মোদি নন, বাজপেয়ীই প্রকৃত বিজেপি! অটল বিহারীর স্মৃতিসৌধে গিয়ে কোন বার্তা দিলেন রাহুল?

Bharat Jodo Yatra: বাজপেয়ী নিজেই একবার একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করাতে তাঁকে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন রাজীব গান্ধী।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
মোদি নন, বাজপেয়ীই প্রকৃত বিজেপি! অটল বিহারীর স্মৃতিসৌধে গিয়ে কোন বার্তা দিলেন রাহুল?

ভারতকে জুড়তে জুড়তে এগিয়ে চলেছেন রাহুল গান্ধী। মাঝে মাঝে বিরতি নিচ্ছেন, যাত্রায় জুড়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। গৈরিক রথ নয়, দলীয় পতাকার আগে এখানে উড়ছে ভারতের তেরঙ্গা। এই ভারত জোড়ো যাত্রাকে দেশের অখণ্ডতার যাত্রা বলেই ডেকেছে কংগ্রেস, ভালোবাসার, পারস্পরিক শ্রদ্ধার যাত্রা হিসেবেই দেখছে ভারতের এই সুপ্রাচীন রাজনৈতিক দল। সোমবার ভারত জোড়ো যাত্রায় সাময়িক বিরতি নিয়ে এই পারস্পরিক শ্রদ্ধার নজির তুলে ধরেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী, দলিত নেতা জগজীবন রাম এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সহ দিল্লিতে বেশ কয়েকজন নেতার স্মৃতিসৌধে সময় কাটিয়েছেন তিনি। এই স্মৃতিসৌধের মধ্যেই অন্যতম সদৈব অটল, নরেন্দ্র মোদির আগে বিজেপির একমাত্র প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধ।

বাজপেয়ীর সময়ের গেরুয়া দল আর নরেন্দ্র মোদির সময়ের বিজেপি- পংক্তিতে পংক্তিতে ফারাক। ভারতের রাজনৈতিক সুরে এই বিজেপি এক বেখাপ্পা উচ্চগ্রাম বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজনৈতিক আদর্শের বিরোধিতা আর হিংসাত্মক ও ক্ষতিকারক রাজনীতির মধ্যেখানের ফারাক অটলের আমল থেকে কতখানি প্রকট এ বুঝতে অবশ্য বিশ্লেষক না হলেও চলে। কিন্তু উচ্চগ্রামের এই গেরুয়াতন্ত্রে কেন বিজেপির অটলবিহারীকে শ্রদ্ধা নিবেদন রাহুলের? রাহুল বিজেপি এবং আরএসএসের বিরুদ্ধে আক্রমণের সামান্য সুযোগটুকুও ছাড়েননি কোনওদিন। রাজনীতিবিদরা বলেন, রাহুলের রাজনীতির 'আভিজাত্য' ভারতের স্বাস্থ্যের পক্ষে বেমানান। রাহুল যে আদর্শ দিয়ে ভারতকে দেখেন তা এই জমানায় ভারতের সমাজে চার আনাও খুঁটে খেতে পারবে না। বিজেপি বিরোধী রাজনীতি তাহলে কেন অটল বিহারী বাজপেয়ীর কাছে এসে নরম হল? বিষয়টিকে কয়েকটি ভাগে খতিয়ে না দেখলেই নয়।

'জোড়ো জোড়ো, ভারত জোড়ো'

রাহুলের নেতৃত্বে সারা দেশ জুড়ে চলতে থাকা 'ভারত জোড়ো যাত্রা'-র লক্ষ্য হল ভারতকে একত্রিত করা, একত্রিত হওয়া এবং দেশকে শক্তিশালী করা। সোমবার কংগ্রেস জানিয়েছে, অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন আসলে এই একত্রিত হওয়ার চেতনার সঙ্গেই জড়িত। কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাতে জানিয়েছেন, রাহুলের এই সফর বুঝিয়ে দিচ্ছে রাজনীতি করতে গেলে 'বড় দিল' লাগে। মিছিল চলাকালীন, বিজেপি কর্মীদের মুখোমুখি হলে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ গালিগালাজ করলে, রাহুল তাদের দিকে চুম্বন ছুঁড়ে দেন। অর্থাৎ ভারত জোড়ো যাত্রা বিজেপির ঘৃণার বাজারে লাখো লাখো 'মোহাব্বত কি দুকান'-এর জন্ম দিয়েছে, মনে করছে কংগ্রেস।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ বুঝতেন অটল বিহারী, বাজপেয়ীর বিজেপির থেকে কোথায় আলাদা মোদির বিজেপি?

Atal Bihari Vajpayee: নিজের প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৯০ শতাংশ সময়ই বিরোধী আসনে বসেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

নরমপন্থাই কংগ্রেসের মূলধন?

