অধীর-সেলিম না ধুপগুড়ি — কে 'ভেঙে' দিল ইন্ডিয়া জোট?

INDIA Block : শোনা যাচ্ছে যে, আসন সমঝোতা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের ফর্মুলা শুনে রাহুল গান্ধী তাতে বিশেষ পাত্তা দেননি।

Sambit Pal
৪ মিনিট
অধীর-সেলিম না ধুপগুড়ি — কে 'ভেঙে' দিল ইন্ডিয়া জোট?

না, এখনই যে ভারতের বিরোধী দলগুলির 'ইন্ডিয়া' জোটের দফারফা হয়ে গেছে, এমন দাবি করা যাবে না ঠিকই। কিন্তু এই জোটের আকাশে যে কালো মেঘ জমছে, আকাশের মুখ যে ভার হয়ে আসছে, সে কথা বলাই যায়। যে জোটের নামকরণের ভয়ে কেন্দ্রের শাসক দল দেশের নাম থেকে ইন্ডিয়া সরিয়ে দিয়ে শুধুই ভারত রাখতে চায়, সেই জোটের এমন অবস্থা বোধহয় হওয়া উচিত ছিল না। কিন্তু দু’টি বিষয় ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে জনগণকে হতাশ করতে পারে।

এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, ইন্ডিয়া জোট একটি অসাধ্য সাধন করতে নেমেছে। ভারতের তথাকথিত বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার চেষ্টা হচ্ছে এই জোটের মাধ্যমে। এদের মধ্যে অনেকেই নিজেরা একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়াই করে। তবুও পটনা ও বেঙ্গালুরুর বৈঠক পর্যন্ত ঠিক ছিল। তাল কাটা শুরু হলো মুম্বইয়ের বৈঠকেই। তারপরে দিল্লিতে জোটের সমন্বয় কমিটির বৈঠক থেকে যে নির্যাস বেরিয়েছে তাতে বোঝা গেছে এ দেশের বিরোধীরা নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মারতে কতটা ভালোবাসে।

মোদি নয়, বিজেপি-আরএসএস বিরোধী একটি ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী করতে চাইছেন অনেকদিন ধরে। তাতে বুঝে বা না বুঝেই হোক বা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই হোক, ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা রাহুল গান্ধীর সেই চেষ্টাতেই সামিল হয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কয়েকজন বাছা বাছা খবর সঞ্চালকের শো বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটি আসল লক্ষ্য থেকে নিজেদের এবং জনগণের দৃষ্টিই সরিয়ে দিল।

এটা ঠিক যে, এই সঞ্চালকদের মধ্যে বেশিরভাগই সরকার পক্ষের ঝোল টেনে নিজেদের অনুষ্ঠান করেন। বিদ্বেষও ছড়িয়ে থাকেন বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে। বিরোধী দলের মুখপাত্রদের ঠিক করে কথা বলতে দেন না। কিন্তু মনে রাখতে হবে এখনও পর্যন্ত এই সঞ্চালকরা বিরোধী দলের মুখপাত্রদের তাঁদের অনুষ্ঠানে ডাকা বন্ধ করেননি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
INDIA-র মুখ কে? আদর্শ দিয়ে কতটা লড়াই সম্ভব মোদির বিরুদ্ধে?

INDIA vs NDA: পশ্চিমবঙ্গে সিপিআইএম কোনওভাবেই মমতার সঙ্গে বা কেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে সিপিআইএম সমঝোতায় যেতে পারবে না।

'যে বেশি চেঁচাবে তার কথাই শোনা যাবে'— এই তত্ত্বেই যখন গোটা মিডিয়া (সামাজিক মাধ্যমসহ) ব্যবস্থা চলছে, তখন 'আমি আর চেঁচাতে পারছি না' বলে রণক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়ে আসব, তা কখনও হতে পারে না। ব্যক্তিগত স্তরে তাও হতে পারে। কিন্তু যাঁরা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে চান, তাঁরা এই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাতে পারেন না।

অনেকেই বলতে পারেন, সামাজিক মাধ্যমই যখন আছে, তখন আর এই টিভি চ্যানেলগুলির দরকার কী! ভুলে গেলে চলবে না যে, গণতান্ত্রিক পরিবেশে সবরকম সংবাদ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার করাই রাজনৈতিক দলগুলির কর্তব্য। নয়তো খবরের বুদ্বুদ তৈরি হবে আরও বেশি করে। দেশের নাগরিকেরা দু'পক্ষের বক্তব্য একসঙ্গে শোনার সুযোগ পাবেন না।

