কেন সংবাদমাধ্যমগুলির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ দিল জম্মু ও কাশ্মীর আদালত?

Jammu and Kashmir Court Order : রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড ইকবালকে "পুলওয়ামা-সহ বড় বড় সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত শীর্ষ কমান্ডার" বলে দাবি করেছিল। সিএনএন, নিউজ১৮ তাঁকে "লস্কর-ই-তৈয়বার একজন সন্ত্রাসী" বলে দাবি করে।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
কেন সংবাদমাধ্যমগুলির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ দিল জম্মু ও কাশ্মীর আদালত?

সংখ্যালঘু শিক্ষককে 'সন্ত্রাসী' বলে দাবি করেছিল জি নিউজ, নিউজ১৮ এবং অন্যান্য কিছু সংবাদমাধ্যম। তাদের সম্পাদক ও রিপোর্টারদের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর আদালত। সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের পুঞ্চ শহরের বাসিন্দা মুহাম্মদ ইকবাল ৭ মে সকালে নিহত হন। এর ঠিক আগের দিনই পহেলগাঁও হামলার প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছিল ভারত। মুহাম্মদ ইকবালের মৃত্যুর পর তাঁকে 'পাকিস্তানি সন্ত্রাসী' হিসেবে দাবি করেছিল কিছু সংবাদমাধ্যম। ২৮ জুন সাব-জজ শফিক আহমেদের আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে, পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘাঁটির বিরুদ্ধে ভারত 'অপারেশন সিন্দুর' শুরুর পর জম্মু ও কাশ্মীরের তীব্র উত্তেজনার সময় কিছু সংবাদমাধ্যম "দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রতিবেদন" করেছে।

নিহত ওই শিক্ষককে 'সন্ত্রাসী' বলে দাবি করে জি নিউজ, এবিপি এবং নিউজ ১৮ সহ আরও কয়েকটি চ্যানেল। একটি চ্যানেল দাবি করেছিল, ওই শিক্ষক পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে "সন্ত্রাসী শিবিরের ওপরে ভারতীয় হামলায়" নিহত হয়েছেন এবং তিনি পাকিস্তান-ভিত্তিক 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার একজন সন্ত্রাসী'। আগেই বিবিসি এ বিষয়ে টিভি চ্যানেলগুলির প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইংরেজি চায়নি বামেরা, চাইছেন না অমিত শাহও! কোথায় মিল, কোথায় ফারাক?

Amit Shah: বামফ্রন্টের প্রাথমিক থেকে ইংরেজি তুলে দেওয়া এবং আজ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে এক অদ্ভুত সাদৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

নিহত শিক্ষকের ভাই ফারুক আহমেদ বিবিসি-কে বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার বৃহত্তম মাদ্রাসা জামিয়া জিয়া-উল-উলূমে শিক্ষক ছিলেন ক্বারী মোহাম্মদ ইকবাল। এখানে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করতেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেল তাঁকে সন্ত্রাসী বলে মিথ্যা দাবি করে।

রিপাবলিক ওয়ার্ল্ড ইকবালকে "পুলওয়ামা-সহ বড় বড় সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িত শীর্ষ কমান্ডার" বলে দাবি করেছিল। সিএনএন, নিউজ১৮ তাঁকে "লস্কর-ই-তৈয়বার একজন সন্ত্রাসী" বলে দাবি করে। এবং জি নিউজ দাবি করে "অপারেশন সিন্দুর"-এর সময় নিহত "সন্ত্রাসী" বলে দাবি করে। পুঞ্চের বাসিন্দা যাঁরা ইকবালকে জানতেন তাঁরা এই মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। স্থানীয় পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, তিনি সন্ত্রাসী নন, এই দাবি অসত্য। বিবৃতিতে চ্যানেলগুলিকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া ছিল ওই বিবৃতিতে। এখানে বলে রাখার, নিউজ ১৮ ছাড়া আর কোনো চ্যানেলই ক্ষমা চায়নি।

