বারবার সুযোগ পেয়েও 'ঐতিহাসিক ভুল', জ্যোতি বসু প্রধানমন্ত্রী হলে অন‍্যভাবে লেখা হত ভারতের ইতিহাস

Jyoti Basu: জ্যোতি বসু বলেছিলেন, ‘ঐতিহাসিক ভুল’ করেছে দল

tiasa gupta
৫ মিনিট
বারবার সুযোগ পেয়েও 'ঐতিহাসিক ভুল', জ্যোতি বসু প্রধানমন্ত্রী হলে অন‍্যভাবে লেখা হত ভারতের ইতিহাস

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন উঁকি দিয়েছিল দিল্লির আনাচ-কানাচে। বিরোধীদের সেই বাড়া ভাতে ছাই দেয় কেন্দ্র। '২১-এর বিধানসভা ভোটে বিজেপির তাবড় তাবড় নেতাদের একাই দুরমুশ করে রাজ্য থেকে বিদায় দিয়েছেন মমতা। তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। তারপর রাজনীতির অলিন্দে আগমী লোকসভা ভোটে মমতা 'মোদিবিরোধী মুখ' হয়ে উঠবেন কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। উনিশের ভোটেও বিজেপিবিরোধী জোট গড়ার চেষ্টা করেছিলেন মমতা। '২৪-এর ভোটের দিকে তাকিয়ে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার কাজ শুরু করেছিল বিরোধী দলগুলি। সেই আশা ফললে স্বাধীনতার ৭৭ বছরে দেশ প্রথম পেত কোনও বাঙালি প্রধানমন্ত্রী। সেই আশা ক্রমশই সোনার পাথারবাটিতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই ও ইডি মমতা সরকারকে দুর্নীতির পাঁকে নিমজ্জিত করেছে। সরকার সেই পাঁক থেকে স্বচ্ছ ইমেজ নিয়ে মুখ তুলে দাঁড়াতে পারছে না। অভিষেককে ধরেও টানাটানি শুরু হয়েছে। ফলে মমতাকে দাবিয়ে দেওয়ার এর থেকে ভালো হাতিয়ার আর কী হতে পারে?

কিন্তু মমতা প্রথম নন, বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন আগেও উঁকি দিয়েছিল। একবার নয়, তিন তিন বার হাতে-গরম সুযোগ। যাঁকে কেন্দ্র করে এই স্বপ্নের জাল বুনেছিল বাঙালি, তিনি জ্যোতি বসু।

সাধারণত, আমরা জানি, ১৯৯৬ সালে টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্যোতি বসুর সামনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু, দলই তাতে আপত্তি তোলায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে পারেননি। একেই জ্যোতি বসু বলেছিলেন 'ঐতিহাসিক ভুল' বা 'হিস্টোরিক ব্লান্ডার'। তাঁর বইয়ে এক প্রাক্তন সিবিআই কর্তা দাবি করেন, ১৯৯৬ সালের আগে আরও দু'বার জ্যোতিবাবুর সামনে এমন সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। ১৯৯০ এবং ১৯৯১ সালে। আর তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনুরোধ জানান স্বয়ং রাজীব গান্ধী!

