সময়ের উল্টোদিকেও রয়েছে 'পদার্থ'? যে খোঁজ বদলে দিতে পারে আমাদের সব বোঝাপড়া

Anti Matter: বিগ-ব্যাংয়ের সময় সম পরিমাণ 'পদার্থ' ও 'প্রতিপদার্থ' উৎপন্ন হওয়ার কথা যারা কিনা একে অপরকে বিনাশ করে কেবল শক্তির জন্ম দেবে অর্থাৎ জগতে শুধু শক্তি থাকার কথা।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
সময়ের উল্টোদিকেও রয়েছে 'পদার্থ'? যে খোঁজ বদলে দিতে পারে আমাদের সব বোঝাপড়া

চারপাশে আমরা যা দেখি, বা আমাদের চারপাশটা যা দিয়ে গড়া তাই-ই ‘পদার্থ’। আর এদের সঙ্গে ‘বল’ ও ‘শক্তির’ কী রকম সম্পর্ক সেটারই পোশাকি নাম ‘পদার্থবিদ্যা’। আমাদের চারপাশের পরিচিত জগৎ অণু-পরমাণু দিয়ে গড়া, যা কিনা আবার ‘ইলেকট্রন’, ‘প্রোটন’ ও ‘নিউট্রনের’ সমন্বয়ে তৈরি। কিন্তু আজ থেকে প্রায় নয় দশকেরও আগে জগৎ বিখ্যাত পদার্থবিদ পল ডিরাক সর্ব প্রথম ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে ইলেকট্রনের প্রতি কণার ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন। এর ঠিক চার বছর পরে, এক তরুণ বিজ্ঞানী কার্ল এন্ডারসনের ক্লাউড চেম্বারে যার অস্তিত্ব ধরা পড়ে তার ভর, ইলেকট্রনের ভরের সমান, কিন্তু আধান বিপরীত। বিজ্ঞানীরা তার নাম দেন ‘পজিট্রন’।

ডিরাকের তত্ত্ব এত শীঘ্রই সাফল্যের মুখ দেখায়, কণা পদার্থবিদরা মেতে ওঠেন আরও অন্যান্য কণার প্রতিকণার সন্ধানে। এবং সেই কাজে নিমগ্ন থাকে বিজ্ঞানীদের দু’টি দল, যার একটির মাথায় ছিলেন এডওয়ার্ড লোফেগ্রীন ও অপরটির যৌথ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন বিখ্যাত নিউক্লিয়ার পদার্থবিদ এমিলিও সেগরি এবং চেম্বারলেন। এই দু’টি দল মুখ্যত নিয়োজিত ছিল প্রোটনের প্রতিকণার সন্ধানে। অবশেষে ১৯৫৫ সালে এই দ্বিতীয় দলটির গবেষণায় সন্ধান মেলে ত্রিশ জোড়া ‘অ্যান্টি প্রোটন’-এর। পরের বছরেই লরেন্সের ‘বার্কলে’ জাতীয় পরীক্ষাগারে, ব্রাস কর্কের তত্ত্ববাধানে হদিশ মেলে ‘অ্যান্টি নিউট্রনের’ও। আবারও ডিরাকের তত্ত্ব সাফল্য পায়, আর প্রোটনের ‘প্রতিকণা’ আবিষ্কারের মতো যুগান্তকারী কাজের জন্যে নোবেল কমিটি সেগরি ও চেম্বারলেনকে ১৯৫৯ সালে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত করে। অতএব, ইলেকট্রনের মতো প্রোটন ও নিউট্রনের দোসরের সন্ধান মিলল, যাদেরকে বিজ্ঞানীরা ডাকেন ‘অ্যান্টি প্রোটন’ ও ‘অ্যান্টি নিউট্রন’ নামে। তার মানে সব ‘প্রতিকণা’রই নামের শুরুতে একটা ‘অ্যান্টি’ আছে, কেবলমাত্র ইলেকট্রনেরই প্রতিকণা ‘পজিট্রন’।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিবর্তনের টাইমমেশিন আবিষ্কার! চিকিৎসায় নোবেলজয়ী প্যাবোর গবেষণা বদলে দেবে ইতিহাস

