পুরুষদের যৌনাঙ্গের বিরল থেকে বিরলতম রোগ! কী এই ডিফালিয়া, ট্রিফালিয়া?

Male Rare Sexual Organ Problems: ২০১৩ সালে উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল, যার শরীরে ছিল তিনটি লিঙ্গ। তবে এক্ষেত্রেও মলদ্বার ছিল না।

Subir Paul
৬ মিনিট
পুরুষদের যৌনাঙ্গের বিরল থেকে বিরলতম রোগ! কী এই ডিফালিয়া, ট্রিফালিয়া?

বছর দুয়েক আগে একটি আশ্চর্যজনক খবর প্রকাশিত হয়েছিল ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম 'ডেইলি মেইল'-এ। ওই খবরের সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানে একটি মানব শিশুর জন্ম হয় যার মলদ্বার যেমন নেই জন্মগতভাবে, তেমনই ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় তার শরীরে রয়েছে দুটো আস্ত পুরুষাঙ্গ! আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ার মতো এই খবর নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। এই অদ্ভুত নবজাতককে ঘিরে বিশ্ববাসীর উৎসাহ ছিল তুঙ্গস্পর্শী। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা একবাক্যে স্বীকার করে নেন, সদ্য জন্ম নেওয়া এমনতর মানুষ হলো এই দুনিয়ায় 'রেয়ারেস্ট অফ দ্য রেয়ার'। মাতৃগর্ভে ৩৬ মাস থাকার পর শিশুটির জন্ম হয়। পরিপূর্ণ সুস্থ এই বাচ্চাটির পরিবারগত কোনও ত্রুটি ছিল না। ইসলামাবাদের এক চিকিৎসালয়ে শিশুটির অস্ত্রোপচার করা হয় শরীরে মলত্যাগ প্রক্রিয়া সচল করার জন্য। কোলোনোস্কপির সাহায্যে তা সফলও হয়। দু'টি পুরুষাঙ্গের লম্বাগত সামান্য ফারাক পরিলক্ষিত হয়। লম্বায় একটির আকার ছিল ২.৫ সেন্টিমিটার। অপরটির মাপ ছিল ১.৫ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ দুই পুরুষাঙ্গের মধ্যে দৈর্ঘ্যের পার্থক্য ছিল মাত্র ১ সেন্টিমিটার। প্রস্রাব নির্গত হয় স্বাভাবিকভাবে এই দুই লিঙ্গ থেকেই। তবে দুই লিঙ্গ বিশিষ্ট পুরুষদের মধ্যে মাত্র ১ শতাংশ মানুষ মলদ্বারগত সমস্যায় সাধারণত ভোগেন।

২০২০ সালে ব্রাজিলের রিও দে জেনেরিওতেও এমনই দুই লিঙ্গ বিশিষ্ট একটি শিশুর জন্মগ্রহণকে ঘিরে সারা বিশ্বে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। শিশুটির বছর দুই বয়স হলে প্রথমে শল্য চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে, ছোট লিঙ্গটি বাদ দেবেন। কিন্তু শিশুটির মা যখন জানান বাচ্চাটি প্রস্রাব ত্যাগ করে ছোট পুরুষাঙ্গ দিয়ে, তখন তার বড় লিঙ্গটি শরীর থেকে কেটে ফেলা হয় অপারেশন করে।

এমনকী এক মিশরীয় নবজাতকের শরীরেও দু'টি পুরুষাঙ্গ থাকার নজির সামনে এসেছে। এক্ষেত্রে আরও অবাক করার তথ্য জানা যায়। ২১ দিন বয়সের শিশুটিকে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন, এই শিশুটির নিম্নাঙ্গে দু'টি পৃথক পুরুষাঙ্গের সঙ্গে রয়েছে দু'টি আলাদা অণ্ডকোষও। এমন ঘটনাও বিশ্ববাসীকে হতবাক করেছে প্রত্যাশিত পর্যায়ে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দ্রুত গতিতে বাড়ছে পুরুষদের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য! আনন্দ নয়, চরম ভয়ের কারণ শোনালেন গবেষকরা

Male Genitalia Size: রাসায়নিকের ফলে ছেলে এবং মেয়েদের এখন আগেই বয়ঃসন্ধিকাল চলে আসছে।