আগে দু’বার প্রস্তাব ফিরিয়েছেন

১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহের নেতৃত্বে কেন্দ্রে সরকার হয়, বাইরে থেকে সমর্থন করেছিল বিজেপি ও বামেরা। পরের বছর, ১৯৯০-এর শেষ দিকে বিজেপি নেতা আদবানি রামমন্দির রথযাত্রা শুরু করেন, দেশজুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়, মাসখানেক পর আদবানি বিহারে গ্রেফতার হন। সেই সময়ের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ-র সরকার থেকে বিজেপি সমর্থন তুলে নেয়, গরিষ্ঠতা হারিয়ে বিশ্বনাথ প্রতাপ সরকার পড়ে যায়। এহেন ডামাডোলে দেশের হাল ধরার জন্য রাজীব গান্ধী জ্যোতি বসুর কাছে প্রস্তাব পাঠান, এমনটাই জানিয়েছেন প্রাক্তন আমলা অরুণপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, তাঁর লেখা বইয়ে। অরুণবাবু এ-রাজ্যের ডিজিপি, পরে সিবিআই-এর ডিরেক্টর, কেন্দ্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারি, তারও পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ গুপ্তর উপদেষ্টা হয়েছিলেন। তিনি তাঁর আত্মজীবনী 'Unknown Facets of Rajiv Gandhi, Jyoti Basu, Indrajit Gupta’ শীর্ষক বইয়ে লিখেছেন, একবার নয়, অল্প সময়ের ব্যবধানে দু’বার এমন প্রস্তাব করা হয়েছিল। ১৯৯০ সালের অক্টোবরে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ-র সরকার পড়ে গেলে কংগ্রেস সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা জানত, কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন সরকার গড়া মুশকিল, প্রায় অসম্ভব। ফলে তারা এমন একজন নেতাকে খুঁজছিল, যাকে দেশের মানুষ শ্রদ্ধা করে। অরুণবাবু জানাচ্ছেন, রাজীব গান্ধীর তালিকায় তিনজনের নাম ছিল, প্রথম জ্যোতি বসু, শেষ জন চন্দ্রশেখর। সেই অনুযায়ী রাজীব গান্ধী বিশ্বস্ত দূত মারফত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব পাঠান জ্যোতি বসুকে। জ্যোতি বসু সব শুনে বলেছিলেন, "এই ব্যাপারে আমি দলে আলোচনা করব।" কিন্তু সিপিএম নেতারা সেই প্রস্তাব মানেননি, পত্রপাঠ তা নাকচ করে দেন। পরিণতিতে কংগ্রেসের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন চন্দ্রশেখর সিংহ। ৭ মাস পরে সামান্য অজুহাতে কংগ্রেস সমর্থন তুলে নেয়, চন্দ্রশেখর সরকার পড়ে যায় ৬ মার্চ, ১৯৯১। রাজীব গান্ধী আবার জ্যোতি বসুকে খবর পাঠান, জানিয়েছেন অরুণপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কিন্তু এবারও সিপিএম নেতাদের অধিকাংশ বেঁকে বসেন, গোঁড়া মার্কসবাদীরা দেশের বাস্তবতা বুঝতে পারেননি। ফলে সরকার গড়া হয় না, চলে আসে ১৯৯১ সালের লোকসভা ভোট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
একচিলতে ঘরেই কেটে গেল জীবন, এনার্জিতে আশি বছরের বৃদ্ধ বিমান লজ্জায় ফেলবেন তরুণদেরও

বিমান বসুর জীবনধারা ও সম্পত্তির খতিয়ান কি লজ্জায় ফেলবে না আজকের নেতা-মন্ত্রীদের?

১৯৯১ সালে লোকসভা ভোট চলাকালীন রাজীব গান্ধী খুন হয়ে যান। জ্যোতি বসু তাঁর ‘যতদূর মনে পড়ে’ বইয়ে লিখেছেন,

২০ মে (১৯৯১) প্রথম দফার নির্বাচন সব শেষ হবার পরের দিনই রাজীব গান্ধী তামিলনাড়ুর পেরেমবুদুরে খুন হয়ে গেলেন। এলটিটিই জঙ্গিরা ওঁকে যেভাবে হত্যা করল তা এককথায় বীভৎস, ভয়াবহ ও নিন্দার যোগ্য। সারা দেশ শিউরে উঠেছিল ওই ঘটনায়। একজন তরুণ রাজনীতিবিদের এরকম পরিণতি সারা দেশকেই দুঃখিত করেছিল। কিন্তু এর ফলে নির্বাচনের চরিত্র পাল্টে যায় এবং একই নির্বাচনকে দু’টি নির্বাচনে পরিণত করে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে রাজীবের মৃত্যুর ফলে সহানুভূতির ঢেউ কংগ্রেস-আই এর পক্ষে যায়। রাজীব গান্ধী যদি মারা না যেতেন, তাহলে কংগ্রেস (আই) দল ২১৮টি আসন পেত না।

