্রহ, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলন কোনোটাতেই অংশ নেয়নি আরএসএস। স্বাধীনতার পরে জাতীয় পতাকা ও সংবিধানেও আপত্তি জানায় ওই সংগঠন।

অতীতে একাধিকবার কংগ্রেস সরকার আরএসএসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ১৯৪৭-এর ২৪ জানুয়ারি পঞ্জাব প্রদেশে প্রথম নিষিদ্ধ হয়েছিল। এরপর ১৯৪৮ সালে ঘোষিত সঙ্ঘী নাথুরাম গডসে মহাত্মা গান্ধী-কে হত্যা করে। যদিও সঙ্ঘ দাবি করে, ১৯৩০ সাল থেকে নাকি গডসে আর সঙ্ঘের সদস্য ছিল না। তবে গান্ধী হত্যার পর থেকেই আরএসএসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর আবার জরুরি অবস্থার সময় এবং বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনায় আরএসএসকে নিষিদ্ধ করা হয়।

মোদি এই সংগঠনকেই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ এনজিওর তকমা দিয়ে বসলেন। নিজেকে আরএসএস-এর একজন একনিষ্ঠ স্বয়ংসেবক প্রমাণ করতে গিয়ে, স্বাধীনতা দিবসের দিনও ইতিহাসের তোয়াক্কা করলেন না। যা দেখে স্তম্ভিত ইতিহাসের মনোযোগী ছাত্ররা।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।