জেরার নামে নৃশংসতা! ভূ-স্বর্গের আসল ছবিটা আজ যেমন

Civilian Deaths in Jammu Kashmir: বিজেপি বলছে 'সব চাঙ্গা সি'! প্রতিদিন গ্রেফতার হচ্ছেন সাংবাদিকেরা। সাম্প্রতিক অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা বলেছেন কাশ্মীর ভারতের গাজা হতে চলেছে

inscript
৬ মিনিট
জেরার নামে নৃশংসতা! ভূ-স্বর্গের আসল ছবিটা আজ যেমন

জম্মু ডিভিশনের পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলার সীমানায় সেনার দু’টি গাড়িতে বৃহস্পতিবার জঙ্গি হামলার ঘটনায় পাঁচ জওয়ান নিহত হয়েছেন। ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে পাক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লস্কর-ই-তইবার শাখা সংগঠন ‘দ্য পিপলস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট’। এর পরে ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযানে নামে সেনা, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী। তখনই ওই এলাকার টোপা মাস্টানডারা গ্রাম থেকে সেনা বেশ কয়েক জনকে আটক করে বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেনা হেফাজতে মারধরের ফলে ধৃতদের মধ্যে সাফির হুসেন (৩৭), বছর মহম্মদ শওকত (২৬) এবং শাবির আহমদের (৩২) মৃত্যু হয়।

তড়িঘড়ি উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পুঞ্চ এবং রাজৌরি এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার স্তরের এক অফিসারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। পাশাপাশি, নিহত তিন গ্রামবাসীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও নিকটাত্মীয়কে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। কাশ্মীরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল থেকে মহম্মদ আশরফ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাঁদের কয়েকজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনী। ডেহরা কি গলিতে নিয়ে গিয়ে প্রথমেই ফোনগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর নগ্ন করে লাঠি, লোহার রড দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। ক্ষতের উপর ছিটানো হয় লঙ্কার গুঁড়ো। মারের চোটে বেহুঁশ হয়ে যান আশরফ।

কাশ্মীরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল থেকে মহম্মদ আশরফ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাঁদের কয়েকজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় নিরাপত্তা বাহিনী। ডেহরা কি গলিতে নিয়ে গিয়ে প্রথমেই ফোনগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর নগ্ন করে লাঠি, লোহার রড দিয়ে চলে অকথ্য অত্যাচার। ক্ষতের উপর ছিটানো হয় লঙ্কার গুঁড়ো। মারের চোটে বেহুঁশ হয়ে যান আশরফ। আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। এ অঞ্চলে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মন্দির নির্মাণই কি দেশের কাজ, বাংলা যা ভাবছে

Ram Mandir: কট্টর হিন্দুত্বের পালটা দাওয়াই সফট হিন্দুত্ব—কী বলছেন বামেরা? এর নামই আচ্ছে দিন? উন্নয়ন মানে কি স্রেফ মন্দির? উৎকর্ষ মানে কি শুধু ভক্তি আর সমর্পণ? এই নিয়েই বাংলা যা ভাবছে অনুষ্ঠানে কথা বলেছিলেন বিশিষ্টজনেরা।

২০০৭ সাল থেকে জম্মু কাশ্মীরের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টে লাইনম্যানের কাজ করে আসছেন আশরফ। মাস মাইনে ৯৩৩০ টাকা। দুই ছেলে এক মেয়ের পিতা আশরফের স্ত্রী গত হয়েছেন। বাকি পাঁচজনের অবস্থাও প্রায় এক। তাদের মধ্যে রয়েছে বছর পনেরোর এক কিশোরও। অভিযোগ, দশম শ্রেনির ওই ছাত্রের উপরও অকথ্য অত্যাচার চালায় নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা।

কয়েকদিন আগে কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় জম্মু-কাশ্মীরের উপ-রাজ্যপাল মনোজ সিনহা বলেন, কাশ্মীর উপত্যকা এখন কলকাতার থেকে নিরাপদ। এই ভাষণের আটচল্লিশ ঘণ্টা পার হতে না হতেই একদিকে জঙ্গি হামলা, অন্যদিকে জঙ্গিদমনের নামে নাগরিক-নিপীড়নের অভিযোগ উঠল কাশ্মীরে।

বিজেপি ক্রমাগত দাবি করে আসছে, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর আমজনতার নিরাপত্তা নাকি বেড়েছে। বেড়েছে নাগরিকদের বাক-স্বাধীনতাও। পাথরছোঁড়া নাকি বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেনাদের সঙ্গে জনতার সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপও নাকি অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু কোথায় কী? সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিজেপির সমস্ত দাবিতে বড় প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ মনে করে, ২০১৯-এর পর কিছুই বদলায়নি। সেনার সঙ্গে নাগরিকদের সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং উঠেছে একের পর এক অভিযোগ। কখনও উনিশ বছরের যুবককে চেয়ারে বেঁধে ঠোঁটে বারবার সূচ ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, কখনও মহিলাদের ধর্ষণ-শ্লীলতাহানির অভিযোগ, কখনও বা বছর পনেরোর কিশোরকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ। ক্রমাগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে চলেছেন কাশ্মীরের মানুষ। মায়েরা জানেন না সন্তান আর বাড়ি ফিরবে কিনা! অথচ বিজেপি বলছে 'সব চাঙ্গা সি'! প্রতিদিন গ্রেফতার হচ্ছেন সাংবাদিকেরা। সাম্প্রতিক অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা বলেছেন কাশ্মীর ভারতের গাজা হতে চলেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জিজ্ঞাসাবাদের নামে সাধারণ মানুষকে হত্যা ভারতীয় সেনার! কাশ্মীরের 'অচ্ছে দিন' তবে এই?

