কথা ছিল 'আশ্রম' হয়ে ওঠার, ত্রাসে পরিণত হল তিহার! কুখ্যাত যে ইতিহাস আজও অজানা

Tihar Jail Delhi : ৬৮ একর জমির উপর বিস্তৃত এই জেলের প্রতিটা ইটে লুকিয়ে রয়েছে এক একটি কাহিনি

Arunava Nag Roy
৫ মিনিট
কথা ছিল 'আশ্রম' হয়ে ওঠার, ত্রাসে পরিণত হল তিহার! কুখ্যাত যে ইতিহাস আজও অজানা

সঞ্জয় গান্ধী, লালু প্রসাদ যাদব, আফজল গুরু, চার্লস শোভরাজ, আন্না হাজারে এবং অনুব্রত মণ্ডলের মধ্যে মিল কোথায় জানেন? এঁরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনও কারণে তিহার জেলে রাত কাটিয়েছেন বা কাটাচ্ছেন। ‘তিহার’ নামটাই যথেষ্ট যে কোনও অপরাধীর বুকে কাঁপুনি ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। এশিয়ার সবচেয়ে বড় কারাগার এই তিহার। ৬৮ একর জমির উপর বিস্তৃত এই জেলের প্রতিটি ইটে লুকিয়ে রয়েছে এক একটি কাহিনি; রঙ্গা-বিল্লার কাহিনি, কাশ্মীরি নেতা মকবুল ভাটের কাহিনি, ‘সাহারাশ্রী’ সুব্রত রায়ের কাহিনি। রয়েছে নাম না জানা অনেক অপরাধী এবং সেই অপরাধের কাহিনি।

১৯৫৮ সালের দিল্লির জনকপুরীর কাছে, তিহার নামক এক গ্রামে তৈরি হয় এই কারাগারটি। অবশ্য তিহার কর্তৃপক্ষের ভাষায়, কারাগার বা জেল নয়, এটি সংশোধনাগার। ১৯৫৮ সালে এই জেলটি প্রথমে পঞ্জাব সরকার এবং তারপর ১৯৬৬ সালে দিল্লি সরকারের অধীনে যায়। ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা, প্রায় ৩০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা এবং আড়াই হাজার পুলিশ সম্বলিত তিহার জেল, ভারত তথা এশিয়ার সবচেয়ে কড়া এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত কারাগার। ১২০০ কয়েদি নিয়ে জেলটি শুরু হলেও উত্তরোত্তর কয়েদির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী তিহার জেলের ধারণক্ষমতা ১১ হাজার। তা সত্ত্বেও বর্তমানে এই জেলের ভেতর বন্দি রয়েছেন অন্তত ১৮ হাজার কয়েদি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, কতটা ‘ওভার ক্রাউডেড’ এই জেল। ১৯৮৪ সালে তিহার জেলের আমূল সংস্কার করা হয়। নতুন সেল এবং ব্লক গড়া হয় এই সময়। এই একই সময় তিহার সংশোধনাগারের ভেতর তৈরি হয় ‘তিহার ফ্যাক্টরি’। তিহার ফ্যাক্টরিতে জেলের কয়েদিদের তৈরি করা বিভিন্ন জিনিস, যেমন- আসবাবপত্র, ঘর সাজানোর জিনিস, কেক-বিস্কুট ইত্যাদি বিক্রি করা হয়।

তিহার জেলের বিপুল সংস্কার হয় কিরণ বেদির সময়কালে। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত তিহার জেলের ডিজি ছিলেন কিরণ বেদি। এই সময় তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন তিহারের হাল পরিবর্তন করতে। তিহারকে আক্ষরিক অর্থেই কারাগার থেকে সংশোধনাগার করে তুলতে চেয়েছিলেন কিরণ। ভয় দেখিয়ে বা হুমকি দিয়ে নয়, কয়েদিরা যাতে নিজস্ব অনুশোচনার মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে সেই দিকেই জোর দিয়েছিলেন কিরণ। এক সাক্ষাৎকারে তিহার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কিরণ বেদি বলেছিলেন,

