ভয় ও বিভেদ ছড়ানোর নতুন মাধ্যম এখন ইউটিউবাররাই?

YouTube: ইউটিউবের অ্যালগরিদম প্রায়শই এই ধরনের কন্টেন্টকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়, যা তথ্যের ভুল ব্যবহারকে ত্বরান্বিত করে।

Debasis Mithiya
৫ মিনিট
ভয় ও বিভেদ ছড়ানোর নতুন মাধ্যম এখন ইউটিউবাররাই?

ইউটিউব এখন ডিজিটাল বিপ্লবের এক নতুন দিগন্ত। এটি মানুষের জীবনে নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ এনে দিয়েছে। কিন্তু এই প্ল্যাটফর্মে অবাধ তথ্য প্রবাহের অপব্যবহার জন্ম দিচ্ছে নানা নতুন চ্যালেঞ্জের, যা জাতীয় নিরাপত্তাকেও সংকটে ফেলছে। সাম্প্রতিককালে ভারতীয় ট্র্যাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রার পাকিস্তানি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা আবারও সামনে এনেছে ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে তথ্যের অপব্যবহারের গুরুতর ঝুঁকি। অভিযোগ উঠেছে, 'ট্রাভেল উইথ জো' চ্যানেলের এই ইউটিউবারকে ব্যবহার করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ভারতের সামরিক বাহিনীর গতিবিধি, সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ক্যাম্পের অবস্থান এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছিল। ফরেনসিক বিশ্লেষণে জ্যোতির মোবাইল থেকে বিএসএফ ক্যাম্প, রাডার ইনস্টলেশন সম্পর্কিত ভিডিও, সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলের দৃশ্য এবং পাকিস্তানি হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুছে ফেলা কথোপকথন উদ্ধার হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। জ্যোতি ছাড়াও পঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে আরও বেশ কয়েকজন ইউটিউবারকে একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ইউটিউবারদের ভূমিকা কতটা মারাত্মক হতে পারে।

ইউটিউব: এক ডিজিটাল বিপ্লব

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও, ইউটিউবের জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করে ২০১০ সালের মাঝামাঝি থেকে— অর্থাৎ যখন থেকে স্মার্টফোন ও দ্রুতগতির ইন্টারনেটের প্রসার ঘটে। এটি এখন শুধু একটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং লক্ষ লক্ষ মানুষের আয়ের উৎস এবং তথ্যের এক নতুন দিগন্ত। ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (ওয়াইপিপি) চালু হওয়ার পর নির্মাতারা সরাসরি ভিডিও থেকে আয় করার সুযোগ পান, যা এটিকে পেশা হিসেবে জনপ্রিয় করে তোলে। ২০১১ সালে লাইভ স্ট্রিমিং ও ইউটিউব অ্যানালিটিক্স এবং ২০১৭ সালে 'সুপার চ্যাট' ও 'চ্যানেল মেম্বারশিপ'-এর মতো নতুন আয়ের সুযোগ যুক্ত হলে এটি আরও গতি পায়। ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ৫০ কোটির বেশি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে এবং প্রায় ৬.৬ কোটি ইউটিউব ক্রিয়েটর আছেন। প্রতি মিনিটে ৫০০ ঘণ্টার বেশি ভিডিও আপলোড হয় এবং বর্তমানে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন, গুগলের পরেই এর অবস্থান।

ইউটিউব : কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে

ইউটিউব বেকার সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রচলিত চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা থাকা সত্ত্বেও ইউটিউবে সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে মানুষ আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারছে। এটি একটি বিস্তৃত কর্মসংস্থানের বাস্তুতন্ত্র তৈরি করেছে, যেখানে সরাসরি ইউটিউবার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ছাড়াও ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক ডিজাইনার, স্ক্রিপ্ট রাইটার, কন্টেন্ট ম্যানেজার, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার, অডিও ইঞ্জিনিয়ার, লাইটিং টেকনিশিয়ান সহ বহুমুখী সাপোর্টিং পেশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ পূর্ণকালীন চাকরির সমতুল্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারতের ইউটিউব রাজধানী এই গ্রাম! অবাক করবে ইউটিউবারদের উত্থান কাহিনি

India's YouTube capital: মহামারীর পরে অনেক বেশি মহিলা সফলভাবে সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল চালাচ্ছেন এবং এটি নতুন এক অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করছে।