Civilians Killed in Kashmir Military custody : ২০২০ সালেও ভারতীয় সেনাবাহিনী রাজৌরির তিনজন নাগরিককে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছিল।

কেন মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন মনোজ সিন্‌হারা? কেন গোদি মিডিয়া জাঠ জগদীপ ধনখড়কে নিয়ে তাদের উদ্বেগের সিকিভাগও কাশ্মীরের জনজীবনের জন্য বরাদ্দ করে না? কোন অদৃশ্য জুজুর ভয়ে চুপ বিরোধী নেতারাও? কোনপথে কাশ্মীরে শান্তি ফিরবে? আসুন, জেনে নিই বিশেষজ্ঞদের মতামত।

সুমন ভট্টাচার্য (সাংবাদিক)

আতঙ্কবাদ আসলে জলের মতো। তাকে একদিকে রুখতে গেলে অন্যদিকে গড়িয়ে যায় ঠিকই। তার মূল কারণটা খোঁজা প্রয়োজন। গোড়ায় গলদ থাকলে রোখা যাবে না জঙ্গি হামলা। ফলে আক্লমণ হয়েই চলেছে। আর সেই আতঙ্কবাদকে ব্যবহার করছে বিজেপি। ফারুখ আবদুল্লাহ খুব দামি কথা বলেছেন। সত্যিই কাশ্মীর গাজায় পরিণত হবে কিনা আমরা জানি না। তবে কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত অবহেলিত। তার সঙ্গে কাশ্মীরী মুসলমানদের নিয়ে যে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে বিজেপি, তাতে ভবিষ্যতে তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে একশো ভাগ। সেনাদের কাশ্মীরীদের হৃদয় জয় করতে হবে। শক্তি প্রদর্শন করে তা করা যাবে না। করা যাবে না কাশ্মীরীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক মনে করেও। কাশ্মীরী মুসলিম মানেই জঙ্গি—এ আখ্যান ভাঙতে হবে। বিজেপি তা করছে না। বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমদের দূরত্ব বেড়েই চলেছে। মনোজ সিনহা কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে যাই বলুন, পুঞ্চ এবং রাজৌরিতে ইন্টারনেট বন্ধ করতে হল, বিতর্কিত অত্যাচারের ভিডিও যাতে ছড়িয়ে না পড়ে। যে মানুষের পরিবারের কেউ মারা যাচ্ছে, সে কি কোনও দিন আর সেনাকে বিশ্বাস করতে পারবে? বরং জঙ্গিরা কি তার সুযোগ নেবে। তাহলে কাশ্মীরকে কীভাবে বোঝা সম্ভব? কীভাবে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব? মিথ্যে কথা কাশ্মীরের পরিবেশকে আরও জটিল করবে। কাশ্মীরের অবস্থা খুব ভাল—এমনটা প্রচার করলে চলবে না। শ্রীনগর প্রেসক্লাবে এক কাপ চা খাওয়ার অবস্থা নেই। কাশ্মীরের সমস্যাটা সহানুভূতির সঙ্গে বোঝা প্রয়োজন। না হলে আমাদের এই ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেবে জঙ্গিরা। ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আমাদের সেনারা। অবিশ্বাস কাশ্মীরকে গোটা দেশের যৌথমানস থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ করে তুলছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাশ্মীরের দুর্দশার জন্য দায়ী নেহরু, বলছেন অমিত শাহ! কী বলছেন কাশ্মীরে মানুষ?

Jammu Kashmir 370 Article : কাশ্মীরের জনগণের কাছে ছবিটা এখনও ভয়েরই। ভয়ে চুপ থাকা মানেই শান্তি নয়! ভয়, ক্রমবর্ধমান দাম এবং বেকারত্ব হু হু করে বাড়ছে এই অঞ্চলে।

স্নিগ্ধেন্দু ভট্টাচার্য (সাংবাদিক)