একদিকে যেমন তথাকথিত 'গোদি মিডিয়া' এক ধরনের খবরের বুদবুদ তৈরি করছে, অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমেও কিছু সাংবাদিক অন্য ধরনের বুদবুদ তৈরি করছেন। পুরো চিত্রটা কেউই দেখাতে চাইছে না। যার যে পক্ষকে ভালো লাগবে, সে সেই বুদবুদে ঢুকে যাবে। ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে এটা কোনও সুখবর নয়। এটাও এক ধরনের বিদ্বেষ ছড়ানো। যে জোটের নেতা 'ভালোবাসার দোকান' খোলার ডাক দিচ্ছেন, সেই জোটের এমন সিদ্ধান্ত পরস্পরবিরোধী।

ফলে মূল রাজনৈতিক লড়াই থেকে সরে এসে একটি অন্য লড়াইয়ের ক্ষেত্র বা তা নিয়ে জলঘোলা করে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা নিজেদের রাজনৈতিক অভিমুখই বদলে দিলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সুধীর থেকে অর্ণব- একবারে বাদ ১৪ জন! কেন গোদি মিডিয়াকে বয়কটের সিদ্ধান্ত জোট ইন্ডিয়া-র?

INDIA Alliance: জোট ইন্ডিয়া-র সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিজেপির দিকে ঝুঁকে থাকা ধামাধারী সংবাদমাধ্য়মগুলির কোনও শো-তেই কোনও প্রতিনিধি পাঠানো হবে না। সেইসব চ্যানেলের বিশেষ বিশেষ উপস্থাপকদের নিয়েই আপত্তি জোট ইন্ডিয়ার।

অবশ্য এ ছাড়া আর করারই বা কী ছিল এই নেতাদের! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোট নিয়ে যে তাড়াহুড়ো করছিলেন বলে অভিযোগ উঠছিল, সেটা নিয়ে তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। একটি জোটের প্রথম বৈঠকের তিন মাস পরেও তার কোনও অভিন্ন কর্মসূচি ঠিক হলো না। যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যা সেই আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে না। কোনও সমঝোতা না করে যে যার মতো করে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে এমন সিদ্ধান্তও জোটের নেতারা নিতে পারছেন না। সিপিআইএম কেরলে ও বাংলায় কী করবে তা নিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। আম আদমি পার্টি পঞ্জাবে কংগ্রেসকে একটি আসনও ছাড়তে রাজি নয়। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের অবস্থান ঠিক কী হবে, তা নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবসান হয়নি এখনও পর্যন্ত।

বরং যেটা শোনা যাচ্ছে যে, আসন সমঝোতা নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের ফর্মুলা শুনে রাহুল গান্ধী তাতে বিশেষ পাত্তা দেননি। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এখনও পর্যন্ত সিপিএমের সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরতে রাজি নন (যদিও সেটা করলে তাঁর নিজের আসনটি অন্তত তিনি নিশ্চিত করতে পারেন)। সিপিএম এখনও পর্যন্ত কাকে ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটিতে পাঠাবে তাই ঠিক করে উঠতে পারেনি। এই সপ্তাহের পলিটব্যুরো বৈঠকে হয়তো ঠিক করবেন তাঁদের নেতারা। শরদ পওয়ার ঠিক ভাইপো অজিত পওয়ারের মতো বিজেপির হাত ধরে ফেলবেন না মহারাষ্ট্রের মহাজোটেই থাকবেন, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।

অন্যদিকে, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও দিন সনিয়া গান্ধীর নিচে কোনও কংগ্রেস নেতার সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনা করতে রাজি হতেন না, তিনি রাহুলকে বাবা-বাছা করে যথেষ্ট রাজনৈতিক জোটের বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে খুব একটা চিঁড়ে ভেজেনি বোঝাই যাচ্ছে। কাজেই মমতার গোঁসা হওয়া স্বাভাবিক।

আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উত্তরবঙ্গে ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনের জয়ের পরে বুঝে গেছেন, কংগ্রেসকে ছাড়াও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বৈতরণী তিনি পার হতে পারবেন। তা সম্ভব হবে বিজেপির নিজেদের সংগঠনের অব্যবস্থার ফলেই। কাজেই তিনি স্পেন-দুবাইয়ে লগ্নি টানতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ইন্ডিয়া জোট থেকে তাঁর মন উঠে গেছে বলেই মনে হচ্ছে।

যেখানে ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম প্রধান মুখই এখন জোটের থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছেন, সেখানে এ জোটের অবস্থাও ২০১৯-এর ইউনাইটেড ইন্ডিয়া জোটের মতো না হয়ে যায়। একটি ব্রিগেড সমাবেশ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি অন্ধ্রপ্রদেশ সফরের পরেই তিনি বুঝে যান, কেন্দ্র ছেড়ে তাঁর রাজ্যে মন দেওয়াই ভালো।

এবারে জোটের সলতে পাকানোর আগে ইতিমধ্যেই তিনি সেটাই করতে শুরু করেছেন।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।