Nobel Prize in Medicine 2022: সাইবেরিয়ার ডেনিসোভা গুহা থেকে পাওয়া যায় চল্লিশ হাজার বছর পুরনো এক খণ্ড আঙুলের হাড়। প্যাবোর অত্যাশ্চর্য প্রযুক্তি ছাড়া এই ডেনিসোভান মানুষদের খবর হয়তো আমাদের কাছে অধরাই থেকে যেত।

‘প্রোটন’ আর একটি ‘পজিট্রন’ দিয়ে তৈরি হয় একটি ‘অ্যান্টি হাইড্রোজেন’। সুতরাং একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, আমাদের চারপাশে যা কিছু দেখি তার সবকিছুরই একটি ‘অ্যান্টি’ থাকা সম্ভব, এবং পদার্থবিদরা কণাত্বরক যন্ত্রে সেই সব হরেকরকমের ‘প্রতি পদার্থ’ তৈরি করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। কণা পদার্থবিদ্যার নিয়ম অনুসারে এই সৃষ্ট জগতের মূল উপাদান হলো ‘ইলেকট্রন’, ‘প্রোটন’ ও ‘নিউট্রন’। এরা আবার 'আপ', 'ডাউন', 'স্ট্রেঞ্জ', 'চার্ম', 'টপ', 'বটম' কোয়ার্ক নামক মৌলিক একক সহযোগে তৈরি। যেমন নিউট্রন তৈরি হয় একটি 'আপ' কোয়ার্ক ও দু’টি 'ডাউন' কোয়ার্ক দিয়ে যার পোশাকি নাম 'udd'। 'প্রোটন' তৈরি হয় দু’টি 'আপ' কোয়ার্ক ও একটি 'ডাউন' কোয়ার্ক সহযোগে, যাকে বিজ্ঞানীরা ডাকেন 'uud' নামে।

পদার্থ ও প্রতি পদার্থের একটি বিশেষত্ব হচ্ছে যখন তারা পরস্পরের সংস্পর্শে আসে, তারা একে অপরকে বিনাশ করে শক্তির জন্ম দেয়। আইনস্টাইনের কালজয়ী সমীকরণ e=mc´2 অনুযায়ী সে শক্তির হিসেব আমরা সহজেই করতে পারি। অতএব সমস্ত সৃষ্টিই যেহেতু ‘কণা’ ও তাদের ‘প্রতিকণা’ দিয়ে তৈরি কাজেই আমরা ধরে নিতে পারি জগতে আমরা যেরকম পদার্থ দেখব সেরকম প্রতি পদার্থও দেখতে পাব। কিন্তু এখানেই যত গোলমাল! কোনও এক অজ্ঞাত কারণে আমাদের চেনা জগৎ পুরোটাই তৈরি হয়েছে পদার্থ দিয়ে, এখানে প্রতি পদার্থের কোনও প্রকাশ নেই বা হয়তো কোথাও লুকায়িত আছে যা দেখবার অবকাশ নেই। কারণ পদার্থের সংস্পর্শে এলেই তো আবার সে শক্তির জন্ম দেবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোয়ান্টাম মেকানিক্সে সাড়া জাগানো এই আবিষ্কারই নোবেল এনে দিল তিন পদার্থবিজ্ঞানীকে

Nobel Prize in Physics 2022: অ্যালেন অ্যাসপেক্ট, জন ক্লজা়র, এবং অ্যান্টন জে়ইলিংগার তিনজনেই এনট্যাঙ্গেলড কোয়ান্টাম স্টেটসের উপর সাড়াজাগানো গবেষণা করেছেন।