২০২২-এর জানুয়ারিতেই কাশ্মীরের প্রেসক্লাবটিকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। তবে তার শুরু হয়েছিল ২০২-র জুন মাসেই। 'মিডিয়া পলিসি' নামে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করে জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। সেখানে বলা হয়, উস্কানি দিতে চাইলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। এমন কোনও গণমাধ্যম সরকারি বিজ্ঞাপন পাবে না। এখানে উস্কানির সংজ্ঞাই কী খোলসা করে‌ বলা হয়নি। এমনকি উস্কানি দেওয়ার কথা ভাবলেও এ নিয়ম বর্তাবে। ভাবছে—সেটা কীভাবে বোঝা যাবে? এ ব্যবহার করে যাকে ইচ্ছে অসুবিধায় ফেলতে পারে সরকার। বিজ্ঞাপন বন্ধ করে সংবাদমাধ্যমগুলির উপর অর্থনৈতিক আক্রমণ চালানোর পথপ্রশস্ত করা হল। এবছর সেপ্টেম্বরে বিবিসি প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, কাশ্মীরের সাংবাদিকরা ভাবেন, তাঁদের প্রত্যেকটি লেখাই শেষ লেখা। এর পরে কী হবে কেউ জানেন না। আদৌ কাল বেঁচে থাকবেন কিনা জানেন না তাঁরা। একের পর এক সংবাদমাধ্যমের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে। 'গ্রেটার কাশ্মীর'-কে চুপ করানো হল, প্রায় মুছে ফেলা হল 'দ্য কাশ্মীর ওয়াল্লা' সংবাদমাধ্যমটিকেও। শুধুমাত্র নিরাপত্তার খাতিরে? নাকি কোনও প্রশ্নই করা যাবে না—এমনটা বোঝাতে চাইছে বিজেপি সরকার? সশস্ত্রবাহিনীর উপস্থিতিতে যেভাবে সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে তা ভয়ানক। রোজকার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তাই কাশ্মীরের কোনও দুর্দশার খবর আমরা সেভাবে পাচ্ছি না। কাশ্মীরটাকে বিরোধীরাও খুব একটা ইস্যু করতে পারবেন বলে যনে হয় না। তাঁরা কেউ বলছেন না, ঘৃণা নয়, ভালোবাসাই একমাত্র পথ। কাশ্মীরকে যদি ভারতের অংশ মনে করি, কাশ্মীরীদেরকেও তো ভারতীয় মনে করতে হবে! তাঁদের সমস্যা ভারতের সমস্যা, ভারতীয়দেরই সমস্যা—এই বোধটা থাকা দরকার। একজন ভারতীয়র প্রতি অন্যায় দেখলে আমাদের মুখ খোলা প্রয়োজন, বিরোধিতা করা প্রয়োজন। বাইরে থেকে লোক এনে জায়গা দখল করে দাদাগিরি চলতে পারে, আত্মীয়তা তৈরি করা যায় না। ভারতের মূল শক্তি বিভিন্নতাকে স্বীকার করতে পারা। সেখানকার সাধারণ মানুষের সমস্যা না বুঝলে কাশ্মীর নিয়ে অশান্তি লেগেই থাকবে। চিন্তার গোড়ায় গলদ থেকে যাচ্ছে। প্রত্যেক ভারতবাসীর কর্তব্য ভারতবাসী হিসেবে কাশ্মীরীদের পাশে থাকা।

সম্বিত পাল (অধ্যাপক-সাংবাদিক)

কাশ্মীরের তরুণদের সামনে ভয়াবহ বেকারত্বের সমস্যা। অথচ মানুষ আলোচনা করছে শুধুমাত্র নিরাপত্তার প্রশ্ন নিয়ে। হয় জাতীয় নিরাপত্তা নয় সন্ত্রাসবাদ। এর মাঝে হারিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ কাশ্মীরীরা। কাশ্মীরের বাস্তব আমরা কতটা জানতে পারছি? কাশ্মীরের কতবার ইন্টারনেট কতবার বন্ধ করে রাখা হয়েছে? এমন নজির আর সম্ভবত নেই। ফারুক আবদুল্লাহ হঠাৎ গাজা শব্দটা কেন আনলেন? গাজা একটা বিচ্ছিন্ন অবহেলিত জায়গার অনুসঙ্গ আনে। কাশ্মীরের মানুষও আসলে উপেক্ষিত। তাঁদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে কেউ? মনোজ সিনহা বলছেন কাশ্মীর খুব ভালো আছে। তাহলে কেন প্রেসক্লাবে তালা ঝোলাতে হচ্ছে? কেন ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে? জাতীয় নিরাপত্তার কথা ভেবে কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কিছু বলা যাবে না—এমনটা তো হতে পারে না! ৩৭০ তুলে নেওয়ার পরে কাশ্মীরের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য আর সামনে আসছে না। তা ক্রমাগত চেপে দেওয়া হচ্ছে। রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকাতেও সংরক্ষণ নিয়ে জটিলতায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছে গুজ্জর-রা। সেটাও একটা সমস্যা। সেগুলিও মানুষের সামনে আসা উচিত। জম্মু-কাশ্মীরে নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক নির্বাচন হওয়াটা খুব প্রয়োজন। এখন পাকিস্তান কাশ্মীর নিয়ে খুব উচ্চবাচ্য করছে না। চিনও খুব তৎপর নয় লাদাখ নিয়ে। এ অবস্থায় আমরা এটাই আশা করতে পারি, সুষ্ঠু ভাবে জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন হোক। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আসুন। সংসদে তাঁদের সমস্যাগুলি তুলে ধরুন। ভুলত্রুটি থাকবেই। কিন্তু কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ যেন নিজেদের কথাগুলি তুলে ধরতে পারে!

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।