সহানুভূতির হাওয়ায় কংগ্রেসের ভালো ফলের উপর সওয়ার হয়ে আরও কিছু দলের সমর্থন নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন নরসিংহ রাও। নরসিংহ রাও নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে পাঁচ বছর সরকার চালান। পাঁচ বছর পরে ১৯৯৬-এর ভোটে কংগ্রেসের ফল খারাপ হলে আবার জ্যোতি বসুর কাছে একই প্রস্তাব আসে।

'৯৬ এর 'ঐতিহাসিক ভুল'

১৯৯৬-এ কোনও দল বা জোট অর্ধেকের বেশি আসন পায়নি। এই অবস্থায় কংগ্রেস-সহ প্রায় সব বিজেপি-বিরোধী শক্তি জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী করতে চেয়েছিল। কিন্তু সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটি দু’বার ভোটাভুটি করে সেই প্রস্তাব ভেস্তে দিল। প্রথমবার এই সিদ্ধান্ত জানাতে গেলে বন্ধু দলরা সিপিএমকে পুনর্বিবেচনা করতে বলে। ফলে পরের দিন সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটি আবার বৈঠকে বসে, কিন্তু জ্যোতি বসু হরকিষেন সিংহ সুরজিত-সহ বরিষ্ঠ নেতাদের যুক্তি মেনে সরকারে না যাওয়ার মতই আঁকড়ে থাকেন। কিছুদিন পরে জ্যোতি বসু বলেছিলেন, ‘ঐতিহাসিক ভুল’ করেছে দল। যাই হোক, বাধ্য হয়ে এইচডি দেবগৌড়াকে প্রধানমন্ত্রী বাছা হলো।

এই সময়েই ঘটে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। শপথ নেওয়ার ঠিক আগে দেবগৌড়া এক চিঠি লেখেন জ্যোতি বসুকে। চিঠিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে জ্যোতি বসুকে হাল ধরার অনুরোধ করেন। কিন্তু দলে সংখ্যালঘু জ্যোতিবাবু তা নিয়ে অগ্রসর হতে চাননি। এই বিষয়ে বিশদ তথ্য ও দেবগৌড়ার চিঠিটি পাওয়া যায় সুরভি বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা 'Jyoti Basu– The Authorised Biography’ গ্রন্থে।

২৩ বছর ১৬৫ দিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু। জীবদ্দশায় তাঁর রেকর্ড ভাঙতে পারেনি দেশের কোনও মুখ্যমন্ত্রী। জনপ্রিয়তায় তাঁকে পাল্লা দেওয়া ছিল মুশকিল। ১৯৯৬ সালে যুক্তফ্রন্ট যখন সিপিআই(এম) নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনুরোধ জানায়, তখন তাঁর দলই বিরোধিতা করে। মূল বিরোধিতা করেছিলেন সিপিএম-এর শীর্ষ নেতা প্রকাশ কারাট। তাঁর সেই সিদ্ধান্তকে এখন 'ঐতিহাসিক ভুল' বলে মনে করা হয়। এখনও অনেক সিপিএম নেতা যা নিয়ে আক্ষেপ করেন।

এই বই সম্পর্কে লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও বহিষ্কৃত সিপিএম নেতা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য, "আমি জ্যোতিবাবুর 'ঐতিহাসিক ভুল' উক্তির সঙ্গে একমত। ওই ভুল না হলে দেশের ইতিহাস অন্যরকমভাবে লেখা হত। এখন দলটার কী অবস্থা দেখুন। রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।" বইটিতে লেখক সিপিএম নেতাদের 'অবাস্তব', 'অদূরদৃষ্টিসম্পন্ন' বলে উল্লেখ করেছেন।

বাঙালির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে গেল? এর উত্তর এখনই মেলা ভার। কারণ মমতাকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজনীতি আবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা উঁকি দিলেও তা ম্লান হতে সময় লাগেনি। তবে রাজনীতির পাশা কখন কোন দিকে ঘুরবে, বলা মুশকিল।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।