অবসাদ আসলে বড় বিপদের সংকেত! সতর্ক হওয়ার সময় এখনই, বলছে গবেষণা

ব্রেন অ্যাটাকের আগেই যেন অবসাদ, বিষণ্ণতা সাইরেন বাজিয়ে জানিয়ে দেয় এবার বিপদ আসন্ন। না, হতাশায় ডুব দেবেন না, এই স্টাডি এবং ডাক্তাররা আপনাকে বলে দিচ্ছেন, কী করে এই বিপদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাবেন।

tiasa gupta
৫ মিনিট
অবসাদ আসলে বড় বিপদের সংকেত! সতর্ক হওয়ার সময় এখনই, বলছে গবেষণা

বদলাচ্ছে জীবনযাপন। লাইফস্টাইল বদলের হাত ধরে শরীর ও মন গ্রাস করছে ডিপ্রেশন বা অবসাদ। আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে স্ট্রোক। জার্মানির সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, স্ট্রোক হওয়ার কয়েকবছর আগেই দেখা যেতে পারে অবসাদের লক্ষণ। অর্থাৎ, ব্রেন অ্যাটাকের আগেই যেন অবসাদ, বিষণ্ণতা সাইরেন বাজিয়ে জানিয়ে দেয় এবার বিপদ আসন্ন। না, হতাশায় ডুব দেবেন না, এই স্টাডি এবং ডাক্তাররা আপনাকে বলে দিচ্ছেন, কী করে এই বিপদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাবেন।

স্ট্রোক শুধু একজন মানুষের নয়, গোটা একটা পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কোনও এক ব্যক্তি স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে তিনি সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। গবেষকরা জানাচ্ছেন, আমাদের দেশে প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ১১৯ থেকে ১৪৫ জন ব্যক্তি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। স্ট্রোকের শিকার হতে হচ্ছে অনেককে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় উপসর্গ হিসেবে মৃদু স্ট্রোক দেখা দেয়। কিন্তু সেই মৃদু স্ট্রোক অবহেলা বা অগ্রাহ্য করার কারণেই পরবর্তীকালে ম্যাসিভ স্ট্রোকের শিকার হতে হয়। জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়ের এই স্টাডির সঙ্গে একমত নন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দুর্গাপ্রসাদ চক্রবর্তী । তিনি বলেন, "স্ট্রোকের আগে ডিপ্রেশনের লক্ষণ দেখা যায় কি না, এই নিয়ে আমাদের এখানে কোনও সার্ভে হয়নি। তবে পার্সোনাল অবজারভেশন এই যে, করোনা পরিস্থিতির পর ডিপ্রেশন অনেক বেড়ে গেছে। তবে এই নিয়েও আমাদের দেশে কোনও নির্দিষ্ট স্টাডি হয়নি। এটা প্রমাণিত যে, স্ট্রোকের পর ডিপ্রেশন হয়। বিভিন্ন বইতে এর রেফারেন্স আছে। সেই সঙ্গে আমাদের অবজারভেশনেও ধরা পড়েছে। স্ট্রোক পঙ্গু করে দেয়। তাই এরপর একজন ডিপ্রেশনে ডুবে যায়। এর একটা বড় কারণ স্ট্রোক ব্রেনকে ড্যামেজ করে, ব্রেনের বিশেষ বিশেষ জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানসিক অবসাদের কারণ ঘটে। এর বাস্তব ভিত্তি রয়েছে।"

এদিকে স্ট্রোকের মৃদু উপসর্গের একটা বিশেষ লক্ষণ হলো অবসাদ। আগাম সতর্ক না হলে বিপদ আপনার দরজায় কড়া নাড়বে।

স্ট্রোক কী?

সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে, এমনকী মস্তিষ্কের কোষেও অক্সিজেন সম্বৃদ্ধ রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন। কোনও কারণে মস্তিষ্কের রক্তবাহী ধমনির পথ সংকীর্ণ হয়ে বা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে রক্ত চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেনের অভাবে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এটাকেই চিকিৎসকরা স্ট্রোক বলেন। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ। বিশেষ করে অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড প্রেশার থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। স্ট্রেস বা ডিপ্রেশন-সহ মানসিক সমস্যা থাকলেও এই বিপদের সম্ভাবনা থাকে। কাজেই বুঝতেই পারছেন, অবসাদ, বিষণ্ণতাকে কখনওই অগ্রাহ্য করবেন না।