কংগ্রেসের মধ্যে রাহুল নিজেকে কট্টরপন্থী অবস্থানেই রেখেছিলেন। কংগ্রেস নেতারা দল ত্যাগ করে বিজেপিতে চলে যাওয়া নিয়ে রাহুল হামেশাই বলেছেন, যারা বিজেপি এবং আরএসএসকে ভয় পায় তাদের তিনি ধর্তব্যেই আনেন না। কংগ্রেসের মধ্যে অনেকেই বলছিলেন, দলকে আরেকটু নরম হতে হবে। দলের চিরাচরিত নরমপন্থা দিয়ে মন জয়ের স্ট্র্যাটেজিকে ভুলে গেলে চলবে না। রাহুল সম্ভবত ভারত জোড়ো যাত্রাতে সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

দিল্লিতে ভারত জোড়ো যাত্রার সময় লাল কেল্লার সামনে বক্তৃতায় বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাহুল রুটিরুজির সমস্যাকেই সামনে এনেছেন। রাহুল দলীয় অবস্থান সাফ করে জানিয়েছেন, বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতির পিছনে আসল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের জীবনকে রোজ প্রভাবিত করে এমন সমস্যাগুলি থেকে জনগণের মনোযোগ সরিয়ে দেওয়া। ঠিক একবছর আগেই, ২০২১ সালের শীতকাল এই রাহুলই ছিলেন অন্য। মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে একটি সমাবেশের মঞ্চ থেকে তিনি 'হিন্দু বনাম হিন্দুত্ববাদী' নিয়ে বিতর্ক শুরু করেছিলেন।

ভোট না আসুক, সমর্থন বাড়ুক

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অলক্ষ্যেই ম্যাজিক করছেন রাহুল! হিংসার বিরুদ্ধে মানুষকে জুড়বে ভারত জোড়ো যাত্রাই?

Bharat Jodo Yatra: হিংসা-দ্বেষের বদলে যদি ভালবাসা দিয়ে এই দেশকে অখণ্ড রাখা যায়, যদি মানুষে মানুষে ভেদাভেদকে দূর করে 'বিবিধের মাঝে মিলনকে' দেখা যায়, তাহলে ক্ষতি কী!

২০১৪ এবং ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে, কংগ্রেসের ভোট ১৯ শতাংশের সামান্য বেশি ছিল। কংগ্রেস মনে করছে, এই ভোট আরও ১০ শতাংশ মতো বাড়াতে হলে সেই সব মানুষের সমর্থন দরকার যারা ইউপিএর শেষদিকের সময়কালে বিজেপিকে সমর্থন করা শুরু করে। এমন নয় যে মানুষ বিজেপির নীতিকে সমর্থন করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, দুর্নীতি এবং নীতিহীনতায় ধুঁকতে থাকা কংগ্রেস থেকে বাঁচতে বিজেপির হিন্দুত্ব এজেন্ডায় আকৃষ্ট হয়েছেন অনেকেই। সমস্ত বিজেপি ভোটাররাই বিজেপি বা প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্ধ সমর্থক নন, বিশ্বাস কংগ্রেসের।

হিন্দুত্ববাদী মোদি বনাম 'মধ্যপন্থী' বাজপেয়ী

আরএসএসের বংশের সন্তান হলেও বাজপেয়ী ছিলেন একজন কবি এবং প্রধানমন্ত্রী! অটলবিহারী সেই পুরনো জমানার রাজনীতিবিদদের একজন যাঁরা দূরদর্শী, সস্তার হার-জিতের ম্যাজিকে যাঁদের আস্থা নেই। আসলে জোট সরকার চালাতে গেলে নরমভাবে চলা ছাড়া বাজপেয়ীর কাছে তেমন বিকল্পই বা ছিল কই? ১৯৯৮ থেকে ২০০৪-এর মধ্যে, যখন বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ ক্ষমতায় ছিল, অনেক ক্ষেত্রেই গেরুয়া দল এবং কংগ্রেসের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস বাজপেয়ীর সরকারকে 'অদক্ষ, অসংবেদনশীল, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং দুর্নীতিগ্রস্ত' বলে অভিহিত করায় তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন অটল।

তবে রাজনীতির বাজারে মোদির উত্থানের ঘটার পর থেকেই বাজপেয়ীর নরম বিজেপি ব্র্যান্ডের প্রশংসা করতে শুরু করে কংগ্রেস। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। উত্তর প্রদেশে একটি নির্বাচনী সমাবেশে তখন সনিয়া বলেছিলেন, “দেশ অনেক প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছে। তাঁরা সম্মানীয় মানুষ। এমনকী বিজেপির অটল বিহারী বাজপেয়ীও প্রধানমন্ত্রীর পদের মর্যাদা বজায় রেখেছিলেন।” ২০১৮ সালে "বাজপেয়ীজি, আডবাণীজি, যশবন্ত সিংজি"-কে অপমান করার জন্য মোদি-শাহ নেতৃত্বাধীন বিজেপিকে নিশানা করেন রাহুল। উগ্র বিজেপি বনাম নরম বিজেপির মধ্যে কংগ্রেসের পাল্লা চিরকালই বাজপেয়ীর দিকেই ঝুঁকে।

পুরাতন প্রেম

বাজপেয়ী নিজেই একবার একটি সাক্ষাত্কারে জানিয়েছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা করাতে তাঁকে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন রাজীব গান্ধী। “আর্থিক ব্যবস্থা করা আমার পক্ষে কঠিন ছিল। কোনওভাবে রাজীবজি বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি আমাকে ডেকেছিলেন, এবং তিনি আমাকে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। আমি একজন পূর্ণাঙ্গ সদস্য হলাম, চিকিৎসার যাবতীয় খরচ সরকার দেবে। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছিলাম,” বলেছিলেন বাজপেয়ী।

অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়, বিদেশের সরকারের সঙ্গে, জোট শরিকদের সঙ্গে এবং সর্বোপরি নিজের রাজনৈতিক সহকর্মীদের সঙ্গে যে শ্রদ্ধা এবং সৌজন্যের যে নজির বাজপেয়ী গড়েছিলেন মোদির ভারত কি মনে রেখেছে সেই নম্র বুদ্ধিদীপ্ত বিজেপিকে?

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।