সমগ্র ভারতে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৪০ কোটি। তবু এ যাবৎ এই মহামানবের সাগর তীরে দুই পুরুষাঙ্গ বিশিষ্ট পুরুষের সন্ধান ন্যূনতম একটিও পাওয়া যায়নি। আসলে এটি এমন এক বিরলতম শারীরিক গঠন যার সন্ধান সারা বিশ্বেও অতি অনুসংখ্যা মাত্র। ইংরেজি ভাষায় 'ডিফালিয়া' বলতে বোঝায় এমন পুরুষ যার দু'টি পুরুষাঙ্গ রয়েছে। কিন্তু ডিফালিয়ার বাংলা ব্যাকরণগত শব্দের অর্থ কী তা অবশ্য এখনও অজানা। যদিও ডিফালিয়ার আরও একটি ইংরেজি ভাষার প্রকাশ হলো, পেনাইল ডুপ্লিকেশন। এরকম ক্ষেত্রে দু'টি পুরুষাঙ্গ বাহ্যিক অবস্থায় থাকে। আর পাশাপাশি অবস্থান করে শরীরের যথাযথ স্থানে। তবে দু'টির মধ্যে আকার ও আকৃতির প্রভেদও কখনও কখনও বিদ্যমান। তবে খুব কম সংখ্যক হলেও দুই লিঙ্গ মোটামুটি দৃশ্যত একই রকমের হয়, এমন দৃষ্টান্তের হদিশ অবশ্য পৃথিবীতে পাওয়া গিয়েছে। ডিফালিয়ার ক্ষেত্রে একটি লিঙ্গ যদি স্যাজিটাল প্লেনের মতো থাকে তাহলে অপরটি রয়ে যায় ফ্রন্টাল প্লেনের ধারাকে বহন করে।

পম্পেইয়ের একটি চিত্রে দু'টি লিঙ্গের সমস্যার কথা

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একাংশের মতামত, গর্ভধারণের মোটামুটি ২৫ দিনের মাথায় মাতৃ জঠরের মধ্যেই ভ্রূণের অন্দরে ডিফালিয়ার লক্ষণ প্রাথমিকভাবে ধরা পড়ে। এটি অবশ্যই পুরুষের দেহের একটি আশ্চর্যতম বিকাশগত অতি বিরল জন্মগত ত্রুটি। অবশ্য এটাও ঠিক যে, এই ডিফালিয়া পরিবারগত বা জিনগত অস্বাভাবিক লক্ষণ যে একদমই নয় সেই বিষয়ে চিকিৎসকেরা প্রায় নিশ্চিত। সমগ্র বিশ্বের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, প্রতি ৫০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষ নবজাতকের মধ্যে হয়তো একটি ডিফালিয়ার তথ্য সামনে আসে। এটি এতটাই বিরল যে সমগ্র পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত, বিগত ৪০০ বছরে মাত্র ৮৬টি দৃষ্টান্ত মিলেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেহ থেকে আলাদা যৌনাঙ্গ, ৬ সেমি লম্বা শুক্রাণু! অবাক করবে পোকাদের যৌনজীবন

Reproduction of Insects: একজন স্ত্রী পোকার প্রজনননালিতে বেশ কয়েকটি পুরুষের শুক্রাণু থাকতে পারে।

এই ডিফালিয়া সম্পর্কে প্রথমবার তামাম দুনিয়া জানতে পারে ১৬০৯ সালে। সেই সময়ে সুইস চিকিৎসক জোহানেস জ্যাকব ওয়েকার একটি মৃতদেহ পর্যবেক্ষণ করছিলেন। তখনই তিনি প্রথম আবিষ্কার করেন কোনও মানুষের শরীরে দু'টি পুরুষাঙ্গ থাকার অদ্ভুত বিষয়টি।