৪ জনের মধ্যে ১ জনই বিপদে

এতদিন যে বিশ্বাস ছিল, তার থেকে সম্পূর্ণ উল্টো ধারণা এবার সামনে এল এক স্টাডির সৌজন্যে। এই গবেষণায় বলা হচ্ছে, স্ট্রোক হওয়ার কয়েক বছর আগে ডিপ্রেশনের লক্ষণ মাথাচাড়া দিতে পারে। আগে মনে করা হতো, স্ট্রোকের পর ডিপ্রেশন আসে। ইউনিভার্সিটি অফ মুনস্টার, জার্মানির পিএইচডি মারিয়া বালোচি এই গবেষণাটি করেন। স্টাডি অথর বালোচি সংবাদ সংস্থাকে জানান, মানুষের মধ্যে মারাত্মক আকারে বাড়ছে ডিপ্রেশনের সমস্যা। এতদিন পোস্ট স্ট্রোক ডিপ্রেশন, অর্থাৎ স্ট্রোক বা ব্রেন অ্যাটাকের পর ডিপ্রেশন হওয়ার ধারণা চালু ছিল। সাম্প্রতিক গবেষণায় অন্য ছবি দেখা গেছে। স্ট্রোকের পর অবসাদের প্রবণতা তো বাড়ছেই, সেই সঙ্গে দেখা গেছে স্ট্রোকের কয়েক বছর আগে থেকে ডিপ্রেশনের লক্ষণ। গবেষণায় আরও দেখা যাচ্ছে, ৫০ পেরোলে ৪ জনের মধ্যে ১ জনই বিপদে।

কাদের নিয়ে স্টাডি

১০,৭৯৭ জন পরিণত ব্যক্তির ওপর গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষণায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। বহু বছর ধরে এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। যাঁদের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়েছে, স্টাডি চলাকালীন তাঁদের মধ্যে ৪২৫ জনেরই স্ট্রোক হয়। বিভিন্ন ধরনের প‍্যারামিটারের ওপর ভিত্তি করে যে গবেষণা করা হয়, তাতে দেখা যায় অবসাদ শুধু পোস্ট স্ট্রোক আতঙ্কের নাম হয়, এটা প্রি-স্ট্রোক ফেনোমেনাও।

কীভাবে স্টাডি সমস্যার গভীর ঢোকে

এই স্টাডিতে যাঁরা অংশগ্রহণ করেন, তাঁদের সমস্যা ভালো করে, গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হয়। অর্থাৎ কবে থেকে, কত বছর ধরে তাঁরা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। সমস্যার গভীরে ঢুকে স্টাডি পরিচালনা করা হয়। জানার চেষ্টা করা হয়, অংশগ্রহণকারীরা, অবসন্ন, একা, হতাশ, অধৈর্য বোধ করছেন কি না। ঘুমোতে তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হয়। অংশগ্রহণকারীদের কী ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে, স্ট্রোকের আগে ও পরে, সামগ্রিকভাবে স্টাডি চলাকালে তা জানার চেষ্টা করা হয়।

গবেষণার ফলাফল

গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সাম্প্রতিককালে স্ট্রোক হওয়ার মাত্রা বাড়ছে। যাঁদের স্ট্রোক হয়েছে ৬ বছর আগে বিভিন্ন প্যারামিটারের ভিত্তিতে তাঁদের যে স্কোর ছিল, যাদের স্ট্রোক হয়নি, তা প্রায় এক। এই গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রোক হওয়ার ২ বছর আগে ডিপ্রেশনের মাত্রা বেড়েছে। স্ট্রোক হওয়ার পরেও ডিপ্রেশনের কবল থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। এরপরে ১০ বছর পর্যন্ত মারাত্মক আকারে অবসাদ গ্রাস করতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নতুন মহামারীর নাম হবে অবসাদ?

স্বাধীনতার পর এতগুলি বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মানসিক রোগের চিকিৎসা করালে তা যে আর পাঁচটা অসুখের মতোই নিরাময়যোগ্য এসম্পর্কে সরকার সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালানোর মতো উদ্যোগও বাস্তবায়িত করেনি বলে অভিযোগ।

কী লক্ষণ দেখে সতর্ক হবেন?

আগাম অবসাদ আপনাকে জানান দেয়, বিপদ কড়া নাড়ছে। কী উপসর্গ দেখে সতর্ক হবেন?

১. মনঃসংযোগ করতে না পারা

২. ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত লাগা

৩. কারণ ছাড়া নিজেকে অপরাধী মনে করা

৪. নেতিবাচক ভাবনা

৫. শুতে যাওয়া অনিয়মিত সময়ে

৬. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

৭. মাথা ব্যথা

৮. সবকিছু ফাঁকা মনে হওয়া

বছরে বিশ্বে ১৫ মিলিয়ন মানুষ স্ট্রোকের শিকার

আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন ডাক্তার ও গবেষকরা। সারা বিশ্বে ব্রেন অ্যাটাক দ্বিতীয় বৃহৎ মৃত্যুর কারণ। আর আর তৃতীয় বৃহৎ পঙ্গু হওয়ার কারণ। হু-এর দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক অধিকর্তা ডক্টর পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, চার জনের মধ্যে একজনের সারাজীবনের স্ট্রোক হওয়ার বিপদ থাকে। অন্য গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে ১৫ মিলিয়ন মানুষ বছরে স্ট্রোকের শিকার।