“তিহার সংস্কারে আমি একটি মডেলের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলাম, 3C মডেল। আমার মতে সব সংশোধনাগারেই এই মডেল প্রচলন করা উচিত। 3C অর্থাৎ - Collective, Corrective এবং Community।”

কিরণ বেদি যথার্থভাবেই একসূত্রে বাঁধতে পেরেছিলেন তিহারকে। তিহার জেলার ভেতর ধীরে ধীরে যোগ, মেডিটেশন প্রভৃতির চলন শুরু করা হয়। মূল লক্ষ্য ছিল যাতে কয়েদিরা নিজেদের অতীতের অন্ধকার দিনের কথা ভুলে আগামীর উজ্জ্বল সময়কে আপন করে নেয়। একই সঙ্গে তিহারের অত্যন্ত বড় সমস্যা ছিল ড্রাগ। কিরণ বেদির আমলে এই সমস্যা প্রায় নির্মূল হয়ে যায়। কোনও কয়েদি যেন বঞ্চনা বা হেনস্থার শিকার না হয় সেই দিকেও খেয়াল রেখেছিলেন কিরণ। তিনি জেলের বয়োজ্যেষ্ঠ বন্দিদের সঙ্গে কথা বলে জেলের মধ্যেই এক প্রকার পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘তিহার কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার’-কে প্রকৃতভাবেই ‘তিহার আশ্রম’-এ পরিণত করেছিলেন কিরণ বেদি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'দাদা'দের ভাগ্যে বডি ম্যাসাজ, 'দাগী' হলে নারকীয় অত্যাচার! তিহারের জেলকুঠুরি যেমন...

Life in Tihar Jail: আইনের রক্ষা করাই পুলিসের কাজ। তার বদলে জেলের ভিতরেই যদি চলে বৈষম্যমূলক আচরণ? তিহারের কথা...

এত উন্নয়ন, এত আশার আলো- এগুলি তিহারের একটি দিক মাত্র। মুদ্রার দু'টি পিঠের মতোই, তিহারেরও দু'টি ভিন্ন দিক আছে। সেই অন্য পিঠটি অত্যন্ত অন্ধকার, কুৎসিত এবং ভয়ঙ্কর। ১৯৯৫ সালে তিহার থেকে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান কিরণ বেদি। তাঁর তৈরি নিয়ম কয়েকদিন চললেও, ফের নিজের আগের অবস্থায় ফিরে যায় তিহার। প্রভাবশালী অপরাধীদের দৌলতে জেলের ভিতরেই গজিয়ে উঠতে শুরু করে বিভিন্ন ‘গ্যাং’। বিগত কয়েক বছরে বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে তিহার- কখনও নির্ভয়া কাণ্ডে অভিযুক্ত আসামির দেহ উদ্ধার হচ্ছে, তো কখনও আবার ব্লেড চালিয়ে কারও গলার নলি কেটে দেওয়া হচ্ছে। ফের মাদকদ্রব্যের বাড়বাড়ন্ত দেখা যায় তিহারে। কয়েক বছর আগে, দুই কয়েদির মৃত্যু হয় অত্যধিক মাদকদ্রব্য সেবনের কারণে। এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কীভাবে ড্রাগ ভেতরে গেল তার সদুত্তর দিতে পারেনি জেল কর্তৃপক্ষ। বিগত কয়েক বছর ধরে তিহারে নির্বিঘ্নে চলছে ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ। অর্থ এবং পেশিশক্তির উপর ভিত্তি করে তিহারের ভেতরেই বেড়ে উঠেছে অপরাধের সাম্রাজ্য। প্রভাবশালী অপরাধীরা তুলনামূলকভাবে সাধারণ কয়েদিদের উপর জোর-জুলুম চালায়। সাধারণ কয়েদিদের বাড়ির লোকেদের হুমকি দিয়ে টাকা তোলে প্রভাবশালী অপরাধীরা। টাকা দিতে না পারলে, জেল থেকে প্রাণ নিয়ে বেরনো প্রায় অসম্ভব।

