আদবানিই গড়েছেন তাঁকে, অথচ কেন গুরুকেই বাতিল করে দিলেন একলব্য মোদি?

Modi and LK Advani Relation : ১৯৯০ সালে আদবানি বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের প্রচারের জন্য সমর্থন জোগাড় করতে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
আদবানিই গড়েছেন তাঁকে, অথচ কেন গুরুকেই বাতিল করে দিলেন একলব্য মোদি?

একলব্য আঙুল কেটে দিয়েছিলেন। সে যুগ গত, সেই একলব্যও বদলে গিয়েছে তুমুল। শিষ্য গুরুদক্ষিণা দিতে গিয়ে আসলে গুরুকেই করে তুলছে অপাংক্তেয়। এতটাই অপাংক্তেয় যে দেশ বদলে দেওয়া রাজনীতির এক চরম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গুরুকে অস্বীকার করছেন একলব্য! রামমন্দিরের উদ্বোধনে আদবানি, মুরলি মনোহর যোশীদের না আসার অনুরোধ করা হয়েছে। অথচ ভারতের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টির উত্থানের নেপথ্যের সিংহভাগ কৃতিত্বই লালকৃষ্ণ আদবানির।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয় হওয়ার আগে নবতিপর আদবানিই ছিলেন বিজেপির পোস্টার বয়। কে না জানে, অযোধ্যায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণের রাজনৈতিক খেলায় প্রতিটা চাল ছিল আদবানিরই মস্তিষ্কপ্রসূত! ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদবানি ফের মূল বিজেপি রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন। ১৯৯২ সালে ১৬ শতকের বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার জন্য হিন্দু জনতাকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে আদবানিকে খালাস করে এক আদালত। ১৯৯২ এর বাবরি ধ্বংস সারা দেশে বিজেপি ও হিন্দুত্ববাদের উত্থানের ভিত্তি ছিল। আদবানি ছিলেন সেই উত্থানের হোতা। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাই বলছেন, আদবানি যে দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাতে তিনি নিজেই এখন কার্যত অপ্রাসঙ্গিক। দল বা সরকারের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদেই তিনি নেই, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তাঁর মতামতও শোনা যায়নি কোনও। তাঁর মতামতের ধারও ধারেনি বিজেপি। এমনকী তাঁকে সেই রাম মন্দিরের উদ্বোধনেই আসতে বারণ করা হয়েছে যা তিনি না থাকলে তৈরিই হতো না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ বুঝতেন অটল বিহারী, বাজপেয়ীর বিজেপির থেকে কোথায় আলাদা মোদির বিজেপি?

Atal Bihari Vajpayee: নিজের প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৯০ শতাংশ সময়ই বিরোধী আসনে বসেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার পরপরই আদবানি এবং দলের অন্যান্য বরিষ্ঠ নেতাদের 'গাইডেন্স কাউন্সিল' নামে একটি দলে রাখেন। মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যে অমিত শাহ দলের সভাপতি হন। সেই বছরের অগাস্টেই আদবানি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মুরলি মনোহর যোশী -- ১৯৮০ সালে দলের তিন প্রতিষ্ঠাতাদের নবগঠিত উপদেষ্টা পরিষদের অংশ করা হয়। শুনতে উপদেষ্টার মতো হলেও বিশ্লেষকদের মতে কোনও বাস্তব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই ছিল না এই বয়োজ্যেষ্ঠদের।

১৯৮৪ সালে দু'টি সংসদীয় আসন ছিল বিজেপির। সেইখান থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সরকার গঠন করতে বিজেপিকে সাহায্য করেছিলেন আদবানি, কিন্তু যে তরুণ নেতাদের হাতে ধরে গড়েছিলেন আদবানি তাঁরাই কেউ পাত্তাও দেননি তাঁকে। বিজেপিতে নরেন্দ্র মোদিকেও এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন আদবানিই। ২০১৩ সালে প্রবীণ আদবানি ঘোষণা করেন যে, তিনি সমস্ত দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। বিশ্লেষকরা বলেন, আদবানির তরফে এটিই ছিল বিশাল ইঙ্গিত। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে দলের নির্বাচনী প্রচারে নেতৃত্ব দেওয়ার নরেন্দ্র মোদিকে বেছে নেওয়াতে সন্তুষ্ট ছিলেন না আদবানি। পদত্যাগের পর অনেক নেতাই আদবানিকে বোঝাতে তাঁর বাড়িতেও ছুটে যান। শেষ পর্যন্ত মোদিকে সমর্থনই করেছিলেন আদবানি, এমনকী তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদবানি আরও নীরব হয়ে যান। ২০১৯ সালে মোদি ফের ব্যাপকভাবে জয়ী হন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদির রামমন্দির উদ্বোধনে কেন ব্রাত্য লালকৃষ্ণ আদবানিরা?

