এখনও কেন লকডাউন চিনে! সাদা কাগজ নিয়ে বিক্ষোভকে ডরাচ্ছে কমিউনিস্ট চিন?

China Infinite lockdown: কোভিড লকডাউনের ফলে অগ্নি নির্বাপক গাড়ি আবাসনে না পৌঁছনোর কারণে হঠাৎ লেগে যাওয়া আগুনে ১০ জন মানুষ মারা যান।

suman sengupta
৪ মিনিট
এখনও কেন লকডাউন চিনে! সাদা কাগজ নিয়ে বিক্ষোভকে ডরাচ্ছে কমিউনিস্ট চিন?

কখনও কখনও একটা স্ফুলিঙ্গের প্রয়োজন হয় বিপ্লবের জন্য। ভেতরের তাপ এবং বাইরের স্ফুলিঙ্গ মিলে এমন কিছু ঘটে যা সারা পৃথিবীতে সাড়া ফেলে দিতে পারে। এই মুহূর্তে চিনে যা ঘটছে, তা তো শুধু স্ফুলিঙ্গ নয়, একটা অগ্নুৎপাত। এখনও একমাস হয়নি রাষ্ট্রপতি শি জিংপিং, তৃতীয়বার চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন, তাঁর বিরোধীদের সরিয়ে। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে তিনি কীভাবে সামলেছেন, তা নিয়ে ভিন্নতর লেখা হয়তো সম্ভব, কিন্তু দিনের শেষে দেখা গেছে, তিনিই চিনের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন এবং নিজেকে এক অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, মাও সে তুঙের সমতুল্য হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি ভাবতেও পারেননি, তাঁর বিরোধিতা তাঁর পার্টির অভ্যন্তর থেকে না এসে, বাইরের রাস্তা থেকে আসবে।

অনেকে অনেক কথা বলে থাকেন যে চিন থেকেই কোভিড ছড়িয়েছে সারা বিশ্বে। তারপর সারা বিশ্ব দেখেছে, কীভাবে কঠোর লকডাউন করে এবং প্রতিষেধক দিয়ে তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা হয়েছে। যদিও সেই পদ্ধতি এবং প্রতিষেধক নিয়ে এখনও নানান মহলে নানান বিতর্ক আছে। অনেকেই ইদানীং বলা শুরু করেছেন, এই পরিমাণ মৃত্যুহারের জন্য, সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষকে প্রতিষেধক দেওয়ার কি প্রয়োজনীয়তা ছিল? আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা অবধি হয়েছে, এই প্রতিষেধকের প্রতিক্রিয়াতেও যে বহু মানুষ মারা যাচ্ছেন তা নিয়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও চিন তাদের ‘শূন্য কোভিড নীতি’ থেকে এতটুকুও সরে আসেনি। তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৬ নভেম্বর, তাদের দেশেই কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা যেহেতু চল্লিশ হাজার, তাই সরকার এখনও লকডাউন করে মানুষকে গৃহবন্দি করে রাখার পক্ষপাতী। কিন্তু এই লকডাউন যে চিনের সরকারের বিরুদ্ধে এত গণক্ষোভ তৈরি করতে পারে, তা সম্ভবত সে দেশের সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান ভাবতে পারেননি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অনেক সয়েছি আর না! কেন রাষ্ট্রনেতা বলসোনারোকে ছুড়ে ফেলে দিল ব্রাজিলের জনতা

Lula De Silva wins in Brazil: ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বলসোনারোকে হারিয়ে লুলা হতে চলেছেন এই দেশের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।

ঝিংঝিয়াং প্রদেশের রাজধানী উরুমছি শহরের একটি বহুতল আবাসনে অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১০ জন মানুষকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবাদের সূত্রপাত। জানা যাচ্ছে, কোভিড লকডাউনের ফলে অগ্নি নির্বাপক গাড়ি ওই আবাসনে না পৌঁছনোর কারণে হঠাৎ লেগে যাওয়া আগুনে ১০ জন মানুষ মারা যান। তারপরেই চিনের নানান শহরে এই লকডাউনের বিরুদ্ধে মানুষজন রাস্তায় নেমে পড়েন। তাঁদের বেশিরভাগের হাতে একখণ্ড সাদা কাগজ এবং ফুলের স্তবক, যেন তাঁরা চলেছেন মৃত মানুষদের শ্রদ্ধা জানাতে। চিনের খবর সাধারণত বাইরের পৃথিবীতে কম আসে, কিন্তু এই ধরনের আন্দোলনের খবর চেপে রাখাও সম্ভব নয়। এমনিতে আপাতভাবে নিরীহ মনে হলেও এই সাদা একখণ্ড কাগজই হয়ে উঠছে প্রতিবাদের হাতিয়ার। যদিও প্রতিবাদীদের সংখ্যাটা এখনও হয়তো হাজার ছাড়ায়নি, কিন্তু ইতিমধ্যেই এই প্রতিবাদ সাংহাই, নানজিং ছাড়িয়ে চিনের রাজধানী বেইজিং শহরেও দেখা যাচ্ছে। মূলত কমবয়সী যুবক যুবতীরা রাস্তায় বেরিয়ে আসছেন লকডাউন ভেঙে। তাঁদের একটাই যুক্তি, সারা বিশ্বে তো কোথাও এইরকম লকডাউন নেই, সারা বিশ্বের বেশিরভাগ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা যখন বলছেন, এই কোভিডের সঙ্গেই আমাদের ঘর করতে হবে এবং এই রোগটির এমন কিছু মারণক্ষমতা নেই, তাহলে চিনে কেন এখনও এত কড়া লকডাউন চলছে? তাহলে কি সরকারের অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে? চিনের সরকার কি আরও স্বৈরতান্ত্রিক হচ্ছে, আরও অনুশাসনে বেঁধে রাখতে চাইছে নাগরিকদের? তাহলে কি কোনও বিরোধিতাই সরকারের বরদাস্ত নয়?