শুধু কর্মসংস্থান নয়, যেকোনও দেশের জিডিপিতেও ইউটিউবের অবদান অনেকখানি। গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ইউটিউবারদের আয় কেবল তাদের ব্যক্তিগত উপার্জন নয়, বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য একটি বিশাল ও কার্যকর বাজার তৈরি করেছে। ব্র্যান্ডগুলি এখন জনপ্রিয় ইউটিউবারদের মাধ্যমে তাদের পণ্যের প্রচার করছে, যা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং নামে পরিচিত। এছাড়াও, ভিডিও উৎপাদন, সম্পাদনা, অ্যানিমেশন, অডিও রেকর্ডিং, লাইটিং, সাউন্ড ডিজাইন এবং স্টুডিও সেটআপের মতো সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলির বিকাশে ইউটিউবের ভূমিকা অপরিসীম। অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২২ সালে ইউটিউবের ক্রিয়েটিভ ইকোসিস্টেম শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপিতে ৪৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অবদান রেখেছে এবং ৪.৩ লাখের বেশি পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের সমান কাজ সৃষ্টি করেছে। ভারতে, ২০২২ সালে এই ইকোসিস্টেম জিডিপিতে প্রায় ১৬,০০০ কোটি টাকার বেশি অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলেছিল এবং ৭.৫ লক্ষের বেশি পূর্ণকালীন কর্মসংস্থানের সমতুল্য কাজ সৃষ্টিতে সাহায্য করেছে। যেসব দেশে ডিজিটালাইজেশন দ্রুত বাড়ছে এবং তরুণ জনসংখ্যা বিশাল, সেখানে ইউটিউব একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করছে।

ইউটিউব: ডানপন্থী দলগুলির রাজনৈতিক স্বার্থে

ইউটিউব এখন রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলের এক শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ডানপন্থী দলগুলি নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্য নিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করতে ইউটিউব প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার করছে।

• জার্মানির কট্টর ডানপন্থী দল অল্টারনেটিভ ফর ডয়চল্যান্ড (এএফডি) এআই-জেনারেটেড ভিডিও ও ছবি ইউটিউবে আপলোড করে অভিবাসন-বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে। তারা এমন ছবি তৈরি করেছে যেখানে 'আদর্শ জার্মান' সমাজের এক বিশেষ চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অভিবাসীদের খারাপভাবে দেখানো হয়, যা সমাজে জাতিগত বিভেদ বাড়াচ্ছে।

• ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা এআই-জেনারেটেড ছবি দিয়ে রাজনৈতিক মিম এবং ভাইরাল ভিডিও তৈরি করছে। তারা কমলা হ্যারিসের সোভিয়েত পোশাক পরা ছবি বা কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানরা ট্রাম্পকে সমর্থন করছে এমন মিথ্যা ছবি তৈরি করে ইউটিউবে ছড়িয়ে দিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধ্রুব রাঠী, রভীশ কুমাররা পারেন, বাংলার ইউটিউবাররা পারেন না কেন?

Dhruv Rathee Ravish Kumar: ধ্রুব রাঠী বুঝতে পেরেছিলেন, শুধু হিন্দিতে নয় বিভিন্ন ভাষায় তাঁর ভিডিওকে পৌঁছতে হবে। তাই তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্য নিয়েছিলেন।

• ফ্রান্সে, মারিন লে পেনের ন্যাশনাল র‍্যালি-র মতো ডানপন্থী দলগুলি এআই দিয়ে এমন ছবি তৈরি করছে যেখানে দেখানো হচ্ছে অভিবাসীরা ফ্রান্সের উপকূলে এসে জড়ো হয়েছে। এই ছবিগুলো ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে অভিবাসন-বিরোধী মনোভাব উস্কে দেওয়া হচ্ছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনের প্রচারেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

• পোল্যান্ডে, ডানপন্থী দলগুলি (যেমন, ল অ্যান্ড জাস্টিস বা পিআইএস) এআই ব্যবহার করে, বিরোধী রাজনীতিবিদদের বিকৃত ছবি/ভিডিও তৈরি করে দেখাচ্ছে বিরোধীরা আপত্তিকর কাজের সঙ্গে জড়িত। কণ্ঠস্বর নকল করে বিতর্কিত মন্তব্য ছড়াচ্ছে। এর ফলে অনলাইন হয়রানি ও ভুল তথ্যের বিস্তার বাড়চ্ছে।

