ভারতে রোহিঙ্গাদের জন্য ফেরানো মুখ, অন্য শরণার্থীদের জন্য দরজা খোলা! কোথায় যাবেন ওঁরা

মিজোরামের সরকার দারুণভাবে বরণ করছে মায়ানমারের চিন থেকে আসা শরণার্থীদের। এই ধরনের ভিন্নতার একমাত্র প্রধান কারণ কি তাহলে জাতি এবং ধর্ম?

Zerin Hossain
৪ মিনিট
ভারতে রোহিঙ্গাদের জন্য ফেরানো মুখ, অন্য শরণার্থীদের জন্য দরজা খোলা! কোথায় যাবেন ওঁরা

ভারতে রোহিঙ্গাদের নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হয় বটে, কিন্তু তার তুলনায় মায়ানমার থেকে আসা আরেক দল শরণার্থীর প্রতি কিন্তু মিজোরামের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণভাবে আলাদা, তারা তাদের প্রতি খুবই অতিথিপরায়ণ।

কেন্দ্রীয় সরকার রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য 'বিপজ্জনক' বলে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, মিজোরামের রাজ্য সরকার ও স্থানীয় মানুষজন মায়ানমার থেকে আসা খ্রিস্টান শরণার্থীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এদেরকেও শরণার্থীর মর্যাদা দেয় না।

১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ মায়ানমারে সামরিক বাহিনী পুনরায় ক্ষমতা দখল করার পর থেকে বিভিন্ন দল গোপনে মায়ানমার ও মিজোরামের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক সীমান্ত তিয়াউ নদী পার করে মিজোরাম প্রবেশ করছে। মায়ানমারের ‘সেপায়া’ অর্থাৎ সিপাইরা সেখানকার জনগণের ঘরবাড়ি এবং ক্ষেত জ্বালিয়ে দিয়েছে। ঘন জঙ্গল এবং পাহাড়ের ভেতর দিয়ে দিনের পর দিন হেঁটে সীমান্ত পেরিয়ে মিজোরাম পৌঁছয় এই শরণার্থীরা।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ৩১ হাজার শরণার্থী রয়েছে মিজোরামে, যদিও বিভিন্ন এনজিও-র হিসেবে এর প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি। গত বছর থেকে, মায়ানমারের চিন রাজ্যের গণতন্ত্রপন্থীরাও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়মিত বিক্ষোভ, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছে। আরও বাড়ছে সেনাবাহিনীদের দমন-নির্যাতন।

যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এইসব শরণার্থীর দায়িত্ব নিতে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে, মিজোরাম এই হাজার হাজার মানুষকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের যথাসাধ্য আশ্রয় দিয়েছে খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে।

আইজলে এক সাক্ষাৎকারে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা বলেন, “তাদের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক আছে, এটা আপনাদের বুঝতে হবে।” তিনি আরও বলেন “ঐতিহাসিক কারণে আমাদের মধ্যে সীমান্ত বিভাজন তৈরি হতে পারে, কিন্তু মিজো এবং চিন আসলে একই জাতিগোষ্ঠী। তাই আমরা একই পরিবার, শুধু সীমান্তের দুই পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি। আজ পরিবারের কিছু সদস্য বিপদে আছে, তাই আমাদের তাদের সাহায্য করতে হবে, তাই না? এটা একান্তভাবেই আমাদের ফ্যামিলি ম্যাটার।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বিচারে খুন-ধর্ষণ, বন্ধ‍্যা করে দেওয়া! চিনে কতটা অত‍্যাচারের মুখে উইঘুর মুসলিমরা

দেখা যাক, উইঘুর মুসলিমদের সামগ্রিক অবস্থা। তাদের বন্দিদশা, তাদের ইতিহাস, বর্তমান পরিস্থিতি!

ভ্যান লালজাওমাও ক্ষমতাসীন দল মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের সহ-সভাপতি এবং সাংসদ। সাক্ষাৎকারে আরও যোগ করে তিনি বলেন যে, “মিজোরাম তাদের আশ্রয় দিয়েছে কারন আমরা একই বংশের, মিজো এবং চিন একই এথিনিসিটির। ব্রিটিশদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতির আগে আমরা সবাই একই জমিতে ছিলাম, এখন যেটা মিজোরাম, মায়ানমারের চিন পাহাড়, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম- এই সমস্ত জায়গায় আমরা বসবাস করতাম। তারা সবাই আমাদের ভাই-বোন, এখন বিপদে। তাদের জন্য সেখানে থাকা খুব বেশি কষ্টের। তাহলে আমরা কেন তাদের আশ্রয় দেব না?”