পাহেলগাঁও হামলার পর ভারত-পাকিস্তানের সংঘাত যত তীব্র হচ্ছিল, পাল্লা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ফেক নিউজের ছড়িয়ে পড়েছিল। যেমন পাকিস্তানের করাচী বন্দর ধ্বংস করে দিয়েছে ভারত, এমন খবরও ছড়িয়ে পড়েছিল। যদিও পরে ভারত সরকার নিজেরাই এই তথ্য ভুয়া বলে জানিয়েছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যেভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জোর করে সমুদ্রে নামিয়ে দিল ভারতীয় নৌবাহিনী

Rohingya Refugee: তাঁরা এও বলেন, তাঁদের লাইফ জ্যাকেট ছাড়া আর কিছুই দেওয়া হয়নি, কোনো ভাবে সাঁতার কেটে মায়ানমারের ভূখণ্ডে পৌঁছান, যেখান থেকে প্রাণভয়ে একদা তাঁদের পালাতে হয়েছিল।

স্বাধীন সংবাদ পোর্টাল নিউজ লন্ড্রি-র ম্যানেজিং এডিটর মনিষা পাণ্ডে বলছিলেন, "যে মাত্রায় ফেক নিউজ এবং যাচাই না করা তথ্য গণমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, তা দেখে অবাক হয়ে যেতে হয়।" তাঁর কথায়, চ্যানেলগুলি যে দর্শক টানার জন্য উস্কে দেওয়ার মতো খবর করবে, তা প্রত্যাশিত ছিলই। তবে "উগ্র দেশপ্রেম এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন" ভাবে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের মাত্রাহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। অন্তত তিনি আগে কখনও এরকমটা দেখেননি বলেই দাবি করেন।

আদালত জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশকে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩ সালের ধারা ৩৫৩ (২) (জনসাধারণের ক্ষতি), ৩৫৬ (মানহানি) এবং ১৯৬ (১) (কোনো ধর্মীয় পরিচিতির জন্য শত্রু বলে প্রচার) এবং ২০০০ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইন, ধারা ৬৬ (কম্পিউটার ব্যবহার করে অসৎ বা প্রতারণামূলক কাজ)-এর অধীনে এফআইআর নথিভুক্ত করতে বলেছে।

পুঞ্চ থানার হাউস অফিসার (এসএইচও)-কে সাত দিনের মধ্যে একটি রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংবিধানের ১৯(১)(ক) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, ১৯(২) অনুচ্ছেদে কিছু বিধিনিষেধও রয়েছে। তার মধ্যে মানহানি, জনসাধারণের মধ্যে শান্তি বজায় রাখা এবং নৈতিকতার মতো বিষয়গুলি রয়েছে।

আদালত তরফে জানানো হয়, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তথ্য যাচাই না করেই একজন মাদ্রাসার বেসামরিক শিক্ষককে 'পাকিস্তানি সন্ত্রাসী' বলে দাবি করার বিষয়টি শুধুমাত্র ভুল বলে মেনে নেওয়া যায় না। আদালত বলেছে, সংবাদমাধ্যম গুলির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে তাদের প্রতিবেদনগুলি "সঠিক, ন্যায্য এবং যাচাইকৃত" করে তবেই প্রকাশ করার। আরও বলা হয়, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশের লাইসেন্স তো দেয়ই না, এই ধরনের ঘটনা সমাজের জন্যও অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ঘটনা শুধুমাত্র আতঙ্কেরই সৃষ্টি করে না, মৃত ব্যক্তির মর্যাদাকেও অসম্মান করা হয়। ফলত এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানায় আদালত। এখন দেখার সত্যিই এই ঘটনার বিচার হয় কিনা।

উল্লেখ্য, আগেও ভারতে বিভিন্ন ঘটনায় ফেক নিউজের বাড়বাড়ন্ত দেখা গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন দিন দিন এই প্রবণতা বেড়েই চলেছে? কেন এর বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয় না?

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।