এমনিতেই চিনে প্রতি নাগরিকই সর্বক্ষণ নজরবন্দি, তাঁদের প্রতিটি কার্যকলাপ সরকার নজরে রাখে। ফেসবুক, টুইটার কোনও কিছু করারই স্বাধীনতা নেই। চিন তাদের নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম উই চ্যাট, সাইনা উইবো, ডুবান, টৌটিয়ান তৈরি করেছে। তা নাগরিকরা ব্যবহার করতে পারলেও, সেখানেও কোনওরকম সরকার বিরোধী কথা লেখা যায় না, লিখলেই সরকারের তরফ থেকে বার্তা আসে তা মুছে ফেলার এবং তিনি যে নজরবন্দি আছেন, তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও আজ স্বতস্ফূর্তভাবে মানুষজন রাস্তায় নেমে পড়ে সরকারি শৃঙ্খলার বিরোধিতা করছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোভিডের টিকাতেই ছিল মৃত্যুফাঁদ! বিস্ফোরক যে তথ্য আসছে প্রকাশ‍্যে

Covid Vaccine: টিকাকরণের প্রভাবে কী কী বিরূপ প্রতিক্রিয়া শরীরে দেখা যাচ্ছে?

অনেকেই এই খণ্ড সাদা কাগজের মধ্যে প্রতিবাদের জোরালো আওয়াজ শুনতে পাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, আমাদের দেশে জরুরি অবস্থা যেদিন ঘোষিত হয়েছিল, তারপরের দিন যেভাবে সম্পাদকীয় বিভাগটি সাদা রাখা হয়েছিল, আজকে চিনের প্রতিবাদ যেন অনেকটা সেইরকম। কিছুদিন আগে হংকংয়ে যে প্রতিবাদ হয়, সেখানেও ছিল সাদা কাগজ। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতিবাদে রাশিয়ার মস্কোতে যে প্রতিবাদ হয়েছিল, সেখানেও প্রতিবাদীরা এই সাদা কাগজকে অস্ত্র করেছিলেন। ১৯৮৯ সালে যখন তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে ছাত্র বিক্ষোভ হয়, তখন সরকারের তরফ থেকে সেই বিক্ষোভকে কঠোর হাতে দমন করা হয়েছিল। তারপর ১৯৯৯ সালে আরও একটি বিক্ষোভকেও দমন করা হয়েছিল চিন সরকারের পক্ষ থেকে, হাজার হাজার প্রতিবাদকারীকে গ্রেপ্তার করে।

২০২০ সালে তাদের সামাজিক মাধ্যমগুলো জুড়ে সরকারের কোভিড সংক্রান্ত উদাসীন মনোভাব নিয়ে প্রচুর কথা হয়েছিল, কিন্তু তা রাস্তায় নামেনি, কিন্তু এইবারের ‘শূন্য কোভিড নীতি’র জন্য যখন আবারও লকডাউন ঘোষিত হয়েছে, তখন তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বিক্ষোভ শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে আর সীমাবদ্ধ নেই। একদিকে কাতারে বিশ্বকাপ চলছে, সারা বিশ্ব থেকে মানুষজন কাতার যাচ্ছেন, ওদিকে চিনে কিন্তু এখনও উড়ানযাত্রা স্বাভাবিক হয়নি, তা নিয়েও ক্ষোভ দানা বাঁধছে চিনে।

গত অক্টোবর মাসে যখন চিনে পার্টি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়, তখন চিনের মানুষজন ভেবেছিলেন যে, এইবার হয়তো কোভিড বিধি শিথিল হবে। কারণ এই লকডাউনের ফলে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। কিন্তু দেখা গেল উল্টোটা। শি জিনপিং, যিনি এই মুহূর্তে চিনের এক এবং অদ্বিতীয় নেতা, তিনি বললেন, তাঁরা কোনওভাবেই নিজেদের নীতি থেকে সরছেন না। আজকের আন্দোলন অত্যন্ত ভ্রূণ অবস্থায় রয়েছে ঠিকই এবং চিনের সরকার কীভাবে এই আন্দোলনকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করা যায়, সেই বিষয়েও সচেষ্ট। তবে গত দু’দিন ধরে একাধারে চিনের পুলিশ প্রশাসন দমন পীড়ন নামিয়ে আনলেও, জিনঝিয়াং প্রদেশে কিছুটা হলেও শিথিল করা হয়েছে কোভিড বিধি। প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিকেরা বাড়ি থেকে বের হতে পারবেন, গণপরিবহনে যাতায়াতও করতে পারবেন। আপাত নিরীহ এই ‘সাদা’ কাগজের প্রতিবাদ যাতে কমিউনিস্ট পার্টি এবং তার সর্বময় নেতা শি জিংপিংয়ের বিরুদ্ধে না যায়, সেদিকেও কিন্তু নজর রাখছে প্রশাসন। কিন্তু তাও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, “ওঁদের বাঁধন যতই শক্ত হবে, ততই বাঁধন টুটবে।”

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।