মিজোরাম বস্তুত মায়ানমার থেকে আসা কোনও শরণার্থীকেই ফেরত পাঠাছে না। মিজোরাম শুধু তাদের নিজের লোক বলে নয়, মানবিক কারণেও পিছনে ঠেলে দিতে পারবে না- এমনটাই বলেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এটাও বলেন যে, রোহিঙ্গাদেরও ভারত থেকে ফেরত পাঠানো উচিত নয়।

ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে চাম্পাই শহরের জোতে গ্রামে চিনস্টেট থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। জাতিসংঘ-র কর্মকর্তাদেরও শরণার্থী শিবিরে যেতে দেওয়ার অনুমতি নেই। এই শিবিরের বাসিন্দারা আজ পর্যন্ত ভারত সরকার বা জাতিসংঘের কাছ থেকে শরণার্থী হিসেবে পরিচয়পত্র পাননি।

অন্য দিকে, ভারতে রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীরা কঠোর বিধিনিষেধ, নির্বিচারে আটক, রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা প্রায় করা সহিংস আক্রমণ এবং বলপূর্বক প্রত্যাবাসনের উচ্চ ঝুঁকির সম্মুখীন। সরকার বলেছে যে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিতাড়ন না করা পর্যন্ত তাদের ডিটেনশন কেন্দ্রে রাখা হবে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, আনুমানিক ৪০,০০০ রোহিঙ্গা ভারতে রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ২০,০০০ জাতিসংঘ-র মানবাধিকার কমিশনে নিবন্ধিত। বাকিরা দেশের অন্যান্য প্রান্তে অনিবন্ধিতভাবে ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে।

ভারতে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থার মতো মৌলিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত। ২০১৯ সালে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাস করে। এই আইনের মতে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নন-মুসলিম 'অবৈধ অভিবাসীদের' ভারতের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। কিন্তু এই আইনটি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং মুসলিম দলগুলো বলে, আইনটি সংবিধানে বর্ণিত ধর্মনিরপক্ষে মূল্যবোধের পরিপন্থী।

রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করে কেন্দ্র সরকার। অতি জাতীয়তাবাদী হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ভারতে মুসলমানদের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের অংশ হিসেবে জম্মুতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের টার্গেট করে এবং তাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করছে এবং রোহিঙ্গাদের প্রতি তাদের নীতি সেই ধর্মান্ধতার প্রতিফলন বলে মনে হচ্ছে।

আবার অন্যদিকে মিজোরামের সরকার দারুণভাবে বরণ করছে মায়ানমারের চিন থেকে আসা শরণার্থীদের। এই ধরনের ভিন্নতার একমাত্র প্রধান কারণ কি তাহলে জাতি এবং ধর্ম? এমনটাই প্রশ্ন উঠে আসছে।

খ্রিস্টান-অধ্যুষিত মিজোরামে গির্জা সংগঠন খুবই শক্তিশালী। হাজার হাজার চিন শরনার্থীদের সাহায্য করতে এই চার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চার্চ ক্যয়ারের লিড সিঙ্গার ডেভিড বলেন, “জেনে রাখুন, মিজোরা কখনও তাদের খাওয়াতে দ্বিধা করবে না। দেড় বছর হয়ে গেছে, দরকার হলে যতদিন দরকার হবে, ততদিনই তাদের মুখে আমরা খাবার তুলে দেব।”

কিন্তু কতদিন এটা টানা যাবে, সেটা এখন বেশ দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। “আমাদের কাছে শরণার্থীদের সাহায্য করার মতো নিজস্ব কোনও অর্থ নেই, আমরা পুরোপুরি মানুষের দানের ওপর নির্ভর করে চলছি,” এমনটা বলেন চাম্পাই জেলার এনজিওর প্রধান সংগঠক লালছুয়ানোমা, এক সাক্ষাৎকারে।

তবে যেমন অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থী মায়ানমারে ফিরে যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে, চিনের এই বাসিন্দারা এখনও হাল ছাড়েনি। প্রতিদিনই তারা দেখে বাড়ি ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন। বৈষম্য, প্রতিরোধ এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ প্রকৃতি এবং বর্তমান সংকটের সমাধানের জন্য ভারতে অভিন্ন উদ্বাস্তু আইনের প্রয়োজন রয়েছে। মুসলমান বাদে বৌদ্ধ, হিন্দু, জৈন, শিখ, পার্সি বা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কিছু রাজ্যে আশ্রয় দেওয়া ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো লঙ্ঘন করে কি না, সেই প্রশ্ন উঠে আসছে কিছু মহলে।

লিখেছেন
Zerin Hossain
Zerin Hossain
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।