ডিফালিয়ার বিষয়ে আলোচনার রসদ জোটাতে গিয়ে প্রত্যাশিত পর্যায়ে সমুদ্র মন্থনের মতো উঠে আসে 'ট্রিফালিয়া'-র মতো আরও এক চমকপ্রদ বিস্ময়। এই বিষয়েও একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় মাস চারেক আগে ইংল্যান্ডের সংবাদ মাধ্যমে। 'দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'-এর খবর অনুযায়ী, এটি আবার একটি পুরুষের তিনটি পুরুষাঙ্গের কিসসা। তাই এই বিষয়টাকে বলা হচ্ছে ট্রিফালিয়া। এই ট্রিফালিয়ারও বাংলায় প্রকৃত প্রতিশব্দ এ যাবৎ নেই। বার্মিংহাম মেডিকেল স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা সম্প্রতি নিজেদের অধ্যায়নের প্রয়োজনে একটি মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের কাজে লিপ্ত হন। তখনই জানা যায় ৭৮ বছরের ওই শেতাঙ্গ ব্যক্তির তিনটি লিঙ্গ ছিল। এই খবর জানাজানি হতেই পৃথিবীর নানা প্রান্তে আবারও বিস্ময়ে ফেটে পড়েন আবালবৃদ্ধবনিতা।

আসলে ওই মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় জানতেনই না যে, তাঁর শরীরে তিনটি লিঙ্গ রয়েছে। কারণ একটি পুরুষাঙ্গের অবস্থান স্বাভাবিক অবস্থায় বাহ্যিক থাকলেও বাকি দু'টি ছিল অণ্ডকোষের মধ্যে। ফলে বাকি দু'টি কখনই দৃশ্যমান ছিল না। জন্মানোর পরে দ্বিতীয়টিতে যথারীতি মূত্রনালী থাকলেও অল্প বয়সে তা পুরোপুরি অকেজো হয়ে যায়। আর তৃতীয় লিঙ্গ তো জন্মাবধি অসাড় ছিল। ফলে ওই ব্যক্তি বেঁচে থাকার সময়ে ঘুণাক্ষরেও অনুমান করতে পারেননি যে তিনি আদতে শরীরে তিনটে পুরুষাঙ্গ বহন করে চলেছেন। মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদের সময় তাই তাঁর দ্বিতীয় ও তৃতীয় লিঙ্গগুলো প্রথম দেখতে পান সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ারা। এই ঘটনাটি জার্নাল অব মেডিক্যাল রিপোর্টসে গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে প্রকাশ পায়। সেখানে উল্লেখ আছে, ওই ব্যক্তির তিনটির মধ্যে দু'টি লিঙ্গের আকার ছিল অস্বাভাবিক ছোট। সুতরাং দেহের বাহ্যিক অংশে অনুভব করার মতো লক্ষণও অনুভূত হয়নি কখনও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দু'টি যৌনাঙ্গ, তিনটি পা, মানুষ একটাই! যে বিরল ঘটনায় হাঁ হয়ে গেছিল বিশ্ব

Frank Lentini: ১৮৯৮ সালে লেন্টিনিদের পা পড়ল আমেরিকার ব্রিজপোর্টে। আর ১৮৯৯ সালেই লেন্টিনি রিংলিং ব্রাদার্সের 'স্টার পারফর্মার' হয়ে উঠলেন।

হাঙরের দ্বিলিঙ্গ

ট্রিফালিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেকটা হইচই পড়ে যায় ২০২০ সালে। চিকিৎসক বিজ্ঞানীদের দাবি, সেই সময়ে একটি শিশুর শরীর পরীক্ষা করে জানা যায় জন্মগতভাবে শিশুর শরীরে তিনটি পুরুষাঙ্গ রয়েছে। ইরাকের দুহোকে একটি শিশু আর পাঁচজন স্বাভাবিক নবজাতকের মতোই জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু তার যখন তিন মাস বয়স তখন ধীরে ধীরে শিশুটির শরীরের কিছু টিস্যুগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তখনই নবজাতকের বাবা-মা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। শিশুটিকে পরীক্ষা করে ডাক্তাররা বুঝতে পারেন, বাচ্চাটির অণ্ডকোষের গোড়ায় অতিরিক্ত দু'টি পুরুষাঙ্গ মাংসপিণ্ডের মতো কিছুটা মুখিয়ে আছে। স্বাভাবিক ক্ষেত্রে যে লিঙ্গটি যথাস্থানে রয়েছে সেটির দৈর্ঘ্য ২ সেন্টিমিটার। আর বাকি দু'টির দৈর্ঘ্য কিন্তু যথাক্রমে ১ সেন্টিমিটার করে। প্রকৃতস্থ লিঙ্গে এক্ষেত্রে মূত্রনালী থাকলেও অন্য দু'টিতে তা ছিল না। ফলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা শিশুটির অতিরিক্ত লিঙ্গ দু'টি সফল অস্ত্রোপচারের সাহায্যে বাদ দিয়ে দেন।