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এত নিরাপত্তার মধ্যেও নিরাপদ নন কেন কয়েদিরা? বলার অপেক্ষা রাখে না, এই অপরাধীদের বাড়বাড়ন্তের পিছনে জেল কর্তৃপক্ষের প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে। তিহারে নিচু তলার অনেক কর্মচারীই দুর্নীতিগ্রস্ত, এই বিষয়টির সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে অপরাধীরা। এদের মাধ্যমেই কয়েদিদের হাতে পৌঁছে যায় ছুরি, ব্লেড, মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ড্রাগ প্রভৃতি। জেল কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি এবং উদাসীনতার পাশাপাশি রয়েছে রাজনৈতিক চাপও। তিহারের প্রাক্তন এক মহিলা কয়েদি জানিয়েছিলেন -

“আমি তিন বছরের জন্য তিহার জেলে বন্দি ছিলাম। ড্রাগস পাচারের অপরাধে আমার তিন বছরের শাস্তি হয়। আমি তখন সদ্য কুড়িতে পা দিয়েছি। ওখানে গিয়ে বুঝলাম কেন তিহারকে নরক বলা হয়। আমার মতো অল্পবয়সি একজন মেয়ের পক্ষে তিহারে টিকে থাকা খুব মুশকিল ছিল। বয়সে সবচেয়ে ছোট হওয়ায় আমায় দিয়ে প্রতিদিন বাথরুম পরিষ্কার করানো হতো এবং সবার শেষে স্নান করতে যেতে দেওয়া হতো। জলের সমস্যা তিহারে নতুন কিছু নয়। ফলত অধিকাংশ দিনই আমায় স্নান না করেই থাকতে হতো। আমাদের সঙ্গেই আরেকটি মেয়ে এসেছিল। কোনও কারণে তার এক বছরের শাস্তি হয়। অত্যন্ত ধনী ঘরের মেয়ে ছিল সে, যথারীতি পরিবারের তরফে বেশ কিছু ডোনেশন দেওয়া হয় তিহারে। ফলত সহজেই সে ভিআইপি ট্রিটমেন্ট পায়। প্রাইভেট সেল, এসি, ফাইভ স্টার হোটেলের খাবার- সব বরাদ্দ ছিল তার জন্য।”

তিহারের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে এই 'ভিআইপি' সংস্কৃতি। কোনও বড় ব্যবসায়ী বা নেতা সরকারের নেক নজরে থাকলে হামেশাই ভিআইপি যত্নআত্তি পান তিহারে। অতীতে এই একই অভিযোগ উঠেছে লালু প্রসাদ যাদব, অমর সিং, কানিমোঝির বিরুদ্ধেও। কয়েকদিন আগেও ভাইরাল একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন রাজার হালে সময় কাটাচ্ছেন তিহারে। বারবার আপের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, কারাগারে পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছেন না সত্যেন্দ্র। অথচ সিসিটিভি ফুটেজ সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি দেখায়। টাটকা ফল, ফলের রস, আরামদায়ক বিছানা, উপাদেয় খাদ্য, টিভি- সবই মজুত রয়েছে ‘ভিআইপি’ সেলে। আবার আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে এক ব্যক্তি তাঁর দেহ মালিশ করছেন। দেশের আইন সবার জন্য এক, অন্তত সংবিধান তো সেরকমই বলে। তাহলে শাস্তির ক্ষেত্রে এই ভেদাভেদ কেন? জেলের ভেতর কয়েদির সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে তা কি কয়েদির সামাজিক, অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান দেখেই ঠিক করা হয়? যদি তা হয়, তাহলে বলতেই হচ্ছে ‘তিহার আশ্রম’ এখন বস্তুতই পরিণত হয়েছে ‘ত্রাসের তিহার’-এ।

তথ্যঋণ : https://www.quora.com/What-is-it-like-to-have-lived-in-Tihar-Jail

Black Warrant: Confessions of a Tihar Jailer; book by Sunetra Choudhury and Sunil Gupta

লিখেছেন
Arunava Nag Roy
Arunava Nag Roy
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।