'দাদা'দের ভাগ্যে বডি ম্যাসাজ, 'দাগী' হলে নারকীয় অত্যাচার! তিহারের জেলকুঠুরি যেমন...

Life in Tihar Jail: আইনের রক্ষা করাই পুলিসের কাজ। তার বদলে জেলের ভিতরেই যদি চলে বৈষম্যমূলক আচরণ? তিহারের কথা...

Aritra Som
৪ মিনিট
'দাদা'দের ভাগ্যে বডি ম্যাসাজ, 'দাগী' হলে নারকীয় অত্যাচার! তিহারের জেলকুঠুরি যেমন...

বেশ কয়েকবছর আগে একটি ছবি নেট মাধ্যমে ভেসে উঠেছিল। ছবিটি ভারতের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ের। একদিকে সুউচ্চ অট্টালিকা, ঝাঁ-চকচকে বাংলোর রোশনাই; আর তার ঠিক উল্টোদিকে সার দেওয়া ছোট ছোট বাড়ি। ধারাভি বস্তি। নেটিজেনদের বক্তব্য, এটাই ভারতের আর্থিক বৈষম্যের যথাযথ রূপক ছবি। আসলে একই মুদ্রার দু’টো পিঠ…

ওপরের শেষ কথাটির সূত্র ধরেই আসল প্রসঙ্গে ঢোকা যাক। মুম্বই থেকে কাট টু নিউ দিল্লি। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের রাজধানী। দিল্লির জনকপুরীতেই রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় কারাগার– তিহার জেল। ঘটনার ঘনঘটায় বারবার এই বিশেষ কারাগারটির নাম সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। মাত্র কয়েকদিন আগে আবারও শিরোনামে জায়গা করে নেয় তিহার। সৌজন্যে বেশকিছু সিসিটিভি ফুটেজ। দিল্লির আপ সরকারের এক মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনকে সেখানে দেখা যাচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগে আপাতত তিনি হাজতবাসে। বারবার তিনি অভিযোগ করেছেন, কারাগারে তিনি পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছেন না। অথচ সিসিটিভি ফুটেজ সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। সেখানে সত্যেন্দ্রবাবু কখনও গারদের ওপারে বসে টাটকা ফল খাচ্ছেন। কখনও রয়েছে ফলের রস। আরামদায়ক বিছানা, বালিশের পাশে টিভির রিমোট। আবার অন্য একটি ভিডিওয়ে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি তাঁর বডি ম্যাসাজ করছেন। মানে, রীতিমতো ভিআইপি ব্যবহার! যদিও সত্যেন্দ্রবাবু এখনও জেলের দুরবস্থার কথা বলছেন। তাঁকে খেতে দেওয়া হচ্ছে না, তাঁর ওজন কমে যাচ্ছে, এমন ‘অভিযোগ’ও করেছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাথরাস থেকে লখিমপুর- আইনের জটে কেন আজও আটকে দলিত ধর্ষণের মামলা?

Uttar Pradesh Rape: ভারতে ২০২০ সালে প্রতিদিন গড়ে ১০ জন দলিত নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে সরকারি তথ্যেই দেখা গেছে।

হঠাৎ এই প্রসঙ্গের উত্থাপন কেন? কারণ এটাই তিহার জেলের একমাত্র ছবি নয়। ‘কারার ওই লৌহ কপাট’-এর ওপারে মুদ্রার দ্বিতীয় পিঠটিও আছে। সেখানে আরও জ্বলজ্যান্ত আমাদের বৈষম্য আচরণ। নেতা, ক্ষমতাশালীরা ভিআইপি আতিথেয়তা পেলেও বাকিদের সেই ‘সৌভাগ্য’ হয় না। শুধু কি তিহার? প্রতিটা জেল, সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রেই এমন অমানবিক বৈষম্য খেলা করছে। একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। মাত্র ১০ মাস আগে তিহার জেলেরই এক কয়েদি একটি অভিযোগ আনেন। জেল কর্তৃপক্ষের কাছে জানান, সহবন্দিরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর ওপর অত্যাচার করছে। চলছে শারীরিক নির্যাতন। এমনকি বলপূর্বক পায়ুসঙ্গম, যৌন অত্যাচারও করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি করে সঠিক চিকিৎসা ও সুরক্ষার ব্যবস্থাও নেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই ঘটনা তো বিক্ষিপ্ত নয়! এর আগেও এমন অভিযোগ বারবার উঠেছে। জেলের ভিতর বিভিন্ন গ্যাংয়ের মধ্যে চলে লড়াই। চলে শারীরিক নির্যাতন। জেলের ভিতর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আদৌ কি জোরদার রয়েছে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিচারের আগেই মিডিয়া যে ভাবে 'অপরাধী' বানিয়েছে উমর খলিদকে