ভারতে ডিফালিয়া উপসর্গের কথা না জানা গেলেও, এই দেশে ট্রিফালিয়া বিশিষ্ট একটিমাত্র শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে এখনও পর্যন্ত। ২০১৩ সালে উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল, যার শরীরে ছিল তিনটি লিঙ্গ। তবে এক্ষেত্রেও মলদ্বার ছিল না। পৃথিবীর ইতিহাসে এটিই সম্ভবত প্রথম ট্রিফালিয়ার দৃষ্টান্ত যা সাধারণ মানুষের কাছে প্রকাশ্যে আসে। অনেকের আবার দাবি, ইরাকের দুহোকে জন্মানো শিশুটির মধ্যে ট্রিফালিয়ার যে দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে সেটিই নাকি বিশ্বের কাছে সর্বপ্রথম প্রকাশ্য ঘটনা। এসব নিয়ে বহু বিতর্ক আমজনতার মনে বাসা বাঁধতে পারে কিন্তু ট্রিফালিয়া যে পুরুষের শরীরের এক অতি দুষ্প্রাপ্য ত্রুটিগত উদাহরণ, তা নিয়ে সবপক্ষই একমত। মূল কথায় আসা যাক। জৌনপুরের শিশুটির দু'টি অস্ত্রোপচার করা হয়। একটির সাহায্যে মল নির্গমনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি অপর অস্ত্রোপচারের দ্বারা দু'টি লিঙ্গ শরীর থেকে বাদ দেওয়া হয় যথারীতি। আসলে এক্ষেত্রেও অ্যামপুট করা দু'টি লিঙ্গ দিয়ে প্রস্রাব কখনই নির্গত হতো না।

ডিফালিয়া বা ট্রিফালিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বরাবরই অসীম। একটি পুরুষের একটি পুরুষাঙ্গ থাকবে এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। তা দিয়েই পুরুষরা প্রস্রাব সারে আবার পরিণত বয়সে যৌনক্রিয়াও সম্পন্ন করে কিন্তু যে সমস্ত পুরুষের অতিরিক্ত লিঙ্গ রয়েছে তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই তা অকেজো থাকে। তাই অনেকেরই অতিরিক্ত লিঙ্গটি বাদ দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় চিকিৎসকের পরামর্শে। তবে খুব কম হলেও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও ঘটে এই পৃথিবীতে। যেমনটা হয়েছে জনৈক ট্যাঙ্ক নামক এক যুবকের ক্ষেত্রে। পেশায় লস এঞ্জেলেসর এক লরি চালক। তিনি জানিয়েছেন, "আমি জন্মে ছিলাম দু'টি লিঙ্গ নিয়ে। ২৩ বছর বয়সে আমি প্রথম যৌন সংসর্গ করি। এরপর একাধিকবার। সঙ্গমের সময় উভয় লিঙ্গ পৃথকভাবে ব্যবহার করতে পারতাম। এমনকী দু'টি থেকেই বীর্যপাত হতো। তবে একটি ব্যবহারের সময় অপরটিতে ভীষণ উত্তেজনা হওয়ার কারণে অবশেষে একটি বাদ দিয়েছি চিকিৎসকের সাহায্যে।"

যৌনতা সম্পর্কে ট্যাঙ্কের মতো আরও এক ডিফালিয়ায় আক্রান্ত ট্রিপল ডি নামক ব্যক্তি বিবিসি-কে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, "আমার জন্ম থেকেই দু'টি পুরুষাঙ্গ আছে। অন্তর্বাস পরতে কিছুটা সমস্যা হয়। কিন্তু উভয় থেকে স্বাভাবিক বীর্যস্খলন হয়। নারী সঙ্গমেও দু'টি সমানভাবে সক্ষম।"

লিখেছেন
Subir Paul
Subir Paul
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।