Ram Mandir Inauguration : লালকৃষ্ণ আদবানিকে অপছন্দ করার রাজনৈতিক কারণ রয়েছে নরেন্দ্র মোদির।

আদবানি অটল বিহারী বাজপেয়ীর অধীনে প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী হন। ২০০৪ সালের মে মাসে সাধারণ নির্বাচনে হারের পর দলকে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসেন তিনি। নিজের ওয়েবসাইট এবং ব্লগের মাধ্যমে তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন আদবানি। ২০০৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রচারের সময় জিমে অবধি প্রচার চালান আদবানি। তবে দলের তাতে কোনও লাভ হয়নি। কংগ্রেসকে হারেতে পারেনি বিজেপি, মনমোহন সিংই সেবার ক্ষমতায় আসেন। ১৯৯০ সালে আদবানি বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের প্রচারের জন্য সমর্থন জোগাড় করতে ভারত ভ্রমণ করেছিলেন। বাবরির ধ্বংস ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ধর্মীয় হিংসার ঘটনাটি ঘটিয়ে ফেলে। হিন্দুদের উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই আদবানি নিজের নাম ওই তালিকা থেকে মুছে ফেলার জন্য লড়াই করেছেন। খালাস পাওয়া সত্ত্বেও হিন্দু-মুসলিম উত্তেজনাকে কাজে লাগিয়ে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ কিন্তু মুছে যায়নি আদবানির নাম থেকে।

আদবানির জন্ম পাকিস্তানের করাচিতে। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হওয়ার ঠিক আগে তাঁর পরিবার ভারতে চলে আসে। হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য ছিলেন আদবানি। এইখানেই নিজের আদর্শের শিকড় তৈরি হয়ে যায় তাঁর। আদবানিকে নিয়ে প্রথম বিতর্ক হয় পাকিস্তান সফর নিয়ে। ২০০৫ সালের জুন মাসে ছয় দিনের পাকিস্তান সফর করেছিলেন তিনি। সেখানে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্নাহর প্রশংসা করা এবং তাকে ধর্মনিরপেক্ষ বলায় আদবানিকে ঘিরে ক্ষোভ ও বিতর্কের জন্ম দেয়। বিজেপি ধীরে ধীরে আদবানিকে সরিয়ে দিতে থাকে। দলের সভাপতি পদ থেকে সরে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় তাঁকে।

অথচ আদবানিই আসলে ডানপন্থী এই দলের মেরুকরণ প্রকল্পের মূল স্থপতি। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ২৮২টি আসন জিতেছিল। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসাবে তাঁর প্রথম মেয়াদেই বিজেপি ১৯৮৪ সালে লোকসভার দু'টি আসন থেকে ১৯৮৯ সালে ৮৫ টি আসনে জিতে যায়। হিন্দুত্ব বা উগ্র হিন্দুত্বের দিকে এই ছিল প্রথম উল্লেখযোগ্য বাঁক। ১৯৯০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদবানি একটি রথযাত্রা শুরু করেছিলেন গুজরাতের সোমনাথ মন্দির থেকে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা পর্যন্ত (রাম জন্মভূমি), মন্দিরের দাবিতে। ফলস্বরূপ, ভারতের প্রথম মুঘল সম্রাট বাবরের নামে একটি মসজিদ গুঁড়িয়ে যায় ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর। মসজিদ ধ্বংসের ফলে দেশের বিভিন্ন অংশে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা শুরু হয়। বিজেপির উগ্রতা আর সাম্প্রদায়িক চেহারা প্রথম প্রকাশ্যে এনেছিলেন আদবানিই। অথচ, সেই রাম মন্দিরের উদ্বোধনে তিনিই ব্রাত্য।

বহু বছর পরে, যখন বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হন এবং ২০০২ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করতে গুজরাত সরকারের ব্যর্থতার জন্য মোদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন, তখন আদবানিই দলের জাতীয় কার্যনির্বাহী সভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মোদিকে ধারাবাহিক ভাবে সমর্থন জুগিয়ে যান। আদবানির স্নেহচ্ছায়ায় নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।

সেই নরেন্দ্র মোদিই ধীরে ধীরে নিজেকে বিজেপির হোতা করে তুলতে থাকেন। নিজেকে এমন একজন ব্যক্তি হিসাবে তুলে ধরতে থাকেন মোদি যিনিই দলকে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে জয়ের মুখ দেখাবেন। আদবানি মোদির এই স্বঅভিষেকের চেষ্টাকে প্রতিহত করতে চেয়েছিলেন। মোদি বিজেপিকে জেতানও। দলের অনেকেই ততক্ষণে বলতে শুরু করে দেন, কীভাবে আদবানি নতুন প্রজন্মের সাফল্য হজম করতে পারেননি, কীভাবে আদবানি মোদিকে দমাতে চেয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস। মোদিই দলের প্রচার কমিটির প্রধান হন, প্রধানমন্ত্রীও হন। তাঁর এই উত্থানকে বাধা দেওয়ার চেষ্টার জন্য তিনি আদবানিকে কখনই ক্ষমা করেনি। রাম মন্দিরে কাহিনি মোদি-আদবানির সেই তিক্ততারই ফল মাত্র। বিজেপির এই একলব্য নিজের আঙুল কাটেননি, গুরুকেই সরিয়ে দিয়েছেন যত্নে!

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।