Umar Khalid: আদালতের রায়ের অপেক্ষা না করে জনমানসে উমরকে তারা দোষী সাব্যস্ত করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে বলে মত সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সেই মোতাবেক পদক্ষেপ করার দায়িত্বে থাকা স্বাধীন নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং অ্যান্ড ডিজিটাল স্ট্যান্ডার্ডস-এর।

অবশ্য কেবল বন্দিরাই নন, অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও। সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহতা; রয়েছে অত্যাচার। কাশ্মীর বরাবরই ভারতের রাজনীতির মানচিত্রে বেশ উঁচু জায়গায় থাকে। শাসক, বিরোধী, সংবাদপত্র থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, কাশ্মীর নিয়ে প্রত্যেকেরই নিজস্ব ভাষ্য রয়েছে। ২০১৯ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর নানা মুনির নানা মত। সন্ধে হলেই টিভিতে শুরু হবে নিত্য নতুন আলোচনা। এসবের বাইরে কেমন আছেন জেলবন্দি কাশ্মীরীরা? অপরাধের কোনও ধর্ম, জাতপাত, প্রাদেশিকতা হয় না সেটা ঠিকই। যে অপরাধী তার তো শাস্তি হওয়াই উচিত, সে যেই হোক না কেন। কিন্তু একই পরিধির মধ্যে একদিকে বডি ম্যাসাজ, অন্যদিকে অমানসিক অত্যাচার– এমন বৈষম্য কি কাম্য?

তিহার জেলে বহু বছর ধরে বেশ কয়েকজন কাশ্মীরী বন্দি রয়েছেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকার, বা আলাপচারিতায় বারবার উঠে এসেছে সেখানকার ভয়াবহতার কথা। তাদের উপর যেন আরও বেশি করে অত্যাচার করা হয়, এমনটাই অভিমত তাদের। জন্মচিহ্ন খোঁজার অছিলায় জামাকাপড় খুলিয়ে নগ্ন করে চলে মারধোর। যখন জ্ঞান আসে, তখন দেখা যায় রক্তাক্ত, কালশিটে দাগের আড়ালে সেই জন্মজড়ুল ঢাকা পড়ে গিয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে এমনই বলেছিলেন এক কাশ্মীরী বন্দি। ২০০৪ সালে তিনি তিহার জেলে বন্দি হিসেবে আসেন। একটি রিপোর্ট বলছে, ২০১৩ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী তিহার জেলে মোট ১৮ বার বন্দিদের ঊপর ধারালো ব্লেড দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সেইসঙ্গে অন্যান্য অত্যাচার তো আছেই। পাশাপাশি সহবন্দিদের চোখে কাশ্মীরী বন্দিরা ‘জঙ্গি’। এমনকি, মহিলাদেরও সবসময় ছাড় দেওয়া হয় না। একটা সময় তিহার জেলে ছিলেন জামরুদা হামিদ। জেলের ভিতর তাঁর দিনযাপনের কথা একটা ডায়েরিতে কোনওমতে লিখে রেখেছিলেন। পরে সেটিই বই আকারে বের হয়; নাম ‘Prisoner No 100: An Account of My Nights and Days in an Indian Prison’। সেখানেই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লেখা অত্যাচারের বর্ণনা। এমনকি, তাঁর ‘নগ্ন’ ছবি তুলে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও আসে আইনের রক্ষাকারীদের তরফ থেকে। বন্দিদের বাড়ির লোক তিহার জেলে দেখা করতে এলে কাশ্মীরী ভাষায় কথা বলতে পারতেন না। কথা বললেই শ্যেনদৃষ্টি ধেয়ে আসবে উপরমহল থেকে! নজরদারির আওতায় চলে আসবে পরিবার। এমনই সব বর্ণনা উঠে এসেছে বইয়ের পাতায় …