এই জগৎ সৃষ্টি হয়েছিল বিগ-ব্যাং নামক মহা বিস্ফোরণের মধ্যে দিয়ে কিন্তু ভর শক্তির সংরক্ষণ সুত্রানুসারে, বিগ-ব্যাংয়ের সময় সম পরিমাণ 'পদার্থ' ও 'প্রতিপদার্থ' উৎপন্ন হওয়ার কথা যারা কিনা একে অপরকে বিনাশ করে কেবল শক্তির জন্ম দেবে অর্থাৎ জগতে শুধু শক্তি থাকার কথা। এই গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি কিছুই থাকার কথা নয়, থাকার কথা শুধু শক্তির। কিন্তু আমাদের এই মহাবিশ্বে গ্রহ, নক্ষত্র সবই বিরাজমান। যেন কোনও এক অজানা কারণে, 'প্রতি পদার্থ', 'পদার্থের' কাছে হেরে গেছে, আর কিছু বাড়তি পদার্থ রয়ে গেছে আমাদের দৃশ্যমান জগতকে সাজানোর জন্য। কিন্তু এসবের সৃষ্টির কারণ এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে অধরা। এই পদার্থ ও তার দোসর ‘প্রতি পদার্থের’ পরিমাণগত বৈষম্য আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানীদের কাছে এক রহস্যময় ধাঁধা। এই বৈষম্য যে উপায়ে তৈরি হয় তার পোশাকি নাম ‘বেরিওজেনেসিস’। প্রতিপদার্থের কণাগুলো সহজে তৈরি করা যায় না। একমাত্র কণাত্বরক যন্ত্র ও তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গন থেকে একক প্রতিকণা তৈরি করা যায়। অনেক প্রচেষ্টার পরে, সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে অ্যান্টি-হিলিয়াম নিউক্লিয়াস তৈরি করতে পেরেছেন। এটাই এখনও পর্যন্ত তৈরি করা সব থেকে জটিল প্রতিকণা।

পদার্থবিদ্যার সঙ্গে কম-বেশি পরিচিত সকলেই 'LHC' বা লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের নাম শুনেছে, যা কিনা বিপুল অর্থ ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের সীমানা বরাবর ২৭ কিলোমিটার পরিধি জুড়ে। আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদ অনুযায়ী, কোনও বস্তুর গতিবেগ, আলোর গতিবেগের খুব কাছাকাছি বা সমান হলে, তার ভর প্রায় অসীমে পৌঁছায়। সে জন্যে সে কখনই আলোর বেগে চলতে পারেনা, বড় জোর তার কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। এই যেমন 'LHC'-কণা ত্বরকের ভিতরে 'প্রোটন' ৯৯.৯৯৯৯৯৯ গুণ আলোর বেগ নিয়ে চলতে পারে, পুরোপুরি ১০০% কিন্তু নয়। এল.এইচ.সির এই বিপুল কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পদার্থবিদ্যার অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন।

পরিশেষে পদার্থবিদ্যার বহুদিনের একটি পর্যবেক্ষণের কথায় আসি। ধরি, একটি ‘ইলেকট্রন’ ও তার প্রতিকণা ‘পজিট্রন’ একে অপরের দিকে তেড়ে এসে যে কোনও মোড়ের মাথায় ধাক্কা খেয়ে শক্তি তৈরি করল, অপরদিকে একটি ইলেকট্রন আগের ঘটনার ইলেকট্রনের প্রারম্ভিক বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে মোড়ের মাথায় পৌঁছে সময়রেখার উল্টো দিক বরাবর যাত্রা শুরু করে 'পজিট্রনের' প্রারম্ভিক বিন্দুতে পৌঁছল। পদার্থবিদ্যার নিরিখে ঘটনা দু’টির ভেতরে কোনও ফারাক নেই। অর্থাৎ, 'প্রতি পদার্থ' হচ্ছে সময়ের উল্টোদিকে বহমান 'পদার্থ'। অনেকটা নেগেটিভ সংখ্যার মতো। একটা পজিটিভ সংখ্যা ও একটি নেগেটিভ সংখ্যা যোগ করলে যেমন কিছুই অবশিষ্ট থাকে না, ঠিক সেরকম পদার্থের সঙ্গে প্রতি-পদার্থ মিলিত হলে দুটোই অদৃশ্য হয়ে যায়! জন্ম দেয় শুধুই শক্তির। বিগ-ব্যাং তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতি পদার্থের গুরুত্ব অপরিসীম। অদূর ভবিষ্যতে এই প্রতি-পদার্থের অস্তিত্ব হয়তো অনেক অজানা কৌতূহলের দাঁড়ি টানবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।