• অন্যান্য দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়াতে এআই ব্যবহার করে মৃত নেতাদের পুনরুজ্জীবিত করে ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। স্লোভাকিয়াতে উদারপন্থী দলের নেতার একটি মিথ্যা অডিও ক্লিপ তৈরি করা হয়েছিল।

ভারতের ডানপন্থী দলগুলিও এই কাজে পিছিয়ে নেই। বিজেপির আইটি সেল বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে ইউটিউবে, ভুল তথ্য ছড়াতে এবং বিরোধীদের হেয় করতে এআই-জেনারেটেড মিম ও ভিডিও ব্যবহার করেছে। তারা রাহুল গান্ধিকে অদক্ষ নেতা হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য এ আই-জেনারেটেড মিম ছড়িয়েছে। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির সমালোচনা করতে দেখা যাচ্ছে, যা ইউটিউব সহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং পরে তা ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়।

এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ও অডিও ছড়ানোর ক্ষেত্রে ইউটিউব একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে, যা এর তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইউটিউবের অ্যালগরিদম প্রায়শই এই ধরনের কন্টেন্টকে আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়, যা তথ্যের ভুল ব্যবহারকে ত্বরান্বিত করে।

ইউটিউব: ভুয়ো সাংবাদিকতা

ইউটিউবের হাত ধরে কর্মসংস্থান বাড়ছে এবং অর্থনীতি সচল হচ্ছে, এটা যেমন ঠিক, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এবং ভুল তথ্যের বিস্তার ঘটছে, সেটাও ঠিক। ইউটিউবের আরেকটি বিপদের দিক হলো, কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাংবাদিক সেজে সংবাদ পরিবেশন করা। তাঁরা নিজস্ব স্টুডিও থেকে 'ব্রেকিং নিউজ' প্রচার করেন কিন্তু প্রথাগত সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিগুলো, যেমন-তথ্য নির্ভুল কিনা যাচাই করা, পক্ষপাতহীনতা, নৈতিকতা এবং উৎসের গোপনীয়তা — অনেকেই মানেন না। এর ফলে ভুল তথ্য বা ভুয়ো খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িকতার মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলিতে।

২০২৩ সালের মণিপুর হিংসার সময় কিছু ইউটিউব চ্যানেল গুজব ছড়িয়েছিল যে, সেনাবাহিনী একটি নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, যা মণিপুরের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছিল। এছাড়াও, নির্বাচনের আগে কিছু ইউটিউবার রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত জীবন বা তাদের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা প্রচার চালান, যা ভোটারদের প্রভাবিত করে। এই ধরনের ঘটনা তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে।

যদিও ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইনস (যেমন - ক্ষতিকর কন্টেন্ট, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, শিশুদের নিরাপত্তা লঙ্ঘন নিষিদ্ধ) এবং কপিরাইট নীতি রয়েছে, তবুও প্ল্যাটফর্মের বিশালতার কারণে ভুল তথ্য নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করতে না পারলে ইউটিউবের মতো এই রমরমা প্ল্যাটফর্মের দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সব মিলিয়ে, ইউটিউব এক অসাধারণ ডিজিটাল বিপ্লব এনেছে। এটি মানুষকে আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে, নতুন পেশা তৈরি করেছে এবং তথ্যের আদান-প্রদানে গতি এনেছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তবে, এর ব্যাপক বিস্তারের পাশাপাশি এর কিছু নেতিবাচক দিকও সামনে আসছে। যেমন তথ্যের অপব্যবহার (রাজনীতির ময়দানে নীতি-নৈতিকতা বাদ দিয়ে মিথ্যা কুৎসা রটানো হচ্ছে), জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন সাংবাদিকতা। এই ইউটিউবের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এর ব্যবহারকারী এবং প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক মনোভাবের উপর। এদের যৌথ প্রচেষ্টাই পারে ইউটিউবের নেতিবাচক প্রভাবগুলিকে দূরে সরিয়ে, ইতিবাচক দিকগুলিকে বিকশিত করতে।

লিখেছেন
Debasis Mithiya
Debasis Mithiya
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।