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অখিল-শুভেন্দুর আস্ফালনে আসলে অপমানিত আদিবাসীরাই! যে জ্বলন্ত প্রশ্ন উঠে আসছে

Racism: অখিল গিরি ও শুভেন্দু অধিকারীদের এই মন্তব্যেই কি ফের মাথাচাড়া দিল জাতপাতের সেই কালো ঘা!

২০২১ সালের ৪ আগস্ট। তিহারের জেল নম্বর ৩-এ এক যুবকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। বছর ২৯-এর ওই যুবকের নাম অঙ্কিত গুজ্জর। খুনের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ওই যুবককে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতেই রাখা হয়েছিল। তিহারের মতো জেলে কীভাবে এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে? তদন্ত সামান্য এগোনোর পর জানা যায়, মৃত্যুর আগে তাকে কেউ বা কারা বেধড়ক মারধোর করে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়, কোনও ভারী ও ভোঁতা বস্তু দিয়ে অঙ্কিতকে বারবার মারা হয়। ফলস্বরূপ, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ও মৃত্যু। এদিকে পরিবারের অভিযোগ, এটা সামান্য মৃত্যু নয়; অঙ্কিতকে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে জেলের ভিতরেই খুন করা হয়েছে। আর সেই খুন করেছে তিহার জেলের পুলিস অফিসাররাই। পরিবারের দাবি ছিল, জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের কথামতো ‘টাকা’ দিতে না পারায় এমন কাজ করা হল। তিহারের মতো জেলে দাঁড়িয়ে, এমন অভিযোগ সত্যিই মারাত্মক। তবে পরিবারের অভিযোগকেই একপ্রকার মান্যতা দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারক মুক্তা গুপ্তা। তদন্তে এও জানা যায়, ওই সময় অদ্ভুতভাবে ওই জেলের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হয়ে গিয়েছিল, না বন্ধ রাখা হয়েছিল?

ভারতের সংবিধানই আমাদের একমাত্র মানদণ্ড। তার উপর ভিত্তি করে, সংবিধানের শপথ নিয়ে আইনরক্ষার কাজে নামে পুলিস-প্রশাসন। অপরাধীদের জেল হেফাজত হলেও সেখানেও আইনরক্ষা করা প্রাথমিক ও প্রধান কর্তব্য। সেক্ষেত্রে তো কোনও বৈষম্য থাকা উচিত নয়! তাহলে বারবার এমন ঘটনা কেন? অঙ্কিত গুজ্জরের ঘটনায় এই প্রশ্নটাই তুলেছিলেন বিচারক গুপ্তা। তাঁর এই বক্তব্য যে খুব একটা ভুল নয়, নানা ঘটনাই তাঁর প্রমাণ। তিহারের অন্য পিঠে থাকা বন্দিদের কাছে কি ফলের জুস, টিভি দেখার সুবন্দোবস্ত পৌঁছয়? বডি ম্যাসাজ করার সুযোগ আসে? অসুস্থ হলেই অপেক্ষা করে উডবার্নের মতো সুন্দর ওয়ার্ড? নাকি জেলের ভিতর এমন বৈষম্য আসলে আমাদের সমাজেরই প্রতিচ্ছবি? যেখানে অপরাধী-জেল কর্তৃপক্ষের বাস্তুতন্ত্রে খেলা করে উঁচু-নিচুর ভেদাভেদ। যেখানে ফুটে ওঠে কারণে অকারণে ‘জঙ্গি’ আখ্যা দেওয়ার খেলা। তিহারের মতো হাই প্রোফাইল জেল আসলে সামগ্রিক ব্যবস্থার ছবিটাই তুলে ধরে না?

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।