স্ট্রোকের ঝুঁকি

লাইফস্টাইল অবশ্যই স্ট্রোকের প্রথম এবং প্রধান কারণ। রিস্ক ফ্যাক্টর বেড়ে যায়, যদি এর সঙ্গে হাত ধরাধরি করে শরীরে আগে থেকে বাসা বেঁধে থাকে উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টরেল, মধুমেয়, হৃদরোগ। পরিবারে স্ট্রোকের ইতিহাস ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ধূমপানের কারণে মৃত্যুর বয়স হওয়ার আগে স্ট্রোক মৃত্যু ডেকে আনে। কাজেই ধূমপান নৈব নৈব চ। সেই সঙ্গে এড়িয়ে চলুন অ্যালকাহল সেবন। শারীরিক কসরতের অভাব, অতিরিক্ত ওজন ডেকে আনতে পারে বিপদ।

স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে কী করবেন

১. ওজন কমাতে সুষম খাবারের ওপর ভরসা রাখুন। ডায়েটে রাখুন পর্যাপ্ত সবজি ও ফল।

২. সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন দ্রুত পা চালিয়ে হাঁটতে হবে।

৩. ধূমপানের অভ‍্যাস ত্যাগ করতে হবে।

৪. প্রতিদিন অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা ঘুমোতে হবে।

৫. ব্লাড প্রেশার, সুগার থাকলে তা নিয়মিত নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৬. ভুঁড়ি বাড়তে দেওয়া চলবে না।

৭. যদি আচমকা হাত, পা বা শরীরের কোনও অংশ অসাড় লাগে, চোখে দেখতে বা কথা বলতে অসুবিধা হয়, সেক্ষেত্রে ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসেকর শরণাপন্ন হন।

স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দুর্গাপ্রসাদ চক্রবর্তীর পরামর্শ, চারের কোঠা পেরোলেই সাবধান। ব্লাডপ্রেশার, সুগার, কোলেস্টরেল নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। তামাক সেবন কোবওভাবেই চলবে না। খাওয়ার পাতে নুন নৈব নৈব চ।

তাহলে একটু সতর্ক থাকলেই সুন্দর স্বাস্থ্য। আর সুন্দর স্বাস্থ্য মানেই সুন্দরের জীবনের হাতছানি।

তথ্য সূত্র:

জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ মুনস্টারের পিএইচডি মারিয়া বোলোচির স্টাডি

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

করোনা সেরে গেলেও পিছু ছাড়ছে না ক্লান্তি! লং কোভিড নিয়ে নতুন গবেষণায় কী জানা গেল?

Long COVID: করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পরেও অনেকের শরীরে থেকে যাচ্ছে ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট ও স্মৃতিশক্তির সমস্যা। লং কোভিড নিয়ে নতুন মার্কিন গবেষণায় দেখা গেল, তিন বছরে প্রায় অর্ধেক রোগীর উপসর্গ কমেছে এবং এক-চতুর্থাংশ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। কিন্তু কোন ধরনের উপসর্গ থাকলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি? কী বলছে গবেষণা?

কলকাতা বন্দরে উদ্ধার সাড়ে ১৩ কোটি টাকার ই-সিগারেট, শরীরের কী কী ক্ষতি করে এই ইলেকট্রনিক সিগারেট?

E-Cigarette Side Effects: কলকাতা বন্দরে প্রায় ৫৫ হাজার ই-সিগারেট উদ্ধার করেছে রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর (DRI)। উদ্ধার হওয়া পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩.৫ কোটি টাকা। ভারতে নিষিদ্ধ এই ইলেকট্রনিক সিগারেট শরীরের কী কী ক্ষতি করতে পারে?

ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় DT-109 কতটা কার্যকর হতে পারে?

Fatty liver: ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় DT-109 কতটা কার্যকর? অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে এই পরীক্ষাধীন ওষুধ লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে? প্রাণীর শরীরে আশাব্যঞ্জক ফল মিললেও মানুষের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা কি প্রমাণিত হয়েছে? ভবিষ্যতে কি গুরুতর ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন দিশা দেখাতে পারবে DT-109?

ইউক্রেনকে বিসর্জন দিয়ে পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প?

Trump Putin relationship: ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠতা বর্তমান বিশ্বরাজনীতির জটিল সমীকরণকে নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে?

বাংলার স্বাস্থ‍্যরক্ষায় সরকারি স্বাস্থ্যব‍্যবস্থা সংহত হওয়া জরুরি: অভিজিৎ চৌধুরী

Abhijit Chowdhury Interview: তিনি বাঙালির ‘লিভারের ডাক্তারবাবু’ বলেই সমধিক পরিচিত। দীর্ঘদিন সরকারি ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। অবসরের পরেও জড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে। সোনারপুরে গড়ে তুলেছেন ‘লিভার ফাউন্ডেশন’। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে মিলে তাঁর পরবর্তী স্টেশন ‘স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়’।

হঠাৎ হৃদযন্ত্র বন্ধ হলে কী করবেন? নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর জেনে নিন CPR-এর জরুরি নিয়ম

How to perform CPR: ধরুন, হঠাৎ কেউ জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন। ডাকলেও সাড়া দিচ্ছেন না, স্বাভাবিকভাবে শ্বাসও নিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার সময় নেই। তাহলে, কী করবেন তখন?

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।